বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৬

আবার টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর বসছে বাংলাদেশে!

অনলাইন ডেস্ক-

২০২১ সালে ভারতের মাটিতে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পরিবর্তে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। তবে আইসিসির এই সিদ্ধান্তে নাখোশ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এর অনেক কর্মকর্তা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগু থেকে জানা যায়, প্রয়োজনে বিশ্বকাপও বর্জন করতে পারে টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু আইসিসির একাশং পাল্টা জবাব দিয়ে জানিয়েছে ভারত যদি টি-২০ বিশ্বকাপ আয়োজন করতে না চায় তবে, বাংলাদেশ বা শ্রীলঙ্কাকে এর দায়িত্ব দেয়া হবে।

ভারতের একটি সংবাদ মাধ্যম জানায়, প্রয়াত আইসিসির সাবেক প্রধান জাগমোহন ডালমিয়া সংস্থাটির আর্থিক দিকটির বাজে অবস্থা দেখে লন্ডনে আইসিসির দফতরে বসেই আবিষ্কার করেছিলেন চ্যাম্পিয়নস ট্রফি, তখন কোষাগারে পড়ে ছিল মাত্র একুশ হাজার পাউন্ড। তিনি আইসিসিকে রক্ষা করার জন্য এগিয়ে এলেন। ভারতীয় স্পনসরদের সঙ্গে কথা বলে বিশ্বকাপের নক-আউট সংস্করণ মাঠে আনলেন।

মিনি বিশ্বকাপ নামে বাংলাদেশে চালু হওয়া সেই প্রতিযোগিতা প্রথম বছরেই দারুণ সফল ছিল। ভালো অবস্থায় এলো আইসিসি কোষাগারেও। শোনা যায়, তিন বছরের মধ্যে কয়েক হাজার পাউন্ড থেকে আইসিসির কোষাগারে জমা হয়েছিল ৭ মিলিয়ন পাউন্ড।

সর্বশেষ ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডে হয়েছিল চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। তবে কলকাতায় বসে বৃহস্পতিবার আইসিসি ঘোষণাই করে দিল, ডালমিয়ার চালু করা প্রতিযোগিতা আর হবেই না। দু’বছর অন্তর আয়োজন করা হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। চার বছর অন্তর হবে পঞ্চাশ ওভারের বিশ্বকাপ। এছাড়া হবে টেস্টের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ।

অন্যদিকে আইসিসির দাবি, সর্বসম্মতভাবেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় উপস্থিত ভারতীয় বোর্ডের প্রতিনিধিরাও নাকি আপত্তি জানাননি। কিন্তু বিসিসিআইয়ে অনেক কর্তা ঘোষণা শুনে ফুঁসছেন। শীর্ষস্থানীয় এক বিসিসিআই কর্মকর্তা বলেন, ‘অকল্যান্ডের বৈঠকে ঠিক হয়েছিল, ২০২১ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি হবে ভারতে। তখন কেউ বলেনি, এটা পঞ্চাশ থেকে বিশ ওভারের হয়ে যাবে। এখন কী করে বিশ ওভারের করে দেওয়া যায়?’

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *