রবিবার, মে ২৭

আলোর ফেরিওয়ালা, মাসুম সরকার অালভী

বিদ্যা শিক্ষা কাকে বলি? বই পড়া? নানাবিধ জ্ঞানার্জন করা? আবার অনেকে মনে করেন অর্থ উপার্জনের মাধ্যম। তাই যদি না হতো, তবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাজারো আলোর ফেরিওয়ালা ছাত্র-ছাত্রী বের হয়ে আসত। দুঃখ জনক হলেও সত্য বর্তমানে এর বিপরীত অর্থ ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কেমন হওয়া উচিত ছিল, আর বর্তমানে কেমন হচ্ছে দুটোই দেখানোর চেষ্টা করব। প্রথমে ভালোর দিকটাই বলি।

অজানাকে জানতে চাওয়া, অদেখাকে দেখতে চেষ্টা করা, অস্বাভাবিককে স্বাভাবিক করে তোলা, গোড়ামি অন্ধতা ও কুসংস্কার থেকে মানুষকে মুক্তির পথ বাতলানো। সূর্যের আলোতে যেরূপ পৃথিবীর সকল কিছু ভাস্বর হয়ে ওঠে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা জ্ঞানের আলোতে নিজের জীবন ও সমাজের মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর বিকাশ ঘটাবে।যেমন একটি প্রদীপ লক্ষ প্রদীপের প্রাণ জাগায়। শিক্ষা যে দান করে সে আলোর মানুষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের সম্মানজনক উপাধি না হয়ে সন্ত্রাস মাদক সম্রাট আর কত নতুন নতুন বিষয় যোগ হচ্ছে।দৈনিক পত্রিকায় দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর চেহারা।মেয়েদের ইভটিজিং করছে মাদক সেবন করে। রাজনীতির ছত্রছায়া নিয়ে সাধারণ ছাত্রদের হয়রানি। অশ্লীল ও বেহায়াপনা চলে ক্যামেরার বাইরে।আবার অনেক বিপদগামী জঙ্গীবাদের দিকে দাবিত হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পরিস্থিতি দেখে হাজার ও মা-বাবার উদ্বেগ, উৎকণ্ঠার শেষ নেই। অনেক বাবা-মা তাদের মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে চান না। এর ফলে আমাদের উচ্চ শিক্ষিত নারীর হার কমছে, অন্য দিকে অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত উন্নত। তাই আসুন মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বিনির্মাণে কাজ করি।

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *