বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৬

নাইনটিন সেভেনটি ওয়ান এন্ড আদার স্টোরিজ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

এম এইচ কবীর, নিজস্ব প্রতিবেদক :
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী রচিত নাইনটিন সেভেনটি ওয়ান এন্ড আদার স্টোরিজ গ্রন্থের হিন্দিতে অনূদিত গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ জুন) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের ৩য় তলার সম্মেলন-কক্ষে গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় একটি পরিবার। এই পরিবারের প্রতিটি অর্জন আমাদের সামগ্রিক অর্জন। আমাদের কর্মকান্ডে পারস্পরিক মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে আমরা একে অন্যকে অনুপ্রাণিত করতে চাই। তিনি বলেন, অনুবাদের অনস্বীকার্যতা রয়েছে। অনুবাদের মধ্য দিয়ে আমরা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষকে পরস্পরের কাছাকাছি আনতে চাই। তিনি ইংরেজিতে বইটি লেখার উদ্দেশ্য ব্যাখা করে বলেন, যদি ইংরেজিতে গ্রন্থ রচনা করা যায় তবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের যে অনুভূতি-আবেগ-যন্ত্রণা-বেদনাগুলো বিশ্বের অন্য ভাষাভাষী মানুষদের কাছে শেয়ার করা যাবে। তাতে করে আমাদের প্রতি অন্য ভাষাভাষী মানুষের মর্যাদাবোধ ও সহানুভূতি এবং আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হবে। তিনি জানান, নাইনটিন সেভেনটি ওয়ান এন্ড আদার স্টোরিজ গ্রন্থের বিভিন্ন গল্প বিশ্বের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। হিন্দিতে গ্রন্থটির অনুবাদের জন্য ভাইস-চ্যান্সেলর নয়াদিল্লীর রুব্রিক পাবলিশিং-এর সিইও এবং জওহরলাল নেহেরু টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের সাবেক প্রফেসর ড. বীণা বিশ্বাসকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, হিন্দিতে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলরের গ্রন্থ অনূদিত হওয়ায় শুধু তাঁর নিজের নয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের সুনাম ও গৌরব বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি ভাইস-চ্যান্সেলরকে অভিনন্দন জানান।

আইআইইআর-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাঃ মেহের আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ভারতের নর্থ বেঙ্গল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. দেবব্রত মিত্র এবং নয়াদিল্লীর রুব্রিক পাবলিশিং-এর সিইও এবং জওহরলাল নেহেরু টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের সাবেক প্রফেসর ড. বীণা বিশ্বাস।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে পাঠক সমাবেশ নাইনটিন সেভেনটি ওয়ান এন্ড আদার স্টোরিজ গ্রন্থটি প্রকাশ করে। গ্রন্থটিতে লেখকের মোট বারোটি গল্প স্থান পেয়েছে। ভারতের শিমলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক প্রফেসর ড. উষা বন্দে গ্রন্থটি হিন্দি ভাষায় অনুবাদ করেছেন।

নিউদিল্লী সাহিত্য একাডেমির সেক্রেটারি ড. কে শ্রীনিবাস রাও বলেছেন, “রাশিদ আসকারীর ছোটগল্পে একটি বৃহত্তর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাধীনতা সংগ্রামের কাহিনী পরম মানবিকতার সাথে বিধৃত হয়েছে। এটি লেখকের সাহিত্যিক সামর্থ্যের সাক্ষ্য বহন করে।”

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *