সোমবার, অক্টোবর ১৫

পুলিশ যেখানে জনগনের সেবক!

মাসুদ-চাঁদপুর থেকে
পুলিশ নামটি শুনলে অনেকেই ইদানীং কালে বিরূপ মন্তব্য পোষণ করেন।গুটিকয়েক অসাধু পুলিশ সদস্যের কারণে পুলিশ বিভাগে দুর্নাম ও ঘটে মাঝে মাঝে ।পুলিশের খারাপ খবর গুলোই চোখে পড়ে আমাদের।কিন্তু সে পুলিশ যখন ভাল কাজ করে বেড়ায় সে খবর ক’জন রাখে?তেমনই পুলিশের একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা রাজীব দাশ।
পুলিশের ভাল খবর জানতে আমরা মুখোমুখি হয়েছিলাম চাঁদপুর জেলার,ফরিদগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) রাজীব দাশের সাথে।ফরিদগঞ্জ থানা থেকে ফিরে পুলিশের ভাল খবরের গল্প শুনাচ্ছেন,রিফাত কান্তি সেন..

পুলিশ জনগনের বন্ধু,পুলিশকে অনেকেই জনগনের সেবক হিসেবেই মানেন।আর পুলিশ জনগনের সেবায় নিয়োজিত বলেই সমাজে বড় ধরনের কোন অপরাধ ঘটাতে অপরাধী হাজার বার চিন্তা করে।রাজীব দাশ পুলিশের একজন চৌকস কর্মকর্তা।নিজের জীবন বাঁজি রেখে অপরাধীদের মোকাবেলা করতেই বেশী স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।প্রতিনিয়ত মাদকের বিরুদ্ধে সচ্চার থাকা এ পুলিশ কর্মকর্তা সন্ত্রসীদের গুলি ও খেয়েছেন।রাজীব দাশ আই জিপি ব্যাজ প্রাপ্ত একজন প্রশাসনের এ ক্যাটাগড়ির কর্মকর্তা।চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির এক সভ্রান্ত হিন্দু পরিবারে জন্ম নেয়া বালকই আজ জনগনের সেবক।সততা,নিষ্ঠা আর কর্মস্পৃহা দিয়ে প্রতিনিয়তই এগিয়ে চলছেন এ কর্মকর্তা।প্রান্তিক মানুষের নয়নের মনে হয়ে উঠেছেন প্রশাসনের নিযুক্ত এ কর্মকর্তা। রাজীব দাশ কে ভালবাসেন না এমন লোক ও খুঁজে পাওয়া দুস্কর।

১৯৮৯ সালে পুলিশ বাহীনিতে যোগদেন তিনি।মহেশখালী,সিএমপি,ডিএমপি তে কাজ করে বর্তমানে তিনি ফরিদগঞ্জে ওসি তদন্ত হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।মননশীল চিন্তা আর ভাল মানুসিকতার দরুন তিনি দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছেন।ভাল কাজ আর সাহসিকতার কারণে ২০০৮ সালে তিনি আইজিপি ব্যাজ প্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে সম্মান পান।বর্তমানে তিনি নারী,শিুশু নির্যাতন,মাদক,বাল্যবিবাহ,জঙ্গী,এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সদা ততপর থেকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহন করেছেন।চাঁদপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার পিপিএম এর খুবই আস্তাভাজন একজন পুলিশ কর্মকর্তা রাজীব দাশ।বর্তমানে একটি চাঞ্চল্যকর নারী হত্যাকান্ডের বিষয়ে তদন্ত করছেন পুলিশের এ চৌকস কর্মকর্তা।পুলিশের এ মেধাবী কর্মকর্তা বলেন,প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে পুলিশিং সেবা দিতে আমরা বদ্ধ পরিকর।আমরা বিশ্বাস করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে আমরা পুলিশিং সেবায় নিজেদের বিলিয়ে দেবো।পুলিশ জনগনের বন্ধু ,জনগনের টাকায় আমাদের বেতন হয় তাই জনগনের সমস্যা,সুখ,দুঃখে আমাদের পাশে থাকা একান্ত বাঞ্চনীয়।৯৯৯ পুলিশিং সেবার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন,‘এ পর্যন্ত আমাদের কাছে ৩৫ টি অভিযোগ এসেছে।প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সাথে নিয়ে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।মাদক,শিশু,নারী নির্যাতনের মত স্পর্শকাতর বিষয় গুলোকে গুরুত্বের সাথে দেখি।এছাড়া ফরিদগঞ্জে আসার পর মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয়ের হস্তক্ষেপে ৩০ বছর পূর্বের জায়গাজমি সক্রান্ত একটি মামলায় বাদী ও আসামিকে মিলিয়ে দেই।এছাড়া ৪৭ এ দেশ ভাগের পর লাউতলী গ্রামে,বাউল বাড়ির হিন্দু,মুসলিম নিয়ে যে বিভেদ ছিল সেটির ও সমাধান করে শান্তি বজায় রাখতে চেষ্টা করেছি।পুলিশের কাছে এসে কাউকে ভোগান্তী পোহাতে হয়েছে এমন কোন রেকর্ড এখন ফরিদগঞ্জ থানায় নেই।অবশ্য এজন্য তিনি তাঁর সহকর্মী এবং উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা পোষণ করেন।বিশেষ করে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার এর প্রতি কৃতজ্ঞতা বেশী পোষণ করেন কারণ তাঁর উপর আস্থা আছে বলেই ফরিদগঞ্জ থানায় ওসি তদন্ত হিসেবে তাকে পাঠিয়েছেন। ’পুলিশের এমন সৎ মেধাবী কর্মকর্তার জন্য রইলো শুভ কামনা।

সাহসী এ কর্মকর্তা চট্টগ্রামের নজুমিয়া লেনের আলোচিত জোঁড়া খুন মামলায় ও সফল তদন্ত শেষ করেন।২০০৭ সালে ডাকাতদের ছোড়া গুলিতে আহত হোন।ভবিষতে দেশকে ভালকিছু উপহার দিতে চাই।সংস্কৃতিতে ও তাহার আগ্রহ বেশ।মাঝে মাঝে গান ও করেন।এমনকী নারী ও শিশু নির্যাতন নামক একটি ডেক্স ও তিনি পরিচালনা করেন।যেখানে ভূক্তভূগী নারী ও শিশুদের পুলিশি সহায়তা খুব দ্রুত দেয়া হয়।

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *