শুক্রবার, মে ২৫

লালবাগ কেল্লার ভয়ংকর সুরঙ্গ পথে কিভাবে গেলেন বিজ্ঞানীরা

মোঃ ফারুক হোসেন-

লালবাগ কেল্লা বাংলাদেশের মানুষের কাছে খুবই পরিচিত। ছোট বেলা থেকে বই পুস্তুক এর বিভিন্ন সময় অনেক ইতিহাস পড়তে পড়তে বড় হয়েছেন কিন্তু কিছু ইতিহাস হয়তো অজানা রয়ে গেছে। এই লালবাগ নিয়ে আছে অনেক রহস্য।

জানা যায় লালবাগ কেল্লার ভিতরে এমন
এক সুরঙ্গ পথ আছে যার ভিতরে প্রবেশ করে আর কেউ ফেরত আসতে পারেনি।
লালবাগ কেল্লার নিচ দিয়ে অনেক গুলো
সুরঙ্গ আছে যে গুলি জমিদার আমলে করা, জমিদাররা বিপদ দেখলে সেই সব পথ দিয়ে পালিয়ে যেতো।

তেমনি এক সুরুঙ্গ আছে সেই পথে কেউ ঢুকলে তাকে আর পাওয়া যেত না।
পরিক্ষা করার জন্য এক বার দুটি কুকুর
শিকলে বেধে সেই সুরঙ্গে নামানো
হয়েছিলো কিন্তু শিকল ফেরত আসলো,
কুকুর দুটি আর ফেরত আসেনি।

বিষয় টা হচ্ছে এইটা মোগল আমলে
বানানো হয় দিল্লি যাওয়ার জন্য
এখন যেমন টা দেখা যায় তেমন টা ছিলোনা। জানা যায় কিছু বিদেশি বিজ্ঞানীরা গবেষণা করার জন্য কুকুর পাঠায় কিন্তু কুকুর আর ফেরত আসেনি
কারো কারো মতে বলা হয় এখানে এমন কিছুগ্যাস আছে প্রানির মাংস গলে পরে
যায় ।কারো মতে এখানে এমন এক
ভয়ংকর শক্তি আছে যার কারণে
এখানে কেউ প্রবেশ করলে আর ফিরে
আসে না।আর এখানে এত অন্ধকার যে লাইটও কাজে আসে না। এখন এইটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।কেউ যদি কেল্লায় যান পাহাড়ের উপরে উঠলে দেখতে পাবেন।

সুবিদার আজম শাহ্ ১৬৭৮ সালে
ঢাকায় একটি প্রসাদ দূর্গ নির্মানের হাত দেন। তখন ঢাকায় সুবেদার দের থাকার জন্য কোন স্থানের ব্যবস্থা ছিলোনা। সল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব পালন করতে ঢাকায় আসা সুবেদাররা ঢাকায় স্থায়ীভবন নির্মাণে উৎস দেখান নি। যুব রাজ আজম শাহ্ তিনি এই উদ্দেগ নেন ।তিনি জটিল একটি নকশা আঁকেন দুর্গের নির্মান কাজ শুরু করেন।তিনি দুর্গের নাম করন করেন।
কিল্লা অারঙ্গ বাদ কিন্তু পরের বৎসর
সম্রাট আরঙ্গ জেব তাঁকে দিল্লি ফেরত
পাঠান ফলে দুর্গের কাজ অসম্পন্ন থেকে
যায়।এরপর সুবেদার হয়ে দ্বিতীয় বারের
মতো ঢাকা আসেন সায়েস্তা খা।যুবরাজ আজম শাহ্ তাঁকে লালবাগ কেল্লার অসম্পন্ন কাজ শেষ করার অনুরোধ করেন। সায়েস্তা খা দুর্গের কাজ পুনরায় শুরু করেন কিন্তু ১৬৮৪ সালে তার অতি অাদরের মেয়ে পরি বিবি মারা গেলে অ শুভ মনে করে কাজ বন্ধ করে দেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্মান করেন পরি বিবির সমাধি। অসম্পন্ন রয়ে গেছে লালবাগ কেল্লার সব কাজ ।।

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *