মঙ্গলবার, জুলাই ১৭

শীতার্তদের পাশে দাঁড়ান, মাসুম সরকার আলভী

বাংলাদেশ নিম্ম মধ্যম আয়ের দেশ।চারদিকে উন্নয়নের জোয়ার। প্রযুক্তির বাতাস আজ মানুষের দূর্গোড়ায়। উঁচু উঁচু দালান। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ। জীবন এখন ওরো সহজ ও আনন্দদায়ক হয়ে ওঠেছে।উন্নয়ন আমার আলোচনার বিষয় নয়।

আমাদের আলোচনা হল গরিব শীতার্তদের নিয়ে। তবে অনেকে বলতে পারেন, ধান ভানতে সিবের গান কেনো!এজন্য দেশের ভালর দিকটা আগে দেলিয়ে নিলাম। যাক আসল কথায় আসি। গত দুইশত বছর যে বন্যা হয়নি, গেল বছর সে বন্যা বয়ে গেছে দেশের উত্তরের জেলাগুলোতে। বন্যায় মানুষগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছিল।

বন্যা শেষে নতুন ভাবে বাড়ি তৈরি করে। টিন আর খরের ঘর। কুয়াশা আর হু হু বাতাস। গত ৫০ বছরে রের্কড ভেঙ্গছে । শীত তিন ডিগ্রি সেলসিয়াসনেস। অট্রালিকার মানুষগুলো বেস আরামেই দিন কাটছে। তবে ফুটপাতের ও টিনের বাড়ির মানুষগুলো কি প্রকৃতির দিন পার করছে বুঝ! কাটের চৌকি আর দু একটা কাথা। কুয়াশায় টিন বেয়ে পানি পরে টিপটিপ। নড়াচড়া করলে মনে হয় পানিতে বেজা বিছানা।দেশের ৬৪ জেলার মাঝে ১০/১১ টি জেলার মধ্যে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট,দিনাজপুর, রংপুর, গাইবান্ধা ইত্যাদি। এই এলাকার অধিকাংশ লোক শীত নিবারনের মতো জিনিস নেই।প্রচন্ড শীত হওয়া সত্যেও জীবন নির্বাহ করার জন্য কাজ করতে হয়। চাষিকে যেতে হয় বীজতলায় পানিতে নেমে চারা রোপণ। জেলে মাছ ধরেন।রিকসা চালক, মুটেমজুর কাজ করেই চলছে।

ফুটপাতের মানুষ একটি ছালার ভিতরে প্রবেশ করে রাত কাটায়। বন্যার সময় আমরা যেভাবে জাতি বর্ণ ধর্মনিরবিশেষে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দাতা সংস্থাসহ অনেক ব্যক্তি এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় দুশত বছরের বন্যাকে জয় করেছে।

বন্যার মতো শীত ও বড় দূর্গোয নিয়ে আসছে। মানুষ শীতে নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পরেছে। তবে বন্যার জন্য যেমন আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয় শীতের জন্য কিন্তু তা হয় না। কথায় আছে মাগের শীতে হাড় কাপায়। আসুন বন্যার মতো করে আমরা সবাই শীতার্তদের পাশে দাড়াঁই। আপনার একটি কম্বল বা পোশাক তাদের শীত নিবারণের পাথেয়। পরিশেষে আব্দুল জাব্বারের সেই গানটি মনে পরে মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না।

সিএন নিউজ২৪.কম এ কুমিল্লা নাঙ্গলকোট সহ সারা বিশ্বের সংবাদ পেতে হলে এই লেখার উপরে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক ফ্যান পেইজে লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন।

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *