রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৩

“সামাজিক সংগঠনের অন্তরালে” _ হাসান জামিল

বাংলাদেশ টা যেহেতু গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী একটা রাষ্ট্র, সেহেতু রাষ্ট্রের প্রতিটি জনগণ গণতান্ত্রিক হবে এটাই স্বাভাবিক।সেজন্য আমাদের দেশের প্রতিটি মানুষ কোনো না কোনো রাজনীতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী।রাজনীতিক কর্মকাণ্ড কেউ প্রকাশ্যে করে আবার কেউ গোপনীয়তা বজায় রেখে হৃদয়ে লালন করে।তবে এটা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই যে, আমি রাজনীতি পছন্দ বা লালন করিনা।

সামাজিক যতো গুলো সংগঠন রয়েছে রাষ্ট্রে, প্রতিটি সংগঠন কোননা কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সৎ উদ্দেশ্যের বহিঃপ্রকাশ।সবার উদ্দেশ্য হল সমাজের মধ্যে যেসব মানুষ দারিদ্রসীমার নিছে বসবাস করে বা সামাজিক ভাবে অবহেলিত তাদের পাশে এগিয়ে আসা।আর এসব সংগঠনের ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কোননা কোন রাজনীতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী। আবার সামাজিক সংগঠন পরিচালনা করতে হলে সংগঠনে প্রায় সকল মতাদর্শের মানুষকে দরকার হয়। তাই এটা অনায়াসে বলা যায় যে, নির্দিষ্ট কোন একক অাদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করার কোন সুযোগ নেই।

আপনি বা আপনারা যেভাবে রাজনীতি করার ক্ষমতা রাখেন, অন্য কেউ রাজনীতি করার ক্ষমতা রাখতে পারবেনা কেন?যেভাবে আপনি সরকার কে টেক্সাস দিয়ে থাকেন একই ভাবে অন্যরাও দিয়ে থাকে।

সমাজে যতো বেশী সামাজিক সংগঠন হবে ততো বেশী অবহেলিত মানুষ গুলোর কষ্ট কমে যাবে।আপনি তাদেরকে বাহবা ! দিবেন না সেটা আপনার ব্যাপার কিন্তু সামাজিক সংগঠন গুলো নিয়ে আপনি তো সমালোচনা করতে পারেন না। রাজনীতি করতে হলে ন্যায়নীতি মেনে করতে হয়।

সমাজে প্রতিদিন মাদকদ্রব্য কেনাবেচা হচ্ছে যার কুফল অনেক ভয়াবহ,কই আপনি তো কখনো এসব নিয়ে লেখতে দেখলাম না।যৌতুক, ইভটেজিং,রাজনীতি হয়রানি ও প্রতিহিংসা হামলা মামলা এসব নিয়ে তো দেখিনি আপনাকে কথা বলতে।আপনি কাউকে সাহায্য দিবেন না,আবার কেউ দিলে তাকে নিয়ে সমালোচনা করবেন এটা কেমন নীতি আপনাদের?শুধুমাত্র ভিন্ন মতের কারনে আপনি তাদেরকে সহ্য করতে পারছেন না।তাহলে বুঝতে হবে এটা আপনাদের ছোট মানসিকতার পরিচয়।এসবের বিরুদ্ধে আপনি অনেক যুক্তি দাঁড় করাতে পারবেন তবে দিনশেষে আপনি ও রক্তে মাংসে গড়া একজন ভালো মানুষ।

সামাজিক সংগঠন গুলো সেই ১৫০০ শত বছর আগেও ছিল আর এখনো আছে ভবিষ্যতেও থাকবে।আমরা প্রতিটি সংগঠন কে সাধুবাদ জানাই।এসবের কারনে সমাজের ক্ষতি হয়না বরঞ্চ অনেক উপকার হয়। সর্বশেষ বলতে চাই প্রিয়নবী সা. বলেছেন,যে মানুষের উপকার করে,সেই উত্তম মানুষ। আর আমরা বলি,মানুষ মানুষের জন্য,জীবন জীবনের জন্য।

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *