মঙ্গলবার, জুলাই ১৭

হাত-মুখ বেঁধে বিধবাকে গণধর্ষণ ও হত্যা, আটক ২

অনলাইন ডেস্কঃ-

এবার এক বিধবাকে হাত-মুখ বেঁধে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গণধর্ষণের পাশাপাশি বিধবা ওই নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যাও করা হয়েছে।
আর এমন পৈষাচিক মর্মন্ত ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুরের কাপাসিয়ায়।

মঙ্গলবার গভীর রাতে ওই নারীর থাকার ঘরে জোর পূর্বক প্রবেশ করে পড়নের শাড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে একাধিক যুবক মিলে গণধর্ষণ করে। শুধু তাই নয়, মৃত্যু নিশ্চিত করে ওই বিধবা নারীর মৃতদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যায় ধর্ষণকারীরা। নিহত ওই বিধাবার নাম সেলিনা বেগম ওরফে লালানী (৫০)। তিনি শ্রীপুর গ্রামের মৃত মুস্কত আলী মেয়ে।
বুধবার খবর পেয়ে থানা পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানা নিয়ে আসে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে পুলিশ দুই যুবককে আটক করেছে। আটককৃতরা হলো, ওই এলাকার লোকমান হোসেনের পুত্র রাজিব (২২) এবং মৃত ইসমাইলের পুত্র ফালু ওরফে বোরহান (২৮)।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই কাপাসিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে প্রতিদিনের মতোই নিজঘরে ঘুমিয়ে ছিল ফালানি। কিন্তু বুধবার সকাল নয়টার দিকে এলাকাবাসী তাকে খোঁজতে গিয়ে দরজা খোলে বিবস্ত্র, হাত ও মুখ বাঁধা অবস্থায় তার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। প্রতিবেশী বিউটি ও নাসিমা বেগম জানান, নিহত বিধবা ফালানী নি:সন্তান। সে তার পিতা মৃত মুস্কত আলীর বাড়িতে একটি ঘরে একাই থাকত।

তারা আরও জানান, বেশ কয়েকমাস যাবত একই এলাকার লোকমান হোসেনের পুত্র রাজিব (২২) এবং মৃত ইসমাইলের পুত্র ফালু ওরফে বোরহান (২৮) প্রায় সময়ই ফালানীকে উত্যক্ত করত। এ নিয়ে সম্প্রতি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাধ্যমে ওই যুবকদের সতর্ক করে দেয়া হয়েছিল।

কাপাসিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক জানান, বুধবার সকালে খবর পেয়ে থানা পুলিশ শ্রীপুর গ্রামের আমিরেরটেক থেকে এক মহিলার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্যে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এসআই মনির হোসেন জানান, লাশ উদ্ধার করে সুরতহালে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রাজিব ও ফালুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। নিহতের ভাই বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

Comments

comments

Powered by Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *