বুধবার, ডিসেম্বর ১৯

Author: Md Al Noman

তরুণ প্রজন্মের বাংলাদেশ ও বিজয় “মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী”

তরুণ প্রজন্মের বাংলাদেশ ও বিজয় “মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী”

আমাদের বিজয়। একটি দেশের বিজয়। রক্তের দামে কেনা বিজয়। পৃথিবীর মানুষকে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি ; রক্তের বিনিময়ে কীভাবে বিজয় অর্জন করতে হয়। অত্যাচারী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাংলার সাধারণ জনগণ, মা-বোনরা সবাই ৯ মাসব্যাপী যুদ্ধে দেখিয়েছে তাদের বীরত্বের প্রমাণ। আজ আমার প্রিয় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে সমৃদ্ধির দিকে। আমাদের তরুণরা বিশ্বের বুকে দেশের পতাকাকে উঁচু স্থানে অধিষ্ঠিত করছে। এভারেস্টের চূড়ায় উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মাঠে চলছে সোনার বাংলার জাতীয় সংগীতের সুরের মূর্ছনা। গণিত অলিম্পিয়াডে অর্জন করছে স্বর্ণপদক। আন্তর্জাতিক কিরাত প্রতিযোগীতায় পাচ্ছে চ্যাম্পিয়নের গর্বিত পুরস্কার। আমাদের তরুণ প্রজন্ম এখন বিশ্বের প্রতিটি অঙ্গনেই দেশের নামকে রাখছে সম্মানজনক অবস্থানে। এমনকি আমাদের দেশ থেকে উচ্চশিক্ষা নিয়ে বিদেশী শিক্ষার্থীরা তাদের দেশে কৃতিত্বের সাথে অবদান রেখে যাচ্ছে। যা অনেক বড় গর্বের বিষয়
চীনে কারখানা বন্ধ করছে স্যামসাং

চীনে কারখানা বন্ধ করছে স্যামসাং

সিএননিউজ প্রযুক্তি ডেস্কঃ- চীনের তিয়ানজিনে একটি মোবাইল ফোন উৎপাদন কারখানা বন্ধ করতে যাচ্ছে স্যামসাং ইলেকট্রনিকস। দেশটির স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বীদের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজারটিতে স্যামসাংয়ের বিক্রি কমায় এই সিদ্ধান্তে এসেছে দক্ষিণ কোরীয় প্রতিষ্ঠানটি-- খবর রয়টার্সের। স্মার্টফোন নির্মাতা চীনের স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে স্মার্টফোন বিক্রি করায় দেশটিতে চাহিদা কমেছে স্যামসাং ফোনের। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে চীনা স্মার্টফোন বাজারের এক শতাংশ ছিল স্যামসাংয়ের দখলে, যেখানে ২০১৩ সালের মাঝামাঝি প্রতিষ্ঠানটির দখলে ছিল ১৫ শতাংশ। হুয়াওয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে বাজার হারিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। স্যামসাংয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, “আমাদের কারখানাগুলো উৎপাদন ক্ষমতা আরও কার্যকর করতে আমাদের চলমান প্রচেষ্টায় স্যামসাং ইলেকট্রনিকস একটি কঠিন সিদ্ধান্তে এসেছে যে, তিয়ানজিন স্যামসাং ইলেক
না ফেরার দেশে চলে গেলেন বীর প্রতীক তারামন বিবি

না ফেরার দেশে চলে গেলেন বীর প্রতীক তারামন বিবি

সিএননিউজ ডেস্কঃ- একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা বীরপ্রতীক তারামন বিবি আর নেই। বিজয় মাসের প্রথম দিনই শনিবার মধ্যরাতে কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার কাচরিপাড়ায় নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বীর এই যোদ্ধার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। ছেলে আবু তাহের জানান, বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত এ বীরাঙ্গনা দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। শনিবার বাদ জোহর জানাজা শেষে তাকে নিজ বাড়িতেই দাফন করা হয়। কুড়িগ্রামের শংকর মাধবপুরে ১১ নম্বর সেক্টরে কমান্ডার আবু তাহেরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন তারামন বিবি। মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা, তাদের অস্ত্র লুকিয়ে রাখা, পাকিস্তানিদের খবর সংগ্রহের পাশাপাশি অস্ত্র হাতে সম্মুখ যুদ্ধেও তিনি অংশ নিয়েছেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তারামনকে বীর প্রতীক খেতাব দেয়। কিন্তু এই মুক্তিযোদ্ধার নাম জনসমক্ষে আসে ১৯৯৫ সালে। ওই বছর ১৯ ডিসেম্বর