বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৮

কলাম

বাবার বিদায়ের পাঁচবছর! শারমিন ইতি

বাবার বিদায়ের পাঁচবছর! শারমিন ইতি

শারমিন আক্তার ইতি, সিএন নিউজ২৪.কম। আম্মাজান! আম্মাজান! আর কতক্ষন? এই তো আব্বু হয়ে গেছে আসুন বলেই রেডি হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়লো অশ্রু। কিন্তু আব্বু না বেরিয়েই মুচকি হেসে বললো খেয়ে যাবো তো ক্ষিধে লাগছে আসেন, বিরক্তির ছাপ নিয়ে আব্বুকে বলে দিলো না না এখন সকাল বেলা খেতে পারবোনা আমি আপনি খেয়ে নেন, রহস্যের হাসি টেনে কাছে এসে পিঠে হালকা ছুঁয়ে দিয়ে বললো আজ আপনার সাথে খেতে ইচ্ছে করছে আসুন না, অশ্রু জানে এসব তাকে খাওয়ানোে কৌশল তার বাবার। তবুও সেই আবদার ফেলতে পারেনা সে বিরক্তি নিয়েই আম্মুর দিকে ঈঙ্গিত করে বললো দাও অল্প একটু দাও। বাবার জয়ে ওর মায়ের চোখেমুখেও হাসি ফুটে উঠে যেন। খেয়ে একসাথে বেরিয়ে পড়লো মেম্বার সাহেব ও তার মেয়ে অশ্রু(ছদ্মনাম)। অশ্রুর বাবার ফার্নিচার শো রুম আর অশ্রুর স্কুল দুটোর দুরত্ব প্রায় ১০০গজ হবে, তাই একসাথেই বাবা মেয়ে সকালে বের হয়ে পড়ে, বাবার শো রুমের কাছেই অশ্রু এক
সিএন নিউজের সকল পাঠকদের ঈদের শুভেচ্ছা “ঈদ মোবারক”

সিএন নিউজের সকল পাঠকদের ঈদের শুভেচ্ছা “ঈদ মোবারক”

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশ বিদেশে অবস্থানরত সকল পাঠক, উপদেষ্টা, কলাকৌশলী, সম্পাদক মন্ডলী, প্রতিনিধি, ও বিজ্ঞাপন কারিদের ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দক্ষিন কুমিল্লার জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সিএন নিউজ24.কম এর সম্পাদক রবিউল হোসাইন রাজু। এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেছেন, মহান ত্যাগের বার্তা নিয়ে পবিত্র ঈদুল আযহা আবার আমাদের মধ্যে সমাগত। আমি এই উপলক্ষে দেশ বিদেশের সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক। মহান আল্লাহপাকের নির্দেশে মুসলিম জাতির পিতা হযরত ঈব্রাহিম (আ.) তার প্রিয় সন্তান হযরত ইসমাঈল (আ.) কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়ে যেভাবে পরম করুনাময় আলাহ তায়ালার সন্তুষ্টি বিধান ও নৈকট্য লাভ করেছিলেন। ঠিক তেমনি আমরা ইসলামের নির্দেশিত পথে নিজের জান ও মালের কোরবানি করে সেই ত্যাগের আদর্শ যেন অনুসরণ করি। আমাদের জীবনে এই আদর্শের প্রতিফলন ঘটানোই হবে সার্থকভাবে ঈদ উদযাপন। ঈদুল আজহার আগ মুহূর্তে পবিত্র আরবভূমিতে অনুষ্ঠিত হ
ত্যাগের উৎসব কুরবানী বনাম প্রদর্শনেচ্ছা

ত্যাগের উৎসব কুরবানী বনাম প্রদর্শনেচ্ছা

কুরবানির ঈদ মুসলিম সমাজের ত্যাগের উৎসব। ভোগে নয়, ত্যাগেই শান্তি এ কথার যথার্থতা পাওয়া যায় মুসলিম সমাজে। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মুসলিম সমাজের ত্যাগের পরাকাষ্ঠা পরিলক্ষিত হয় কুরবানি ঈদে। ভোগের উৎসব সবাই করে থাকে কিন্তু ত্যাগের উৎসব শুধু সাধুজনই করেন। নিজের উপার্জিত অর্থ ত্যাগ করে আনন্দ উৎসব করার দৃষ্টান্ত বিরল। ত্যাগের উৎসব শুধু মুসলিম সমাজেই বিদ্যমান। সাধ্য অনুযায়ী প্রত্যেক মুসলিমের কুরবানির বিধান ইসলামে আছে। প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর শারীরিক কুরবানির জন্য নামাজ, রোজা ও অন্যান্য ইবাদাত অপরিহার্য। আর বিত্তশালী মুসলিমের জন্য অন্যান্য ইবাদতের সাথে কুরবানিও অপরিহার্য। এ কুরবানি করা হয় পশু জবেহের মাধ্যমে। মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর স্মৃতি ধারণ করার জন্য আল্লাহ তায়ালা উম্মাতে মুহাম্মাদীর উপর পশু কুরবানি অপরিহার্য করেছেন। তাই মুসলিমরা প্রতি বছর এ কুরবানি করে থাকেন। তারা এ ত্যাগের জ
ইবাদত হোক স্রষ্টার সন্তুষ্টে

ইবাদত হোক স্রষ্টার সন্তুষ্টে

জিলহজ্ব মাসের নয় তারিখ হিসেব মতে আরাফার দিন, সমগ্র মুসলিম জাতির জন্য এক মহামিলনের দিন এবং এক ভ্রাতৃত্বের মিলনমেলা। যেখানে বিশ্বের প্রতিটি প্রান্ত থেকে গোটা মুসলিম জাতি ছুটে চলে স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভের আশায় পবিত্র মক্কা নগরীতে, যেখানে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর জম্মেছেন সারা দুনিয়ার আলোর দিশারি হয়ে। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে হজ্বের স্থান হচ্ছে চতুর্থ। সামর্থ্যবান মুসলিমের উপর হজ্বকে করা হয়েছে ফরজ, সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে রাসূলে পাক হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর পবিত্র রওজা মোবারক দেখার এবং তার হেটে চলে পা মোবারকের প্রতিটি বালিকনাকে স্পর্শ করার। স্রষ্টা যাদেরকে সেই ভূমিতে পা রাখার তৌফিক দান করেছেন তারাই ছুটে গিয়েছে কাছ থেকে একবার ছুঁয়ে দেখতে পবিত্র কাবা নগরীকে এবং সেই সাথে তার জীবনের সমস্ত জানা অজানা পাপকে ধুয়ে মুছে নিজেকে মাছুম রুপে ফিরিয়ে আনতে। মহান আল্লাহ্ পাক রাব্বুল আলামীন
রক্তঝরা ১৫ আগস্ট কী নিষ্ঠুর, কী ভয়াল, কী ভয়ঙ্কর ছিল সেই রাত

রক্তঝরা ১৫ আগস্ট কী নিষ্ঠুর, কী ভয়াল, কী ভয়ঙ্কর ছিল সেই রাত

ঐদিন কেঁদেছিল আকাশ, ফুঁপিয়ে ছিল বাতাস। বৃষ্টিতে নয়, ঝড়ে নয়- এ অনুভূতি ছিল শোকের। পিতা হারানোর শোক। প্রকৃতি কেঁদেছিল; কারণ মানুষ কাঁদতে পারেনি। ঘাতকের উদ্ধত সঙ্গিন তাদের কাঁদতে দেয়নি। কিন্তু ভয়ার্ত বাংলার প্রতিটি ঘর থেকে এসেছিল চাপা দীর্ঘশ্বাস। কী নিষ্ঠুর, কী ভয়াল, কী ভয়ঙ্কর- সেই রাত। যা ৪৩ বছর পরও ৫৬ হাজার বর্গমাইলের জনপদের ধূলিকণা ভুলতে পারেনি। ভুলতে চায়নি, ভুলতে পারবে না। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে অশ্রুভেজা, কলঙ্কময় রাতের কথা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতের কথা। যে রাতে স্ত্রী-সন্তানসহ সপরিবারে নিহত হয়েছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বছর ঘুরে রক্তের কালিতে লেখা সে দিন-রাত আবার ফিরে এসেছে। ‘ধন্য সেই পুরুষ’র জন্য আজ আমরা আবারো বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে কবি শামসুর রাহমানের সঙ্গে উচ্চারিত করি_ ‘ধন্য সেই পুরুষ, যার
“সামাজিক সংগঠনের অন্তরালে” _ হাসান জামিল

“সামাজিক সংগঠনের অন্তরালে” _ হাসান জামিল

বাংলাদেশ টা যেহেতু গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী একটা রাষ্ট্র, সেহেতু রাষ্ট্রের প্রতিটি জনগণ গণতান্ত্রিক হবে এটাই স্বাভাবিক।সেজন্য আমাদের দেশের প্রতিটি মানুষ কোনো না কোনো রাজনীতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী।রাজনীতিক কর্মকাণ্ড কেউ প্রকাশ্যে করে আবার কেউ গোপনীয়তা বজায় রেখে হৃদয়ে লালন করে।তবে এটা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই যে, আমি রাজনীতি পছন্দ বা লালন করিনা। সামাজিক যতো গুলো সংগঠন রয়েছে রাষ্ট্রে, প্রতিটি সংগঠন কোননা কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সৎ উদ্দেশ্যের বহিঃপ্রকাশ।সবার উদ্দেশ্য হল সমাজের মধ্যে যেসব মানুষ দারিদ্রসীমার নিছে বসবাস করে বা সামাজিক ভাবে অবহেলিত তাদের পাশে এগিয়ে আসা।আর এসব সংগঠনের ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কোননা কোন রাজনীতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী। আবার সামাজিক সংগঠন পরিচালনা করতে হলে সংগঠনে প্রায় সকল মতাদর্শের মানুষকে দরকার হয়। তাই এটা অনায়াসে বলা যায় যে, নির্দিষ্ট কোন একক অাদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করার
“কোরআনের আলোকে গড়ি সোনালি সমাজ”

“কোরআনের আলোকে গড়ি সোনালি সমাজ”

মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী সহ-সম্পাদক, সিএন নিউজ ২৪. কম মহিমান্বিত রাত লায়লাতুল ক্বদর। এই রাতেই মহান আল্লাহ তা'আলা নাজিল করেছেন পবিত্র কোরআন। যার মাঝে নিহিত মানবজাতির সব সমস্যার সমাধান। একজন মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, রাষ্ট্রীয় ও অর্থনৈতিক প্রতিটি ক্ষেত্রেই আল কোরআন হলো জীবনবিধান। এই মহাগ্রন্থ আল-কোরআন শুধুমাত্র মুসলিমদের জন্য নাজিল হয়নি; তা নাজিল হয়েছে সব মানবজাতির হিদায়াতের উদ্দেশ্যে। এই কিতাব সামান্য কাগজের পাতায় মোড়ানো সাধারণ কোন পুস্তক নয়। আর তিলাওয়াতের সুরের মূর্ছনায় সীমাবদ্ধ নয়! একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবন হতে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রেই কোরআনের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটানো অতীব জরুরী। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেছেন- "তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো, রাসূলের (দঃ) আনুগত্য করো এবং দায়িত্বশীলের আনুগত্য করো" এই আনুগত্যের জায়গা যথাযথ হলে আমাদের জীবন হবে সমৃদ্ধ ও প্রশান্তিময়। একটি
অাত্মবিশ্লেষণ ও আত্মশুদ্ধির মাস রমযান

অাত্মবিশ্লেষণ ও আত্মশুদ্ধির মাস রমযান

মাসুম সরকার অালভী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,কুষ্টিয়া। সংযম,আত্মবিশ্লেষণ ও আত্মশুদ্ধির মহান বারতা নিয়ে মাহে রমযান এলো মুমীন মুসলমানের দারে দারে। সারা বছরের পাপ মোচনের জন্য আল্লাহর কাছে মাগফিরাত কামনা করে ধর্মপ্রাণ মুসলমান। ভুলত্রুটির ও অন্যায়ের জন্য অাল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। আত্ম সংযমের মাস হলেও বর্তমানে আমাদের মাঝে রমযান আসে ভিন্ন অাঙ্গিকে। রমযান শুরু হলেই এদেশের বাজারে ভয়ংকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। রমযানের প্রথমেই একটি শ্লোগান ওঠে সবর্ত্র মজুদদার -মুনাফাখোর-তোলাবাজদের গ্রেফতার কর,দ্রব্যমূল্যের দাম সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখো। কিন্তু আমাদের সমাজের মানুষ ঠিক বিপরীত দিকে ঘোরপাক খাচ্ছে।প্রতিবছর মহড়ার পূনরাবৃত্তি ঘটলেও কোন এক অদৃশ্য শক্তির কাছে পরাজিত হয় সব চেষ্টা। পবিত্র রমযান সামনে রেখে মূল্যবৃদ্ধির খেলা কেবলমাত্র আমাদের দেশেই সম্ভব।মহান অাল্লাহর দরবারে তার এবাদত বন্দেগী দ্বারা তার প
খেলার মাঠে মেলা কেনো

খেলার মাঠে মেলা কেনো

বাসার পাশে বিশাল এক মাঠ। পড়াশোনা শেষ করে বিকেলে ফুটবল,ক্রিকেট আরো কত রকম খেলা করতাম। বন্ধুদের সাথে হতো সে কি মজা! সন্ধ্যা হলে বাসায় এসে আবার পড়তে বসা। কিন্তু এখন আর হয়ে ওঠেনা । মাঠ গুলো আছে ঠিকই আগের মতো বন্ধুরাও আছে । কিন্তু খেলা নেই। পড়াশোনা শেষ করে এখন মানুষের হই হই শব্দ শুনি। সন্ধ্যায় বাসায় এলে পড়তে ভাল লাগে না আগের মতো। মাথা ব্যাথা কেমন যেন অানমনা আমি। মাঠে এখন মেলা। বছরে কতবার যে হয় তার হিসেব কে রাখে। বৈশাখী মেলা, লিচুর মেলা, মাছের মেলা আর কত মেলা। মাঠ এখন আর খেলার জন্য নেই যেন মেলার জন্য করা হয়েছে। ছেলেরা বাসায় বসে ইন্টারনেট,ফেসবুক, ইউটিউবে সময় কাটায়। এর ফলে আমাদের সৃজনশীলতা ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে অপসংস্কৃতির দিকে ধাবিত হচ্ছে তরুণ সমাজ। আবার নতুন করে জঙ্গি? এক কুচক্রী ওতোপেতে আছে কখন আমাদের বিপদগামী করবে। আর মাদকতা একটা অভিশপ্ত নাম । আমাদের মতো হাজারো তরুণ তরুণীকে হাতছানি দিয়ে বে
বাহ্যিকভাবে বাঁচানো পৃথিবীর দায়িত্ব,ভেতরগতভাবে চলে যাওয়ার অধিকার প্রাণের

বাহ্যিকভাবে বাঁচানো পৃথিবীর দায়িত্ব,ভেতরগতভাবে চলে যাওয়ার অধিকার প্রাণের

মেহেদী হাসান জাহিদ : মৃত্যু শব্দগঠনটাই হল সমর্পণ করা, চোখকে কিছু না দেখতে বলা, হাতকে শক্তিচ্যুত হতে বাধ্য করা, হৃদপিন্ড নির্জীব হওয়া আর সর্বকথা হল উড়তে পাড়া কিন্তু দেহ নয় আত্তা। আমার তোমার দেহের স্নায়ুজাল দেহকে ভালবাসতে বাধ্য করে কষ্টটা নিজের বলে, আমি তুমি দেখেছি বলবান বলহীন হতে আমরা তেমনটাও হতে পারি নাই তারা আরও শক্তিধর ছিল কিন্তু নিঃশ্বাস চেয়েছিল পায়নি মৃত্যুর সময়, যারা ভয়কে জয় করেছিল তারাও ভয় পেয়েছিল যখন ঝাপসা চোখের সামনে অস্তিত্ত ছিল না নিজের , অজানা মৃত্যু কষ্ট নিয়ে ভোগায় না আর জানা হলে মৃত্যুটা অপ্রত্যাশী হয়ে যায়। আমি জানি ছাড়তেই হবে আমাকে তোমাকেও তবে রসদ কাল থেকে অর্জন করব এভাবেই নিজের আয়ু বিগত হয়ে গেল সময় পাওয়া হল না । যদি নিজের সময় জানা থাকত তবে যার জন্যে এসেছি তাই করতাম পরে ফলভোগী হয়ে যেতাম কিন্তু নিয়মটা এমন নয় অজ্ঞাত সময়ের ফলে কাজের প্রতি অনিহার হয়েছে। মানুষের জন্ম থেকে মৃত্য
“ক্রসফায়ার ও অন্তহীন ভাবনা” আফজাল হোসাইন

“ক্রসফায়ার ও অন্তহীন ভাবনা” আফজাল হোসাইন

ডিজিটাল বাংলদেশে অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ মাদক । সমাজে রন্ধে রন্ধে বিষধর সাপের মত ছড়িয়ে পড়েছে জীবন বিনাশী নীল নেশা মাদকদ্রব্য। মাদকের সাথে সম্পৃক্ত লোকটিও এই চরম সত্যটি হয়তো জানে, কিন্তু মাদকের সংস্পর্শে এসে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পশুত্বের কাতারে শামিল হয়েছে। আগেও মাদক বিরোধী আইন ছিল প্রয়োগ খুব একটা পরিলক্ষিত হয়নি। হঠাৎ করেই সরকার পর্যবেক্ষণ করলেন মাদকসক্ত হয়ে এই জাতির জীবনীশক্তিতে পচন ধরেছে। পচনরোধে সরকার কঠোর হস্তে পরিচালনা করছে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান। আমি এই সিদ্ধান্তের সাথে একাত্মতা পোষণ করেই আমাদের ভাবনার বিষয়টি উপস্থাপন করছি। যে বিষয়টি ভাবিয়ে তুলছে ক্রসফায়ারই কি একমাত্র সমাধান? গত ১১ দিনে মাদক বিরোধী অভিযানে নিহত হয়েছে ৬৩ জন। এভাবেই কি সমাধান সম্ভব? যদি সমাধান সম্ভব হতো মাদক বিরোধী এত সাঁড়াশি অভিযানের পরও যদি পত্রিকার শিরোনাম হয় - 'অভিযানের মধ্যেও আসছে ইয়াবা ' 'কড়াকড়িতে কৌশল বদলে ম
রমজান মাস ভোগের নয়,রমজান মাস হল সংযমের :হাসান জামিল

রমজান মাস ভোগের নয়,রমজান মাস হল সংযমের :হাসান জামিল

মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, সংযম,বিভেদ-হানাহানি, লোভ-লালসা, কাম-ক্রোধসহ সব কুপ্রবৃত্তিকে কঠোর সংযমের মাধ্যমে জয় করে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার মাস হল পবিত্র রমজান।রমজানের অনেক গুলো শিক্ষার মধ্যে একটি শিক্ষা হল,সমাজের বা রাষ্ট্রের ধনী ও বিত্তবানদের মনে দরিদ্রের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া। কারন ধনী ও বিত্তবানেরা যেন দরিদ্রের ক্ষুধার তাড়ানা বুঝতে পারে।আর যারা বিত্তবান রয়েছে তারা যেন দরিদ্রের মাঝে ইফতার ও সেহরি দিয়ে সাহায্যার্থে এগিয়ে আসে। কিন্তু আমাদের দেশে ঠিক ঘটছে তার বিপরীত।বিত্তবানেরা রমজান আসার পূর্বেই ব্যাগ ভর্তি করে সারা মাসের বাজার এক সাথে করে থাকে। যার কারনে দ্রব্যমূল্যের দাম অনেক গুণ বেড়ে যায়। কারন উৎপাদন হচ্ছে কম বিক্রি হচ্ছে অনেক গুণ বেশি তাই দাম বেড়ে যাচ্ছে। আর যারা খুচরা ক্রেতা বা দরিদ্র তারা সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্চে,এর মধ্যে তো একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী তো রয়েছে। আমাদের দেশে কিছু কাটমোল্ল
“ইফতারের ফজিলত” মোঃ তাজুল ইসলাম

“ইফতারের ফজিলত” মোঃ তাজুল ইসলাম

আরবি ফুতুর শব্দ থেকে এসেছে ইফতার শব্দটি। বাংলা অর্থ করলে হয় নাস্তা ফুতুর শব্দটি। ইফতার অর্থ খোলা, উন্মুক্ত করা, ছেড়ে দেওয়া ইত্যাদি। ইসলামী পরিভাষায় সূর্যাস্তের পরে খেজুর পানি বা কোন খাদ্য দ্রব্য খেয়ে রোজা ছেড়ে দেওয়াকে ইফতার বলে। যায়েদ ইবনে খালেদ আল-জুহানি (রা,) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা,) বলেছেন- যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে রোজাদারের সমপরিমান সওয়াব পাবে। রোজাদারের সওয়াব একটুও কমানো নাহি হবে। (সুনানে তিরমিযি-৮০৭,সুনানে ইবনে মাজাহ-১৭৪৬) রাসুল (সা,) বলেন -- অপারগতায়, একটিমাত্র খেজুর বা পানি বা এক ঢোক দুধ দিয়ে ইফতার করাবে, তাকেও এ সওয়াব দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি রোজাদারকে পরিতৃপ্তিতে খাওয়াবে, তাকে হাউজে কাউছার থেকে-- এমন পানি পান করোনো হবে, জান্নাতে না পৌছা পর্যন্ত সে তৃষ্ণার্ত নাহি হবে। (বায়হাকী ওয়াবুল ঈমান, মেশকাত-১৭৪ পৃষ্ঠা) একটি হাদিসে আছে -- যে ব্যক্তি হালাল রুজি দ্বারা
নারী শ্রমিক সমাজ ও দেশ গড়ার অন্যতম হাতিয়ার

নারী শ্রমিক সমাজ ও দেশ গড়ার অন্যতম হাতিয়ার

সাজেদুর আবেদিন শান্তঃ দেশের উন্নয়ন কল্পে নারীদের ভূমিকা দেখে যে কেউ এক বাক্যে বলতে বাধ্য, নারী শ্রমিক দেশ ও সমাজ উন্নয়নের হাতিয়ার। কেননা দেশে বা বিদেশে নারী শ্রমিকের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই যাচ্ছে। শিক্ষিত কিংবা অক্ষরজ্ঞানহীন লাখ লাখ নারী পোশাক শিল্পে কাজ করছে। বাড়ছে রফতানি আয়। পুরুষ শ্রমিকদের চেয়ে নারী শ্রমিকরা বেশি পরিশ্রমী হলেও তাদের সে রকম মজুরি প্রদান করা হচ্ছে না। ফলে নারী শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আর এই কারণে নারীরা বেশি শ্রম দেবার পরও অর্থনৈতিকভাবে তেমন স্বাবলম্বী হচ্ছে না। মেয়েরা কি কাজ করেনা সেটা বলা মুশকিল? ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পাঠানোর জন্য প্রতিদিন খুব ভোরে উঠে কাজ করতে হয়। যার বিনিময়ে নারীদের কোন মজুরি প্রদান করা হয় না। তবুও আমাদের সমাজে নারীরা আজ অনেক অবহেলিত। বর্তমানে নারীরা বিভিন্ন পেশায় কাজ করছে যেমন: অফিস, আদালত, কম্পিউটার, কুমারের
আজ কতটা স্বাধীন গণমাধ্যম?- সাব্বির আহমেদ সোহাগ

আজ কতটা স্বাধীন গণমাধ্যম?- সাব্বির আহমেদ সোহাগ

আজ বৃহস্পতিবার, "বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। ১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশ মোতাবেক ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ৩ মে তারিখকে ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’ অথবা বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের স্বীকৃতি দেয়া হয়। সেই থেকে প্রতি বছর সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। ‘কিপিং পাওয়ার ইন চেক : মিডিয়া, জাস্টিজ অ্যান্ড রোল অব ল’এই স্লোগানকে সামনে রেখে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এবার এই দিবসটি পালন করা হচ্ছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থা বর্ণনায় যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা আর্টিকেল নাইনটিন জানিয়েছে, ২০১৭ সালে এ সংক্রান্ত স্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে ৩৩৫টি। ২০১৩ সালের পর থেকে তা সর্বোচ্চ উল্লেখ করে জানানো হয়, এই ঘটনাগুলোর ৭০ শতাংশের ক্ষেত্রে শিকার হয়েছেন তৃণমূলের সাংবাদিকরা। এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি আরও জানায়, মতপ্রকাশে বাধা দিতে আইন ব্যবহারের প্রবণতা বাড়
হারিয়ে যাচ্ছে পোস্ট অফিস

হারিয়ে যাচ্ছে পোস্ট অফিস

আল্ আমিন শাহেদ- একটা সময় ছিল ডাকযোগে চিঠি আসত।যা নিয়ে অনেক কবিতা অনেক গল্প ছিল।ছিল গান যা শুনতো সকলেই।সবাই বলে রাখত ডাক পিয়নকে, আমার ছেলের চিঠি আসলে আমাকে খবর দিও।প্রেমপত্র আসত ডাকযোগে।মনির খান লিখেছিল চিঠি লিখেছে বউ আমার ভাঙ্গা ভাঙ্গা হাতে।নেই সেই আর্তনাদ নেই সেই কান্না।ডাকেনা সেই শিক্ষিত ছেলেটিকে পড়ে দাও বাবা আমার ছেলের চিঠিটা।আজ ডিজিটাল ছোয়ায় মোবাইলে সম্পন্ন হচ্ছে সব। ইমু,ভাইবার,হোয়াটস্ আ্যাপ,মেসেন্জার ইত্যাদিতেই সম্পন্ন হচ্ছে চিঠির কাজ। একমাত্র পোস্ট অফিস কাজে লাগে সরকারী কোন কাগজ আসার জন্য। রাজ্জাক,হাসান,ফয়েজ,আবু মুছা,বাশার সহ আরো অনেকের সাথে কথা বলে যানা যায় যে, সরকার ইচ্ছা করলে ডাক বা পোস্ট অফিসকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগনের ধার প্রান্তে নিয়ে যাওয়ার জন্য পদক্ষেপ নিতে পারে।
শ্রমিক জনতার আন্দোলনের ফসল আজকের এ মে দিবস।

শ্রমিক জনতার আন্দোলনের ফসল আজকের এ মে দিবস।

আজ মহান মে দিবস, মে দিবস উপলক্ষে সারা বিশ্বের সকল শ্রমিক জনতার প্রতি রইলো লাখো সালাম ও অবিরাম ভালোবাসা, আজকের এ দিনটি ঐতিহাসিক একটি দিন, যা বিশ্বের মানচিত্রে ওমর হয়ে থাকবে আজীবন। মাঠে-ঘাটে, কলকারখানায় খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে রক্তঝরা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন। দীর্ঘ বঞ্চনা আর শোষণ থেকে মুক্তি পেতে ১৮৮৬ সালের এদিন বুকের রক্ত ঝরিয়েছিল শ্রমিকরা। এদিন শ্রমিকরা আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের সব শিল্পাঞ্চলে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল। সে ডাকে শিকাগো শহরের তিন লক্ষাধিক শ্রমিক কাজ বন্ধ রাখে। শ্রমিক সমাবেশকে ঘিরে শিকাগো শহরের হে মার্কেট রূপ নেয় লাখো শ্রমিকের বিক্ষোভ সমুদ্রে। এক লাখ ৮৫ হাজার নির্মাণ শ্রমিকের সঙ্গে আরো অসংখ্য বিক্ষুব্ধ শ্রমিক লাল ঝাণ্ডা হাতে সমবেত হয় সেখানে। বিক্ষোভের এক পর্যায়ে পুলিশ শ্রমিকদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালালে ১০ শ্রমিক প্রাণ হারান। অন্যদিকে হে