রবিবার, এপ্রিল ২২

কলাম

“লালন জীবন ও দর্শন” মাসুম সরকার অালভী

“লালন জীবন ও দর্শন” মাসুম সরকার অালভী

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। মাহাত্মাে লালন শাহ একাধারে একজন অাধ্যাত্মিক বাউল সাধক মানবতাবাদী সমাজ সংস্কারক, দার্শনিক অসংখ্য অসাধারণ গানের গীতিকার সুরকার ও গায়ক ছিলেন। অনুমানিক ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান বাংলাদেশে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। লালনের জন্ম কোথায় তা নিয়ে বির্তক রয়েছে। লালন নিজে কখনো তা প্রকাশ করেননি। হিতকরী পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ নিবদ্ধে বলা হয়েছে লালন তরুণ বয়সে একবার তীর্থেভ্রমণে বের হয়ে পথিমধ্যে গুটিবসন্ত রোগে আত্রুান্ত হন। তখন তার সাথীরা তাকে মৃত ভেবে পরিত্যাগ করে চলে যায়। কালিগঙ্গা নদীতে ভেসে আসা মুমূর্ষু লালনকে উদ্বার করেন।ছেঁউড়িয়া গ্রামের মলম ফকিরের স্ত্রী মতিজান বিবি। মলম শাহ ও তার স্ত্রী মতিজান তাদের বাড়িতে নিয়ে সেবা শুশ্রূষা দিয়ে সুস্থ করেতোলেন। আজীবন লালন তার দীক্ষা গুরু সিরাজ সাঁইকে শ্রদ্ধা করেছেন এবং তার কাছে থেকে পথ নির্দেশনা পেয়েছেন। কুষ্টিয়াতে অাখড়ায় স্থায়ী বসবা
“একদিনের কাঙ্গালি” শারমিন ইতি

“একদিনের কাঙ্গালি” শারমিন ইতি

একদিনের কাঙালি "শারমিন ইতি" আজ ১৪২৫ বাংলা সনের হিসেব মতে পহেলা বৈশাখ / নববর্ষ। এ নিয়ে হইচইয়ের আর অন্ত নেই, সেই কবে থেকে চলছে পরিকল্পনা আর কেনাকাটা ইত্যাদি। বছরের ৩৬৪দিন পান্তা খেয়েও বলতে অনেকে লজ্জা পায় কিন্তু আজ কেউ কেউ পান্তার সাথে নিজের বদনখানিও ফেবুতে তুলে ধরবেন অন্ত্যান্ত নিঁখুতভাবে। আজ কোন লজ্জা নেই, সমস্ত লজ্জাকে পায়ে ঠেলে জাতি সাজবে আজ কাঙালি। আজ বড় বড় রেস্টুরেন্ট হবে কাঙালিদের মিলনমেলা, লালপেড়ে সাদাশাড়ি খোঁপায় ফুল, কানেদুল, হাতে বাহারি রকমের চুড়ির ঝলকানিতে নিজেকে করে তুলবে আজ কাঙালিপরী, ছেলেরাও নিজেকে বাঙালিবাবুর স্বরুপে আত্বপ্রকাশ করবে বাসনপেতে পান্তার সাথে। আসলেই কি এই নির্দিষ্ট একদিন আমাদেরকে প্রকৃত বাঙালিপনায় ভরিয়ে দিতে পারবে  অত্যাধুনিকতা(অপসংস্কৃতি) থেকে? বছরের অন্যদিন কেউ পেটের ক্ষুধায় পান্তা খেয়ে এলে জনসম্মুখে কি আদৌ বলতে পারে কথা প্রসঙ্গে? জাতি তাকে
পহেলা বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিবৃত্ত- সাব্বির আহমেদ সোহাগ

পহেলা বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিবৃত্ত- সাব্বির আহমেদ সোহাগ

  পয়লা বৈশাখ বা পহেলা বৈশাখ (বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ) বাংলা সনের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ। দিনটি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের সাথে পালিত হয়। ত্রিপুরায় বসবাসরত বাঙালিরাও এই উৎসবে অংশ নিয়ে থাকে। সে হিসেবে এটি বাঙালিদের একটি সর্বজনীন লোকউৎসব হিসাবে বিবেচিত। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে ১৪ই এপ্রিল অথবা ১৫ই এপ্রিল পহেলা বৈশাখ পালিত হয়। আধুনিক বা প্রাচীন যে কোন পঞ্জিকাতেই এই বিষয়ে মিল রয়েছে। বাংলাদেশের প্রতি বছর ১৪ই এপ্রিল এই উৎসব পালিত হয়। বাংলা একাডেমী কর্তৃক নির্ধারিত আধুনিক পঞ্জিকা অনুসারে এই দিন নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এছাড়াও দিনটি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গৃহীত। বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা দিনটি নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করার উপলক্ষ হিসেবে বরণ করে নেয়। মঙ্গল শোভাযাত্রা প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্
“লাইলাতুল মে’রাজ এর তাৎপর্য” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

“লাইলাতুল মে’রাজ এর তাৎপর্য” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

  লাইলাতুল মেরাজ বা মেরাজের রজনী, যা সচরাচর শবে মেরাজ হিসাবে আখ্যায়িত হয়, হচ্ছে ইসলাম ধর্মমতে যে রাতে ইসলামের নবী মুহাম্মদের (সা.) ঐশ্বরিক উপায়ে ঊর্ধ্বাকাশে আরোহণ করেছিলেন এবং স্রষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করেন সেই রাত। মুসলমানরা এবাদত-বন্দেগীর মধ্য দিয়ে এই রাতটি উদযাপন করেন। ইসলামে মেরাজের বিশেষ গুরুত্ব আছে, কেননা এই মেরাজের মাধ্যমেই ইসলাম ধর্মের পঞ্চস্তম্ভের দ্বিতীয় স্তম্ভ অর্থাৎ নামাজ মুসলমানদের জন্য অত্যাবশ্যক অর্থাৎ (ফরজ) নির্ধারণ করা হয় এবং দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নির্দিষ্ট করা হয়। ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী হযরত মুহাম্মদের (সা:) নবুওয়াত প্রকাশের একাদশ বৎসরের (৬২০ খ্রিষ্টাব্দ) রজব মাসের ২৬ তারিখের দিবাগত ইসলামের নবী মুহাম্মদ (সা:) প্রথমে কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেমে অবস্থিত বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকসায় গমন করেন এবং সেখানে তিনি নবীদের জামায়াতে ইমামতি করেন। অতঃপ
“জাতি তোর নিস্তার নাই” শারমিন আক্তার ইতি

“জাতি তোর নিস্তার নাই” শারমিন আক্তার ইতি

জাতি তোর নিস্তার নাই "শারমিন আক্তার ইতি" বাঙ্গালীর ছাত্রজনতা একদিন সম্মলিত কন্ঠে গর্জে উঠেছিলো ৫২তে, কন্ঠে তুলেছে প্রতিবাদের ঝড়, রক্তে তুলেছে সত্যের স্লোগান, আত্বার বলে বলিয়ান হয়ে ঢেলে দিয়েছে তাজা বুকের টকটকে লাল রক্তের স্রোত, ছিনিয়ে এনেছে জয়, আজ আমরা সেই জয়ের পরাজিত সৈনিক। একদিন আমরা যেই প্রতিবাদ থেকে চেতনা পেয়েছি, আজ সেই চেতনাকেই পায়ে দলিয়ে প্রতিবাদির বুকে গুলি ছুড়ে নিজেকে বর্বরদের খাতায় লিপিবদ্ধ করে নিলাম। আজও জেগে উঠেছে ছাত্রজনতা নেমেছে রাজপথে, তুলেছে স্লোগান করছে নিজের অস্তিত্ব রক্ষার দাবী, সেই দাবীর বুকে চলছে গুলি, মেধার বুকে মারছে লাথি, সত্যের থেকে মুখ ফিরিয়ে আমরা মিথ্যে নিয়েই মাতি। কেন নামলি তোরা বলি হওয়ার আশংকা জেনেও? তোরা কি ভেবেছিস? কোটা প্রথার সংস্কার হলেই তোদের মেধাকে যথাযথ মূল্যয়ন করা হবে? মোটেও না তবে তোরা বোকাই রয়ে গেলি, কোটা প্রথা যে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে সেটা সত্যি
স্বাধীনতাঃ আমাদের পরম পাওয়া

স্বাধীনতাঃ আমাদের পরম পাওয়া

মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী ( সহ_সম্পাদকঃ সিএন নিউজ) আজ ৪৮ তম মহান স্বাধীনতা দিবস। এই স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যেসব বীর-সেনানীরা তাঁদের তপ্ত-তাজা প্রাণ বিলিয়ে দিয়েছেন ; তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। আমরা বাঙালি জাতি বীরের জাতি। দেশের তরে অকাতরে প্রাণ বিলাতে আমরা সবাই লড়তে রাজি। আমাদের প্রতিটি রক্তকণায় তাজা হিমোগ্লোবিন উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সকল স্বৈরাচারী ও অত্যাচারীরর বিরুদ্ধে। যে প্রমাণ দিয়েছিলাম ৭১'এর এই দিন। ২৫শে মার্চ ভয়াল কালো রাত্রির বিভীষিকাময় রজনী পেরিয়ে আসে ২৬ শে মার্চ। স্বাধীনতার ঘোষণা পেয়ে রাজপথে নামে বাংলার মুক্তিকামী জনতা। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে আমরা ফিরে পাই মহান স্বাধীনতা। আল্লাহর অশেষ কৃপায় আজ আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি। সাম্প্রতিক উন্নয়নশীল দেশের তালিকায়ও নাম লিখার গৌরব অর্জন করেছি। এই ধারা অব্যাহত থাকার পাশাপাশি সব নাগরিকের মৌলিক চাহিদা অক্ষুণ্ণ থাকলেই আমরা
খেলাই কি শুধু দেশ প্রেম? সাব্বির আহমেদ সোহাগ

খেলাই কি শুধু দেশ প্রেম? সাব্বির আহমেদ সোহাগ

  ইতিহাস এর দিকে তাকালে দেখা, ১৯৪৭সালে দেশ বিভাগের পর থেকে যতগুলো আন্দোলন ;তথা ৫২এর ভাষা আন্দোলন, ৬৬এর ছয়দফা, ৬৯এর গণঅভ্যুত্থান এবং সর্বশেষ ৭১এর মহান মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল স্বাধীন সার্বভৌম বাঙালি জাতির ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে। দীর্ঘ নয়-মাস এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা নিজের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে স্বাধীনতার যে রক্তিম সূর্য এনে দিয়েছিলেন, এবিজয়ের পেঁছনে যে মহাশক্তি ছিল, তাহলো "দেশপ্রেম"! "দেশপ্রেম" এর সংজ্ঞা এক একজন মানুষের কাছে এক একরকম। এক কথায়, জন্ম থেকে স্বদেশের প্রতি ভালবাসা ও মমত্ববোধই দেশপ্রেম। অর্থাৎ যে দেশের আলো বাতাসে শৈশব কৈশর পেরিয়ে বেড়ে উঠা, সে দেশের প্রতি ভালবাসা ও দেশের কল্যাণে কাজ করাই হচ্ছে দেশপ্রেম। ইসলাম ধর্মে দেশপ্রেম কে ইমানের অঙ্গ বলা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো--------খেলাই কি শুধু দেশপ্রেম? যখন বাংলাদেশ জয় লাভ করে, তখন আম
“আজ বিশ্ব কবিতা দিবস”  মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

“আজ বিশ্ব কবিতা দিবস” মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

    আজ বিশ্ব কবিতা দিবস। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১ মার্চ তারিখটিকে বিশ্ব কবিতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই দিবস পালনের উদ্দেশ্য হল বিশ্বব্যাপী কবিতা পাঠ, রচনা, প্রকাশনা ও শিক্ষাকে উৎসাহিত করা। ইউনেস্কোর অধিবেশনে এই দিবস ঘোষণা করার সময় বলা হয়েছিল, "এই দিবস বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কবিতা আন্দোলনগুলিকে নতুন করে স্বীকৃতি ও গতি দান করবে।" পূর্বে অক্টোবর মাসে বিশ্ব কবিতা দিবস পালন করা হত। প্রথম দিকে কখনও কখনও ৫ অক্টোবর এই উৎসব পালিত হলেও বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে রোমান মহাকাব্য রচয়িতা ও সম্রাট অগস্টাসের রাজকবি ভার্জিলের জন্মদিন স্মরণে ১৫ অক্টোবর এই দিবস পালনের প্রথা শুরু হয়। অনেক দেশে আজও অক্টোবর মাসের কোনো দিন জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কবিতা দিবস পালন করা হয়। এই দিবসের বিকল্প হিসেবে অক্টোবর অথবা নভেম্বর মাসের কোনো দিন কবিতা দিবস পালনেরও প্রথা বিদ্যমান। আসুন! মনের ক
“সিএন নিউজ ও তারুণ্যের পথযাত্রা” ✍ মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

“সিএন নিউজ ও তারুণ্যের পথযাত্রা” ✍ মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

  স্বপ্নরা কতো কিলবিল করে। সুবিশাল গগণের মিটিমিটি তারকার মতো ঝলমল করে। সেই আকাশের স্বপ্নগুলো ছুঁয়ে দেখার সৎ-সাহস কয়জনেই করতে পারে? আর হ্যাঁ! স্বপ্ন নামের বীজ হতেই অঙ্কুরিত হয় আলোকোজ্জ্বল বাস্তবতার। কোন এক দার্শনিক বলেছিলেন "তোমার স্বপ্নের কথা শুনে কেউ যদি উপহাস করে তবে বুঝতে হবে এই স্বপ্নই যথার্থ" তোমার অযোগ্যতার কথা ভেবে সবাই হেসেছে আর এর বিপরীতে স্বপ্নের বাস্তবায়ন করাটাই সর্বোত্তম চ্যালেঞ্জ। আর এই সিএন নিউজ ২৪.কম তেমনি এক স্বপ্নের নাম। যে স্বপ্ন দেখেছিলেন বন্ধুবর তরুণ সাংবাদিক রবিউল হোসাইন রাজু। মনে পড়ে সেইদিনের কথা। যখন আমরা নাঙ্গলকোট আফছারুল উলুম কামিল মাদরাসায় পড়তাম। একদা দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্যের ক্লাস নিচ্ছিলেন শ্রদ্ধেয় মিসেস নার্গিস ম্যাম। সেসময়ে আমি ক্লাসক্যাপ্টেন হিসেবে কোন এক কথা প্রসঙ্গে রবিউল'কে ডাকতে লাগলাম। আর সেই ডাকটি ছিল "এই সাংবাদিক "! আচমকা এমন সম্বোধনে
“শাড়িতেই নারী নয়” শারমিন আক্তার ইতি

“শাড়িতেই নারী নয়” শারমিন আক্তার ইতি

শাড়িতেই নারী হয় এ কথা কতটুকু সঠিক সেটা আমার জানা নেই, আজ কোন এক শ্রদ্ধেয় বড়ভাই এক কথার প্রসঙ্গে বললেন " বাঙ্গালী মেয়েরা শাড়ি পরতে পারেনা তাদের লজ্জা হওয়া উচিত" আমি ভাইয়াকে যথেষ্ট সম্মান করি কিন্তু ওনার এই উক্তির সাথে সহমত পোষন করতে পারলামনা বলে দুঃখিত, তবে কি শুধু শাড়ি পরলেই বাঙ্গালী হওয়া যায়? আসলে নারীর বাঙ্গালীপনা কখনো শুধুমাত্র শাড়ির উপরে বিচার করা হয়না, শাড়ি পড়তেই হবে এমন কোন বাধ্যবাদকতা কোনো পুস্তকে লিপিবদ্ধ নেই, একজন নারীকে শুধু শাড়িতেই বিচার করা যায়না, তবে হ্যাঁ শাড়িতে নারীকে তুলনামূলকভাবে সুন্দর দেখায় অন্যান্য পোষাকের চেয়ে এটা অস্বীকার করার জায়গা নেই, তার মানে অন্যান্য পোষাকেও তুচ্ছ করা যাবেনা, আসলে বাঙ্গালীপনা আর যাই বলেন না কেন একটা নারীর পোষাক যদি রুচিশীল হয় তবেই তাকে দেখতে ভালো দেখাবে হোক সেটা শাড়ি /সেলোয়ার কামিজ কিংবা অন্যকিছু , আপনার বাঙ্গালীপনা আনতে হবে রুচিশীলতায়,
জিডি কি ও কেন করবেন?এডভোকেট মহিবুল হক মুন্সী

জিডি কি ও কেন করবেন?এডভোকেট মহিবুল হক মুন্সী

জিডি সম্পর্কে আমাদের কম বেশি সবার ই কিছু ধারনা আছে তবে এর আইনগত ধারনা, আইনগত ভিত্তি ও এর আইনগত সাক্ষ্য মূল্য অনেকেরই অজানা।তাই সচেতনতার এই যুগে এইসব বিষয়ে জানা অতিব গুরুত্ত্বপুর্ণ বিধায় আজকে এই বিষয়ে আলোচনা করিতেছি। জিডি হল সাধারন ডায়েরি যার ইংরেজি রুপ হল General Diary,ইংরেজি এই শব্দ দুইটির সংক্ষিপ্ত রুপ হল জিডি(GD),এটি আসলে থানায় সংরক্ষিত অপরাধ ও অন্যান্য সংবাদ বিষয়ক একটি রেজিস্টার। যদি আমি সহজ ভাষায় বলি তাহলে জিডি বলতে বুঝায় -অপরাধ ও অন্যান্য সংবাদ বিষয়ক থানায় রক্ষিত ডায়েরিকে জিডি বলে। মূল্যবান যে কোন জিনিস হারালে অথবা কোন প্রকার হুমকি পেলে বা হুমকির আশংকা থাকলে কিংবা কোন ব্যক্তি নিখোঁজ হলে জিডি করার প্রয়োজন হয়। সাধারনত যেসব বিষয়ে মামলা হয়না সেসব বিষয়ে জিডি করা হয়।অর্থাৎ মোদ্দা কথা হচ্ছে,আপনি আপনার সম্পদের, আপনার জীবনের ও আপনার আপনজনের সম্ভাব্য কোন ক্ষতি সম্পর্কে থানা কর্তৃপক্ষক
“কথা তো রেখেছি নেতার” শারমিন আক্তার ইতি

“কথা তো রেখেছি নেতার” শারমিন আক্তার ইতি

আজ ৭ই মার্চ, যেখানে সমগ্র বাঙালি জাতিকে একত্রিত হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে এক ঐতিহাসিক ডাক (৭মার্চের ভাষন) দিয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। যেই ডাকে সাড়া দিয়েছিলো বাংলার ছোট থেকে বড় সবশ্রেণীর জনগন।যেই ডাককে প্রানের জোর করে অসহায় বাঙালিরাও শক্তি পেয়েছিলো শতগুনে প্রতিবাদ করার। নেমেছিলো সকলেই মাঠে, ছেড়েছিলো ঘরবাড়ি, আরাম আয়েশ, লুকিয়ে ছিলো মাঠেঘাটে, পথপ্রান্তরে, ঢেলে দিয়েছে তাজা প্রানের টগবগে রক্তের স্রোত। তুলে দিয়েছে মা বোনের সম্ভ্রম, কিন্তু রক্ষা করেছে নিজের মানচিত্র ফিরিয়ে এনেছে সবুজের বুকের লাল বৃত্ত। আমরা পেয়েছি গনতন্ত্র পেয়েছি মানচিত্র আর পেয়েছি স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুরর চেতনা আমাদেরকে শিখিয়েছে স্বাধীনতার মানে, শিখিয়েছি প্রতিবাদের ভাষা। আর শিখিয়েছি রক্ষা করার কৌশল। সেদিন আমরা ছিলাম বোকা তাই নেতার কথাকেই শেষ কথা ভেবে ঝাপিয়ে পড়েছি মানচিত্র রক্ষার জন্য। আমরা ছিলাম অশিক্ষিত তাই এক
বর্তমান সময়ে পৃথিবীর বিষাক্ত রূপ কি? মুহাম্মদ নুরুল করিম মাসুম

বর্তমান সময়ে পৃথিবীর বিষাক্ত রূপ কি? মুহাম্মদ নুরুল করিম মাসুম

বর্তমান সময়ে পৃথিবীর বিষাক্ত রুপ সম্পর্কে আপনার,আমার, আমাদের কারো অজানা নয়! তবুও আমি সংক্ষেপে কিছু তুলে ধরলাম। সিরিয়া গৌতা নামক স্থানে আসাদ বাহিনীর নির্মম পাশাবিক অত্যাচার এবং রাসায়নিক বোমা হামলায় ঐ শহরে আজ মুসলমানদের রক্তাক্ত লাশের গন্ধ! যা সারা বিশ্ব নিরব দর্শক হিসেবে দেখে যাচ্ছে!নেই কোন শান্তি রক্ষা মিশন নামের কোন হাজার সংখ্যার বিশিষ্টের সামরিক প্লাটুন! । সূচী কতৃর্ক মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম নির্যাতনের কথা সবার অজানা নয়।অবেশেষে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহন। । যুগে যুগে ধরে বাংলাদেশে নাস্তিকতার কার্যকলাপ। এই নাস্তিকবাদীদের জন্য কেউ বা হয়েছে আহত কেউ বা হয়েছে নিহত।ইতিহাস সাক্ষী আবার কেউবা হয়েছে দেশান্তর ও নির্বাসন। । এবং বাংলাদেশের কিছু ইসলামী দলের মাঝে শরীয়ত সম্পর্কিত কিছু নিয়ম কানুন নিয়ে তুমুল রক্তপাত! কেউ হয়েছে আহত আবার কেউ বা হয়েছে শহীদ। .......... আর এসব হ
“ধর্ষণ” রবিউল হোসাইন রাজু

“ধর্ষণ” রবিউল হোসাইন রাজু

ধর্ষণ এ যেন এক নিত্য দিনের পত্রিকার শিরোনাম, আর টিভি চ্যানেলের হেডলাইন, প্রতিনিয়ত ঘটছে হাজারো ধর্ষণের ঘটনা।কয়টা বা আসছে পত্রিকার শিরোনামে কিংবা টিভির হেডলাইনে..? হয়তো এমন ও আছে কোন ধর্ষণের খবর জানেনা তার নিজ পরিবারের লোকেরাও, তার পরেও দিন দিন বেড়ে চলছে এ ধর্ষণের ঘটনা। আর এ ধর্ষণ নামক বাজে শব্দটি এমন জায়গায় রূপ নিয়েছে যে এ ধর্ষণের হাত থেকে বাদ যাচ্ছে না নারী থেকে শুরু করে কোমল মতি নিষ্পাপ শিশুরাও। অথচ শিশুরা কিন্তু বুঝে না ধর্ষণ কি জিনিস, গত কিছুদিন আগে পত্রিকায় এক শিরোনাম দেখে আমি খুব অবাক হলাম.! যখন পত্রিকায় পড়লাম যে কুমিল্লার মুরাদনগরে পঞ্চম শেণির এক ছাত্রী ৭ মাসের গর্ভবতী, সত্যিই এটা একটি হৃদয় বিদায়ক খবর ছিল। কিন্তু তার চেয়েও যে আরো বড় হৃদয় বিদায়ক খবর শুনলাম গতকাল কিছুদিন আগে বিবিসি বাংলায় যে দিনাজপুরে পূজা নামে পাঁচ বছরের এক শিশু বাচ্ছাকে ধর্ষণ করলো এক মানুষরূপী জানোয়ার। ঠিক তখন আম
বেকারত্ব শিক্ষিত জাতির মহা অভিশাপ ! এস আই ইমরান

বেকারত্ব শিক্ষিত জাতির মহা অভিশাপ ! এস আই ইমরান

একজন শিক্ষিত কর্মঠ যুবক নিজেকে সম্পূর্ণ ভাবে তৈরি করে তার যোগ্যতা অনুযায়ী রাষ্ট্রকে সেবা দিতে চায় এবং এর বিনিময়ে সে তার জীবন থেকে বেকারত্ব নামক অভিশাপ থেকে মুক্তি পেয়ে জীবিকা নির্বাহের গ্যারান্টি চায়।বেকারত্বের যন্ত্রনা কেবল বেকাররাই অনুধাবন করতে সক্ষম।অনেক আশা নিয়ে বাবার অনেক কষ্টে উপার্জন করার টাকার বিনিময়ে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছে,তারাই আজ বেকারত্বের যন্ত্রনায় ভুগতেছে। বেকারত্বের সংখ্যা কমছে না,বরং বাড়ছে প্রতিনিয়ত।প্রতি বৎসর যে পরিমান হারে নর ও নারী শিক্ষা শেষ করছে, সে পরিমাণ কর্ম খালি হচ্ছে না। ফলে বেকার সমস্যা কেবল বেড়েই চলছে, শিক্ষিত জাতির জন্য হয়ে উঠেছে এক অভিশাপ। বেকারত্ব বাড়ছে এমন ২০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের স্থান ১২তম। যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সাময়িকী ইকোনমিস্টের ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশের ৪৭ শতাংশ স্নাতকই বে
অধিকার কি? এডভোকেট মহিবুল হক মুন্সী

অধিকার কি? এডভোকেট মহিবুল হক মুন্সী

অধিকার হলো সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত সুযোগ-সুবিধা যা ভোগের মাধ্যমে নাগরিকের ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে। প্রতিটি মানুষ জন্মের সাথে সাথে কিছু অধিকারের মালিক হয়ে যায় যাহা জন্মের শুরু থেকে জীবনের শেষ নিশ্বাস অব্দি পর্যন্ত উপভোগ করার দাবী রাখে।অধিকার শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ Rights, আর এই Rights বা অধিকার নিয়ে পৃথিবীর সর্বত্র আলোচনা হচ্ছে একমাত্র অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য।মানুষ তার প্রাপ্য অধিকার যদি ভোগ করতে না পারে তাহলে তার ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে না। যদি সহজ এবং সোজা ভাষায় বলি, তাহলে অধিকার বলতে কোন সত্ত্ব বা দাবীকে বুঝায়। কিন্তু এই দাবী যতক্ষন না স্বীকৃত ও সংরক্ষিত হয় ততক্ষন অধিকার হিসাবে প্রতিষ্ঠা পায় না।সমাজের মধ্যেই এই স্বীকৃতির ব্যবস্থা হয়।তাই বলা যায় অধিকার হল একটি সামাজিক ধারনা যাহা রাষ্ট্র এ সমাজের পক্ষে আইনের মাধ্যমে এই অধিকারকে স্বীকৃতি দেয় ও সংরক্ষন করে।যেমন আপনার বাড়ি, আপনার
“ভাষা আন্দোলন ও বাংলাভাষা” মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

“ভাষা আন্দোলন ও বাংলাভাষা” মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

  সেই শৈশবের কথা। যখন হেসাখাল বাজার প্রাইমারীতে পড়তাম। ছাত্রদের পদচারণায় মূখর থাকতো বিদ্যালয়ের অলিগলি- চারপাশ। এ যেনো মধু আহরণে মৌমাছির ব্যস্ত দলের ব্যস্ত বিচরণ। স্কুল বিরতি দিলেই আড্ডা জমতো মাঠের কোণে, কখনোবা বারান্দায়, খালেকের দোকানে। মন যদি ভালো থাকতো তবে খেলতাম কতো রকমের খেলা। ফুটবল, ক্রিকেট, গোল্লাছুট, কানামাছি আরো কতো কি! সেসময়ের খেলার সাথীরাই এসবের জীবন্ত সাক্ষী। তখন মাঠের কোণে ছিল এক কৃষ্ণচূড়া গাছ। যা অবশ্য এখন আর চোখে পড়ে না। যেন বিলুপ্ত হয়ে স্মৃতিচারণের যোগাড় করে দিলো। কৃষ্ণচূড়ার রক্তিমরাগ দৃশ্য মন কাড়তো। এযেনো তাজা রক্তের হিমোগ্লোবিনদৃশ্য। কোমলমতি মনে তখন এমনটাই মনে হতো। আর হ্যাঁ, সেই কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম ডাল কিবা হামহামের জলপ্রপাতের মতো রক্ত ঝরেছিল এই বঙ্গের রাজপথে। '৫২সালের ভাষা আন্দোলনের সংগ্রামী মিছিলে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল হানাদার বাহিনী। অকাতরে প্রাণ বিল
” নিরাপদ সড়ক চাই ও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আমাদের করনীয় ” মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

” নিরাপদ সড়ক চাই ও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আমাদের করনীয় ” মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

'নিরাপদ সড়ক চাই" ইহা নিছক কোন স্লোগান নয়! মুখে মুখে প্রচলিত কোন বুলি নয়! এর মাঝে লুকিয়ে আছে সন্তানহারা দুঃখীনি মায়ের করুণ রোদন, পিতাহারা সন্তানের ধুকে ধুকে ক্রন্দন, স্বামীহারা সহধর্মীনির আর্তনাদ। এর মাঝে লুকিয়ে আছে শত-সহস্র মানবাধিকার কর্মীদের অনুভূতির এক দীর্ঘশ্বাস। সেদিনের ঘটনা, গত ১৩- ০১-২০১৮ আমাদের নাঙ্গলকোট উপজেলার ভোলাইন বাজার হাই স্কু‌লের ৬ষ্ঠ শ্রে‌নির ছাত্র, চা‌টিতলা চেয়ারম্যান বা‌ড়ির বাবুল মিয়ার ছে‌লে ওভিন; বিকাল ৩ ঘ‌টিকার সময় স্কুল থে‌কে বা‌ড়ি যাওয়ার পথে মু‌লিধারা নামক গ্রা‌মে বিপ‌রিত দিক হতে অাসা এক‌টি ট্রা‌কের সা‌থে এ‌ক্সি‌ডেন্টে মারা যায়। প্রত্যক্ষদ‌র্শিরা জানান, ওভিন স্কুল ছু‌টি শে‌ষে বা‌ড়ি যা‌চ্ছিল। এই সময় সে বিপ‌রীত দিক থে‌কে দ্রুত গ‌তি‌তে অাসা এ‌কটি ট্রাকে চাপা পড়ে তখন সা‌থে সা‌থে তা‌কে ভোলাইন বাজা‌রে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে আবার তাকে কুমিল্লার লা
আইন কি? ও কেনো আইন জানবেন?: এডভোকেট মহিবুল হক মুন্সী

আইন কি? ও কেনো আইন জানবেন?: এডভোকেট মহিবুল হক মুন্সী

মানব জীবন নিয়ন্ত্রণ ও সুষ্ঠভাবে জীবন দ্বারা পরিচালনার জন্য তৈরী করা কিছু নিয়ম নীতি ও পদ্ধতিকেই মূলত আইন বলা হয়।তবে আইনকে সংজ্ঞায়িত করা অত্যান্ত জটিল বিষয়।মানব সৃষ্টির শুরু থেকেই এই পৃথিবীতে কিছু কিছু ছোট খাট নিয়ম কানুন চলে আসছে যার মাধ্যে তৎকালিন সমাজপতিরা তাদের নিয়ন্ত্রনাধীন গোত্রকে নিয়ন্ত্রণ করত যাহা পরবর্তীতে কালের বিভর্তনে একেকটা নিয়ম একেকটা আইনে রুপ নিয়েছে। আইনের আইনগত সংজ্ঞা জানার পূর্বে আমাদের একটা কথা স্পষ্টভাবে জানা প্রয়োজন যে,আইন বিষয়টি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কতৃক নির্ধারিত একটি বিষয় যেসব নিয়ম কানুন তিনি নবী রাসূলদের দ্বারা আদেশ উপদেশের মাধ্যমে সমস্ত জাতিকে জানিয়ে দিয়েছেন যাহার জলন্ত প্রমান ঐশী গ্রন্থ সমূহ। তার মধ্যে পবিত্র "কোরআন" হচ্ছে সবচেয়ে বড় গ্রন্থ যেখানে অসংখ্য বিধি বিধান নির্ধারন করে দেয়া হয়েছে- বান্দা,রাষ্ট্র,সমাজ,পরিবার,গোষ্ঠী ও গোত্রের জন্য।কোন কিছুই বাদ দেয়
প্রাথমিক সমাপনী প্রেক্ষিত আমাদের প্রজন্ম

প্রাথমিক সমাপনী প্রেক্ষিত আমাদের প্রজন্ম

আমি আমার কথা বলছি না! পঞ্চম শ্রেণির অধম্য মেধাবীদের কথা বলছি.. প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর উপজেলা থেকে আনা ফলাফলের শীট হাতে পেয়ে ক্লাসের প্রথম সারিতে থাকা ছাত্রদের জন্য আফসোস করেছি। ক্লাসের সবচেয়ে ভাল ছাত্রদের ফলাফল আশাব্যঞ্জক হয়নি বলে রাতে ভালভাবে ঘুমই হয়নি। পরদিন সকালে জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরা স্কুলে এসেছে। তাদের হৈচৈ-উল্লাসের মাঝেও আমি শূন্যতা অনুভব করেছি.... তাদের ভীড়ে কল্পনা করেছি সাকিব, রাফি, তুহিন, রাকিব কে! সাকিবকে আমি সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা খুঁজে পেলাম না। শুধু বললাম জিপিএ ৫ দিয়েই মেধার মূল্যায়ন করা যায় না। তুমি ভালো, তুমি ভালো ছাত্র,তুমি মেধাবী এটাই মূল্যায়নের বিষয়। মন খারাপ করোনা। তার নির্বাক চাহনি আমায় ব্যথিত করেছে। সদা প্রাণোচ্ছল, নির্মল হাসিতে অভ্যস্ত অমায়িক রাফির গোমড়া মুখ দেখে কিছুই বলার ছিল না। ক্লাসে যখন "প্রিয় শিক্ষক" রচনা লিখতে বল েছি স
প্রযুক্তির ফাঁদে শিক্ষার্থীরা-২ আফজাল হোসাইন মিয়াজী

প্রযুক্তির ফাঁদে শিক্ষার্থীরা-২ আফজাল হোসাইন মিয়াজী

প্রযুক্তির ফাঁদে শিক্ষার্থীরা-২ আফজাল হোসাইন মিয়াজী ০৬-০৭-২০১৭ ইং সেই ছোট বেলা থেকে শুনে আসছি দুটি জগতের কথা ইহজগত আর পরজগত । কিন্তু এখন জানি জগত ৩ টা । ইহজগত,পরজগত ও ভার্চুয়াল জগত । এই জগতে সবিই আছে রাজনীতি , সমাজনীতি , ধর্মনীতি, প্রেমনীতি ইত্যাদি ইত্যাদি নীতি । এই ভার্চুয়াল জগতে হাবুডুবু খাচ্ছে আমাদের শিক্ষার্থীরা ... আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর দেশ ও জাতি গড়ার কারিগর। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে, প্রযুক্তির ফাঁদে পড়ে শিক্ষার্থীরা তাদের দায়িত্বানুভূতি ভুলে গেমস, ফেইসবুকে বিচরণ করছে।ঘন্টার পর ঘন্টা আড্ডা দিচ্ছে ... কষ্ট হয় তখন, যখন দেখি চিন্তার অসঙ্গতি। অভিভাবকগণ সন্তানের হাতে প্রযুক্তি তুলে দিয়ে আত্মহারা হয়ে অনেক সময় গর্ব করে বলেন আমার ছেলে/মেয়ে মাশাআল্লাহ মোবাইলের সব পারে। এই গর্ব যে সন্তানের পায়ে কুঠারাঘাত হচ্ছে, সন্তানের স্বপ্নকে তিলে তিলে নিঃশেষ করে দিচ্ছে এটা অভিভাবকদে
বাংলার ঢাকা

বাংলার ঢাকা

বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলির শহর ঢাকা। কেউ আবার বলে বায়ান্ন গলি তিপ্পান্ন রাস্তার শহর, কেউ বলে মসজিদের শহর, কেউবা বলে রিক্সার শহর। ভাস্কর্যের অতিমাত্রার ফলে কোন কোন সমালোচকরা বলে ওঠেন মূর্তির শহর। অবাস্তব হলেও সত্য এই সুক্ষ আগ্রাসন! তবু যে যাই বলুক না কেন এই শহরের ইতিহাস - ঐতিহ্যের গভীরতা অনেকদূর। বাংলার রাজধানী ঢাকার রূপের কথা এই বিখ্যাত গানের মাঝেই ফুটে ওঠেছে " ঢাকা শহর আইসা আমার আশা পুরাইছে, লাল-নীল বাত্তি দেইখা পরান জুড়াইছে" বুড়িগঙ্গার কূলঘেষে গড়ে ওঠা এই নগরীর দৃশ্য হরেক রকমের, নানান বৈচিত্রের। আমার চোখে দেখা এই শহরে যে দৃশ্যটা ভুলার মতো নয় তা হল জুমার দিন। মুসলমান জনগোষ্ঠীর বিশেষ ইবাদতের দিন, গরীবদের হজ্বের দিন। কেননা ঢাকার অলিগলিতে মসজিদের কোন অভাব নেই বললেই চলে। মুসাল্লিরও যে অভাব তা কিন্তু নয়। কমবেশি সব ওয়াক্তেই দেখি মুসাল্লি ভরপুর। এটা সত্যিই ভালো একটা দিক। একটু হাঁটলে ক
‘চান কপাইল্যা’ রাষ্ট্রপতি

‘চান কপাইল্যা’ রাষ্ট্রপতি

সময়টা ১৯৬১ সালের শেষ দিকে। কিশোরগঞ্জের মিঠামইন ও গুপদিঘী ইউনিয়নের মধ্যে ফুটবলের ফইনাল খেলা। সেসময় ওই এলাকায় টাইব্রেকারের কোনো নিয়ম ছিল না, গোল দিয়েই জিততে হতো। টানা কয়েকদিন ধরে দুই দলের খেলা চলছিল। কেউই গোল দিতে না পারায় চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা যাচ্ছিল না। অবশেষে একদিন বর্তমান রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ এসে বললেন ‘আমি আজ খেলবো এবং মিঠামইন দলের অধিনায়ক হবো’। কিন্তু দলের অন্য খেলোয়াডদের আপত্তি, তিনি তো খেলা তেমন পারেন না! আপত্তি সত্ত্বেও আবদুল হামিদ খেললেন এবং ভাগ্যক্রমে খেলায় মিঠামইন দল জিতেও গেল। এমন আরো অনেক ঘটনা রয়েছে তাঁর নেতৃত্ব থাকলেই কাকতালীয়ভাবে হলেও সফলতা আসতোই আসতো। এমনটাই ঘটেছে বারবার, বহু বার। আর এ কারণেই কিশোরগঞ্জের আঞ্চলিক ভাষায় তাকে বলা হতো ‘চান কপাইল্যা’। প্রমিত বাংলায় ‘চাঁদ-কপালে’। বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ব্যাপারে এভাবেই শংসামূলক নানা কথা বলছিলেন
বিজয় ও আমাদের প্রাপ্তি

বিজয় ও আমাদের প্রাপ্তি

বাংলাদেশের স্বাধীনতা। আমাদের এক মহা অর্জন। লাখো শহীদের রক্তের দান এই স্বাধীনতা। অসংখ্য মা-বোনের ইজ্জত আব্রু বিলিয়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা, এই বিজয়। কিন্তু স্বাধীনতার এতো বছর পেরিয়ে কি আমরা আজ সত্যিই স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছি? কতটুকুই বা পেয়েছি। এমন বিজয় অর্জনের পর আজো যখন দেখি, সন্তান হারা দুঃখীনি মায়ের আর্তনাদ, ধর্ষিতা বোনের আহাজারি, পদে পদে লাঞ্চিত পিতার অশ্রুজল, গুম হওয়া ভাইয়ের জন্য আজো যদি করা লাগে কষ্টমাখা প্রতীক্ষা! নির্বিচারে চলছে হত্যাযজ্ঞ, গুম-খুন, চাঁদাবাজি, লুন্ঠন, দূর্নীতি, ক্ষমতার অপপ্রয়োগ, ধর্ষণের সেঞ্জুরী, সংখ্যালঘু নিধন। পিলখানার সেই নিষ্ঠুর সেনানিধন, সীমান্তে নির্বিচারে হত্যা, বিচার-ব্যবস্থায় অনধিকার চর্চা, মিডিয়াকে গলা টিপে হত্যা, শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি, নির্দোষীকে ফাঁসিতে ঝুলানোর মতো অপশাসন, জাতীয় নেতাদের জেলে হত্যা। তবে এই স্বাধীনতা আমরা কতটুকুই পেয়েছি? হ্যাঁ,
রক্তের অভাবে কেউ যেন আর হারিয়ে না যায়: মাস্টার সালেহ উদ্দীন

রক্তের অভাবে কেউ যেন আর হারিয়ে না যায়: মাস্টার সালেহ উদ্দীন

দৃষ্টি ভঙ্গি বদলান জীবন বদলে যাবে। কি ভাবছেন.....? ভাবছেন ব্যবসা করছি......?? অনেক টাকার মালিক হয়ে গেছি.......??? সারাদিন টাইমলাইনে ব্লাডের পোস্ট করি। ভাবছেন খেয়ে-দেয়ে আর কোন কাজ নেই ! তাই ভাবছেন ব্যবসা করছি ? ঠিকই ধরেছেন। সত্যি ব্যবসা করছি। অনেক বড় ব্যবসা, রক্তের ব্যবসা, মানব সেবার ব্যবসা। অসহায় মানুষকে রক্ত ম্যানেজ করে দেওয়ার ব্যবসা। নিজেই রক্ত দিয়ে এবং অন্যকে রক্তদানে উৎসাহিত করার ব্যবসা। একটা মজার ব্যাপার হল কি জানেন ? এই ব্যবসা সেবামূলক ব্যবসা। এই ব্যবসা আমার "নেশা" "পেশা" নয়। তাই মন ভরে, কিন্তু পকেট/ পেট কোনটাই ভরে না !! কি আজব এক ব্যবসা। আসুন না, আমি আপনি আমরা সবাই মিলে এই ব্যবসা করি। দুঃখিত এই মহৎ কাজকে ব্যবসার সাথে তুলনা করার জন্য ক্ষমা করবেন। অনেকে মনে করে যারা ব্লাডের কাজ করে ওনারা এই কাজ করে অনেক টাকা আয় করছে। তাই সবাই এই কাজে উৎসাহিত হচ্ছে। মনে রাখবেন লাভের আশায় কেউ এ
“সিএন নিউজের সহ প্রকাশক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে জামাল উদ্দিনকে”

“সিএন নিউজের সহ প্রকাশক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে জামাল উদ্দিনকে”

নিজস্ব সংবাদঃ সিএন নিউজ২৪.কম জনপ্রিয় অনলাইন ভিত্তিক নিউজ সিএন নিউজ২৪.কমের, চেয়ারম্যান এমডি শাহিন মজুমদার সিএন নিউজের বর্তমান প্রধান প্রতিনিধি মোঃ জামাল উদ্দিনকে পদোন্নতি দিয়ে, সিএন নিউজের সহ প্রকাশক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। সিএন নিউজের বার্তা সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসাইন রায়হানকে পাঠানো এক বার্তায় নিউজের চেয়ারম্যান এমডি শাহিন মজুমদার বর্তমান প্রধান প্রতিনিধি মোঃ জামাল উদ্দিনকে নতুন সহ প্রকাশক হিসাবে এই নিয়োগ দিয়েছেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং আজ থেকে এই পদে থাকবেন মো: জামাল উদ্দিন। এর ফলে ওনার আগের প্রধান প্রতিনিধি পদটি শুন্য হিসেবে রইলো বলে জানান নিউজের এই নীতিনির্ধারক। এই বিষয়ে সিএন নিউজ২৪ এর ভাইস চেয়ারম্যান রিজওয়ান মজুমদার (গিলবাট) ও সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রবিউল হোসাইন (রাজু) বলেন, নতুন সহ প্রকাশক মোঃ জামাল উদ্দিন,অত্যন্ত একটিভ ও নিউজের জন্য যোগ্য সহ প্রকাশক তিনি, এবং আমরা আশা
“রাতের সুরমা নদী”

“রাতের সুরমা নদী”

- "এই যে ভাই, কদমতলী বাসস্ট্যান্ড যাবেন?" - "জ্বী, যাবো" - "ভাড়া কত?" - ২০ ৳ ভাই। -১৫ টাকায় চলেন। -আসেন ভাই। - "ঠিক আছে, চলেন।" ঝটপট রিকসায় উঠে বসলাম। আমরা বন্দর হতে কদমতলীর দিকে চলছি। রিকসা এগিয়ে চলছে নিজ গতিতে। রাতের এই সিলেট শহরে রিকসায় চড়া দারুণ উপভোগ করছি। হঠাৎ মনে হলো কেউ যেন রিকসা ঠেলছে! পেছন ফিরে দেখি কোন্ একটা লোক একাধারে রিকসা ঠেলে যাচ্ছে। ভাবলাম! পাগল-টাগল হবে হয়তো! এবার খানিকটা পার হতেই এক ব্রীজের মুখোমুখি হই। লাইটের মিটিমিটি আলোয় যেন দু'চোখ জুড়িয়ে যাচ্ছে। রিকসাওয়ালা ভাই'কে জিজ্ঞেস করলাম: -ব্রীজের নিচের এই নদীর নাম কি? -সুরমা নদী। -এটাই কি তবে সুরমা ব্রীজ। -না ভাই, এটাকে ক্বীন ব্রীজ বলে। মনে পড়লো ক্বীন ব্রীজের কথা। বইয়ের পাতায় বহুবার পড়েছি কভু আপন নয়নে দেখিনি। রিকসাওয়ালা ভাইটাকে ধন্যবাদখানা মনে মনেই জানালাম! হঠাৎ তিনি বলে উঠলেন - ভাই; ৫ টাকা দেন
সমালোচকদের উৎসর্গ করলেন নিউজের সফলতা, সিএন নিউজ২৪.কমের “চেয়ারম্যান”

সমালোচকদের উৎসর্গ করলেন নিউজের সফলতা, সিএন নিউজ২৪.কমের “চেয়ারম্যান”

জনপ্রিয় অনলাইন ভিত্তিক নিউজ সিএন নিউজ২৪.কমের চেয়ারম্যান এমডি শাহিন মজুমদার, সিএন নিউজের বার্তা সম্পাদক মোশারফ হোসেন রায়হানকে পাঠানো বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলোঃ যারা অনলাইন ভিত্তিক নিউজ সিএন নিউজ২৪.কমের বিরুদ্ধে, বিভিন্ন সময় কুরুচীপূর্ণ, এজেন্ডা ও বেফাঁস সমালোচনা করেছেন, তাদেরকে আমার নিজের ব্যক্তিগত ও সিএন নিউজ২৪.কম পরিবারের সকল সদস্যদের পক্ষ থেকে, আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন এবং আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো। এই জন্যই যে আপনাদের সমালোচনা ও বেফাঁস মন্তব্য আমাদের কখনোই বিপদের দিকে ঠেলে দেয়নি, দেয়নি কোনও কিছুর মুখোমুখি হতে, পারেনি সিএন নিউজের কাজের স্থবিরতা আনতে, বরং আপনাদের সমালোচনা এবং আমাদের কার্যক্রমের সফলতায় ও যারা শুরু থেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন এই নিউজকে তাদের সহযোগিতা, আন্তরিকতায় আমাদের নিউজের বর্তমান ভিউ একলক্ষের পথে। আমাদের প্রত্যেক সদস্যরা আরোও স্ট্রং ও বিপুল উৎসাহ ও উদ্দিপনা ন
মেজ সন্তান সবচেয়ে বুদ্ধিমান!

মেজ সন্তান সবচেয়ে বুদ্ধিমান!

রিজওয়ান মজুমদার গিলবাট - যে কোনো পরিবারের মেজ সন্তানকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, বাবা-মা কাকে বেশি স্নেহ করেন, তার উত্তর হবে বড় নয়তো ছোট জনকে। আর এর কারণ হলো পরিবারের মেজ সন্তানরা নিজেদেরকে অবহেলিত এবং একা মনে করেন। কিন্তু ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গের একটি অ্যানালাইসিস গ্রুপ এবং ইউনিভার্সিটি অব সিডনির সাম্প্রতিক একটি গবেষণা জানিয়েছে ভিন্ন কথা। ৫০০০ মানুষের উপর জরিপ চালিয়ে পাওয়া তথ্য মতে, মেজ সন্তানরা ব্যক্তিগত এবং কর্ম জীবনে বেশি সফলতা লাভ করেন। মেজ সন্তানদের বেশি বুদ্ধিমান এবং সফল হওয়ার পেছনে অবশ্য বেশ কিছু কারণও আছে। বড় সন্তান অনেক বেশি মনোযোগ পায় বাবা-মায়ের। আর ছোট সন্তান পায় সহানুভূতি। এর মাঝে টিকে থাকতে হয় মেজ সন্তানের। তাই ছোট বেলা থেকেই তারা বেশি ধৈর্যশীল, সহনশীল ও ডিপ্লোম্যাটিক হয়। টিমে মিলেমিশে কাজ করার বিষয়টি মেজ সন্তান অন্যদের চাইতে বেশ ভালো পারে। বড় সন্তানটি যখন জন্ম নেয়,
সিএন নিউজ ২৪ ডটকম

সিএন নিউজ ২৪ ডটকম

গিয়াস উদ্দিন ফারুকী:   সিএন নিউজ ২৪ ডটকম তুমি এই সময়ের দর্পণ তোমার মাঝে আমি দেখতে পাই বিশ্বে ঘটে যাওয়া যত নিত্য নতুন খবর । আবাল বৃদ্ধ বনিতা সবাই খুজে খবর সিএন নিউজ ২৪ ডটকমে গিয়া। খবরের অন্তরালের যত খবর বেকিং নিউজ হয়ে আসে সিএন নিউজের পাতায় । সাহিত্যের পাতায় ভর পুর সম সাময়িক বিষয় নিয়ে দেখতে পাই নবীন প্রবীণ কবিদের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি নতুন নতুন কবিতা । এ পাড় বাংলা ঐ পাড় বাংলা সমান ভাবে জনপ্রিয়। সি এন নিউজ ২৪ডটকমে দেখি আমি এক ঝাঁক সংগ্রামী কলম সৈনিক , অন্যায়ের বিরুদ্ধেই সোচ্চার তারা তাদের কলম দিয়ে ঝরে পড়ে আগুনের পুলকি । বেচে থেকো সিএন নিউজ মানুষের অন্তরে জাগ্রত বিশ্বে তোমার জয় হবেই এ দোয়া করি গেলাম আমি এক বিদ্রোহী কবি ।