সোমবার, জুন ১৮

কলাম

“কোরআনের আলোকে গড়ি সোনালি সমাজ”

“কোরআনের আলোকে গড়ি সোনালি সমাজ”

মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী সহ-সম্পাদক, সিএন নিউজ ২৪. কম মহিমান্বিত রাত লায়লাতুল ক্বদর। এই রাতেই মহান আল্লাহ তা'আলা নাজিল করেছেন পবিত্র কোরআন। যার মাঝে নিহিত মানবজাতির সব সমস্যার সমাধান। একজন মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, রাষ্ট্রীয় ও অর্থনৈতিক প্রতিটি ক্ষেত্রেই আল কোরআন হলো জীবনবিধান। এই মহাগ্রন্থ আল-কোরআন শুধুমাত্র মুসলিমদের জন্য নাজিল হয়নি; তা নাজিল হয়েছে সব মানবজাতির হিদায়াতের উদ্দেশ্যে। এই কিতাব সামান্য কাগজের পাতায় মোড়ানো সাধারণ কোন পুস্তক নয়। আর তিলাওয়াতের সুরের মূর্ছনায় সীমাবদ্ধ নয়! একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবন হতে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রেই কোরআনের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটানো অতীব জরুরী। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেছেন- "তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো, রাসূলের (দঃ) আনুগত্য করো এবং দায়িত্বশীলের আনুগত্য করো" এই আনুগত্যের জায়গা যথাযথ হলে আমাদের জীবন হবে সমৃদ্ধ ও প্রশান্তিময়। একটি
অাত্মবিশ্লেষণ ও আত্মশুদ্ধির মাস রমযান

অাত্মবিশ্লেষণ ও আত্মশুদ্ধির মাস রমযান

মাসুম সরকার অালভী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,কুষ্টিয়া। সংযম,আত্মবিশ্লেষণ ও আত্মশুদ্ধির মহান বারতা নিয়ে মাহে রমযান এলো মুমীন মুসলমানের দারে দারে। সারা বছরের পাপ মোচনের জন্য আল্লাহর কাছে মাগফিরাত কামনা করে ধর্মপ্রাণ মুসলমান। ভুলত্রুটির ও অন্যায়ের জন্য অাল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। আত্ম সংযমের মাস হলেও বর্তমানে আমাদের মাঝে রমযান আসে ভিন্ন অাঙ্গিকে। রমযান শুরু হলেই এদেশের বাজারে ভয়ংকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। রমযানের প্রথমেই একটি শ্লোগান ওঠে সবর্ত্র মজুদদার -মুনাফাখোর-তোলাবাজদের গ্রেফতার কর,দ্রব্যমূল্যের দাম সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখো। কিন্তু আমাদের সমাজের মানুষ ঠিক বিপরীত দিকে ঘোরপাক খাচ্ছে।প্রতিবছর মহড়ার পূনরাবৃত্তি ঘটলেও কোন এক অদৃশ্য শক্তির কাছে পরাজিত হয় সব চেষ্টা। পবিত্র রমযান সামনে রেখে মূল্যবৃদ্ধির খেলা কেবলমাত্র আমাদের দেশেই সম্ভব।মহান অাল্লাহর দরবারে তার এবাদত বন্দেগী দ্বারা তার প
খেলার মাঠে মেলা কেনো

খেলার মাঠে মেলা কেনো

বাসার পাশে বিশাল এক মাঠ। পড়াশোনা শেষ করে বিকেলে ফুটবল,ক্রিকেট আরো কত রকম খেলা করতাম। বন্ধুদের সাথে হতো সে কি মজা! সন্ধ্যা হলে বাসায় এসে আবার পড়তে বসা। কিন্তু এখন আর হয়ে ওঠেনা । মাঠ গুলো আছে ঠিকই আগের মতো বন্ধুরাও আছে । কিন্তু খেলা নেই। পড়াশোনা শেষ করে এখন মানুষের হই হই শব্দ শুনি। সন্ধ্যায় বাসায় এলে পড়তে ভাল লাগে না আগের মতো। মাথা ব্যাথা কেমন যেন অানমনা আমি। মাঠে এখন মেলা। বছরে কতবার যে হয় তার হিসেব কে রাখে। বৈশাখী মেলা, লিচুর মেলা, মাছের মেলা আর কত মেলা। মাঠ এখন আর খেলার জন্য নেই যেন মেলার জন্য করা হয়েছে। ছেলেরা বাসায় বসে ইন্টারনেট,ফেসবুক, ইউটিউবে সময় কাটায়। এর ফলে আমাদের সৃজনশীলতা ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে অপসংস্কৃতির দিকে ধাবিত হচ্ছে তরুণ সমাজ। আবার নতুন করে জঙ্গি? এক কুচক্রী ওতোপেতে আছে কখন আমাদের বিপদগামী করবে। আর মাদকতা একটা অভিশপ্ত নাম । আমাদের মতো হাজারো তরুণ তরুণীকে হাতছানি দিয়ে বে
বাহ্যিকভাবে বাঁচানো পৃথিবীর দায়িত্ব,ভেতরগতভাবে চলে যাওয়ার অধিকার প্রাণের

বাহ্যিকভাবে বাঁচানো পৃথিবীর দায়িত্ব,ভেতরগতভাবে চলে যাওয়ার অধিকার প্রাণের

মেহেদী হাসান জাহিদ : মৃত্যু শব্দগঠনটাই হল সমর্পণ করা, চোখকে কিছু না দেখতে বলা, হাতকে শক্তিচ্যুত হতে বাধ্য করা, হৃদপিন্ড নির্জীব হওয়া আর সর্বকথা হল উড়তে পাড়া কিন্তু দেহ নয় আত্তা। আমার তোমার দেহের স্নায়ুজাল দেহকে ভালবাসতে বাধ্য করে কষ্টটা নিজের বলে, আমি তুমি দেখেছি বলবান বলহীন হতে আমরা তেমনটাও হতে পারি নাই তারা আরও শক্তিধর ছিল কিন্তু নিঃশ্বাস চেয়েছিল পায়নি মৃত্যুর সময়, যারা ভয়কে জয় করেছিল তারাও ভয় পেয়েছিল যখন ঝাপসা চোখের সামনে অস্তিত্ত ছিল না নিজের , অজানা মৃত্যু কষ্ট নিয়ে ভোগায় না আর জানা হলে মৃত্যুটা অপ্রত্যাশী হয়ে যায়। আমি জানি ছাড়তেই হবে আমাকে তোমাকেও তবে রসদ কাল থেকে অর্জন করব এভাবেই নিজের আয়ু বিগত হয়ে গেল সময় পাওয়া হল না । যদি নিজের সময় জানা থাকত তবে যার জন্যে এসেছি তাই করতাম পরে ফলভোগী হয়ে যেতাম কিন্তু নিয়মটা এমন নয় অজ্ঞাত সময়ের ফলে কাজের প্রতি অনিহার হয়েছে। মানুষের জন্ম থেকে মৃত্য
“ক্রসফায়ার ও অন্তহীন ভাবনা” আফজাল হোসাইন

“ক্রসফায়ার ও অন্তহীন ভাবনা” আফজাল হোসাইন

ডিজিটাল বাংলদেশে অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ মাদক । সমাজে রন্ধে রন্ধে বিষধর সাপের মত ছড়িয়ে পড়েছে জীবন বিনাশী নীল নেশা মাদকদ্রব্য। মাদকের সাথে সম্পৃক্ত লোকটিও এই চরম সত্যটি হয়তো জানে, কিন্তু মাদকের সংস্পর্শে এসে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পশুত্বের কাতারে শামিল হয়েছে। আগেও মাদক বিরোধী আইন ছিল প্রয়োগ খুব একটা পরিলক্ষিত হয়নি। হঠাৎ করেই সরকার পর্যবেক্ষণ করলেন মাদকসক্ত হয়ে এই জাতির জীবনীশক্তিতে পচন ধরেছে। পচনরোধে সরকার কঠোর হস্তে পরিচালনা করছে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান। আমি এই সিদ্ধান্তের সাথে একাত্মতা পোষণ করেই আমাদের ভাবনার বিষয়টি উপস্থাপন করছি। যে বিষয়টি ভাবিয়ে তুলছে ক্রসফায়ারই কি একমাত্র সমাধান? গত ১১ দিনে মাদক বিরোধী অভিযানে নিহত হয়েছে ৬৩ জন। এভাবেই কি সমাধান সম্ভব? যদি সমাধান সম্ভব হতো মাদক বিরোধী এত সাঁড়াশি অভিযানের পরও যদি পত্রিকার শিরোনাম হয় - 'অভিযানের মধ্যেও আসছে ইয়াবা ' 'কড়াকড়িতে কৌশল বদলে ম
রমজান মাস ভোগের নয়,রমজান মাস হল সংযমের :হাসান জামিল

রমজান মাস ভোগের নয়,রমজান মাস হল সংযমের :হাসান জামিল

মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, সংযম,বিভেদ-হানাহানি, লোভ-লালসা, কাম-ক্রোধসহ সব কুপ্রবৃত্তিকে কঠোর সংযমের মাধ্যমে জয় করে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার মাস হল পবিত্র রমজান।রমজানের অনেক গুলো শিক্ষার মধ্যে একটি শিক্ষা হল,সমাজের বা রাষ্ট্রের ধনী ও বিত্তবানদের মনে দরিদ্রের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া। কারন ধনী ও বিত্তবানেরা যেন দরিদ্রের ক্ষুধার তাড়ানা বুঝতে পারে।আর যারা বিত্তবান রয়েছে তারা যেন দরিদ্রের মাঝে ইফতার ও সেহরি দিয়ে সাহায্যার্থে এগিয়ে আসে। কিন্তু আমাদের দেশে ঠিক ঘটছে তার বিপরীত।বিত্তবানেরা রমজান আসার পূর্বেই ব্যাগ ভর্তি করে সারা মাসের বাজার এক সাথে করে থাকে। যার কারনে দ্রব্যমূল্যের দাম অনেক গুণ বেড়ে যায়। কারন উৎপাদন হচ্ছে কম বিক্রি হচ্ছে অনেক গুণ বেশি তাই দাম বেড়ে যাচ্ছে। আর যারা খুচরা ক্রেতা বা দরিদ্র তারা সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্চে,এর মধ্যে তো একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী তো রয়েছে। আমাদের দেশে কিছু কাটমোল্ল
“ইফতারের ফজিলত” মোঃ তাজুল ইসলাম

“ইফতারের ফজিলত” মোঃ তাজুল ইসলাম

আরবি ফুতুর শব্দ থেকে এসেছে ইফতার শব্দটি। বাংলা অর্থ করলে হয় নাস্তা ফুতুর শব্দটি। ইফতার অর্থ খোলা, উন্মুক্ত করা, ছেড়ে দেওয়া ইত্যাদি। ইসলামী পরিভাষায় সূর্যাস্তের পরে খেজুর পানি বা কোন খাদ্য দ্রব্য খেয়ে রোজা ছেড়ে দেওয়াকে ইফতার বলে। যায়েদ ইবনে খালেদ আল-জুহানি (রা,) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা,) বলেছেন- যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে রোজাদারের সমপরিমান সওয়াব পাবে। রোজাদারের সওয়াব একটুও কমানো নাহি হবে। (সুনানে তিরমিযি-৮০৭,সুনানে ইবনে মাজাহ-১৭৪৬) রাসুল (সা,) বলেন -- অপারগতায়, একটিমাত্র খেজুর বা পানি বা এক ঢোক দুধ দিয়ে ইফতার করাবে, তাকেও এ সওয়াব দেওয়া হবে। যে ব্যক্তি রোজাদারকে পরিতৃপ্তিতে খাওয়াবে, তাকে হাউজে কাউছার থেকে-- এমন পানি পান করোনো হবে, জান্নাতে না পৌছা পর্যন্ত সে তৃষ্ণার্ত নাহি হবে। (বায়হাকী ওয়াবুল ঈমান, মেশকাত-১৭৪ পৃষ্ঠা) একটি হাদিসে আছে -- যে ব্যক্তি হালাল রুজি দ্বারা
নারী শ্রমিক সমাজ ও দেশ গড়ার অন্যতম হাতিয়ার

নারী শ্রমিক সমাজ ও দেশ গড়ার অন্যতম হাতিয়ার

সাজেদুর আবেদিন শান্তঃ দেশের উন্নয়ন কল্পে নারীদের ভূমিকা দেখে যে কেউ এক বাক্যে বলতে বাধ্য, নারী শ্রমিক দেশ ও সমাজ উন্নয়নের হাতিয়ার। কেননা দেশে বা বিদেশে নারী শ্রমিকের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই যাচ্ছে। শিক্ষিত কিংবা অক্ষরজ্ঞানহীন লাখ লাখ নারী পোশাক শিল্পে কাজ করছে। বাড়ছে রফতানি আয়। পুরুষ শ্রমিকদের চেয়ে নারী শ্রমিকরা বেশি পরিশ্রমী হলেও তাদের সে রকম মজুরি প্রদান করা হচ্ছে না। ফলে নারী শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আর এই কারণে নারীরা বেশি শ্রম দেবার পরও অর্থনৈতিকভাবে তেমন স্বাবলম্বী হচ্ছে না। মেয়েরা কি কাজ করেনা সেটা বলা মুশকিল? ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পাঠানোর জন্য প্রতিদিন খুব ভোরে উঠে কাজ করতে হয়। যার বিনিময়ে নারীদের কোন মজুরি প্রদান করা হয় না। তবুও আমাদের সমাজে নারীরা আজ অনেক অবহেলিত। বর্তমানে নারীরা বিভিন্ন পেশায় কাজ করছে যেমন: অফিস, আদালত, কম্পিউটার, কুমারের
আজ কতটা স্বাধীন গণমাধ্যম?- সাব্বির আহমেদ সোহাগ

আজ কতটা স্বাধীন গণমাধ্যম?- সাব্বির আহমেদ সোহাগ

আজ বৃহস্পতিবার, "বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। ১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশ মোতাবেক ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ৩ মে তারিখকে ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে’ অথবা বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের স্বীকৃতি দেয়া হয়। সেই থেকে প্রতি বছর সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। ‘কিপিং পাওয়ার ইন চেক : মিডিয়া, জাস্টিজ অ্যান্ড রোল অব ল’এই স্লোগানকে সামনে রেখে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এবার এই দিবসটি পালন করা হচ্ছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থা বর্ণনায় যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা আর্টিকেল নাইনটিন জানিয়েছে, ২০১৭ সালে এ সংক্রান্ত স্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে ৩৩৫টি। ২০১৩ সালের পর থেকে তা সর্বোচ্চ উল্লেখ করে জানানো হয়, এই ঘটনাগুলোর ৭০ শতাংশের ক্ষেত্রে শিকার হয়েছেন তৃণমূলের সাংবাদিকরা। এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি আরও জানায়, মতপ্রকাশে বাধা দিতে আইন ব্যবহারের প্রবণতা বাড়
হারিয়ে যাচ্ছে পোস্ট অফিস

হারিয়ে যাচ্ছে পোস্ট অফিস

আল্ আমিন শাহেদ- একটা সময় ছিল ডাকযোগে চিঠি আসত।যা নিয়ে অনেক কবিতা অনেক গল্প ছিল।ছিল গান যা শুনতো সকলেই।সবাই বলে রাখত ডাক পিয়নকে, আমার ছেলের চিঠি আসলে আমাকে খবর দিও।প্রেমপত্র আসত ডাকযোগে।মনির খান লিখেছিল চিঠি লিখেছে বউ আমার ভাঙ্গা ভাঙ্গা হাতে।নেই সেই আর্তনাদ নেই সেই কান্না।ডাকেনা সেই শিক্ষিত ছেলেটিকে পড়ে দাও বাবা আমার ছেলের চিঠিটা।আজ ডিজিটাল ছোয়ায় মোবাইলে সম্পন্ন হচ্ছে সব। ইমু,ভাইবার,হোয়াটস্ আ্যাপ,মেসেন্জার ইত্যাদিতেই সম্পন্ন হচ্ছে চিঠির কাজ। একমাত্র পোস্ট অফিস কাজে লাগে সরকারী কোন কাগজ আসার জন্য। রাজ্জাক,হাসান,ফয়েজ,আবু মুছা,বাশার সহ আরো অনেকের সাথে কথা বলে যানা যায় যে, সরকার ইচ্ছা করলে ডাক বা পোস্ট অফিসকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগনের ধার প্রান্তে নিয়ে যাওয়ার জন্য পদক্ষেপ নিতে পারে।
শ্রমিক জনতার আন্দোলনের ফসল আজকের এ মে দিবস।

শ্রমিক জনতার আন্দোলনের ফসল আজকের এ মে দিবস।

আজ মহান মে দিবস, মে দিবস উপলক্ষে সারা বিশ্বের সকল শ্রমিক জনতার প্রতি রইলো লাখো সালাম ও অবিরাম ভালোবাসা, আজকের এ দিনটি ঐতিহাসিক একটি দিন, যা বিশ্বের মানচিত্রে ওমর হয়ে থাকবে আজীবন। মাঠে-ঘাটে, কলকারখানায় খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে রক্তঝরা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন। দীর্ঘ বঞ্চনা আর শোষণ থেকে মুক্তি পেতে ১৮৮৬ সালের এদিন বুকের রক্ত ঝরিয়েছিল শ্রমিকরা। এদিন শ্রমিকরা আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের সব শিল্পাঞ্চলে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল। সে ডাকে শিকাগো শহরের তিন লক্ষাধিক শ্রমিক কাজ বন্ধ রাখে। শ্রমিক সমাবেশকে ঘিরে শিকাগো শহরের হে মার্কেট রূপ নেয় লাখো শ্রমিকের বিক্ষোভ সমুদ্রে। এক লাখ ৮৫ হাজার নির্মাণ শ্রমিকের সঙ্গে আরো অসংখ্য বিক্ষুব্ধ শ্রমিক লাল ঝাণ্ডা হাতে সমবেত হয় সেখানে। বিক্ষোভের এক পর্যায়ে পুলিশ শ্রমিকদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালালে ১০ শ্রমিক প্রাণ হারান। অন্যদিকে হে
“সিএন নিউজ ও আমাদের ভাবনা” এমডি শাহিন মজুমদার

“সিএন নিউজ ও আমাদের ভাবনা” এমডি শাহিন মজুমদার

চোখভরা স্বপ্ন নিয়েই দূর-প্রবাসে পাড়ি দেয়া। তবুও মন পড়ে থাকতো শুধু জন্মভূমির ভাবনায়। কথা হত স্বজনদের সাথে। ফেইসবুকে জগতে এলেই দেখা মিলতো দেশের মানুষের। তেমনি প্রায়শই দেখতাম, অনলাইন সিএন নিউজ নামে কে বা কারা ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতো। মাঝেমধ্যে দু'একটা খবরাখবরও পেতাম। ভালোই লাগতো। কিছুদিন পর দেখি অ্যাকাউন্টগুলো উধাও! পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম স্বপ্নবাজ মানুষগুলো আমার এলাকার-ই। একজন স্নেহের রবিউল হোসাইন রাজু। সম্পর্কে আমার ভাতিজা। তার আরেক বন্ধু মেটুয়ার মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী। সবার সাথে ভালোই যোগাযোগ চলছিল। নানান কারণে তারা থেমেথেমে এগুচ্ছিল। যার মূলে রয়েছে আমাদের সমাজের গুটিকয়েক হিংসুক টাইপের মানুষের ষড়যন্ত্র। সব ষড়যন্ত্র ছিন্ন করেই আমরা একতাবদ্ধ হয়ে শুরু করি আমাদের এই সম্মিলিত প্রয়াস সিএন নিউজ'কে নিয়ে। ওদের পরপরই সহযোদ্ধা হিসেবে পেয়েছি বন্ধুবর,দুবাই প্রবাসী, নিউজের বর্তম
“লালন জীবন ও দর্শন” মাসুম সরকার অালভী

“লালন জীবন ও দর্শন” মাসুম সরকার অালভী

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। মাহাত্মাে লালন শাহ একাধারে একজন অাধ্যাত্মিক বাউল সাধক মানবতাবাদী সমাজ সংস্কারক, দার্শনিক অসংখ্য অসাধারণ গানের গীতিকার সুরকার ও গায়ক ছিলেন। অনুমানিক ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান বাংলাদেশে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। লালনের জন্ম কোথায় তা নিয়ে বির্তক রয়েছে। লালন নিজে কখনো তা প্রকাশ করেননি। হিতকরী পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ নিবদ্ধে বলা হয়েছে লালন তরুণ বয়সে একবার তীর্থেভ্রমণে বের হয়ে পথিমধ্যে গুটিবসন্ত রোগে আত্রুান্ত হন। তখন তার সাথীরা তাকে মৃত ভেবে পরিত্যাগ করে চলে যায়। কালিগঙ্গা নদীতে ভেসে আসা মুমূর্ষু লালনকে উদ্বার করেন।ছেঁউড়িয়া গ্রামের মলম ফকিরের স্ত্রী মতিজান বিবি। মলম শাহ ও তার স্ত্রী মতিজান তাদের বাড়িতে নিয়ে সেবা শুশ্রূষা দিয়ে সুস্থ করেতোলেন। আজীবন লালন তার দীক্ষা গুরু সিরাজ সাঁইকে শ্রদ্ধা করেছেন এবং তার কাছে থেকে পথ নির্দেশনা পেয়েছেন। কুষ্টিয়াতে অাখড়ায় স্থায়ী বসবা
“একদিনের কাঙ্গালি” শারমিন ইতি

“একদিনের কাঙ্গালি” শারমিন ইতি

একদিনের কাঙালি "শারমিন ইতি" আজ ১৪২৫ বাংলা সনের হিসেব মতে পহেলা বৈশাখ / নববর্ষ। এ নিয়ে হইচইয়ের আর অন্ত নেই, সেই কবে থেকে চলছে পরিকল্পনা আর কেনাকাটা ইত্যাদি। বছরের ৩৬৪দিন পান্তা খেয়েও বলতে অনেকে লজ্জা পায় কিন্তু আজ কেউ কেউ পান্তার সাথে নিজের বদনখানিও ফেবুতে তুলে ধরবেন অন্ত্যান্ত নিঁখুতভাবে। আজ কোন লজ্জা নেই, সমস্ত লজ্জাকে পায়ে ঠেলে জাতি সাজবে আজ কাঙালি। আজ বড় বড় রেস্টুরেন্ট হবে কাঙালিদের মিলনমেলা, লালপেড়ে সাদাশাড়ি খোঁপায় ফুল, কানেদুল, হাতে বাহারি রকমের চুড়ির ঝলকানিতে নিজেকে করে তুলবে আজ কাঙালিপরী, ছেলেরাও নিজেকে বাঙালিবাবুর স্বরুপে আত্বপ্রকাশ করবে বাসনপেতে পান্তার সাথে। আসলেই কি এই নির্দিষ্ট একদিন আমাদেরকে প্রকৃত বাঙালিপনায় ভরিয়ে দিতে পারবে  অত্যাধুনিকতা(অপসংস্কৃতি) থেকে? বছরের অন্যদিন কেউ পেটের ক্ষুধায় পান্তা খেয়ে এলে জনসম্মুখে কি আদৌ বলতে পারে কথা প্রসঙ্গে? জাতি তাকে
পহেলা বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিবৃত্ত- সাব্বির আহমেদ সোহাগ

পহেলা বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিবৃত্ত- সাব্বির আহমেদ সোহাগ

  পয়লা বৈশাখ বা পহেলা বৈশাখ (বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ) বাংলা সনের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ। দিনটি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের সাথে পালিত হয়। ত্রিপুরায় বসবাসরত বাঙালিরাও এই উৎসবে অংশ নিয়ে থাকে। সে হিসেবে এটি বাঙালিদের একটি সর্বজনীন লোকউৎসব হিসাবে বিবেচিত। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে ১৪ই এপ্রিল অথবা ১৫ই এপ্রিল পহেলা বৈশাখ পালিত হয়। আধুনিক বা প্রাচীন যে কোন পঞ্জিকাতেই এই বিষয়ে মিল রয়েছে। বাংলাদেশের প্রতি বছর ১৪ই এপ্রিল এই উৎসব পালিত হয়। বাংলা একাডেমী কর্তৃক নির্ধারিত আধুনিক পঞ্জিকা অনুসারে এই দিন নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এছাড়াও দিনটি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গৃহীত। বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা দিনটি নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করার উপলক্ষ হিসেবে বরণ করে নেয়। মঙ্গল শোভাযাত্রা প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্
“লাইলাতুল মে’রাজ এর তাৎপর্য” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

“লাইলাতুল মে’রাজ এর তাৎপর্য” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

  লাইলাতুল মেরাজ বা মেরাজের রজনী, যা সচরাচর শবে মেরাজ হিসাবে আখ্যায়িত হয়, হচ্ছে ইসলাম ধর্মমতে যে রাতে ইসলামের নবী মুহাম্মদের (সা.) ঐশ্বরিক উপায়ে ঊর্ধ্বাকাশে আরোহণ করেছিলেন এবং স্রষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করেন সেই রাত। মুসলমানরা এবাদত-বন্দেগীর মধ্য দিয়ে এই রাতটি উদযাপন করেন। ইসলামে মেরাজের বিশেষ গুরুত্ব আছে, কেননা এই মেরাজের মাধ্যমেই ইসলাম ধর্মের পঞ্চস্তম্ভের দ্বিতীয় স্তম্ভ অর্থাৎ নামাজ মুসলমানদের জন্য অত্যাবশ্যক অর্থাৎ (ফরজ) নির্ধারণ করা হয় এবং দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নির্দিষ্ট করা হয়। ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী হযরত মুহাম্মদের (সা:) নবুওয়াত প্রকাশের একাদশ বৎসরের (৬২০ খ্রিষ্টাব্দ) রজব মাসের ২৬ তারিখের দিবাগত ইসলামের নবী মুহাম্মদ (সা:) প্রথমে কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেমে অবস্থিত বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকসায় গমন করেন এবং সেখানে তিনি নবীদের জামায়াতে ইমামতি করেন। অতঃপ
“জাতি তোর নিস্তার নাই” শারমিন আক্তার ইতি

“জাতি তোর নিস্তার নাই” শারমিন আক্তার ইতি

জাতি তোর নিস্তার নাই "শারমিন আক্তার ইতি" বাঙ্গালীর ছাত্রজনতা একদিন সম্মলিত কন্ঠে গর্জে উঠেছিলো ৫২তে, কন্ঠে তুলেছে প্রতিবাদের ঝড়, রক্তে তুলেছে সত্যের স্লোগান, আত্বার বলে বলিয়ান হয়ে ঢেলে দিয়েছে তাজা বুকের টকটকে লাল রক্তের স্রোত, ছিনিয়ে এনেছে জয়, আজ আমরা সেই জয়ের পরাজিত সৈনিক। একদিন আমরা যেই প্রতিবাদ থেকে চেতনা পেয়েছি, আজ সেই চেতনাকেই পায়ে দলিয়ে প্রতিবাদির বুকে গুলি ছুড়ে নিজেকে বর্বরদের খাতায় লিপিবদ্ধ করে নিলাম। আজও জেগে উঠেছে ছাত্রজনতা নেমেছে রাজপথে, তুলেছে স্লোগান করছে নিজের অস্তিত্ব রক্ষার দাবী, সেই দাবীর বুকে চলছে গুলি, মেধার বুকে মারছে লাথি, সত্যের থেকে মুখ ফিরিয়ে আমরা মিথ্যে নিয়েই মাতি। কেন নামলি তোরা বলি হওয়ার আশংকা জেনেও? তোরা কি ভেবেছিস? কোটা প্রথার সংস্কার হলেই তোদের মেধাকে যথাযথ মূল্যয়ন করা হবে? মোটেও না তবে তোরা বোকাই রয়ে গেলি, কোটা প্রথা যে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে সেটা সত্যি
স্বাধীনতাঃ আমাদের পরম পাওয়া

স্বাধীনতাঃ আমাদের পরম পাওয়া

মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী ( সহ_সম্পাদকঃ সিএন নিউজ) আজ ৪৮ তম মহান স্বাধীনতা দিবস। এই স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যেসব বীর-সেনানীরা তাঁদের তপ্ত-তাজা প্রাণ বিলিয়ে দিয়েছেন ; তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। আমরা বাঙালি জাতি বীরের জাতি। দেশের তরে অকাতরে প্রাণ বিলাতে আমরা সবাই লড়তে রাজি। আমাদের প্রতিটি রক্তকণায় তাজা হিমোগ্লোবিন উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সকল স্বৈরাচারী ও অত্যাচারীরর বিরুদ্ধে। যে প্রমাণ দিয়েছিলাম ৭১'এর এই দিন। ২৫শে মার্চ ভয়াল কালো রাত্রির বিভীষিকাময় রজনী পেরিয়ে আসে ২৬ শে মার্চ। স্বাধীনতার ঘোষণা পেয়ে রাজপথে নামে বাংলার মুক্তিকামী জনতা। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে আমরা ফিরে পাই মহান স্বাধীনতা। আল্লাহর অশেষ কৃপায় আজ আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি। সাম্প্রতিক উন্নয়নশীল দেশের তালিকায়ও নাম লিখার গৌরব অর্জন করেছি। এই ধারা অব্যাহত থাকার পাশাপাশি সব নাগরিকের মৌলিক চাহিদা অক্ষুণ্ণ থাকলেই আমরা
খেলাই কি শুধু দেশ প্রেম? সাব্বির আহমেদ সোহাগ

খেলাই কি শুধু দেশ প্রেম? সাব্বির আহমেদ সোহাগ

  ইতিহাস এর দিকে তাকালে দেখা, ১৯৪৭সালে দেশ বিভাগের পর থেকে যতগুলো আন্দোলন ;তথা ৫২এর ভাষা আন্দোলন, ৬৬এর ছয়দফা, ৬৯এর গণঅভ্যুত্থান এবং সর্বশেষ ৭১এর মহান মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল স্বাধীন সার্বভৌম বাঙালি জাতির ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে। দীর্ঘ নয়-মাস এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা নিজের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে স্বাধীনতার যে রক্তিম সূর্য এনে দিয়েছিলেন, এবিজয়ের পেঁছনে যে মহাশক্তি ছিল, তাহলো "দেশপ্রেম"! "দেশপ্রেম" এর সংজ্ঞা এক একজন মানুষের কাছে এক একরকম। এক কথায়, জন্ম থেকে স্বদেশের প্রতি ভালবাসা ও মমত্ববোধই দেশপ্রেম। অর্থাৎ যে দেশের আলো বাতাসে শৈশব কৈশর পেরিয়ে বেড়ে উঠা, সে দেশের প্রতি ভালবাসা ও দেশের কল্যাণে কাজ করাই হচ্ছে দেশপ্রেম। ইসলাম ধর্মে দেশপ্রেম কে ইমানের অঙ্গ বলা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো--------খেলাই কি শুধু দেশপ্রেম? যখন বাংলাদেশ জয় লাভ করে, তখন আম
“আজ বিশ্ব কবিতা দিবস”  মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

“আজ বিশ্ব কবিতা দিবস” মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

    আজ বিশ্ব কবিতা দিবস। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১ মার্চ তারিখটিকে বিশ্ব কবিতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই দিবস পালনের উদ্দেশ্য হল বিশ্বব্যাপী কবিতা পাঠ, রচনা, প্রকাশনা ও শিক্ষাকে উৎসাহিত করা। ইউনেস্কোর অধিবেশনে এই দিবস ঘোষণা করার সময় বলা হয়েছিল, "এই দিবস বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কবিতা আন্দোলনগুলিকে নতুন করে স্বীকৃতি ও গতি দান করবে।" পূর্বে অক্টোবর মাসে বিশ্ব কবিতা দিবস পালন করা হত। প্রথম দিকে কখনও কখনও ৫ অক্টোবর এই উৎসব পালিত হলেও বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে রোমান মহাকাব্য রচয়িতা ও সম্রাট অগস্টাসের রাজকবি ভার্জিলের জন্মদিন স্মরণে ১৫ অক্টোবর এই দিবস পালনের প্রথা শুরু হয়। অনেক দেশে আজও অক্টোবর মাসের কোনো দিন জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কবিতা দিবস পালন করা হয়। এই দিবসের বিকল্প হিসেবে অক্টোবর অথবা নভেম্বর মাসের কোনো দিন কবিতা দিবস পালনেরও প্রথা বিদ্যমান। আসুন! মনের ক
“সিএন নিউজ ও তারুণ্যের পথযাত্রা” ✍ মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

“সিএন নিউজ ও তারুণ্যের পথযাত্রা” ✍ মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

  স্বপ্নরা কতো কিলবিল করে। সুবিশাল গগণের মিটিমিটি তারকার মতো ঝলমল করে। সেই আকাশের স্বপ্নগুলো ছুঁয়ে দেখার সৎ-সাহস কয়জনেই করতে পারে? আর হ্যাঁ! স্বপ্ন নামের বীজ হতেই অঙ্কুরিত হয় আলোকোজ্জ্বল বাস্তবতার। কোন এক দার্শনিক বলেছিলেন "তোমার স্বপ্নের কথা শুনে কেউ যদি উপহাস করে তবে বুঝতে হবে এই স্বপ্নই যথার্থ" তোমার অযোগ্যতার কথা ভেবে সবাই হেসেছে আর এর বিপরীতে স্বপ্নের বাস্তবায়ন করাটাই সর্বোত্তম চ্যালেঞ্জ। আর এই সিএন নিউজ ২৪.কম তেমনি এক স্বপ্নের নাম। যে স্বপ্ন দেখেছিলেন বন্ধুবর তরুণ সাংবাদিক রবিউল হোসাইন রাজু। মনে পড়ে সেইদিনের কথা। যখন আমরা নাঙ্গলকোট আফছারুল উলুম কামিল মাদরাসায় পড়তাম। একদা দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্যের ক্লাস নিচ্ছিলেন শ্রদ্ধেয় মিসেস নার্গিস ম্যাম। সেসময়ে আমি ক্লাসক্যাপ্টেন হিসেবে কোন এক কথা প্রসঙ্গে রবিউল'কে ডাকতে লাগলাম। আর সেই ডাকটি ছিল "এই সাংবাদিক "! আচমকা এমন সম্বোধনে
“শাড়িতেই নারী নয়” শারমিন আক্তার ইতি

“শাড়িতেই নারী নয়” শারমিন আক্তার ইতি

শাড়িতেই নারী হয় এ কথা কতটুকু সঠিক সেটা আমার জানা নেই, আজ কোন এক শ্রদ্ধেয় বড়ভাই এক কথার প্রসঙ্গে বললেন " বাঙ্গালী মেয়েরা শাড়ি পরতে পারেনা তাদের লজ্জা হওয়া উচিত" আমি ভাইয়াকে যথেষ্ট সম্মান করি কিন্তু ওনার এই উক্তির সাথে সহমত পোষন করতে পারলামনা বলে দুঃখিত, তবে কি শুধু শাড়ি পরলেই বাঙ্গালী হওয়া যায়? আসলে নারীর বাঙ্গালীপনা কখনো শুধুমাত্র শাড়ির উপরে বিচার করা হয়না, শাড়ি পড়তেই হবে এমন কোন বাধ্যবাদকতা কোনো পুস্তকে লিপিবদ্ধ নেই, একজন নারীকে শুধু শাড়িতেই বিচার করা যায়না, তবে হ্যাঁ শাড়িতে নারীকে তুলনামূলকভাবে সুন্দর দেখায় অন্যান্য পোষাকের চেয়ে এটা অস্বীকার করার জায়গা নেই, তার মানে অন্যান্য পোষাকেও তুচ্ছ করা যাবেনা, আসলে বাঙ্গালীপনা আর যাই বলেন না কেন একটা নারীর পোষাক যদি রুচিশীল হয় তবেই তাকে দেখতে ভালো দেখাবে হোক সেটা শাড়ি /সেলোয়ার কামিজ কিংবা অন্যকিছু , আপনার বাঙ্গালীপনা আনতে হবে রুচিশীলতায়,
জিডি কি ও কেন করবেন?এডভোকেট মহিবুল হক মুন্সী

জিডি কি ও কেন করবেন?এডভোকেট মহিবুল হক মুন্সী

জিডি সম্পর্কে আমাদের কম বেশি সবার ই কিছু ধারনা আছে তবে এর আইনগত ধারনা, আইনগত ভিত্তি ও এর আইনগত সাক্ষ্য মূল্য অনেকেরই অজানা।তাই সচেতনতার এই যুগে এইসব বিষয়ে জানা অতিব গুরুত্ত্বপুর্ণ বিধায় আজকে এই বিষয়ে আলোচনা করিতেছি। জিডি হল সাধারন ডায়েরি যার ইংরেজি রুপ হল General Diary,ইংরেজি এই শব্দ দুইটির সংক্ষিপ্ত রুপ হল জিডি(GD),এটি আসলে থানায় সংরক্ষিত অপরাধ ও অন্যান্য সংবাদ বিষয়ক একটি রেজিস্টার। যদি আমি সহজ ভাষায় বলি তাহলে জিডি বলতে বুঝায় -অপরাধ ও অন্যান্য সংবাদ বিষয়ক থানায় রক্ষিত ডায়েরিকে জিডি বলে। মূল্যবান যে কোন জিনিস হারালে অথবা কোন প্রকার হুমকি পেলে বা হুমকির আশংকা থাকলে কিংবা কোন ব্যক্তি নিখোঁজ হলে জিডি করার প্রয়োজন হয়। সাধারনত যেসব বিষয়ে মামলা হয়না সেসব বিষয়ে জিডি করা হয়।অর্থাৎ মোদ্দা কথা হচ্ছে,আপনি আপনার সম্পদের, আপনার জীবনের ও আপনার আপনজনের সম্ভাব্য কোন ক্ষতি সম্পর্কে থানা কর্তৃপক্ষক
“কথা তো রেখেছি নেতার” শারমিন আক্তার ইতি

“কথা তো রেখেছি নেতার” শারমিন আক্তার ইতি

আজ ৭ই মার্চ, যেখানে সমগ্র বাঙালি জাতিকে একত্রিত হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে এক ঐতিহাসিক ডাক (৭মার্চের ভাষন) দিয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। যেই ডাকে সাড়া দিয়েছিলো বাংলার ছোট থেকে বড় সবশ্রেণীর জনগন।যেই ডাককে প্রানের জোর করে অসহায় বাঙালিরাও শক্তি পেয়েছিলো শতগুনে প্রতিবাদ করার। নেমেছিলো সকলেই মাঠে, ছেড়েছিলো ঘরবাড়ি, আরাম আয়েশ, লুকিয়ে ছিলো মাঠেঘাটে, পথপ্রান্তরে, ঢেলে দিয়েছে তাজা প্রানের টগবগে রক্তের স্রোত। তুলে দিয়েছে মা বোনের সম্ভ্রম, কিন্তু রক্ষা করেছে নিজের মানচিত্র ফিরিয়ে এনেছে সবুজের বুকের লাল বৃত্ত। আমরা পেয়েছি গনতন্ত্র পেয়েছি মানচিত্র আর পেয়েছি স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুরর চেতনা আমাদেরকে শিখিয়েছে স্বাধীনতার মানে, শিখিয়েছি প্রতিবাদের ভাষা। আর শিখিয়েছি রক্ষা করার কৌশল। সেদিন আমরা ছিলাম বোকা তাই নেতার কথাকেই শেষ কথা ভেবে ঝাপিয়ে পড়েছি মানচিত্র রক্ষার জন্য। আমরা ছিলাম অশিক্ষিত তাই এক
বর্তমান সময়ে পৃথিবীর বিষাক্ত রূপ কি? মুহাম্মদ নুরুল করিম মাসুম

বর্তমান সময়ে পৃথিবীর বিষাক্ত রূপ কি? মুহাম্মদ নুরুল করিম মাসুম

বর্তমান সময়ে পৃথিবীর বিষাক্ত রুপ সম্পর্কে আপনার,আমার, আমাদের কারো অজানা নয়! তবুও আমি সংক্ষেপে কিছু তুলে ধরলাম। সিরিয়া গৌতা নামক স্থানে আসাদ বাহিনীর নির্মম পাশাবিক অত্যাচার এবং রাসায়নিক বোমা হামলায় ঐ শহরে আজ মুসলমানদের রক্তাক্ত লাশের গন্ধ! যা সারা বিশ্ব নিরব দর্শক হিসেবে দেখে যাচ্ছে!নেই কোন শান্তি রক্ষা মিশন নামের কোন হাজার সংখ্যার বিশিষ্টের সামরিক প্লাটুন! । সূচী কতৃর্ক মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম নির্যাতনের কথা সবার অজানা নয়।অবেশেষে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহন। । যুগে যুগে ধরে বাংলাদেশে নাস্তিকতার কার্যকলাপ। এই নাস্তিকবাদীদের জন্য কেউ বা হয়েছে আহত কেউ বা হয়েছে নিহত।ইতিহাস সাক্ষী আবার কেউবা হয়েছে দেশান্তর ও নির্বাসন। । এবং বাংলাদেশের কিছু ইসলামী দলের মাঝে শরীয়ত সম্পর্কিত কিছু নিয়ম কানুন নিয়ে তুমুল রক্তপাত! কেউ হয়েছে আহত আবার কেউ বা হয়েছে শহীদ। .......... আর এসব হ
“ধর্ষণ” রবিউল হোসাইন রাজু

“ধর্ষণ” রবিউল হোসাইন রাজু

ধর্ষণ এ যেন এক নিত্য দিনের পত্রিকার শিরোনাম, আর টিভি চ্যানেলের হেডলাইন, প্রতিনিয়ত ঘটছে হাজারো ধর্ষণের ঘটনা।কয়টা বা আসছে পত্রিকার শিরোনামে কিংবা টিভির হেডলাইনে..? হয়তো এমন ও আছে কোন ধর্ষণের খবর জানেনা তার নিজ পরিবারের লোকেরাও, তার পরেও দিন দিন বেড়ে চলছে এ ধর্ষণের ঘটনা। আর এ ধর্ষণ নামক বাজে শব্দটি এমন জায়গায় রূপ নিয়েছে যে এ ধর্ষণের হাত থেকে বাদ যাচ্ছে না নারী থেকে শুরু করে কোমল মতি নিষ্পাপ শিশুরাও। অথচ শিশুরা কিন্তু বুঝে না ধর্ষণ কি জিনিস, গত কিছুদিন আগে পত্রিকায় এক শিরোনাম দেখে আমি খুব অবাক হলাম.! যখন পত্রিকায় পড়লাম যে কুমিল্লার মুরাদনগরে পঞ্চম শেণির এক ছাত্রী ৭ মাসের গর্ভবতী, সত্যিই এটা একটি হৃদয় বিদায়ক খবর ছিল। কিন্তু তার চেয়েও যে আরো বড় হৃদয় বিদায়ক খবর শুনলাম গতকাল কিছুদিন আগে বিবিসি বাংলায় যে দিনাজপুরে পূজা নামে পাঁচ বছরের এক শিশু বাচ্ছাকে ধর্ষণ করলো এক মানুষরূপী জানোয়ার। ঠিক তখন আম
বেকারত্ব শিক্ষিত জাতির মহা অভিশাপ ! এস আই ইমরান

বেকারত্ব শিক্ষিত জাতির মহা অভিশাপ ! এস আই ইমরান

একজন শিক্ষিত কর্মঠ যুবক নিজেকে সম্পূর্ণ ভাবে তৈরি করে তার যোগ্যতা অনুযায়ী রাষ্ট্রকে সেবা দিতে চায় এবং এর বিনিময়ে সে তার জীবন থেকে বেকারত্ব নামক অভিশাপ থেকে মুক্তি পেয়ে জীবিকা নির্বাহের গ্যারান্টি চায়।বেকারত্বের যন্ত্রনা কেবল বেকাররাই অনুধাবন করতে সক্ষম।অনেক আশা নিয়ে বাবার অনেক কষ্টে উপার্জন করার টাকার বিনিময়ে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছে,তারাই আজ বেকারত্বের যন্ত্রনায় ভুগতেছে। বেকারত্বের সংখ্যা কমছে না,বরং বাড়ছে প্রতিনিয়ত।প্রতি বৎসর যে পরিমান হারে নর ও নারী শিক্ষা শেষ করছে, সে পরিমাণ কর্ম খালি হচ্ছে না। ফলে বেকার সমস্যা কেবল বেড়েই চলছে, শিক্ষিত জাতির জন্য হয়ে উঠেছে এক অভিশাপ। বেকারত্ব বাড়ছে এমন ২০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের স্থান ১২তম। যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সাময়িকী ইকোনমিস্টের ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশের ৪৭ শতাংশ স্নাতকই বে
অধিকার কি? এডভোকেট মহিবুল হক মুন্সী

অধিকার কি? এডভোকেট মহিবুল হক মুন্সী

অধিকার হলো সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত সুযোগ-সুবিধা যা ভোগের মাধ্যমে নাগরিকের ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে। প্রতিটি মানুষ জন্মের সাথে সাথে কিছু অধিকারের মালিক হয়ে যায় যাহা জন্মের শুরু থেকে জীবনের শেষ নিশ্বাস অব্দি পর্যন্ত উপভোগ করার দাবী রাখে।অধিকার শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ Rights, আর এই Rights বা অধিকার নিয়ে পৃথিবীর সর্বত্র আলোচনা হচ্ছে একমাত্র অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য।মানুষ তার প্রাপ্য অধিকার যদি ভোগ করতে না পারে তাহলে তার ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে না। যদি সহজ এবং সোজা ভাষায় বলি, তাহলে অধিকার বলতে কোন সত্ত্ব বা দাবীকে বুঝায়। কিন্তু এই দাবী যতক্ষন না স্বীকৃত ও সংরক্ষিত হয় ততক্ষন অধিকার হিসাবে প্রতিষ্ঠা পায় না।সমাজের মধ্যেই এই স্বীকৃতির ব্যবস্থা হয়।তাই বলা যায় অধিকার হল একটি সামাজিক ধারনা যাহা রাষ্ট্র এ সমাজের পক্ষে আইনের মাধ্যমে এই অধিকারকে স্বীকৃতি দেয় ও সংরক্ষন করে।যেমন আপনার বাড়ি, আপনার
“ভাষা আন্দোলন ও বাংলাভাষা” মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

“ভাষা আন্দোলন ও বাংলাভাষা” মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

  সেই শৈশবের কথা। যখন হেসাখাল বাজার প্রাইমারীতে পড়তাম। ছাত্রদের পদচারণায় মূখর থাকতো বিদ্যালয়ের অলিগলি- চারপাশ। এ যেনো মধু আহরণে মৌমাছির ব্যস্ত দলের ব্যস্ত বিচরণ। স্কুল বিরতি দিলেই আড্ডা জমতো মাঠের কোণে, কখনোবা বারান্দায়, খালেকের দোকানে। মন যদি ভালো থাকতো তবে খেলতাম কতো রকমের খেলা। ফুটবল, ক্রিকেট, গোল্লাছুট, কানামাছি আরো কতো কি! সেসময়ের খেলার সাথীরাই এসবের জীবন্ত সাক্ষী। তখন মাঠের কোণে ছিল এক কৃষ্ণচূড়া গাছ। যা অবশ্য এখন আর চোখে পড়ে না। যেন বিলুপ্ত হয়ে স্মৃতিচারণের যোগাড় করে দিলো। কৃষ্ণচূড়ার রক্তিমরাগ দৃশ্য মন কাড়তো। এযেনো তাজা রক্তের হিমোগ্লোবিনদৃশ্য। কোমলমতি মনে তখন এমনটাই মনে হতো। আর হ্যাঁ, সেই কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম ডাল কিবা হামহামের জলপ্রপাতের মতো রক্ত ঝরেছিল এই বঙ্গের রাজপথে। '৫২সালের ভাষা আন্দোলনের সংগ্রামী মিছিলে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল হানাদার বাহিনী। অকাতরে প্রাণ বিল
” নিরাপদ সড়ক চাই ও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আমাদের করনীয় ” মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

” নিরাপদ সড়ক চাই ও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আমাদের করনীয় ” মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

'নিরাপদ সড়ক চাই" ইহা নিছক কোন স্লোগান নয়! মুখে মুখে প্রচলিত কোন বুলি নয়! এর মাঝে লুকিয়ে আছে সন্তানহারা দুঃখীনি মায়ের করুণ রোদন, পিতাহারা সন্তানের ধুকে ধুকে ক্রন্দন, স্বামীহারা সহধর্মীনির আর্তনাদ। এর মাঝে লুকিয়ে আছে শত-সহস্র মানবাধিকার কর্মীদের অনুভূতির এক দীর্ঘশ্বাস। সেদিনের ঘটনা, গত ১৩- ০১-২০১৮ আমাদের নাঙ্গলকোট উপজেলার ভোলাইন বাজার হাই স্কু‌লের ৬ষ্ঠ শ্রে‌নির ছাত্র, চা‌টিতলা চেয়ারম্যান বা‌ড়ির বাবুল মিয়ার ছে‌লে ওভিন; বিকাল ৩ ঘ‌টিকার সময় স্কুল থে‌কে বা‌ড়ি যাওয়ার পথে মু‌লিধারা নামক গ্রা‌মে বিপ‌রিত দিক হতে অাসা এক‌টি ট্রা‌কের সা‌থে এ‌ক্সি‌ডেন্টে মারা যায়। প্রত্যক্ষদ‌র্শিরা জানান, ওভিন স্কুল ছু‌টি শে‌ষে বা‌ড়ি যা‌চ্ছিল। এই সময় সে বিপ‌রীত দিক থে‌কে দ্রুত গ‌তি‌তে অাসা এ‌কটি ট্রাকে চাপা পড়ে তখন সা‌থে সা‌থে তা‌কে ভোলাইন বাজা‌রে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে আবার তাকে কুমিল্লার লা