রবিবার, এপ্রিল ২২

কৃষি

দ্রুত বর্ধনশীল ১০ টি সবজি

দ্রুত বর্ধনশীল ১০ টি সবজি

  আল্ আমিন শাহেদঃ আমাদের দেশে শীতকালেই সবচেয়ে বেশি সবজি পাওয়া যায়। তাও আবার বিচিত্র ধরনের। শীতকালে যে বিচিত্র ধরনের সবজি পাওয়া যায় তা আর বছরের অন্য কোন সময়ে পাওয়া যায় না। আর এই সবজিগুলোর পুষ্টিগুণ বলেও শেষ করা যাবে না। শীতকালে নানান ধরনের সব্জির বাণিজ্যিক চাষ হয়ে থাকে তাছাড়াও সৌখিন চাষিরা বা যারা ছাদে বা নিজেদের ছোট্ট আঙ্গিনাতে সবজি লাগান তাদের জন্যও এই সময়টা সবচেয়ে উপযোগী। শীতকালীন সবজিগুলোর মধ্যে সিম, বাধাকপি, ফুলকপি, গাজর, মটরশুঁটি, মুলা, পালংশাক, ওলকপি, লাল শাক, লাউ শাক, করলা, বেগুন, টমেটো, বরবটি, আলু উল্লেখযোগ্য। আজকে আমি আপনাদের পরিচিত কিছু সব্জির সাথে পরিচয় করিয়ে দেব যেগুলো থেকে আপনারা এই শীতকালে অতিদ্রুত ফসল পেতে পারেন। যারা সৌখিন চাষি তারা তাদের ছাদে, বারান্দায় টবে অথবা কন্টেইনারে এই সবজিগুলো চাষ করতে পারেন। মুলাঃ লোটাসের সারির মাঝখানে লাগাতে পারে
‘নষ্ট ডিম’ সহজে চেনার উপায়

‘নষ্ট ডিম’ সহজে চেনার উপায়

  অনলাইন ডেস্কঃ- গরমের সময়ে বাজারের নষ্ট ডিমের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। অনেক বাজার থেকে ডিম কিনে বাসায় যাওয়ার পর বিপাকে পড়ে যান। অনেক সময় দেখা যায় ডিম নষ্ট বের হয়। কারণ খোসার ভেতরে ডিমের কুসুম এ সাদা অংশ খালি চোখে দেখা যায় না। তাই ডিম নষ্ট বাছাই করা খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। ডিম দিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করে থাকি। ডিম ভাজি, পুডিং, কেকসহ বিভিন্ন খাবার। তাই ডিম যদি নষ্ট হয় তবে আপনার পুরো আয়োজনটাই যাবে মাটি হয়ে। ডিম নষ্ট কি না তা বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই। তবে কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন ডিমটি নষ্ট না ভালো। আসুন জেনে নেই কিভাবে বুঝবেন নষ্ট ডিম। ১/পানি দিয়ে পরীক্ষা ডিম কিনে আনার পর কিছুক্ষণ পানির মধ্যে ডুবিয়ে রাখুন। ভালো ডিমগুলো কিছুক্ষণের মধ্যেই পানিতে ডুবে যাবে। আর নষ্ট ডিম ভেসে থাকবে। ২/ডিম সেদ্ধ ডিম সেদ্ধ হওয়ার পর ডিমের সাদা অংশ য
এই শীতে গাঁদা ফুলের চাষ

এই শীতে গাঁদা ফুলের চাষ

আল্ আমিন শাহেদ- সিএন নিউজ প্রধান প্রতিবেদকঃ- শীতকালের ফুলের মধ্যে গাঁদা অন্যতম। বিবাহ, জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী, গৃহসজ্জা, বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস ও শহীদ দিবসসহ সব অনুষ্ঠানেই গাঁদা ফুলের বিকল্প নেই। কেটে যাওয়া ত্বকের রক্ত পড়া বন্ধ করতে, কাটা ঘা শুকাতে ও জীবাণুনাশক হিসাবে গাঁদা পাতার রস খুব উপকারী। জাতঃ চাইনিজ , রাজগাঁদা, আফ্রিকান ও ফরাসি জাতের গাঁদা আমাদের দেশে বেশি চাষ হয়। রঙ ভেদে গাঁদার জাত হচ্ছে হলুদ, লাল, কমলা, গাঢ় খয়েরি, লাল হলুদের মিশ্রণ ইত্যাদি। আফ্রিকান জাতের গাছ সোজা ও লম্বা, ৩০-১০০ সেমি লম্বা হয়। ফুল কমলা, হলুদ ও গাঢ় খয়েরি রঙের ছিটা দাগযুক্ত হয়। ফরাসি গাঁদার গাছ খাট ও ঝোপালো, ১৫-৩০ সেমি লম্বা হয়। ফুল আকারে ছোট, প্রচুর ধরে ও রঙ লাল। কমলা সুন্দরীর গাছ খুব শক্ত। ফুল গাঢ় কমলা। শাখা প্রশাখা বেশি হওয়ায় ফুল বেশি ধরে। ফুলের আকার ৪.৫ থেকে ৫ সেমি। অনেক দিন পর্যন্ত ফুল ধরে। প্র
নারীদের হাতে কৃষির বিষমুক্তি

নারীদের হাতে কৃষির বিষমুক্তি

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের ছয় শতাধিক গৃহবধূ সম্মিলিতভাবে যা করছেন, তা এলাকার কৃষির চেহারা পাল্টে দিয়েছে। নিজেদের তৈরি কম্পোস্ট সার দিয়ে নিজেরাই সবজির চাষ শুরু করেছেন এই নারীরা। তাতে শুধু অরগানিক বা বিষমুক্ত সবজিই পাওয়া যাচ্ছে না, দারিদ্র্যপীড়িত এলাকাটির ২৪টি গ্রাম থেকে বিদায় নিয়েছে অভাব-অনটন। এখানকার সবজি এলাকা ছাড়িয়ে রাজধানীতেও পাড়ি জমাচ্ছে। কৃষিকাজে নিয়োজিত এই গৃহবধূদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ইউনিয়নের ১৩ জন নারী বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ‘জয়ীতা’ নির্বাচিত হয়েছেন। একজন পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক। শুরুতে কৃষিকাজে স্বামীদের সহায়তা করতে বাড়ির আঙিনায় সবজির চাষ শুরু করেছিলেন এই গৃহবধূরা। তারপর ধীরে ধীরে পরিত্যক্ত জমি এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ফসলি জমিতেও এই চাষ ছড়িয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, এই নারীদের জন্যই এখন এলাকার লোকজন বিষমুক্ত সবজি খেত
কৃষকদের দিন বদলের স্বপ্ন দেখাচ্ছে ভোলার ‘ মহিষ পালন ’

কৃষকদের দিন বদলের স্বপ্ন দেখাচ্ছে ভোলার ‘ মহিষ পালন ’

সিএন নিউজ ভোলা প্রতিনিধিঃ-- দেশের দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপ জেলা ভোলার অনন্য ঐতিহ্য ‘মহিষ পালন’। জেলায় প্রায় ২০০ বছর আগে থেকে মহিষ পালন করা হয়ে আসছে বাথান পর্যায়ে। বাথানে একই সঙ্গে ২০০ থেকে ৫০০ পর্যন্ত মহিষ পালন সম্ভব। যা ঘরোয়া পরিবেশে একেবারেই অসম্ভব। কিন্তু বর্তমানে এ মহিষ পালন অধিক লাভজনক হওয়ায় স্থানীয়রা বাড়িতে পালন শুরু করেছে। মহিষ পালনের ব্যাপকতায় এলাকার দরিদ্র কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বি হয়ে উঠছেন। মহিষের দুধ বিক্রির টাকা কৃষকদের চোখে দিন বদলের স্বপ্ন দেখাচ্ছে। এলাকায় মহিষ পালন করেন দোলাল মাতব্বর। মহিষ পালনে তার জীবন বদলে যাওয়ার গল্প শোনাতে গিয়ে তিনি বলেন, ২০০১ সালে আমি চারটি মহিষ নিয়ে আমার যাত্রা শুরু করি। মাত্র ৫০ হাজার টাকা পুঁজি দিয়ে আমি শুরু করি। এখন আমার ৩৬টি মহিশ। শুধু তাই নয়, বর্তমানে আমার দুই একর জমি হয়েছে। যার স্থানীয় বাজার মূল্য ২০ লাখ টাকা। এ মহিষের দুধ বেচে আমি আ
নাঙ্গলকোটে ধান চাষে হতাশ হাজারো কৃষক

নাঙ্গলকোটে ধান চাষে হতাশ হাজারো কৃষক

জাকির হোসেন লিটনঃ- কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় মোট জমির পরিমাণ ২৩.৬৪৩ হেক্টর, এর মধ্যে ৩৪.২০৭ হেক্টর জমিতে ফসল চাষ করা হয়। ঐ ফসলি জমির বিভিন্ন অঞ্চলে ধান চাষে ক্ষতির সম্ভাবনা দেখছেন হাজারো কৃষক। কয়েকজন কৃষকের সাথে আলাপ কালে জানা যায় গত মৌসমে ভারতী বাংলা জাতের ধান চাষে লাভবান হওয়ায় এবারও ঐ জাতের ধান রোপন করে এই অঞ্চলের কৃষকেরা।কিন্তু এবার দেখা গেল ভিন্ন চিত্র। তাদের মতে প্রায় সব ধান এবার রোগে আক্রান্ত হয়েছে, কিন্তু সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে ভারতী বাংলা জাতের ধান।বিভিন্ন ধরনের ঔষধ ব্যবহার করেও এর কোনো ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে না। ধানের এরকম অবস্থা এর আগে আর কখনো দেখা যায়নি। এই প্রথম ধানের এই রোগ দেখা গেছে। ধান রোপন করেছে সবে মাত্র ৪০-৫০ দিন হবে, কিন্তু দেখে মনে হয় যেন মাঠ ভরা পাকা ধান, নজির বিহীন এমন চিত্রে দু-চোখে পানি চলে আসে কৃষকদের, কৃষকেরা জানান আমরা এখন প্রায় লাখ লাখ টাকা লোকস
স্কুলের খেলার মাঠে প্রধানশিক্ষকের মৎস্য প্রীতি

স্কুলের খেলার মাঠে প্রধানশিক্ষকের মৎস্য প্রীতি

সিএন নিউজ২৪ বরিশাল প্রতিনিধিঃ- নগরী সংলগ্ন পপুলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিশাল খেলার মাঠে কৌশলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে মাছ চাষ করে আটশ’ শিক্ষার্থীর খেলাধুলা, শরীর চর্চা ও বিনোদন থেকে বঞ্চিত করছেন প্রধানশিক্ষক। বিদ্যালগুলোতে ক্লাস শুরুর পূর্বে শারীরিক শিক্ষা (পিটি) করানো বাধ্যতামূলক থাকলেও এ বিদ্যালয়টিতে সবকিছু থাকাসত্বেও প্রধানশিক্ষকের খামখেয়ালিপনায় তা সম্ভব হচ্ছেনা। বিদ্যালয়ের সামনে প্রায় দেড় একরের বিশাল মাঠ থাকলেও সেখানে খেলাধুলা পরিবর্তে মাছ চাষ করা হচ্ছে। প্রধানশিক্ষক নিয়ম করে সকাল বিকেল ওই মাছের খাবার নিজেই দিয়ে থাকেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, শত শত শিক্ষার্থীর স্কুল সময়ে মুক্ত আবহাওয়া প্রাপ্তি, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, ক্রীড়া-বিনোদনের জন্য বিশাল মাঠ থাকলেও তা পানিতে ভরপুর। মাঠের পানি নিস্কাশনের জন্য সুব্যবস্থা থাকলেও তাতে বাঁধ দিয়ে জলাবদ্ধতা তৈরি করা হয়েছে। মাঠের মধ্যে হাঁটু সমান পানিতে
কুমিল্লায় চালে আতঙ্ক কমলেও সবজিতে উত্তাপ

কুমিল্লায় চালে আতঙ্ক কমলেও সবজিতে উত্তাপ

সিএন নিউজ২৪ ডেস্কঃ-  সরকারের নানা উদ্যোগ ও ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় খুচরা ও পাইকারি বাজারে চালের দামের ঊর্ধ্বগতি থেমেছে। সম্প্রতি বেড়ে যাওয়া দাম থেকে মোটা ও মাঝারি মানের চালের দাম পাইকারি বাজারে কমেছে তিন-চার টাকা। আর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চালের দামে কমেছে দুই টাকা। সাম্প্রতিক সময়ে মোটা ও চিকন চাল কেজিপ্রতি ১২-১৫ টাকা বেড়ে গেলে মানুষের মাঝে চাল নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। চাল আমদানি ও সরকারের নানা উদ্যোগের ফলে চালের ঊর্ধ্বগতি থেমে যায়। কুমিল্লার বিভিন্ন বাজারে চালের মূল্য তালিকায় দেখা যায়, কেজি প্রতি মিনিকেট ৫৮-৬০, আটাশ ৫০-৫২, স্বর্ণা ৪৬-৪৭, নাজিরশাইল ৬০-৬৫, পারি ৪০-৪২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, মোটা চালের দামই বেশি কমেছে। বস্তায় ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কমেছে মোটা চালের দাম। সপ্তাহখানেক আগে মোটা চালের দাম কেজিতে ৫০ টাকার উপরে ছিল। চালের দাম স্বস্তিতে ফিরলেও অস্বস্তিতে
রাজশাহীতে কৃষকের লাভের গুড় খাচ্ছে পিঁপড়ায়!

রাজশাহীতে কৃষকের লাভের গুড় খাচ্ছে পিঁপড়ায়!

  সিএন নিউজ রাজশাহী প্রতিনিধিঃ- রাজশাহীর পবা উপজেলার পারিলা হাটের উদ্দেশে যাত্রা। পথেই পড়লো নিভৃত গ্রাম কামার পারিলা।পাকা রাস্তার দুপাশ জুড়েই পটলের ক্ষেতের মাচান। সেই ক্ষেত থেকে তোলা হচ্ছে তরতাজা পটল। সাত সকালে রাস্তার ওপর সবুজ ফসলের এমন সমারোহ দেখলে যে কারও নয়ন জুড়িয়ে যাবে। কিন্তু সতেজ ফসলের দাম শুনে মনটা মরা পাতার মতো কুঁকড়ে গেলো মুহূর্তেই! যে পটল রাজশাহীর বাজারে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি সেটি পারিলায় কেনা হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে। অর্থাৎ পাইকারি ১৬শ’ থেকে ১৮শ’ টাকা মণের পটল সরাসরি ক্ষেত থেকে ১২শ’ টাকা মণ দরে কেনা হচ্ছে। মোটরসাইকেলের মাইল মিটারে তাকাতেই সংকেত মিললো শহর থেকে এই গ্রামের দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার। এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে কৃষকের ক্ষেতের পটল বাজারের ঝুড়িতে উঠতেই দাম বাড়ছে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা। তবে লাভের এই অঙ্ক কি কৃষকের ঘরে যাচ্ছে? না যাচ্ছে না। কারণ তিন রাস্তার মাথায় য
বন্যায় ক্ষতি ৭৭৫ কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ

বন্যায় ক্ষতি ৭৭৫ কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ

সিএন নিউজ দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ- জয়পুরহাট সরকারি কলেজে পড়াশোনা করেন। পাশাপাশি তিনি এ বছর ধারদেনা করে চার লাখ টাকা মাছের প্রকল্পে বিনিয়োগ করেন। এ নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল তাঁর। কিন্তু এবারের বন্যায় সব ভেসে গেছে। চারদিকে তিনি এখন অন্ধকার দেখছেন। এবারের বন্যা তহিবুরের মতো এমন অনেকের স্বপ্নই ধূলিসাৎ করে দিয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তর বলছে, বন্যায় সারা দেশের আট বিভাগে প্রায় ৭৭৫ কোটি টাকার মৎস্য সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে অধিদপ্তর ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে সহায়তার সুপারিশের প্রস্তুতি নিয়েছে। তারা বলছে, শিগগিরই সুপারিশ মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হবে। মৎস্য ও পশুসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, ‘এবারের বন্যা মৎস্য সম্পদের যথেষ্ট ক্ষতি করেছে। আমরা এ ক্ষতি নিরূপণ করেছি। এখন তা কীভাবে পুষিয়ে ওঠা যায় তার চেষ্টা হচ্ছে।’ মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযা
নাঙ্গলকোট কে বৃক্ষময় করে তুলছে আমাদের আলোকিত সমাজ

নাঙ্গলকোট কে বৃক্ষময় করে তুলছে আমাদের আলোকিত সমাজ

জাকির হোসেন (লিটন) চিরসবুজের দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ, সুবুজের লিলাভূমি হিসেবে পরিচিত আমাদের এই বাংলাদেশ এই দেশকে আরো সবুজময় করে তুলতে বেশি করে গাছ লাগান পরিবেশ বাচান বাংলাদেশ সরকারের এই কার্যক্রমকে বাস্তবায়ন করতে আমাদের আলোকিত সমাজ নাঙ্গলকোট উপজেলায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনা ও রাস্তার পাশে বিভিন্ন প্রজাতীর ফলজ বনজ ও ঔষদী গাছ লাগিয়ে পরিবেশ রক্ষায় সম্বৃদ্ধি করছে, তেমনি ভাবে ১২ ই আগষ্ট শনিবার দুপুর ২ টায় নাঙ্গলকোট উপজেলার জোড্ডা ইউনিয়ন (পূর্ব) অবস্থিত পানকরা হাফেজা উচ্চ বিদ্যালয়, পানকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এবং পানকরা দাখিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপন ও আলোচনা অনুষ্ঠান করে আমাদের আলোকিত সমাজ নাঙ্গলকোট উপজেলা (শাখা)। পানকরা হাফেজা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসাঃ তাহমিনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমাদের আলোকিত সমাজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম

শেরপুরে পাহাড়ে মিশ্র বাগান করে সফল আদিবাসী তরুণ

সিএন নিউজ কৃষি ডেস্কঃ-  সদিচ্ছা, মেধা আর শ্রম দিয়ে পাহাড়ি অনাবাদি পতিত জমিতে ওষুধি ও ফলদ গাছের মিশ্র বাগান তৈরি করে সফলতা পেয়েছেন এক আদিবাসী তরুণ। তার নাম প্রাঞ্জল এম সাংমা। শেরপুরের শ্রীবরদীর প্রত্যন্ত অঞ্চল হারিয়াকোনায় গড়ে তোলা হয়েছে ওই বাগান। এখন আশেপাশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা বিলুপ্ত প্রজাতির ওষুধি গাছ সংগ্রহ করছেন তার কাছ থেকে। আর বিষমুক্ত ফল পেতে অনেকেই ভিড় করছেন তার ফল বাগানে। আর ওই বাগানে কাজ করে বেশ কয়েকজন আদিবাসী ঘুচিয়েছেন বেকারত্ব। এই আদিবাসী তরুণের সফলতা দেখে আশপাশের আরো অনেক তরুণ উদ্যোগী হয়েছেন এমন মিশ্র জাতের বাগান করতে। প্রাঞ্জল এম সাংমা জানান, ২০১৫ সালে চার লাখ টাকা বিনিয়োগ করে তার নিজের অনাবাদি ও পতিত পড়ে থাকা পাহাড়ি নয় বিঘা জমির আগাছা পরিষ্কার করে ২০০ আম্রপলী, ২০০ চায়না হাইব্রীড লিচু, ৬০০ সুপারি, ৩০০ লটকন এবং দেশি জাতের আনারস ও বারোমাসি আম গাছের চারা রোপন করেন
আশা ভ‌ঙ্গের শঙ্কায় খামা‌রিরা

আশা ভ‌ঙ্গের শঙ্কায় খামা‌রিরা

মহসিনুর রহমান সজীবঃ- নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মসুরাকান্দা গ্রামের কাশফুল অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক সাহিদুল ইসলাম। আসন্ন কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য তিনি ৩৩টি গরু বাছাই করে রেখেছেন। এর মধ্যে গত বছরের সেপ্টেম্বরে ১৫ মাস বয়সী ২১টি বাছুর কিনেছিলেন তিনি। এখন সেগুলো দুই বছরের একটু বেশি বয়সী গরু। প্রতিটি গরুর দাম ৮০ হাজার টাকা করে আশা করছেন এই খামারি। গরু কেনার জন্য স্থানীয় ক্রেতারা ইতিমধ্যে সাহিদুলের কাছে খোঁজখবর নিতে শুরু করেছেন। তবে ঈদের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, তত শঙ্কা বাড়ছে সাহিদুলের। গরুর প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ার শঙ্কায় আছেন তিনি। তাঁর এই শঙ্কার মূলে আছে ভারতীয় গরু। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ভারতীয় গরু বৈধ ও অবৈধ দুইভাবেই আসা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। এই সংখ্যা সামনে আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সাহিদুলের মতো আরও অনেক খামারি। সাহিদুল বলেন, ‘শুনছি ভারত থেকে গরু আসতেছে। প্রতি বছর ঠিক কোরবান
ভালুকায় পাম চাষে সফলতা

ভালুকায় পাম চাষে সফলতা

সিএন নিউজ কৃষি ডেস্কঃ-  কয়েকবছর ধরে কঠোর পরিশ্রম এবং কোটি টাকা মূলধন নিয়ে দেশের প্রথম বানিজ্যিক ভিত্তিতে পাম চাষ শুরু করেন উপজেলার রাজৈ ইউনিয়নের কুল্লাব গ্রামের সৌদি ফেরত যুবক আনোয়ার। টেলিভিশনে প্রতিবেদন দেখে উৎসাহিত হয়ে পাম চাষ করে এখন বার্ষিক কোটি টাকা আয়ের এই ফসলের প্রতি প্রথম তিনি করার জন্য মনোনিবেশ করেন । স্থানীয়রা এই চাষ কে প্রথমে বাঁকা চোখে দেখলেও এখন অনেকটাই বিস্ময়ের সাথে পর্যবেক্ষন করছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার রাজৈ ইউনিয়নের কুল্লাব গ্রামের জালাল উদ্দিন ফকিরের পুত্র আনোয়ার হোসেন ভাগ্যের চাকা পরিবর্তনের উদ্যেশ্যে সৌদি আরব যায় বেশ ক’বছর আগে। সৌদিতে চাকুরীরতাবস্থায় ২০০৭সালে টিভিতে ’ডিসকোভার চ্যানেলে’ পাম চাষের উপর একটি সচিত্র প্রতিবেদন দেখে সে। প্রতিবেদনটি মালয়েশিয়ার একটি পাম বাগানের উপর ছিল । সে প্রতিবেদন দেখে অবগত হয় এটি দীর্ঘ মেয়াদি আবাদ। একবার এ আবাদ করে সফল হতে
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’

স্টাপ রিপোর্টার :- এস আই ইমরান 'কৃষকের ঈদ আনন্দ' নতুন পর্ব ধারণ করা হয়েছে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ঔটি গ্রামে কংশ নদীর পাড়ে। জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানটি কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজের পরিকল্পনা, উপস্থাপনা ও পরিচালনায় নির্মিত হয়। শাইখ সিরাজ বলেন, সব দিক থেকে ময়মনসিংহকেই এবার এই আয়োজনের জন্য উপযোগী মনে হয়েছে। প্রতিবছর ঈদ আনন্দের একটি নির্দিষ্ট থিম থাকে। এবার কৃষি ঐতিহ্যের কীর্তিময়ী নারী জ্যোতিষী 'খনা'কে থিম করা হয়েছে। 'কৃষকের ঈদ আনন্দ' এর এবারের পর্বে থাকবে নতুন অনেক খেলা ও গল্পের আয়োজন। বৈচিত্র্যময় খেলা থাকবে আটটি। অনুষ্ঠানটি ঈদ-উল-আযহার পরদিন বেলা সাড়ে ৪টায় চ্যানেল আইতে প্রচারিত হবে।
মেঘনায় জেলেরা নিষিদ্ধ বাগদা ও গলদা চিংড়ির পোনা ধরছেন

মেঘনায় জেলেরা নিষিদ্ধ বাগদা ও গলদা চিংড়ির পোনা ধরছেন

এম এম এইচ রায়হান :: অবৈধভাবে চিংড়িপোনা শিকার চলছে মেঘনায় । দেশের উপকূলীয় এলাকায় পোনা আহরণে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছেন না জেলেরা। মেঘনা পাড়ের প্রায় ৩০ হাজার জেলে মশারি, জাল, ছাঁকনি ও চাদর দিয়ে অবাধে চিংড়িপোনা সংগ্রহ করছেন। প্রতিদিন নদীর পাড়ের হাজীমারা, নতুন ব্রিজ, পানির ঘাট, বালুর চর, বয়ারচর, চরগজারিয়া, তেলিরচর, মতিরহাট ও লুধুয়া, রামগতি-কমলগড়সহ দুই শতাধিক স্থানে পোনার হাট বসে। পোনা কেনার জন্য যশোর, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা থেকে ব্যবসায়ীরা এসব হাটে ভিড় জমান। প্রতিদিন সাড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার পোনা বেচাকেনা হয়। জানা গেছে, ২০০০ সালের ২১ সেপ্টেম্বর মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে দেশের উপকূলীয় এলাকায় মাছের পোনা আহরণ নিষিদ্ধ করে। অবৈধভাবে চিংড়িপোনা শিকার চলছে মেঘনায় । দেশের উপকূলীয় এলাকায় পোনা আহরণে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা মানছেন না জেলেরা। অবৈধভাবে চিংড়িপোনা শিকার চলছে মেঘনা