রবিবার, এপ্রিল ২২

জলবায়ু

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ১৫ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ১৫ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

আল্ আমিন শাহেদঃ কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে অসহায় হয়ে পড়েছে ক্ষতিগ্রস্থরা। ঝড়ে ১০টি ঘরবাড়ি ও ৫টি দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া অনেক গাছপালা উপড়ে গেছে। মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) ভোরে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের মল্লিককান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার মল্লিককান্দি গ্রামে নদী ভাঙনে আশ্রিতদের এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে। এতে ওই এলাকার ১০টি ঘরবাড়ি ও ৫টি দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। এদিকে চরম বিপাকে পড়েছেন ঝড়ে বাড়িঘর হারানো মানুষ। কাঠালবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল বেপারী জানান, নদী ভাঙনে আক্রান্তদের এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে। জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য দেয়া হয়েছে।
উত্তরাঞ্চলের শতাধিক নদ-নদী পানিশূন্য

উত্তরাঞ্চলের শতাধিক নদ-নদী পানিশূন্য

প্রধান প্রতিবেদক-সিএননিউজঃ খরাস্রোত তিস্তাসহ উত্তরাঞ্চলের শতাধিক নদ-নদী পানিশূন্য হয়ে পড়েছে। পানির অভাবে বিলীনের পথে অনেক নদ-নদীর অস্তিত্ব। ফলে এসব নদীতে নেই মাছ, চলছে না নৌকা। এ অবস্থায় নদী অববাহিকার লাখ লাখ মানুষ নিজেদের পেশা হারিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে পথে বসেছে। পাশাপাশি পানি সংকটের কারণে আবাদি জমির পরিমাণ কমে গিয়ে ধু-ধু বালুচরে পরিণত হয়েছে হাজার হাজার হেক্টর জমি। অথচ এসব নদীতে এক সময় পানি প্রবাহের গতি এতোটাই প্রবল ছিল যে, নদী পার্শ্ববর্তী হাজার হাজার হেক্টর জমি বছরের ৬ মাসই পানির নিচে তলিয়ে থাকত। নদীতে নৌ-চলাচল স্বাভাবিক ছিল। মাঝি-মাল্লাদের কণ্ঠে ভেসে উঠতো ভাওয়াইয়া, পল্লীগীতি ও ভাটিয়ালি গানের সুর। নদীর ওপর নির্ভরশীল মৎসজীবিরাও পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন-যাপন করতো। অথচ বর্তমানে এ অঞ্চলের নদ-নদীগুলো মরে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় পাল্টে গেছে সার্বিক পরিস্থিতি। সরেজমিন খোঁজ
আসছে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ!

আসছে আরেকটি শৈত্যপ্রবাহ!

অনলাইন ডেস্কঃ- ইতিপূর্বে আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে চলতি জানুয়ারি মাসে বৃষ্টি বা তীব্র শৈত্যপ্রবাহের উল্লেখ না থাকলেও সম্প্রতি পরিবর্তন আনা হয়েছে পূর্বাভাসে। এতে বলা হয়েছে, এ মাসেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ১টি মাঝারি অথবা তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং অন্যত্র ২-৩টি মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তবে দেশজুড়ে শীতের প্রকোপ কিছুটা কমেছে। উন্নতি হয়েছে তাপমাত্রার। তবে আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ জানান, আগামী দিনগুলোতে শীতের প্রকোপ বাড়তে পারে। সামগ্রিকভাবে এই শৈত্যপ্রবাহ মৃদু বা মাঝারি এবং অঞ্চলভেদে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে। এ ছাড়া আকাশ আংশিক মেঘলাসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করলেও সহসাই এই শীত যাচ্ছে না। এ মাসের শেষ দিকে আরও একটি শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। প্রতিদ
শৈত্যপ্রবাহ কিছুটা প্রশমিত হলেও সহসা যশোর-খুলনাঞ্চল থেকে যাচ্ছে না ঠান্ডা

শৈত্যপ্রবাহ কিছুটা প্রশমিত হলেও সহসা যশোর-খুলনাঞ্চল থেকে যাচ্ছে না ঠান্ডা

  স্টাফ রিপাের্টার: চলতি শৈত্যপ্রবাহ এখন উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে স্থির হয়ে আছে। মূলত এ এলাকার ওপর দিয়েই প্রভাব বিস্তর করে আছে। ঘনকুয়াশার প্রভাবে দিনে সূর্যালোক কম পাওয়ায় যশোর ও খুলনাঞ্চলে তাপমাত্রা বাড়ছে না। যশোরে গত চারদিনই দেশের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ৭ডিগ্রির নীচে বিরাজ করায় ওই এলাকায় প্রচন্ড ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। এই শৈত্যপ্রবাহ খুলনা পর্যন্ত বিস্তৃত। তবে ঘনকুয়াশায় খুলনার আধাবেলা সূর্যের মুখ দেখা না যাওয়ায় এখানেও তাপমাত্রা বাড়ছে না। খুলনার তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও তা শৈত্যপ্রবাহের কারণে গায়ে লাগছে না। ফলে তীব্রশীত অনুভূত হচ্ছে। এ অবস্থা আরও কয়েকদিন থাকতে পারে এছাড়া মাঘ মাসের ১৫তারিখ পর্যন্ত দেশের চুয়াডাঙ্গা যশোর ও খুলনা অঞ্চলে শীতের প্রভাব থাকবে। এদিকে আবহাওয়া বিভাগ জানায়, দেশের বিভিন্ন স্থানের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্য প্রবাহ থেকে আরও কিছু এলাকা প্রশমিত হতে পারে।
রংপুর বিভাগে শীতজনিত রোগ ঠেকাতে দেড় হাজার টিম

রংপুর বিভাগে শীতজনিত রোগ ঠেকাতে দেড় হাজার টিম

সিএন নিউজ রংপুর প্রতিনিধিঃ-- রংপুরে গত পাঁচদিনের একটানা তীব্র শৈত্যপ্রবাহ আর হিমেল হাওয়ায় মানুষ জবুথবু হয়ে পড়েছে। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিয়েছে কোল্ড ডায়রিয়া নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত নানান রোগ-বালাই। এসব রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি শিশু ও বৃদ্ধরা। কর্মহীন হয়ে পড়েছে নিম্নআয়ের মানুষরা। এই শীত মৌসুমে যাতে শিশু ও বৃদ্ধরা বড় ধরনের কোন রোগে আক্রান্ত না হন সে জন্য বিভাগ জুড়ে কাজ করছে ১ হাজার ৫শ ৬টি চিকিৎসা সংক্রান্ত টিম। এর মধ্যে রংপুরেই রয়েছে ২৪৪টি। মঙ্গলবার এ তথ্যটি নিশ্চিত করে রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মোজাম্মেল হক বলেন, শীতে আক্রান্ত মানুষজন বিশেষ করে গ্রামের মানুষরা যাতে কোন ধরনের চিকিৎসায় অবহেলা না পায় সে জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে গত সোমবার দেশের পঞ্চাশ বছরের ইতিহাসে ২.৬ ডিগ্রি তাপমাত্রা ছিল। স
ভয়াবহ শীতে ১০ জনের মৃত্যু

ভয়াবহ শীতে ১০ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্কঃ- প্রচন্ড শীতে কাঁপছে দেশ। সোমবার তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছিল ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সৈয়দপুরে তাপমাত্রা নেমে যায় ২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এসব অঞ্চলে প্রচণ্ড শীতে জনজীবন প্রায় বিপর্যস্ত। ভয়াবহ শীতে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১৯৪৮ সাল থেকে আবহাওয়া অফিসে তাপমাত্রার রেকর্ড রয়েছে। দেখা যাচ্ছে ১৯৬৮ সালে শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা নামে ২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। কিন্তু সোমবার তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলের রেকর্ড ভেঙেছে। প্রচণ্ড শীতে মানুষের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা ধরনের সমস্যা। কারো ডায়রিয়া, কেউ ভুগছেন হাঁপানিতে। আবার সর্দি-কাশি খুবই সাধারণ বিষয়। কেউ কেউ ভুগছেন প্রচণ্ড মাথা ব্যথায়। হাসপাতালগুলোয় চিকিৎসকেরা সর্দি-কাশি, হাঁপানি ও ডায়রিয়ার রোগী বেশি আসছেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। অপর দিকে হতদরিদ্র মানুষ পড়েছেন মহাবিপাকে। অনেকে বিছানার লেপ গায়ে দিয়ে রাস্তায়
নিম্নচাপ নেই , এখন বাড়বে শীতের দাপট

নিম্নচাপ নেই , এখন বাড়বে শীতের দাপট

সিএন নিউজ জলবায়ু ডেস্কঃ-  বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাব কেটে গেছে। তিন দিনের বৃষ্টির মেঘও সরে যাচ্ছে। এখন শীত পড়তে শুরু করবে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপটি আরও দুর্বল হয়ে লঘুচাপে পরিণত হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে গতকাল সোমবারও দেশের অনেক স্থানে বৃষ্টি হয়েছে। সারা দেশের আকাশ গতকালও ছিল মেঘাচ্ছন্ন। আজ মঙ্গলবার দেশের অধিকাংশ স্থানে এই অবস্থার পরিবর্তন হবে। এসব স্থানে আজ রোদের দেখা পাওয়া যাবে। তবে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের কোনো জায়গায় আজও কিছু হালকা বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অনেক স্থানে আজও আকাশ অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকবে। এরই মধ্যে শীত পড়তে শুরু করবে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দীন আহমেদ বলেন, নিম্নচাপের কারণে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে গিয়েছিল। এখন থেকে সর্বনিম্ন তাপ
আজও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ঝরবে সারা দিন : আবহাওয়া অফিস

আজও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ঝরবে সারা দিন : আবহাওয়া অফিস

সিএন নিউজ অনলাইন ডেস্কঃ- বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আজ উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছে। এর ফলে সারা দেশেই সকাল থেকে বৃষ্টি ঝরছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ রোববার সারা দিনই বৃষ্টি ঝরবে। সকালে ঢাকা আবহাওয়া কার্যালয়ের আবহাওয়াবিদ বজলুর রহমান জানান, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, দক্ষিণাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। সারা দিন মূলত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিই হবে। তবে কোথাও কোথাও মাঝারি আকারে বৃষ্টিও হতে পারে। আজ বিকেল থেকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করতে পারে। সে হিসেবে হয়তো কাল থেকে আকাশ পরিষ্কার হয়ে সূর্যের দেখা মিলবে। এই অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী সময়ে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া কার্যা
সারাদেশে ঘুড়ি ঘুড়ি বৃষ্টি সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

সারাদেশে ঘুড়ি ঘুড়ি বৃষ্টি সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

  এম এ শাহেদ:-- বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি গভীর নিন্মচাপে পরিণত হয়েছে। সাগর উত্তাল রয়েছে। এ কারণে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। নদীবন্দরগুলোর জন্য দেখানো হয়েছে এক নম্বর সতর্ক সংকেত। এদিকে নিন্মচাপের কারণে শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে রাজধানীতে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হতে দেখা যায়। শনিবার সকাল পর্যন্ত তা অব্যাহত রয়েছে। অসময়ের এ বৃষ্টিতে ঠাণ্ডার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছে নগরবাসী। চট্টগ্রামসহ দেশের কয়েকটি স্থানে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, গভীর নিন্মচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার সৃষ্টি হচ্ছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। গভীর নিন্মচাপটির কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ ক
সাগরে নিম্নচাপ , ১ নম্বর সংকেত

সাগরে নিম্নচাপ , ১ নম্বর সংকেত

সিএন  নিউজ জলবায়ু প্রতিবেদকঃ-- বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে অধিদফতর। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় আবওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি সামান্য উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আজ সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে , কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা
লঘুচাপের কারনে সারাদেশে গুড়িগুড়ি বৃস্টিঃ সমুদ্র বন্দুরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

লঘুচাপের কারনে সারাদেশে গুড়িগুড়ি বৃস্টিঃ সমুদ্র বন্দুরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

আল্ আমিন শাহেদঃ পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে এই বৃষ্টি থাকবে দুই দিন আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, গতকাল বিকেল নাগাদ নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ১৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরো ঘণীভূত হয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হতে পারে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা ঝড়ো হাওয়া আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্র
ঝুঁকির তালিকায় আবারও ষষ্ঠ বাংলাদেশ

ঝুঁকির তালিকায় আবারও ষষ্ঠ বাংলাদেশ

সিএন নিউজ ডেস্কঃ-  জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ ষষ্ঠ অবস্থানেই রয়ে গেছে। ১৯ বছর ধরে দুর্যোগের সংখ্যা, মৃত্যু, ক্ষয়ক্ষতির মোট হিসাবের ভিত্তিতে তৈরি ‘বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি সূচক ২০১৮’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। তবে শুধু গত বছরের হিসাবে তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩। জার্মানভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা জার্মান ওয়াচ ১৯৯৭ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে বিশ্বের ২০০টি দেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে ওই প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এতে এবারই প্রথমবারের মতো ক্ষতিগ্রস্ত শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের নাম উঠে এসেছে। বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন চলাকালে ওই সংস্থা জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশের তালিকাটি প্রকাশ করে থাকে। তারা ২০০৮ সাল থেকে ওই তালিকা প্রকাশ করে আসছে। এ বছরে ৯ নভেম্বর ওই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। জার্মানির বনে জাতিসংঘের ২৩তম জলবায়ু সম্মেলনে স্বল্পোন্
ব্রহ্মপুত্রের পানি নিতে ১ হাজার কিলোমিটারের টানেন খুঁড়ছে চীন

ব্রহ্মপুত্রের পানি নিতে ১ হাজার কিলোমিটারের টানেন খুঁড়ছে চীন

মোঃ আল আমিন হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে ব্রহ্মপুত্র নদ। চীনে যাকে ইয়ারলুং সাংপো নামে ডাকা হয়। এবার এই নদের পানির গতিপথ পাল্টে দিতে এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে চীন। এক হাজার কিলোমিটারের টানেন খুঁড়ে তারা তিব্বত থেকে এ নদের পানি উত্তরে চীনের শিনজিয়াং প্রদেশে নিয়ে আসতে চাইছে।  সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের (এসসিএমপি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনা প্রকৌশলীরা এই দীর্ঘ সুড়ঙ্গ খননের কারিগরি বিষয় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। চীনের পরিকল্পনা অনুসারে, দক্ষিণ তিব্বতের ইয়ারলুং সাংপো নদীর পানির শিনজিয়াংয়ের টাকলামাকান মরুভূমিতে নিয়ে আসা। তবে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম সুড়ঙ্গ খুঁড়ে যতোই নিজের তেষ্টা মেটাক না চীন, এতে করে প্রতিবেশী দু’দেশের সঙ্গে এর সমবন্টন সম্পর্কে বড় একটা ধাক্কা খেত
ভোরে কুয়াশা দিনে গরম রাতে ঠান্ডা

ভোরে কুয়াশা দিনে গরম রাতে ঠান্ডা

সিএন নিউজ২৪ ডেস্কঃ-  শীতকাল কি এবার আগেই এসে পড়ল। দিনে-রাতে তিন রকম আবহাওয়া। ভোরে কুয়াশা, দিনে গরম আর রাতের বেলা ঠান্ডা। কয়েকদিন আগেও ফ্যান না চালিয়ে রাতে ঘুমানো যেত না। কিন্তু এখন ফ্যান না চালিয়েই ভালো ঘুম হয়। রাজধানীর লালবাগ খাজে দেওয়ানের বাসিন্দা আহসান আলী শনিবার ভোরে প্রাতঃভ্রমণে বের হয়ে নিত্যদিনের হাঁটার সঙ্গী রহমত আলীকে উদ্দেশ্য করে এ কথাগুলো বলছিলেন। রহমত আলী সহমত প্রকাশ করে বললেন, ঠান্ডা অনুভূত হলেও রাজধানীতে শীত এখনও নামেনি। আবহাওয়ার রকমফের নিয়ে এমন আলোচনা এখন নগরবাসীর মুখে মুখে। আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, রাজধানীতে শীত আসতে এখনও অনেকটা সময় বাকি। নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে শীত শুরু হবে। তবে দেশের উত্তরবঙ্গের রংপুর ও রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলায় ইতোমধ্যেই শীত জেঁকে বসতে শুরু করেছে। আবহাওয়া অধিদফতরের ডিউটি অফিসার রুহুল কুদ্দুস শনিবার সকালে বলেন, রাজধানীতে সকালে কুয়াশা পড়লেও দ
রামগতিতে ঘূর্ণিঝড়ে পাঁচশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, ব্যাপক ক্ষতি

রামগতিতে ঘূর্ণিঝড়ে পাঁচশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, ব্যাপক ক্ষতি

সিএন নিউজ২৪ লক্ষীপুর প্রতিনিধিঃ- লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতিতে ঘূর্ণিঝড়ে ৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৫টি মসজিদ, ৪টি পল্ট্রি খামার, অসংখ্য মৎস্য খামার সহ প্রায় পাঁচশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এ সময় ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উপড়ে পড়েছে হাজারো গাছপালা। ২১ অক্টোবর (শনিবার) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রামগতি উপজেলার মেঘনার উপকূলীয় বড়খেরী, চরগাজী, চর আবদুল্যাহ, চর আলগী, চর রমিজ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এ ঝড় বয়ে গেছে। বিকেলে রামগতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল ওয়াহেদ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে ঝড়ের শুরু হওয়ার সাথে সাথে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে উপজেলার বিছিন্ন ইউনিয়ন চর আবদুল্যাহ থেকে প্রবল জোয়ারের পানিতে ভেসে আসে ১১টি মহিষ। বর্তমানে বড়খেরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছে ওই মহিষগুলো। উপ
বৃষ্টি থাকবে আরো ২ দিন

বৃষ্টি থাকবে আরো ২ দিন

সিএন নিউজ২৪ জলবায়ু ডেস্কঃ-  গভীর সমুদ্রে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও সঞ্চারিত মেঘমালার কারণে শনিবার দিনভর বৃষ্টি হচ্ছে। তবে বৃষ্টি হওয়ায় জনজীবনে নেমে এসেছে বিপর্যয়। টানা বৃষ্টিতে নগরীর নিচু রাস্তায় পানি জমে গেছে। আবহাওয়া অধিদফতরের বরিশাল কার্যালয়ের পর্যবেক্ষক মো. আনিচুর রহমান জানান, সমুদ্রে নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়াতে বরিশাল নদী বন্দরের জন্য ২ নম্বর ও পায়রা সমুদ্র বন্দরের জন্য ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বলবৎ রয়েছে। এদিকে নদীবন্দরে ২ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি থাকার পরও স্বাভাবিক নিয়মেই লঞ্চ চলাচল করছে বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ-এর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ পরিচালক আজমল হুদা সরকার মিঠু। আ্যাকুওয়েদার বলছে সোমবারের আগে রোদ ঊঠার সম্ভাবনা কম। শুক্রবার রাতে মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হলেও,রবিবার ও বজ্রসহ ভারী বৃষ্টির হতে পারে।
নিম্নচাপের প্রভাবে দেশ জুড়ে ভারী বর্ষণ

নিম্নচাপের প্রভাবে দেশ জুড়ে ভারী বর্ষণ

সিএন নিউজ২৪ জলবায়ু ডেস্কঃ-  স্থল নিম্নচাপের কারণে সারা দিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে উপকূলীয় উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যাবে বলে পূর্ভাবাসে বলা হয়েছে। আজ সকালে আবহাওয়া অফিসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীসহ সারা দেশে ভারী বর্ষণের মাধ্যমে নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে যাবে। এতে বলা হয়, উপকূলীয় উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শুক্রবার সকাল ৬টায় স্থল নিম্নচাপ হিসেবে উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে এবং গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালা তৈরি অব্যা
কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে পাইকগাছায় বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত

কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে পাইকগাছায় বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত

মো: আল নোমানঃ- পাইকগাছায় বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে গত ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিপাতে ব্যাহত হচ্ছে দৈনন্দিন কার্যক্রম। বিঘ্নিত হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে জনজীবন। ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বিভিন্ন স্থানে ওয়াপদার বেড়িবাঁধ। বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে গত রোববার সকাল থেকে উপকূলীয় পাইকগাছায় শুরু হয় ঝড়োহাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাত। যা মঙ্গলবার পর্যন্তও অব্যাহত থাকে। ৩ দিনের ঝড়োহাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রম। বিশেষ করে কোন কাজ করতে না পারায় চরম দূর্ভোগে রয়েছে নিম্ন আয়ের দিন মজুর মানুষেরা। বান্দিকাটী গ্রামের ইউনুছ আলী গোলদার জানান, দিন মজুরের কাজ করে আমার সংসার চলে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত ৩ দিন কোন কাজ করতে পারেনি। ফলে কিছুটা হলেও পরিবার পরিজন নিয়ে দূর্ভোগে রয়েছি। অপরদিকে ভারী বর্ষণ ও ঝড়োহাওয়ায় দেখা দেয় বিদ্যুৎ বিপর্যয়। রবিবার বিকাল থেকে সোমবার
এই শরতেও গরম আর ঘনঘোর বর্ষা

এই শরতেও গরম আর ঘনঘোর বর্ষা

সিএন নিউজ২৪ ডেস্কঃ-  শরতের স্বচ্ছ ঘননীল আকাশে ওড়ে বেড়ায় সাদা মেঘ। হালকা হয়ে আসে রোদের তেজ। প্রকৃতিতে দেখা দেয় হেমন্তের আগমনী বার্তা। কিন্তু এবারের শরৎ যেন উল্টা বার্তা হয়ে এনেছে। চলছে শ্রাবণের মতো ঘনঘোর বৃষ্টি। আবার কখনওবা গ্রীষ্মের মতো তীব্র গরম। অন্তত গত কয়েকদিনের আবহাওয়া তাই বলছে। ঝুম বৃষ্টি আর অন্ধকার করা মেঘ কেবলই মনে করিয়ে দেয় আষাঢ় কিংবা শ্রাবণ মাসের কথা। এ যেন শরতে ‘ঘনঘোর বর্ষা’। আষাঢ় ও শ্রাবণে ভর করে বর্ষা বিদায় নিয়েছে সেই কবে। আশ্বিনের হাত ধরে শরৎ এসেছে। রোববার আশ্বিনের ১৬ তারিখ। হেমন্তও আসি আসি করছে। কিন্তু প্রকৃতিতে এর কোনো প্রভাব নেই। কেন এত বৃষ্টি? আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, মৌসুমী বায়ু সক্রিয় হওয়ার কারণেই এই মেঘ-বৃষ্টি। এটা দু’একদিনের মধ্যে কেটেও যাবে। তবে বৃষ্টির এই প্রবণতা কাটতে অপেক্ষা করতে হবে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত। শুধু গত কয়েকদিন ধরেই নয় সদ্য শেষ হওয়া সেপ্টেম্বর
তিস্তার পানিতে আবার বন্যা

তিস্তার পানিতে আবার বন্যা

সিএন নিউজ২৪ ডেস্কঃ-  ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে আবারও তিস্তার নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার ৬টি ইউনিয়নে প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এসব এলাকায় নতুন করে দেখা দিয়েছে বন্যা। শুক্রবার সকালে তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে ৫২.১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ব্যারেজটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকে তিস্তার পানি কমছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে হাতীবান্ধা উপজেলার ৬ ইউনিয়ন গড্ডিমারী দোয়ানী, ছয়আনী, নিজ গড্ডিমারী, সানিয়াজানের নিজ শেখ সুন্দুর, পাড়শেখ সুন্দর, বাঘের চর, জিঞ্জির পাড়া,ঠাংঝাড়া, সিংঙ্গীমারীর, ধুবনী, চর ধুবনী, উত্তর ধুবনি, সিন্দুর্না, চর সিন্দুনা, হলদিবাড়ি, ডাউয়াবাড়ির ইউনিয়নের, বিছন দই, উত্তর ডাউয়াবাড়ি এলাকার প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়েছে। এদিকে শুক্রবা
উত্তাল সাগর , ৩ নম্বর সতর্কতা

উত্তাল সাগর , ৩ নম্বর সতর্কতা

সিএন নিউজ২৪ ডেস্কঃ-  কখনো ভারী বৃষ্টি, সঙ্গে বজ্রপাত। কখনো আবার ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। বৃষ্টি থেমে গেলে আবার প্রখর রোদ। মধ্যশরতেও বর্ষার আবহ প্রকৃতিতে রয়েছে। মৌসুমি বায়ুর তেজের কারণে প্রকৃতি এমন রয়েছে। এর সঙ্গে বঙ্গোপসাগরও উত্তাল রয়েছে কয়েক দিন ধরে। এ কারণে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর ও নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতাসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আজ বুৃধবার  সকালের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চলনশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ জন্য চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নৌযানগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর
ভয়াবহ বন্যায় বিধবস্ত দিনাজপুর

ভয়াবহ বন্যায় বিধবস্ত দিনাজপুর

সিএন নিউজ২৪ দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ- স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় বিধবস্ত দিনাজপুরে প্রাণিকুল,অবকাঠামো ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। এ বন্যায় জেলায় এক লাখ ৫৫ হাজার ৪৭১টি পরিবারের ৬ লাখ ২১ হাজার ৮৮৪ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। মারা গেছে ৩১ জন মানুষ। প্রায় ৬ লাখ গবাদিপশু হুমকির মুখে পড়েছে। বিনষ্ট হয়েছে এক লাখ ২৬ হাজার হেক্টও ফসলি জমি। এ নিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়েছে বানভাসি ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ। বন্যার পানি নেমে গেছে। কিন্তু এখনো বিধবস্ত হয়ে পড়ে আছে উত্তরের জনপথ দিনাজপুর। কেউ কেউ কোন মতো ঝুপড়ি বেঁধে ধাকলেও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ঘর-বাড়ি মেরামত করতে না পারায় অনেকে বসবাস করছে খোলা আকাশের নীচে।বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের চরম সংকটে ভুগছে তারা। বিরল উপজেলা পলাশবাড়ী এলাকার কৃষক আজাহার আলী জানান,আমরা এখন কি খাইয়া বাঁচিমো। আমার তামাম শেষ ! রোপা আমন যা ল্গাাইছোনা তা, বানের পানিত ডুবি পচি গ্যাইছে। শুধু আজাহার আলী ন

বন্যায় কবলিত ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগিতা এগিয়ে আসুন

বন্যায় কবলিত ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগিতা করতে যারা আগ্রহী, তারা সিএন নিউজ২৪.কম পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করুনঃ আমরা পৌঁছে দিবো আপনার অনুদান, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোর মাঝে......যোগাযোগ বিকাশ ও কল...... 01619866318 ও 01831916639

উজানে পানি কমতে শুরু করলেও বাড়ছে ভাটিতে

মোঃ আল আমিনঃ- উজানে পানি কমতে শুরু করলেও বাড়ছে ভাটিতে। পদ্মা, আত্রাইসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়ছে। এতে অবনতি হয়েছে দক্ষিন-মধ্যাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির। আগামী কয়েকদিন দেশের উত্তরাঞ্চলে পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকার আভাস পূর্বাভাস কেন্দ্রের। এদিকে, ত্রাণ নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে হুশিয়ারি দিয়েছেন মন্ত্রী। মানিকগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই তলিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকা। কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি। ৮১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। এদিকে, ফরিদপুরে পদ্মা, কুমার ও আড়িয়াল খাঁ সংলগ্ন চরাঞ্চল তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি প্রায় ১০ হাজার পরিবার। অবনতি হয়েছে রাজশাহীর বাগমারা, মোহনপুর ও তানোরের বন্যার। বাগমারায় ভেসে যাওয়া এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে শুক্রবার সকালে। নওগাঁর আত্রাই এবং ছোট যমুনার পানি বিপদসীমার উপরে। ছোট যমুনার বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে সদরের কয়েকটি এলাকা। চাঁপাইনবাবগঞ্জের

বন্যায় ভাসছে ৩২ লাখ মানুষ

সিএন নিউজ ডেস্কঃ-  দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যায় ৩২ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বুধবার বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন এখন পর্যন্ত বন্যায় ১০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্য গত ৪৮ ঘণ্টায় ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বন্যায় সবচেয়ে বেশি পানিতে ডুবে ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে আগামী দুই দিন সীমান্ত সংলগ্ন ভারতের উত্তর-পূর্বের কয়েকটি প্রদেশ এবং বাংলাদেশে ভারি বৃষ্টির আভাস থাকায় দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা করা হচ্ছে। নদীর পানি বেড়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও চাঁদপুরে ভাঙন শুরু হয়েছে। ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী এবং রাজধানী ঢাকাও। অপরদিকে গতকাল বুধবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ভারপ্রাপ্ত সচিব গোলাম মোস্তফা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন এ মুহূর্তে বন্যায় দেশের ২১টি জেলা

উত্তরাঞ্চলে স্মরণ কালের মানবিক বিপর্যয়

এমডি শাহিন মজুমদারঃ- আসুন আমরা সকলে একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই! ৩ দিনে ২২ জেলা ডুবে গেছে অন্তত ৫২ জনের মৃত্যু, অনেক নিখোঁজ, হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি। খাবার, পানীয় পানি ও আশ্রয়ের জন্য তীব্র হাহাকার ছড়িয়ে পড়ছে ডায়রিয়া, কলেরাসহ নানা ব্যাধি ভেসে গেছে বসত বাড়ি, ফসলের মাঠ ও গবাদি পশুর ঘর।
বর্ষায় ভিজে এলো শরৎ

বর্ষায় ভিজে এলো শরৎ

  এম এম এইচ রায়হানঃ- ‘আজি ধানের ক্ষেতে রৌদ্রছায়ায় লুকোচুরি খেলা রে ভাই, লুকোচুরি খেলা/নীল আকাশে কে ভাসালে সাদা মেঘের ভেলা রে ভাই লুকোচুরি খেলা..’ প্রকৃতিতে গতকাল এমন দৃশ্যপটের বদলে ছিল বর্ষণ মুখরতা। আজ প্রকৃতির মালিন্য মুছে দিতে মেঘের সিংহবাহনে এলো সে মধুর মুরতি নিয়ে। শরৎ এলো। আজ ১লা ভাদ্র। বাংলার প্রকৃতি আজ শরতের স্নিগ্ধ পরশে হবে আন্দোলিত। মেঘমুক্ত আকাশ শুভ্র শিউলির মন মাতানো ঘ্রাণ আর দিগন্ত বিস্মৃত ফসলের মাঠে ফসলের নিরন্তর ঢেউ খেলানো দোলই জানান দিচ্ছে আজ ভাদ্র মাসের সঙ্গে সঙ্গে এসেছে শরৎ। নির্মল নীলাকাশ, গুচ্ছ গুচ্ছ শুভ্র অমল ধবল মেঘের ভেলা; দূরে দুধ সাদা কাশের বনে পাগলা হাওয়ার মাতামাতি। শরতে ভুবন জুড়ে এক নতুন দৃশ্যপট রচিত হয়: গগনে গগনে শুধু অপরূপ রূপের লীলাখেলা। ‘আজি কি তোমার মধুর মুরতি/হেরিনু শারদ প্রভাতে!/হে মাত বঙ্গ, শ্যামল অঙ্গ/ঝলিছে অমল শোভাতে…।’ বসন্তের পুষ্পচাওয়া

দিনাজপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরো উন্নতি, মৃতের সংখ্যা ২২

সিএন নিউজ দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ- দিনাজপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হয়েছে। কমতে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। বুধবারের মধ্যেই শহর ও গ্রামাঞ্চলের পানি নিচে নেমে যাবে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে। পূর্ণভবা ছাড়া সব নদীর পানি বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে বন্যার পানিতে নিখোজ হওয়া ৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। চিরিরবন্দরে মারা গেছে আরো ৪ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ২২ এ দাড়িয়েছে। তবে বেসরকারী হিসেবে মৃতের সংখ্যা ২৬ বলে জানা গেছে। দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডে কর্মকর্তা মাহবুব আলম জানান, দিনাজপুর পূর্ণভবা নদীর বিপদসীমা ৩৩.৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবারের মধ্যেই শহর ও গ্রামাঞ্চলের পানি সম্পূর্ণ নিচে নেমে যাবে বলে আশা করছেন তিনি। জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম জানান, বানভাসি মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যে ১৬২ মে. টন চাল বিতরণ করেছে জেলা প্রশাসন। সেই সাথে বিতরণ করা হচ্ছে নগদ ৭ লাখ ট

বন্যায় দু’দিনে ২৭ জনের মৃত্যু, মন্ত্রী জানালেন ২০ জন

সিএন নিউজ ডেস্কঃ-  সারাদেশে বন্যায় এ পর্যন্ত ২০ জন মারা যাওয়ার কথা জানালেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। এছাড়া ২০ জেলার ৩৫৬টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এতে ৫ লাখ ৮৬ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও জানান মন্ত্রী। সোমবার দুপুরে চলমান বন্যা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে  রাজধানীর মহাখালীতে সংবাদ সম্মেলনে ত্রাণমন্ত্রী এ কথা বলেন। সিএন নিউজ প্রতিনিধিদের পাঠানো রিপোর্টে জানা যায়। ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানিতে ডুবে, ভেসে গিয়ে বা সাপের কামড়ে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বন্যা দুর্গত এলাকায় ভেঙে পড়েছে, সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সংকটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বন্যা কবলিতরা। দিনাজপুরে সোমবার সকালে বন্যায় ডুবে ৪ জনসহ গেলো দু’দিনে মারা গেছেন ১৪ জন। পূর্নভবা নদীর ভেঙে যাওয়া শহর রক্ষা বাধ মেরামতে কাজ করেছে সেনাবাহিনী।

কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়কে হাঁটু পানি, যান চলাচল বিঘ্নিত

স্টাপ রিপোর্টারঃ এস আই ইমরান- টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ১০৮ সেন্টিমিটার ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে বন্যার পানিতে কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়ক ডুবে যাওয়ায় সারা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিঘ্নিত হচ্ছে। রোববার ভোর থেকে কাঁঠালবাড়ি বাজার থেকে ঝিনাই এলাকা পর্যন্ত এক কিলোমিলাটার এলাকায় হাঁটু পানি জমে থাকায় ওই মহাসড়কে যান চলাচলে ঝুঁকি রয়েছে। সে কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানান জেলা প্রশাসক আবু ছালে মোহাম্মদ ফেরদৌস খান। তিনি বলেন, কাঁঠালবাড়ি শহর রক্ষা বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যেকোনো সময় এটা ভেঙে পড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। এদিকে জেলার সদর, নাগেশ্বরীম ভুরুঙ্গামারি উলিপুরসহ ৯টি উপজেলার আড়াই শতাধিক গ্রামের দেড় লাখ মানুষ