শুক্রবার, আগস্ট ১৭

পর্যটন

সমুদ্রের নীচে বাংলো, এক রাতের খরচ জানেন?

সমুদ্রের নীচে বাংলো, এক রাতের খরচ জানেন?

সিএন নিউজ পর্যটন ডেস্কঃ-- কখনও ভেবেছেন সমুদ্রের গভীরে গিয়ে এক রাত কাটিয়ে আসবেন। প্রবাল প্রাচীরে ঘেরা বাংলোর বারান্দায় বসে অতল জলরাশি দেখতে দেখতে চা খাবেন। যদি স্বপ্নেই এই সব দেখে থাকেন, তা হলে আপনার স্বপ্ন বাস্তব হতে চলেছে। সত্যি নাকি! কিভাবে? অ্যাডভেঞ্চার যাদের ভালো লাগে? তাদের জন্যই মলদ্বীপের রঙ্গোলি আইল্যান্ডে সমুদ্রের গভীরে এক আশ্চর্য বাংলো বানাতে চলেছে কনরাড মলদ্বীপ। পানির নীচে বাংলোটি ঘিরে থাকবে প্রবাল প্রাচীর। অতল পানির আহ্বান শুনতে শুনতে সমুদ্রের গভীরে এক অজানা জগতের স্বাদ পাবেন পর্যটকেরা। সমুদ্রের ১৬ ফুট নীচে ওই বাংলোর নাম হবে ‘মুরাকা’। স্থানীয় ধিভেহি ভাষায় যার অর্থ প্রবাল। বাংলোর ঘরে বসেই রঙবে-রঙের প্রবাল প্রাচীরের শোভা নিতে পারবেন পর্যটকেরা। বেডরুমে বসেই দেখবেন আপনার চারপাশে খেলা করে বেড়াচ্ছে মাছ ও অক্টোপাসেরা। ভাগ্যে থাকলে দু’ একটা খুনে হাঙরও যে চোখে পড়
ঈদে সিলেটের কোথায় কোথায় ঘুরবেন

ঈদে সিলেটের কোথায় কোথায় ঘুরবেন

সিএন নিউজ পর্যটন প্রতিবেদনঃ-- এবার ঈদ আর বর্ষা পাশাপাশি। বর্ষার রিমঝিম ছন্দের তালে তালে ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন সিলেটে। সিলেটে বেশকয়েকটি স্থান রয়েছে দেখার মতো। নয়নাভিরাম সেসব স্থানে গেলে ঈদের আনন্দে বাড়তি কিছু যোগ হবে। তাহলে আসুন জেনে নেই সিলেটের কোথায় কোথায় ঘুরবেন- রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র জলাবন হচ্ছে রাতারগুল। সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের গুয়াইন নদীর দক্ষিণে এর অবস্থান। শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। এখানে পানির মধ্যে ভাসা সবুজ গাছ, মাথার ওপর তার ছায়া, সুনীল আকাশ, নৌকায় রাতারগুল ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এখানে সাপ, বানর, মাছরাঙা, পানকৌড়ি, কানাবক, সাদাবক, ঘুঘুসহ নানা জাতের অসংখ্য পাখি রয়েছে। তাই দলবেঁধে রাতারগুল যাওয়াই ভালো। জাফলং সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকায় জাফলং অবস্থিত। এর অপর পাশে ভারতের ডাওকি অঞ্চল
চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থান সমূহঃ

চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থান সমূহঃ

সাব্বির আহমেদ সোহাগ- চট্টগ্রাম শহরের ভিতর দর্শনীয় স্থান সমূহঃ (টিকেট ছাড়া). . ১. পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ২. গোল্ডেন বীচ পতেঙ্গা ৩. ১৫ নং নেভাল এভেন্যু ৪. বিমান বন্দর ৫. ফইল্লাতলী সাগরের পাড় ও ম্যানগ্রোভ বন ৬. পোর্টের টোল সড়ক ৭. রেলওয়ে জাদুঘর ৮. ঝাউতলা আবহাওয়া ওফিস ও ব্র্যাক এর পাহাড় ৯. বাটালী পাহাড় (বিজয় স্তম্ভ) ১০. জিলাপী পাহাড় ১১. সিআরবি পাহাড় ১২. ডি সি হিল ১৩. কর্ণফুলী নতুন ব্রীজ ১৪. ফিরিঙ্গিবাজার ব্রীজ ঘাট/ফিসারী ঘাট (নৌ-ভ্রমন পিয়াসুদের জন্য) ১৫. জাতিসংঘ পার্ক (পাচলাইশ) ১৬. বিপ্লব উদ্যান (২নং গেইট) ১৭. সানসেট পয়েন্ট ভাটিয়ারী ও ভাটিয়ারী লেক। ১৮. ওয়ার সিমেট্রি ১৯। কাঠগড় বীচ ২০। অভয়মিত্র ঘাট ( নেভাল ২ নামে পরিচিত) ২১। ফিরিঙ্গি বাজার মেরিন ড্রাইভ। . চট্টগ্রাম শহরের ভিতর দর্শনীয় স্থান সমূহঃ (টিকেট/পারমিশন প্রয়োজন) . ১. ফয়েজ লেক ২. চিড়িয়া
ঘুরে আসুন হাতিয়ার “কমলার দিঘী”

ঘুরে আসুন হাতিয়ার “কমলার দিঘী”

এম এম এইচ রায়হান:-- প্রাকৃতিক নৈসর্গিক লিলাভূমি হাতিয়া উপজেলার এক বিস্ময়কর সৌন্দর্যের পাপড়ির নাম "কমলার দিঘী" যার সৌন্দর্যে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মুগ্ধ, আমি হলফ করে বলতে পারি আপনিও এক ফলকে হারিয়ে যাবেন প্রকৃতির গভীর থেকে গহীনে। কিভাবে যাবেন: হাতিয়া উপজেলার মধ্যেবিন্দু ওসখালী থেকে প্রায় ১কিঃমিঃ পূর্ব দক্ষিণে অবস্থিত বিস্ময়কর পর্যটন স্পষ্ট "কমলার দিঘী"। আরও সহজ করে বলতে গেলে কাজির বাজারের অল্প দক্ষিণে। কি কি দেখতে পাবেন: শুরুতেই সবুজের বেষ্টনীতে বেষ্টিত সবুজ ঘাসের চাদরে ঢাকা বিস্তৃত মাঠ, চিকন আঁকাবাঁকা খাল, একটু সামনে নদীর তীরে সাদা ধবধবে চকচকে বালিতে সারাদিন হাঁটলেও সমস্যা নাই পায়ে কাদা লাগবেনা। নদীর তীরে গিয়ে চোখ যতদূর যায় সামনে তাকান, দেখতে পাবেন সৌন্দর্য কাকে বলে। সারি সারি এলোমেলো ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট (কেরপা গাছ) দেখলে চোখ জুড়িয়ে যাবে, বাহন হিসেবে মোটর সাইকেল হবে উত্তম।
লালবাগ কেল্লার ভয়ংকর সুরঙ্গ পথে কিভাবে গেলেন বিজ্ঞানীরা

লালবাগ কেল্লার ভয়ংকর সুরঙ্গ পথে কিভাবে গেলেন বিজ্ঞানীরা

মোঃ ফারুক হোসেন- লালবাগ কেল্লা বাংলাদেশের মানুষের কাছে খুবই পরিচিত। ছোট বেলা থেকে বই পুস্তুক এর বিভিন্ন সময় অনেক ইতিহাস পড়তে পড়তে বড় হয়েছেন কিন্তু কিছু ইতিহাস হয়তো অজানা রয়ে গেছে। এই লালবাগ নিয়ে আছে অনেক রহস্য। জানা যায় লালবাগ কেল্লার ভিতরে এমন এক সুরঙ্গ পথ আছে যার ভিতরে প্রবেশ করে আর কেউ ফেরত আসতে পারেনি। লালবাগ কেল্লার নিচ দিয়ে অনেক গুলো সুরঙ্গ আছে যে গুলি জমিদার আমলে করা, জমিদাররা বিপদ দেখলে সেই সব পথ দিয়ে পালিয়ে যেতো। তেমনি এক সুরুঙ্গ আছে সেই পথে কেউ ঢুকলে তাকে আর পাওয়া যেত না। পরিক্ষা করার জন্য এক বার দুটি কুকুর শিকলে বেধে সেই সুরঙ্গে নামানো হয়েছিলো কিন্তু শিকল ফেরত আসলো, কুকুর দুটি আর ফেরত আসেনি। বিষয় টা হচ্ছে এইটা মোগল আমলে বানানো হয় দিল্লি যাওয়ার জন্য এখন যেমন টা দেখা যায় তেমন টা ছিলোনা। জানা যায় কিছু বিদেশি বিজ্ঞানীরা গবেষণা করার জন্য কুকুর পাঠায় কিন্তু
কুমিল্লার দেবিদ্বারে সাত গুম্বজ মসজিদ

কুমিল্লার দেবিদ্বারে সাত গুম্বজ মসজিদ

আল্ আমিন শাহেদ- কুমিল্লা জেলা সংবাদদাতাঃ- দেবীদ্বারের ঐতিহ্য 'গুনাইঘর বায়তুল আজগর সাত গম্বুজ জামে মসজিদ' এটি নির্মাণশৈলির দিক থেকে দেশের বিখ্যাত মসজিদগুলোর অন্যতম মসজিদ হিসাবে দাবী করা হচ্ছে। 'গুনাইঘর বায়তুল আজগর সাত গম্বুজ জামে মসজিদ'টি কুমিল্লা জেলা সদর থেকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক হয়ে উত্তর-পশ্চিম কোনে দেবীদ্বার পৌর এলাকায় এবং দেবীদ্বার সদর থেকে দু'কিলোমিটার পশ্চিম দক্ষিণে গুনাইঘর গ্রামে অবস্থিত। নতুন এবং পুরাতন নির্মাণ পদ্ধতির সংমিশ্রণে অসংখ্য ক্যালিওগ্রাফিতে আঁকা ব্যাতিক্রমধর্মী নির্মাণ শৈলির সাত গম্বুজ মসজিদটি দেশব্যপী দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এ মসজিদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ক্যালিওগ্রাফি ও নির্মাণ কৌশল। মসজিদের চার কোনায় চারটি মিনার রয়েছে। চার মিনারের কোন মসজিদ বাংলাদেশে এটাই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে। মিনারগুলোর উচ্চতা ৮০ফুট। এতে গম্বুজ রয়েছে
কুমিল্লা বার্ড আপনাকে দিতে পারে অন্যরকম ভ্রমণ আনন্দ

কুমিল্লা বার্ড আপনাকে দিতে পারে অন্যরকম ভ্রমণ আনন্দ

 রিজওয়ান মজুমদার গিলবাট: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী কুমিল্লা বার্ড আপনাকে অন্যরকম স্বাদের একটা ভ্রমণ সুখ দেবে। কেননা এখানে রয়েছে গাছ-গাছালী শোভিত, পাখির কুজন আর ছায়া সুনিবিড় নিরাপদ এক ভ্রমণকেন্দ্র। আপনাকে অবশ্যই অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করতে হবে। বার্ড এর একাডেমীক ভবন হোস্টেল এর পেছনে রয়েছে বাগান। প্রায় সাড়ে তিনশ কর্মী নিয়ে এই প্রতিষ্ঠান। পেছনে রয়েছে কর্মীদের আবাসস্থল। গাছে গাছে ফুল ফল আর খেলার বাগান, বাঁশঝাড় সবই দেয়াল ঘেরা একটা গ্রামের মতো এরিয়ার মধ্যেই। আরো আছে ছোট পাহাড়, দর্শনার্থীদের জন্য এখানে আছে ছোট ছোট বসার সিড়ি। আছে পানীয় জলের ব্যবস্থা। পিকনিক করার জন্য সব আয়োজন, আছে বিশ্রামের সু ব্যবস্থা। আমরা অনেকেই ময়নামতি শালবন বিহার বেড়াতে গেলে বার্ড এ যাই। অনেকে আবার মনে করে সরকারী অফিস ভেতরে গিয়ে কি লাভ? অনেকে আবার সামনে থেকে ঘুরে চলে আসেন। ফলে পেছনের সৌন্দর্যটা আমাদের অজানা থেকে য
রংপুরের সুরুভী উদ্যান ফিরে পেলো নতুন যৌবন

রংপুরের সুরুভী উদ্যান ফিরে পেলো নতুন যৌবন

সিএন নিউজ২৪ রংপুর প্রতিনিধিঃ- রংপুরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত সুরভী উদ্যান ফিরে পেলো তার নতুন যৌবন। পার্ক কে ঘিরে এক সময় স্থায়ী ভাবে পার্কের সামনে যে ভাবে দোকানপাট আর নামীদামী ভ্রাম্যমান চাইনিজ এর ব্যবসার স্থায়ীবন্দোবস্ত হতে যাচ্ছিলো তাতে রংপুরের মানুষ মনে করেছিলো হয়তো একসময় আর এটি পার্ক থাকবে মার্কেট হয়ে যাবে কিন্তু বিধিবাম রংপুর প্রশাসনের বিষয়টি নজরে আসায় সুরভী উদ্যান ফিরে পেলো তার আগের সৌন্দর্য এতে খুশি রংপুরের সচেতন মহল। বলা যায় যে, প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য ও রূপ রসে ভরা রঙ্গপুর কালের পরিক্রমায় রংপুর নাম ধারণ করেছে। তিস্তা বিধৌত এবং ঘাঘট, আখিরা নদীগুলো রংপুর এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। শহরটি যেন প্রকৃতির নিজস্ব আঁকা প্রতিচ্ছবি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সাহিত্য, ক্রীড়াসহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে রংপুর শহরটি বাংলাদেশের মানচিত্রে প্রথম সারির একটি শহর হিসাবে প্রতিষ্ঠিত। রংপুর সিটি কর্পো
হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ

হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ

এস আই ইমরান: চাঁদপুরের সব চাইতে পুরনো মসজিদ হচ্ছে হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ। হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ অসাধারন স্থাপত্যশৈলী। শুধু এই মসজিদ দেখতেই চাঁদপুর যাওয়া যায়। হাজী আহমদ আলী পাটোয়ারী (রঃ) হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক জামে মসজিদের ওয়াকীফ। প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম মোতওয়াল্লী, মসজিদের প্রতিষ্ঠাকাল ১৩৩৭ বঙ্গাব্দ। সর্বমোট ২৮,৪০৫ বর্গফুট আয়তনের এই বিশাল মসজিদটির রয়েছে ১৮৮ ফুট (প্রায় ২০ তালা বিল্ডিঙের উচ্চতা) উচ্চতার কারুকার্য খচিত একটি মিনার। এ মিনারে কোন রড ব্যাবহার হয়নি (তখন রডের ব্যাবহার ছিল না)। শুধু চুন-সুরকি আর ইট দিয়ে নির্মিত। উদ্যোক্তা মহোদয় এ মসজিদ নির্মাণের জন্য সে আমলে ইটভাটা নির্মাণ করেছিলেন। মসজিদটি আহম্মদ আলী পাটওয়ারী ওয়াক্ফ এস্টেটের তত্তাবধায়নে চলে। ঐতিহাসিক এই মসজিদের সাথেই আলীয়া মাদ্রাসা, হাফেজিয়া মাদরাসা, নূরানী মাদরাসা, ফোরকানীয়া মাদরাসা, ইসলামীয়া পাঠাগার, বেওয়ারিশ লাশ দা
ঘুরে আসুন কুমিল্লা রাজেশপুর ইকো পার্ক

ঘুরে আসুন কুমিল্লা রাজেশপুর ইকো পার্ক

রিজওয়ান মজুমদার গিলবাটঃ- কুমিল্লার রাজেশপুর ফরেস্ট এখন পর্যটনের বাড়তি আকর্ষণ। শুধুমাত্র বর্ষা মৌসুম ছাড়া বছরের বাকি সময়টাতে ঘুরে দেখার মতো এখানে রয়েছে এক মন মুগ্ধকর পরিবেশ। কুমিল্লা মহানগরীর ১৬ কিলোমিটার দক্ষিণে রাজেশপুর ইকো পার্ক ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের সদর দক্ষিণ উপজেলার লালবাগ থেকে ২ কিলোমিটার ভেতরে। বিভিন্ন প্রজাতির গাছের সাঁরি আর সবুজ বৃক্ষের সমাবেশ দৃষ্টি কাড়ে সবার। রাজেশপুর ইকো পার্কে সামনে থেকে এক কিলোমিটার হাঁটলেই ভারতীয় সীমান্তের গা ঘেঁষে নোম্যান্স আইল্যান্ড। ওখানে রয়েছে তালতলা টিলা, পদ্ম পুকুর। সারাদিন কাটাতে পারবেন ওই বনে। তবে বিকাল ৫টার আগেই ফিরতে হবে। সামাজিক বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে এখানে তৈরি হয়েছে “ বনশ্রী” বিশ্রামাগার, পিকনিক শেড। অনুমতি নিয়ে থাকার ও পিকনিক করার সুযোগও রয়েছে। এখানে ছোট বড় মাঝারি ধরনের টিলা আর সবুজ শালবনসহ শতাধিক প্রজাতির গাছ-গাছালিতে সমৃদ্ধ র
ভাটিয়ারী গলফ কোর্স এবং লেক

ভাটিয়ারী গলফ কোর্স এবং লেক

বিস্তারিতঃ সমুদ্র নগরী চট্রগ্রাম, এখানে রয়েছে বেশ কয়েকটি সমুদ্র সৈকত এবং ঘুরে দেখার মত অসংখ্য প্রাকৃতিক স্পট। এর মধ্যে একটি ভাটিয়ারী গলফ কোর্স এবং লেক ভাটিয়ারী গলফ কোর্স এবং লেকঃ মেঘলা দিনে ভাটিয়ারীর লেকের ধারের রাস্তা। চট্রগ্রাম শহর সিটি গেইট থেকে মাত্র ২০ মিনিটের দূরত্বে ভাটিয়ারীতে রয়েছে অসাধারণ প্রাকৃতিক রূপে বৈচিত্র্য। এখানে আপনি সব কিছুই পাবেন, পাহাড়, কাক চক্ষুর মত স্বচ্ছ লেকের পানি, সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত গলফ কোর্স। সম্পূর্ণ অঞ্চলটি সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত এবং একই যায়গায় চট্রগ্রাম সেনানিবাস অবস্থিত বলে এখানে নিরাপত্তা নিয়ে আপনাকে চিন্তিত হতে হবে হবেনা। বর্ষা কালে ভাটিয়ারী লেকের উপচে পড়া পানি আপনাকে শিহরিত করবে একই সাথে পাহাড় এবং পাহাড়ের গায়ে সূর্যাস্ত আপনার মনকে ভরিয়ে দিতে যথেষ্ট। আপনি চাইলে লেকে নৌকা চড়তে পারবেন এবং নির্দিষ্ট টাকা দিয়ে লেকের পানিতে ছিপ দিয়ে মাচ শিকার করতে
ঐতিহাসিক কুমিল্লার শাহ সুজা মসজিদ।

ঐতিহাসিক কুমিল্লার শাহ সুজা মসজিদ।

ওমর ফারুক : মোগল শাসন বাংলার ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। শাহ সুজা ১৬৩৯ থেকে ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ছিল বাংলার সুবেদার। স্থাপত্যের প্রতি অফুরন্ত ভালোবাসার জন্য শাহজাহানের খ্যাতি ছিল বিশ্বজোড়া। তাজমহলের মতো আশ্চর্য সৌন্দর্যপূর্ণ স্থাপনাও এই শাহজাহান শাসন আমলে। পিতার এই স্থাপত্য প্রেমের নমুনা পুত্রের মধ্যে বিরাজমান ছিল। তারই নমুনা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরের বড় কাটরা থেকে শুরু হয়ে ধানমণ্ডি ঈদগাহ হয়ে সুদূর কুমিল্লা গোমতী তীরের শাহ সুজা মসজিদ পর্যন্ত। ৪০০ বছরেরও বেশি বয়সী এই প্রাচীন শাহ সুজা মসজিদ কুমিল্লা শহরের সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ হিসেবে খ্যাত। এই মসজিদ নির্মাণের ইতিহাস ঘাঁটতে গেলে দুই ধরনের সূত্র পাওয়া যায়। প্রথমত, সুজা ত্রিপুরা জয় করে জয়ের এই মহান স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য এই মসজিদ নির্মাণ করেন। আর দ্বিতীয়ত, মহারাজ গোবিন্দ্র মানিক্য সুজার নাম চিরস্মরণীয় করার জন্য নিমচা তরবা
কুমিল্লা ইংরেজ কবরস্থানে দেখার মত অনেক কিছুই আছে 

কুমিল্লা ইংরেজ কবরস্থানে দেখার মত অনেক কিছুই আছে 

এম এম এইচ রায়হানঃ- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত এ জায়গা থেকে শুরু হতে পারে আপনার কুমিল্লা ভ্রমন। বুড়িচং উপজেলার একটি সুদৃশ্য পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি উল্লেখযোগ্য। উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নে অবস্থিত উক্ত পর্যটন কেন্দ্রটি কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা অধ্যুষিত হওয়ায় এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত সুন্দর ও সুগঠিত। কুমিল্লা ক্যান্টনমেণ্ট থেকে সিলেট সড়কে এক কিলোমিটার সামনে গেলেই পাবেন ঐতিহাসিক এ স্থানটি। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় দক্ষিন-পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় সদর দপ্তর ছিল কুমিল্লায়। ৫ একর জায়গা জুড়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে শহীদ ৭৩৮ জন সৈনিকের কবর আছে এখানে। এর মধ্যে ৩৫৭ জন ব্রিটিশ সৈনিক, ১৭৮ জন ভারতীয়, ৮৬ জন পশ্চিম আফ্রিকান, ৫৬ জন পূর্ব আফ্রিকান, ২৪ জন জাপানিজ, ১২ জন কানাডিয়ান এবং অষ্ট্রেলিয়ান, ৪ জন নিউজিল্যান্ডের, ১ জন করে পোলিশ, বেলজিয়াম, বার্মিজ
ঈদের দিন কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়

ঈদের দিন কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়

সিএন নিউজ বরিশাল প্রতিনিধিঃ- ঈদ-উল-আযহার ছুটিতে কুয়াকাটার সমুদ্রসৈকতে প্রচুর দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছে। আগত এসব দর্শনার্থীর বেশির ভাগই বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, ঝালকাঠিসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর। দিন শেষে ক্লান্তির অবসাদ মেটাতে এঁরা ভিড় করেছেন কুয়াকাটায়। তাই ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটার পড়ন্ত বিকেলটি শিশু-কিশোরদের হই-হুল্লোড়, নবীন-প্রবীণের পদচারণে ছিল সরগরম। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মূলত ঈদের পরদিন রবিবার থেকে ঢাকাসহ দেশের দূরবর্তী জেলার পর্যটকেরা কুয়াকাটায় আসা শুরু করেছে। কুয়াকাটার হোটেল-মোটেলগুলো ভরপুর। এদিকে ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটায় ব্যাপক পর্যটকের আগমনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসন এবং কুয়াকাটা পর্যটন পুলিশ বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ বললেন, কুয়াকাট

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত কবে পর্যটকদের জন্য ফের উন্মুক্ত হবে?

সিএন নিউজ ডেস্কঃ-  মাধবকুন্ড জলপ্রপাত ও ইকোপার্ক দেশের সর্ববৃহৎ জলপ্রপাত। জলপ্রপাতের সৌন্দর্য্য উপভোগ করার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার পর্যটকরা প্রতিদিন ভিড় করতো। লোকে লোকরন্য হয়ে যেত এলাকাটি। পর্যটকদের পদচারনায় যে এলাকাটি প্রতিনিদিন সরগরম থাকতো সেই এলাকাটি বিগত ২ মাস থেকে নিস্বব্ধ। কারণ পাহাড়ি ঢল আর ভারি বর্ষণে অভ্যন্তরীণ রাস্তায় ফাটল ও ধস দেখা দিলে ২১ জুন থেকে বনবিভাগ এ পর্যটন কেন্দ্রটির প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়। কর্তপক্ষের নিষেধাজ্ঞা জারির কারণে নানা প্রতিকুলতা ডিঙিয়ে দুর দুরান্তের পর্যটক মাধবকুন্ড এলাকায় পৌছেও জলপ্রপাত না দেখেই ফিরে যেতে হয় বাধ্য হয়ে। গত ঈদুল ফিতরে মাধবকুন্ডের সৌন্দর্য উপভোগ থেকে বঞ্চিত হন প্রকৃতিপ্রেমীরা। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এসএম মনিরুল হক ১০ আগষ্ট ইকোপার্কের প্রধান ফটক উন্মুক্ত করার আশ্বাস দিলেও পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মাঝে স্বস্তি দেখা দিলেও শেষ প
নীল ছাতা ও বোহিমিয়ান হওয়ার গল্প

নীল ছাতা ও বোহিমিয়ান হওয়ার গল্প

  —হেই! তোমার কি মনে হয় আজকের এই ঝকঝকে রোদে বৃষ্টি নামবে? তুমি ছাতা কেন বের করেছ? কথাটা শুনেই ঝট করে আমি প্রশ্নকর্তার দিকে তাকালাম। প্রশ্নকর্তা আমেরিকান। বয়স পঞ্চাশোর্ধ্ব। স্বাস্থ্য ভালো। গোলগাল একটা ভুঁড়ি আছে। মুখে সাদা দাড়িগোঁফের বাহার। মাথায় কালো ক্যাপ। পরনে চেক শার্ট। চশমার আড়ালে ঢাকা পড়ে গিয়েছে চোখ দুটো। কিন্তু কণ্ঠ বলে দেয়, মানুষটা কৌতূহলী। —তোমার কি মনে হয় আজকে বৃষ্টি নামবে? এক পা এগিয়ে এসে মানুষটা আবার আমাকে প্রশ্ন করে। আমি কিছু বলার আগে পাশ থেকে উত্তর দেয় শৈশব। —বৃষ্টি নয়, ও রোদ থেকে বাঁচার জন্য ছাতা বের করেছে। —কেন, রোদে কি সমস্যা? রোদ তো সুন্দর। তাই না? ভদ্রলোক খুব আগ্রহী হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আবার প্রশ্ন করলেন। এখানে আসলেই রোদেলা দিনে ছাতা বের করাটা অস্বাভাবিক ব্যাপার। আমেরিকায় সচরাচর বৃষ্টি ছাড়া কেউ ছাতা বের করেন না। যত কড়া রোদই হোক এরা খুব উপভোগ করেন। চামড়
রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ সরমংলা ইকোপার্ক

রাজশাহীর দর্শনীয় স্থানঃ সরমংলা ইকোপার্ক

সিএন নিউজ পর্যটন ডেস্কঃ-  কিভাবে যাওয়া যায়: উপজেলার ডাইংপাড়া মোড় থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার পূর্ব দিকে গোদাগাড়ী-আমনুরা সড়কের পার্শ্বে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা সরমঙ্গলা ইকোপার্ক। সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলায় অবস্থিত সরমংলা ইকো পার্কটি ২০০৩ সালের দিকে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে উপজেলার নিত্যনন্দপুর থেকে হরিশংকরপুর পর্যন্ত ২৭ কিলোমিটার খাঁড়ি খনন করার পর খাঁড়ির দুই পাড়ে বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপন করা হয়। গাছের মধ্যে দিয়ে তৈরি করা হয় সরু রাস্তা। আর খাঁড়ির মূল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সরমংলায় বিশেষভাবে মাঠ তৈরি করে ফুলের বাগান ও বসার জন্য বেঞ্চ তৈরি করা হয়। খাঁড়ির লেকের পার্শ্বে বেঞ্চে বসে বেড়াতে আসা লোকজন সবুজের সমাহার ও পদ্মানদী থেকে পাইপের মাধ্যমে পানি আসার দৃশ্য উপভোগ করে থাকেন। এছাড়াও নৌকায় চড়ে খাঁড়ির এপার থেকে ওপার যাওয়া-আসা করা যায়। খাঁড়ির দুইদি

বেঙ্গল টাইগার কমছে বাংলাদেশে বাড়ছে ভারতে

সিএন নিউজ ডেস্কঃ রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে ২০১০ সালে অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাঘ সম্মেলনে বাংলাদেশ, ভারতসহ ১৩টি বাঘসমৃদ্ধ দেশের সরকারপ্রধানদের ঘোষণা ছিল, ২০২২ সাল নাগাদ নিজ নিজ দেশে এ প্রাণীটির সংখ্যা দ্বিগুণ করার। এর পর কেটে গেছে সাত বছর। এ সময়ে ভারতে প্রাণীটির সংখ্যা বাড়লেও বাংলাদেশে উল্টো চিত্র। বন বিভাগের সাবেক উপপ্রধান বন সংরক্ষক তপন কুমার দে ১৩টি দেশে বাঘের সংখ্যা নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। তাতে দেখা গেছে, ২০১০ সালে ভারতে বাঘের সংখ্যা ছিল এক হাজার ৭০৬টি; এখন দুই হাজার ২২৬টি। আর বাংলাদেশে ২০১০ সালে বাঘ ছিল ৪৪০টি, সাত বছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১০৬টিতে। রাশিয়ায় গত সাত বছরে বাঘের সংখ্যা ৩০৬টি থেকে বেড়ে ৪৪৩ হয়েছে। এ বাস্তবতায় আজ শনিবার বাঘ দিবস পালিত হচ্ছে বিশ্বজুড়ে। সুন্দরবন বন বিভাগও আলোচনাসভা, সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি নিয়েছে। বন বিভাগের আয়োজনে প্রথমবারের মতো বাঘ দিবসের অনুষ্ঠান হচ্ছে এবার বা
রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বাবু ডাইং বরেন্দ্রর ভূস্বর্গ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বাবু ডাইং বরেন্দ্রর ভূস্বর্গ

এম এম এইচ রায়হান দূর থেকে তাকালে মনে হয় ঢেউখেলানো বনভূমি। গাছের পরে গাছ। মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে শান্ত জলের আঁকাবাঁকা খাড়ি। কাছে এলে মন হারিয়ে যায় টিলার চূড়ায়। ঘন সবুজ ঘাসে ঢাকা অদ্ভুত সুন্দর উঁচু-নিচু এই ভূমির তুলনা নেই। পাখি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বনেই বাসা বেঁধে বাচ্চা ফুটিয়েছে তিন জাতের বিরল প্রজাতির পাখি। দেশের আর কোথাও এদের প্রজনন করতে দেখা যায় না। রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার অংশবিশেষ নিয়ে এই অপূর্ব বনভূমি, নাম ‘বাবু ডাইং’। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তরে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার পূর্ব দিকে এই বনভূমি। মোট আয়তন ৯৬৬ দশমিক ৪৫ একর। তবে বনভূমির ভেতরের সমতল অংশে স্থানীয় লোকজন চাষাবাদ করেন। এগুলো ব্যক্তিমালিকানাধীন হয়ে গেছে। ২৪ জুলাই বাবু ডাইং বনভূমিতে গিয়ে দেখা যায়, পাকা রাস্তা একেবারে বন পর্যন্ত চলে গেছে। শেষ মাথায় এক

চট্টগ্রাম শহরের ফয়েজ লেক

  এস আই ইমরানঃ- ফয়েজ লেক মানব সৃষ্ট একটি খাল যা, চট্টগ্রাম , বাংলাদেশে অবস্থিত। এটি শহরের উত্তরাংশের পাহাড়ী ঢালের পানি প্রবাহকে বাধের মাধ্যমে আটকিয়ে খালটি ১৯২৪ সালে নির্মাণ করা হয় আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে। রেলওয়ে কলোনির আধিবাসিদের পানির সুবিধা প্রদানের উদ্দেশে। পরে এটির নাম রেলওয়ে প্রকৌশলী মি. ফয় এর নামানুসারে ফয়'জ লেক নামে পরিচিতি পায়। পাহারতলী মুলত চট্টগ্রামের একটি রেল এলাকা, যেখানে কারখানা, শেড আছে। এখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রেলওয়ে কর্মচারী বাস করে। বর্তমানে এখানে, বগি ওয়ার্কশপ, ডিজেল ওয়ার্কশপ,, লোকো শেড, পরীক্ষাগার, ভাণ্ডার, ইলেকট্রিক ওয়ার্কশপ, একটি স্কুল (স্থাপিত- ১৯২৪) অবস্থিত। এটি রেলওয়ের সম্পত্তি। যাইহোক, বর্তমানে হ্রদটি কনকর্ড গ্রুপের বাবস্থয়াপনায়, চিত্তবিনোদন পার্ক হিসেবে আছে।

খান জাহান-সুন্দরবনের বাগেরহাটে আসবেন যেভাবে

ভৌগোলিক অবস্থান ধরলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি জেলা বাগেরহাট। কিন্তু গুরুত্ব আর গন্তব্য বিচারে হযরত খান জাহান আলীর পূণ্যভূমি, অন্যতম বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের একটি অংশ এই জেলায়, দেশের অন্যতম প্রধান সমুদ্রবন্দর মংলাও এখানে।

নারকেল-সুপারির বাগানে ভরপুর বাগেরহাট

নারকেল গাছের চিরল পাতার ফাঁকে বাতাসের ঝাপটা, সুউচ্চ সুপারি বাগান। দক্ষিণের জেলা বাগেরহাটে প্রবেশ করলেই যে কারও দৃষ্টি আকর্ষণ করবে সারি-সারি নারকেল ও সুপারি গাছ। গ্রামীণ পথের দু’ধারে অসংখ্য নারকেল-সুপারি বাগান। প্রতিটি বাড়িতে রয়েছে প্রচুর সংখ্যক নারকেল ও সুপারি গাছ। সবুজে ভরা এ জেলার ঐহিত্য যেন এই দুটি গাছ। নারকেল-সুপারির জন্য দেশ জুড়ে রয়েছে সুখ্যাতিও। বিস্তীর্ণ নারকেল ও সুপারি বাগারে ছায়া সুনিবিড় পরিবেশ আকৃষ্ট করে বাগেরহাটে আসা পর্যটকদের।