শুক্রবার, আগস্ট ১৭

মুক্তমত

আমার ব্যক্তিগত কিছু কর্ম পরিকল্পনা ও স্বপ্নের কথা-গোলাম রাব্বানী

আমার ব্যক্তিগত কিছু কর্ম পরিকল্পনা ও স্বপ্নের কথা-গোলাম রাব্বানী

অনলাইন ডেস্ক- ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে এসেছে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন। শীঘ্রই ছাত্রলীগের অভিভাবক, দেশরত্ন শেখ হাসিনার সরাসরি তত্ত্বাবধানে আসবে নতুন নেতৃত্ব। স্বভাবতই নতুন নেতৃত্বের কাছে ছাত্রলীগের লাখোলাখো নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভাকাঙ্ক্ষী, সাধারণ শিক্ষার্থী ও গণমানুষের প্রত্যাশার পারদ অনেক উপরে। একজন শীর্ষ পদপ্রত্যাশী হিসেবে খুব করে চাইবো, যারাই নেতৃত্বে আসুক, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে, দেশরত্ন শেখ হাসিনার আস্থার প্রতিদান দিতে নিজেদের সেরাটা ঢেলে দিয়ে ছাত্রলীগকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে 'ইতিবাচকতার ব্রান্ড এম্বাসেডর' হিসেবে সবার কাছে উপস্থাপন করবে। আমি গোলাম রাব্বানী, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত, দেশরত্ন শেখ হাসিনার একজন নগন্য কর্মী হিসেবে ছাত্রলীগকে নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ পেলে প্রাণপ্রিয় সংগঠনের জন্য মনেপ্রাণে কাজ করতে চাই। ছাত্রলীগ নিয়ে আমার ব্যক্তিগত কিছু কর্ম পরিকল্পনা ও স্বপ্নের
যৌতুক, ইফতারি, আমকাঁঠাল বনাম নারী নির্যাতন প্রসঙ্গে

যৌতুক, ইফতারি, আমকাঁঠাল বনাম নারী নির্যাতন প্রসঙ্গে

গত ২৬ মে ২০১৮ তারিখে সিলেটের ডাকে প্রকাশিত বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক মাজেদা বেগম মাজুর কলামটি মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। তাঁর সুক্ষ্ম বিচার বিশ্লেষণ আমাকে মুগ্ধ করে। সামাজিক অন্যায় আচার-আচরণ, কুসংস্কার, কু প্রথা ইত্যাদি পীড়া থেকেই তাঁর লেখাটি উৎসারিত। আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই এবং একজন নারী হয়েও সমাজ, জাতি নিয়ে চিন্তা করেন এ বিষয়টি আমাকে আন্দোলিত করে। এ বিষয়টি বহুদিন ধরে আমাকেও পীড়া দিচ্ছে। তাই দু’কলম লিখতে বসলাম। গত রামজানের ২য় তারাবিটি পড়তে পারিনি সঠিক সময়ে। রামাদ্বান মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ঘোষণার পর মনে মনে ঠিক করেছিলাম এবার তারাবি মিস করবো না। যত কষ্টই হউক সবগুলো তারাবির নামাজ ইমামের পিছনে পড়ব। কিন্তু বিধিবাম। ১ম রোজাটি রেখে ইফতার করে বসেছি। ঠিক এই সময়ে খবর এলো আমার এক দূরসম্পর্কীয় আত্মীয়ের বাড়ি যেতে হবে। ও নাকি গুরুতর অসুস্থ। ওর ভাই আমাকে সাথে নিয়ে যেতে চায়। এমন ভাবে ধরল যে অনিচ্ছা সত্ত্বেও র
“ঢাকা জলাবদ্ধ হওয়ার কারণ ও প্রতিকার” মাসুম সরকার অালভী

“ঢাকা জলাবদ্ধ হওয়ার কারণ ও প্রতিকার” মাসুম সরকার অালভী

আরামবাগ, মতিঝিল, ঢাকা। বাংলাদেশের প্রাণ কেন্দ্র ঢাকা। প্রায় দুই কোটি মানুষের বাসবাস প্রতিদিন এর সংখ্যা বেড়েই চলছে। বর্তমানে গ্রামের মানুষ শহরমুখী হচ্ছে। মানুষ বৃদ্ধির সাথে সাথে জটিল সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। তার মধ্যে রাজধানী ঢাকার মানুষের যেটা প্রধানতম সমস্যা সেটা হল রাস্তায় জলাবদ্ধতা। এই সমস্যা দিন দিন আরো ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতেই এই শহরের পথ দুই-তৃতীয়াংশ তলিয়ে যায়। এর রয়েছে নানা কারণ। নিম্নে প্রধান প্রধান দিকগুলো আলোকপাত করছি। অপরিকল্পিত নগরায়ন: অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা শহরে প্রায় দুই কোটি মানুষের বাস। জীবন ও জীবিকার তাগিদে তৈরি হচ্ছে ঘর-বাড়ি, রাস্তাঘাট আর এর ফলে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যত্রতত্রময়লা অাবর্জনা: অসচেতনভাবে মানুষ খোলা জায়গাতে ময়লা অাবর্জনা ফেলে। আর কঠিন ময়লা আবর্জনা রাস্তার পাশে রাখার কারণে এর এক অংশ ড্রেনে গিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে দেয়। আর
খালেদা জিয়া কি বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন?

খালেদা জিয়া কি বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন?

অনলাইন ডেস্কঃ সিএন নিউজ২৪.কম... অজয় দাশগুপ্ত : কোথাকার পানি কোথায় গড়াচ্ছে? খবরে দেখলাম বিএনপি মহাসচিব হাসি হাসি মুখে বলছেন, তারা আসন্ন সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নেবেন। এটা গণতন্ত্রের জন্য সুসংবাদ বৈকি। কিন্তু খটকা থেকে যাচ্ছে। তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া এখন কারাগারে। এমন বাস্তবতা হজম করা বিএনপির কথা ছিল না। এই দল বেশ কয়েকবার সরকারে থাকা এক শক্তিশালী দল। তৃণমূলে জনপ্রিয় নামে পরিচিত দলটির জন্ম সামরিক ছাউনিতে। একদা তাদের চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো কেউই ছিল না প্রায়। সে জায়গা থেকে তাদের আপসহীন নামে পরিচিত নেত্রী বেগম জিয়া আজ কারাগারে। তাকে মুক্ত করার আন্দোলন দূরে থাক সহানুভূতি জন্মানোর মতো কাজও দলটি করতে পারছে না। তাদের সাংগঠনিক ভিত্তি যে এতটা দুর্বল সেটা আগে বোঝা যায়নি। যারা এখন নেতৃত্বে তারা গদিনসীন ভদ্রলোক হলেও এদের মাঠে নামার অভ্যাস কম। তাই স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে কি হচ্ছে আসলে? মির্জা ফখর
ধর্ষিত হয় ছেলেরাও, কিন্তু খবর রাখে না সমাজ

ধর্ষিত হয় ছেলেরাও, কিন্তু খবর রাখে না সমাজ

সিএন নিউজ মুক্তমতঃ-- বাংলাদেশে ২০১৭ সালে ১৪টি ছেলে শিশু ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে খবর এসেছে। বছর জুড়ে ১০ টি সংবাদমাধ্যমের খবর পর্যবেক্ষণ করে এই তথ্য দিচ্ছে শিশু অধিকার ফোরাম। যদিও শিশু অধিকার সংগঠনগুলো মনে করে বাস্তবে এর সংখ্যা আরো অনেক বেশি। কিন্তু ছেলে শিশুদের যৌন নির্যাতনের বিষয়টি বাংলাদেশের সমাজে বা দেশের আইনে একেবারেই গুরুত্ব পাচ্ছে না। অথচ এমন ঘটনা সমাজে ঘটছে। ঢাকার একটি আবাসিক এলাকায় কথা হচ্ছিলো ত্রিশোর্ধ এক যুবকের সাথে। তিনি বলছেন একের অধিকবার বার তিনি এমন ঘটনার শিকার। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই যুবক বলেন,‘আমার বয়স তখন আট। আমরা যে বাসায় থাকতাম তার দোতলায় একটি ছেলে থাকতো। সে প্রায়ই আমাকে সিঁড়িতে চেপে ধরত। দুই পায়ের মাঝখানে হাত দিতো। আমার খুবই খারাপ লাগতো।’ তিনি ছোটবেলায় খুব দুষ্টুমি করতেন। তাকে মনোযোগী করতে বাবা-মা তার জন্য একজন গৃহশিক্ষক রেখেছিলেন
শিক্ষা ব্যবস্থায় এতো অব্যবস্থাপনা কেন?

শিক্ষা ব্যবস্থায় এতো অব্যবস্থাপনা কেন?

সিএন নিউজ শিক্ষাঙ্গন প্রতিবেদনঃ-- বলা হয়ে থাকে সকল সেক্টরের মূলে শিক্ষা সেক্টর। এই সেক্টরই দেশের জনগনকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে পারে। দিতে পারে দক্ষ জনশক্তির যোগান। আরো বলা হয়ে থাকে, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত, সে জাতি তত বেশি উন্নত। আর একটি উন্নত জাতির দ্বারা তাঁর ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ইত্যাদিকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা সম্ভব। তা যদি হয়, তবে পৃথিবীর বুকে সেই জাতিটি মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে। এখন কথা হচ্ছে উপরের কথাগুলো যদি সত্য হয়, আমরা যদি কথাগুলো মেনে নেই, তাহলে মনে প্রশ্ন জাগে স্বাধীনতার সাঁতচল্লিশ বছর পরেও এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় এতো অব্যবস্থাপনা কেন? দেখা যায়, স্কুল, কলেজ, মাদরাসাগুলোতে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের অনুপাত খুবই অযৌক্তিক, হাস্যকর। শিক্ষার্থীর তুলনায় উপযুক্ত ক্লাসরুম, শিক্ষা উপকরণ খুবই অপ্রতুল, সীমিত। শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ও সুযোগ সু
চাকরী নামক সোনার হরিণ টা অধরায় রয়ে গেল

চাকরী নামক সোনার হরিণ টা অধরায় রয়ে গেল

সাব্বির আহমেদ সোহাগ:- বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের রেলস্টেশন, বাস টার্মিনালে ভীড় জমায় একদল তরুন। তাদের লক্ষ্য ঢাকা; কারন এদেশে ঝাড়ুদার নিয়োগ করলেও তার নিয়োগ পরীক্ষা হয় ঢাকা থেকে।তারা কেউ প্রিলি দেবে; কেউ রিটেন; কেউ ভাইভা।কারো প্রথম, কারো পঞ্চাশতম; কারো বয়স শেষের শেষ পরীক্ষা। মা ফোন দেয়- 'বাবা পাশ করেছিস? দুই বছর হলএকটা কিছু কর। তোর বাবার পক্ষে আর সম্ভব না। মা তোর জন্য আশীর্বাদ করছি। এবার তোর চাকরি হবেই হবে' বাবা ফোন দেয়- 'বাবা আমাদের জন্য না; তোর জন্য একটা চাকরি ঠিক কর; বয়স কত হয়েছে খেয়াল আছে তোর।' কথা দেয়া প্রিয়তমার ফোন বাজে - 'তুমি বিসিএস ক্যাডার হও; ব্যাংকার হও এইটা আমি চাই না; একটা ছোটখাট চাকরি যোগাড় করো প্লিজ। বড় জব পরে দেখা যাবে।' শুধুমাত্র একটি চাকুরির জন্য যুবকটি অনার্স ফাস্ট ইয়ার থেকে মুখস্ত করে আসছে - কারেন্ট নিউজ, কারেন্ট ওয়ার্ল্ডয়ের সব সংখ্যা; জবের সকল গাইড।
ফেব্রুয়ারি কেন ২৮ দিনের

ফেব্রুয়ারি কেন ২৮ দিনের

এম.এম.এইচ. রায়হানঃ-- বছরের অন্য মাস ৩০ বা ৩১ দিনে হয়ে থাকে। কিন্তু ফেব্রুয়ারি মাস এলেই তা কমে ২৮ বা ২৯ দিনে নেমে আসে। এর মধ্যে চার বছর পর পর আসে ২৯ দিন। যাকে বলা হয় লিপ ইয়ার। ফেব্রুয়ারি মাসের এই ২৮ দিনের রহস্য অনেকেরই জানা নেই। তাই আসুন জেনে নেই সেই অবাক করা কাহিনি। জানা যায়, আমরা গ্রেগরিয়ান যুগের ক্যালেন্ডার ব্যবহার করে থাকি। এর আগে জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের প্রচলন ছিল। সে সময় রোমনরা গ্রিক পঞ্জিকা অনুযায়ী বছর ধরত ৩০৪ দিনের। মাস ছিল দশটি। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের কোনো অস্তিত্বই ছিল না। প্রথম মাস ছিল মার্চ। রাজা নূমা পম্পিলিয়াস জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসকে ক্যালেন্ডারে যুক্ত করেন। তাই ফেব্রুয়ারি ছিল বছরের শেষ মাস। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিকে ৩১ দিন ধরা হতো সে সময়। এক প্রতিবেদনে বলা হয়, তখন বিজোড় মাসকে অসুখী হিসেবে ধরা হতো। রোমানদের বিশ্বাস ছিল, বিজোড় সংখ্যায় থাকলে ভূতের উপদ্রব হতে
আলোর ফেরিওয়ালা, মাসুম সরকার অালভী

আলোর ফেরিওয়ালা, মাসুম সরকার অালভী

বিদ্যা শিক্ষা কাকে বলি? বই পড়া? নানাবিধ জ্ঞানার্জন করা? আবার অনেকে মনে করেন অর্থ উপার্জনের মাধ্যম। তাই যদি না হতো, তবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাজারো আলোর ফেরিওয়ালা ছাত্র-ছাত্রী বের হয়ে আসত। দুঃখ জনক হলেও সত্য বর্তমানে এর বিপরীত অর্থ ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কেমন হওয়া উচিত ছিল, আর বর্তমানে কেমন হচ্ছে দুটোই দেখানোর চেষ্টা করব। প্রথমে ভালোর দিকটাই বলি। অজানাকে জানতে চাওয়া, অদেখাকে দেখতে চেষ্টা করা, অস্বাভাবিককে স্বাভাবিক করে তোলা, গোড়ামি অন্ধতা ও কুসংস্কার থেকে মানুষকে মুক্তির পথ বাতলানো। সূর্যের আলোতে যেরূপ পৃথিবীর সকল কিছু ভাস্বর হয়ে ওঠে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা জ্ঞানের আলোতে নিজের জীবন ও সমাজের মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর বিকাশ ঘটাবে।যেমন একটি প্রদীপ লক্ষ প্রদীপের প্রাণ জাগায়। শিক্ষা যে দান করে সে আলোর মানুষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের সম্মানজনক উপাধি না
শীতার্তদের পাশে দাঁড়ান, মাসুম সরকার আলভী

শীতার্তদের পাশে দাঁড়ান, মাসুম সরকার আলভী

বাংলাদেশ নিম্ম মধ্যম আয়ের দেশ।চারদিকে উন্নয়নের জোয়ার। প্রযুক্তির বাতাস আজ মানুষের দূর্গোড়ায়। উঁচু উঁচু দালান। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ। জীবন এখন ওরো সহজ ও আনন্দদায়ক হয়ে ওঠেছে।উন্নয়ন আমার আলোচনার বিষয় নয়। আমাদের আলোচনা হল গরিব শীতার্তদের নিয়ে। তবে অনেকে বলতে পারেন, ধান ভানতে সিবের গান কেনো!এজন্য দেশের ভালর দিকটা আগে দেলিয়ে নিলাম। যাক আসল কথায় আসি। গত দুইশত বছর যে বন্যা হয়নি, গেল বছর সে বন্যা বয়ে গেছে দেশের উত্তরের জেলাগুলোতে। বন্যায় মানুষগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছিল। বন্যা শেষে নতুন ভাবে বাড়ি তৈরি করে। টিন আর খরের ঘর। কুয়াশা আর হু হু বাতাস। গত ৫০ বছরে রের্কড ভেঙ্গছে । শীত তিন ডিগ্রি সেলসিয়াসনেস। অট্রালিকার মানুষগুলো বেস আরামেই দিন কাটছে। তবে ফুটপাতের ও টিনের বাড়ির মানুষগুলো কি প্রকৃতির দিন পার করছে বুঝ! কাটের চৌকি আর দু একটা কাথা। কুয়াশায় টিন বেয়ে পানি পরে টিপটিপ। নড়াচড়া করলে মনে হয় প
আইন সবার জন্য সমান কি? এস এম ফয়েজ

আইন সবার জন্য সমান কি? এস এম ফয়েজ

  ডিআইজি মিজান ছাত্র থাকা অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশ্যে মেয়েদের জুতা পেটা খেয়েছেন। তিনজন মেয়ে তাকে সেদিন জুতা পেটা করে। সিলেটেও নারী কেলেঙ্কারি ঘটনা ঘটিয়েছিলেন তিনি। এমনকি পুলিশ কনস্টেবল নারী সদস্যরাও তার নির্যাতন থেকে রেহাই পায়নি। পুলিশের অনেক উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানেন তার চরিত্র সম্পর্কে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অনেকের বলছেন তার চরিত্র খারাপ। সেজন্য বলা যায় কথা আছে আইন সবার জন্য সমান। কিন্তু বাস্তবে আইন ধ্বনিদের জন্য । প্রভাবশালীদের জন্য । টাকার জন্য। নিরপেক্ষ ভাবে রাষ্ট্রের আইন কাজ করলে রাতারাতি এ সমাজ বদলে যেত। আর নাম মাত্র প্রত্যাহার হওয়া ডিআইজি মিজান জামাই আদরে থেকে সাংবাদিকদের হুমকি দিত পারতো না। সে নারী কেলেঙ্কারী নিয়ে ডিআইজি মিজান সাংবাদিকদের হত্যার হুমকির পর "ভাটারা থানা" সাধারণ ডায়েরিও নেয়নি। নিবেও না। কারন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে মিজানের হাত লম্বা। আসলে স্বরাষ্
একটি বিস্ময়কর ঘটনা

একটি বিস্ময়কর ঘটনা

মুহম্মদ জাফর ইকবালঃ-  খবরের কাগজ খুলে যখনই আমি তিতুমীর কলেজের ছাত্র সিদ্দিকুর রহমানের চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়ার খবরটি পড়ি, তখনই এক ধরনের অপরাধবোধ অনুভব করি। অনেকেই একটু অবাক হয়ে ভাবতে পারেন—এ ধরনের একটা ঘটনা ঘটতে দেখে আমি দুঃখ পেতে পারি, হতাশা কিংবা ক্ষোভ অনুভব করতে পারি, কিন্তু অপরাধবোধ অনুভব করার কারণ কী? আসলে তার একটি কারণ আছে। এই জুলাই মাসের ১২ তারিখ কবি নজরুল সরকারি কলেজের একজন ছাত্রীর কাছ থেকে আমি একটা ই-মেইল পেয়েছিলাম। ইমেইলটির শুরুতেই সে লিখেছে—‘গত ছয় মাস আগে ঢাকা বিভাগের সাতটি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন করা হয়। এরপর থেকে এই সাত কলেজের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত কোনও পরীক্ষা ক্লাস তো দূরের কথা আমরা কোনও নোটিশও পাইনি। সাত কলেজের প্রায় দুই লাখ ছাত্রছাত্রী অনিশ্চিত ভবিষ্যতের ভেতরে আছি। আমাদের পড়াশোনা, ক্যারিয়ার সবকিছু অচল হয়ে যাচ্ছে। পরিবার প্রশ্ন করছে, ক্লা
উন্নয়ন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম

উন্নয়ন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম

এম এম এইচ রায়হানঃ- ‘ব্যাড নিউজ ইজ গুড নিউজ’ ধারণাটি বাংলাদেশের সাংবাদিকতা জগতে খুব বেশি অনুসৃত ও অদ্যাবধি পালিত। দেশের সংবাদ মাধ্যমগুলো একটি ইস্যুকে ‘হট কেক’ হিসেবে দেখতে চায় এবং সাধারণ জনগণকে সেভাবে ভাবাতে চায়। খেয়াল করলে দেখা যাবে, যখন রাজন হত্যা হলো, তারপর বেশ কিছুদিন শিশু নির্যাতনকে গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ প্রচার-প্রকাশ হয়েছে। রানা প্লাজা ধসের পর দেশের কোন বিল্ডিংয়ে চিড় আছে, কোনটা আগামী দিনে ফেটে যাবে, এমন সংবাদে পরিপূর্ণ ছিল। রডের বদলে বাঁশ ব্যবহার এখন বন্ধ হয়ে যায়নি। আবার শিক্ষকদের হাতে ছাত্রীদের সম্ভ্রম এখনো নষ্ট হয়। কিন্তু এখন সংবাদ মাধ্যমগুলো আমাদের তা ভাবাতে চায় না। একটি বড় ঘটনার পর সংবাদ মাধ্যমগুলোর কাজ হয়ে পড়ে সমজাতীয় সংবাদ খুঁজে বের করা। কিন্তু এসব সংবাদের কোনো ঘটনাই উন্নয়নমূলক বা গুড নিউজ নয়। পশ্চিমা বা উন্নত দেশের সাংবাদিকতার চর্চায় ব্যাড নিউজকে গুড নিউজ হিসেবে বিবেচনা
ঢাকার জলাবদ্ধতার দায় এড়ায় যারা

ঢাকার জলাবদ্ধতার দায় এড়ায় যারা

ম ইনামুল হক: বাংলাদেশ নদীগবেষণা ইনস্টিটিউট ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক মহাপরিচালক। চেয়ারম্যান, জল পরিবেশ ইনস্টিটিউট। বাংলাদেশের রাজধানীটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ, কিন্তু অপরিকল্পিত এক নগরী। মানুষের চেয়ে ক্রমশ তা মশার বাসোপযোগী জলাবদ্ধ নগরীতে পরিণত হয়েছে। যদিও এর পরিকল্পনার জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আছে। আছে দুটি সিটি করপোরেশন। আছে ওয়াসা ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে তাদের কাজ দেখতে পাওয়া যায় না। যা দেখা যায় তা হলো, নগরীর যেখানে-সেখানে বসতবাড়ি, শিল্পপ্রতিষ্ঠান আর বস্তি। দেখা যায়, রাস্তা ও ফ্লাইওভার নির্মাণের কর্মযজ্ঞ আর খোঁড়াখুঁড়ি। দেখা যায় যেখানে-সেখানে ছড়ানো আর স্তূপীকৃত ময়লা। দেখা যায় ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত পয়ো ও শিল্পবর্জ্যের প্রবহমান নালা। ঢাকা নগরীর বাসিন্দাদের কাছে যানজট ও ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধ প্রায় সহনীয় হয়ে গেছে। তবে ঢাকা নগরীর আশপাশের নদীর মাছ ও অন্য জীবগুলো দূষণের নাগপাশে নিশ্চি
পরীক্ষার ফল ও গিনিপিগ শিক্ষার্থীরা

পরীক্ষার ফল ও গিনিপিগ শিক্ষার্থীরা

এবার উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল করেছে ৩ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি ছেলেমেয়ে। এই ফেল করা ছেলেমেয়েদের কথা কে ভাববে? এই ফেল করা ছেলেমেয়েরা কী করবে? ফেল করা ছেলেমেয়েরা কী করবে, বলার সঙ্গে সঙ্গে এই প্রশ্নও আসতে পারে যে পাস করারাই-বা কী করবে? আমাদের শিক্ষার্থীদের ওপর আমরা যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছি, সভ্য দেশের মানুষ গিনিপিগদের ওপরেও তা করে কি না সন্দেহ। এটা কিন্তু কথার কথা নয়। আমেরিকায় একটা গবেষণাগার পরিদর্শনের সুযোগ আমার হয়েছিল। সেখানকার পরিচালক বললেন, তাঁদের একটা প্রধান কর্তব্য হলো গিনিপিগদের ওপরে কোনো রকম নিষ্ঠুরতা করা হচ্ছে না, তা নিশ্চিত করা। কিন্তু আমরা আমাদের কোটি কোটি শিক্ষার্থীর ওপরে মর্জিমাফিক নানা ধরনের ‘পদ্ধতি’ চাপিয়ে দিচ্ছি। একটা অপরূপ সুন্দর আইডিয়া বের করা হয়েছিল, ছাত্রছাত্রীরা যেন পড়ে বোঝে আর বুঝে পড়ে। অকারণে যাতে তাদের মুখস্থ করতে না হয়। তার নাম দেওয়া হ