বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৮

শিল্প-সাহিত্য

আব্দুল কাইয়ুম-মিলন সিকাদারের কবিতা “রাত্রি নিশি”

আব্দুল কাইয়ুম-মিলন সিকাদারের কবিতা “রাত্রি নিশি”

রাত্রি নিশি আব্দুল কাইয়ুম-মিলন সিকাদার রাত্রি নিশি জাগছে পিসি ডেকে বলল ভাই এত রাত্রি হলো তোমার চোখে কি ঘুম নাই? ভাই ডেকে বলল পিসি ঘুম যে আমার আসে না নিশি হচ্ছে যত রাত্রি নিশি বাড়ছে আমার আড্ডা বেশি দুই চোখে ঘুম আর নাই। পিসি এসে বলল রে ভাই ঘুম আসছে না তোর কিসের নেশায়? রাত্রি এখন শেষের পথে ডুবে আছিস তুই কিসের মাঝে? কিসের আড্ডায় বি মর হলি এত রাত্রে জেগে জেগে। ভাই একটু হেসে বললো ডিজিটাল যুগে এসে পড়ল ঘুম কি আসে তাই ইন্টারনেটে দিচ্ছি আড্ডা ঘুমের নিশা নাই।
শারমিন ইতির “লাশের পাতা”

শারমিন ইতির “লাশের পাতা”

"লাশের পাতা" শারমিন ইতি আমিও একদিন খবর হবো জায়গা নিবো লাশের পাতায় দিনে দিনে ভুলবে সবে রাখবেনা কেউ মনের খাতায়। মিছেই কেন কাধিসরে মন বাঁধিস কেন মনের ডোরে চোখ বুজিলে নই কেউ তোর আসবে দিয়ে কবর দোরে। মরিচীকায় অনুভূতি নাড়ে কেন হৃদের কড়া? মিছে জগত মিছে মায়া মিছেতেই তো জীবন গড়া। যাবো বলেই আসা আমার নাটকীয় ভূবণ মাঝে তবে কেন পাওয়া না পাওয়ার হাহাকার এই সকাল সাঁঝে? লাশের পাতায় রইবো একদিন মৃত নামের মালিক হয়ে প্রেম বিরহ্ দুঃখ যাতন দুদিনের এই পরিচয়ে। সব ভুলে চল যাই ভুলে যাই চোখ ধাঁধানো মিথ্যে মোহ যেতেই যদি হবে তবে কিসের চাওয়া অহরহ?
কোহিনূর আক্তারের কবিতা “দেবে একটি ধরা” ?

কোহিনূর আক্তারের কবিতা “দেবে একটি ধরা” ?

দেবে একটি ধরা ? কোহিনূর আক্তার আমায় একটি জামা দাও আমার এই উলঙ্গ দেহটা ঢাকতে চাই, আমায় একটি পতাকা দাও যার কলঙ্ক নেই। আমায় একটি মা দাও, যার স্নেহে আমি আমি পাখির মতো উড়তে পারি, বাঁধাহীন সাগরে মতো মন-কথা বলতে পারি, যেখানে নিশি স্বপ্ন গুলো দৃষ্টি কোঠায় হুমড়ি খায়। একটি কলম দাও যে কলমে উলঙ্গ দেহ জারি লিখতে পারি, আমায় একটি গগন দাও সে গগনের প্রখর রোদে ধরার কলঙ্ককে ফাঁসি দিতে পারি । প্রভাতে শিশির ভেজা রক্ত চরণ সে যেনো চির ধিক্কার লজ্জাহীন দীর্ঘ স্মরণ, একটি মহত্ব দাও যা দিয়ে প্রেম ছাউনি দিতে পারি শত শত দরিদ্র হৃদয়ের, আমায় একটি যুবতীর মতো অপূর্ব পরিপূর্ণ ধরা দেবে ? যেখানে আমার দেহটাকে কবর দিতে পারে, ঠিক সদা ধবধবে কাপড়ে মাঝে লাল টকটকে শিমুল, দেবে এমন ধরা ? আমায় একটি বকুল দিবে ? ছোট্ট একটি বকুল! যার সুবাসে আতরি ঘর সুবাসিত করতে পারি, দেবে এমন স্বর্গ ধরা ? যেখানে দীর
সাজেদুর আবেদিন শান্ত’র- বসন্ত কুমারী

সাজেদুর আবেদিন শান্ত’র- বসন্ত কুমারী

বসন্ত কুমারী সাজেদুর আবেদিন শান্ত গ্রীষ্মের তপ্ত গরমে ভেবেছি, তুমি আসবে শীতল ছায়া নিয়ে কিন্তু তুমি এলে না । বর্ষায় ভেবেছি, মেঘের ভেলায় করে আসবে তুমি এক গুচ্চ কদম হাতে নিয়ে, কিন্তু তুমি এলে না । শরতের শুভ্র নীল আকাশে তাকিয়ে ভেবেছি তুমি আসবে নরম কাশফুল হয়ে, কিন্তু তুমি এলে না। হেমন্তের নবান্নে ভেবেছি হৈমন্তিক আভায় সোনালি রোদ হয়ে আসবে, কিন্তু তুমি এলে না। শীতের হিম হিম সকালে ভেবেছি আসবে তুমি কুয়াসা ভেজা পরী হয়ে, কিন্তু তুমি এলে না। অবশেষে তুমি এলে বসন্তের ফুটন্ত রুপ ও সৌরভ নিয়ে, এলে তুমি বসন্ত কুমারী হয়ে।
বাঞ্ছারামপুরের চরলহনীয় আইনুদ্দিন শাহর মৃত্যু বার্ষিকীতে বাউলের মেলা

বাঞ্ছারামপুরের চরলহনীয় আইনুদ্দিন শাহর মৃত্যু বার্ষিকীতে বাউলের মেলা

এম, এ আমিন, সিএন নিউজ২৪.কম। শাহ রাহেত আলী শাহর ভক্ত, আইনউদ্দিন শাহর জন্ম স্হান দিনাইদহ হতে বি,বাড়িয়া বাঞ্ছারামপুর মাছি নগরের শাহআলীর প্রেমের আশেকান হয়ে, ১৬/১৭ বছর বয়সে গৃহ ত্যাগ করেন। সেই আইনিউদ্দিন শাহর প্রেমে আশক্ত হয়ে জনাব জহিরুল ইসলাম (অরুন মাষ্টার) শাহ আইনউদ্দিন শাহ মারা যাবার পর তার পিতৃভুমিতে ঝিনাইদহ হতে তার লাশ বাঞ্ছারামপুরের চরলহনীয়া গ্রামে তাকে দাহ করা হয়। সেই তারিখ হতেই অরুন শাহ প্রতি বছর বাউল গানের আসর করে থাকেন। এ বছর বাউল গানের আসরে সাত্তার শাহর সভাপত্বিতে গান পরিবেশ করেন মুক্তা দেওয়ান ও সুমন দেওয়ান। গান পরিচালনা করেন সাংবাদিক সৈয়দ আনোয়ার। অরুন শাহ্ উক্ত অনুষ্ঠান আয়োজন করেন ও ভক্ত আশেকানদের একত্রিত করেন।
নিষ্ঠুর ভালোবাসা-  গিয়াস উদ্দিন ফারুকী

নিষ্ঠুর ভালোবাসা- গিয়াস উদ্দিন ফারুকী

কবিতা,গিয়াস উদ্দিন ফারুকীর । ___________________ যত নিষ্ঠুরতা পেয়েছি ভালোবাসার দামে, কত নিষ্ঠুরতা দেখেছি ভালোবাসার খুজেঁ - আমার জন্যে শুধু প্রিয় মানুষ গুলোর অন্তরে। আমি বার বার হেরে গেছি কখনো করি নাই কোন প্রতিবাদ, নিঃস্বার্থে ভালোবেসে গেছি বিনিময়ে চাই নেই কিছু তার। অজস্র যন্ত্রণা বুকে নিয়ে হাসি মুখে প্রিয় মানুষ গুলোর কাছে ফিরে গেছি আমি বার বার ! এক তিলক দন্ড কখনো বুঝতে দি নাই - কত যন্ত্রণার বোঝা চাপা পড়েছে এই বুকে। জীবন প্রাণ সঁপে ভালোবেসে ছিলাম তবে, এক বিন্দু ভালোবাসা খুজেঁ পাইনি আমার জন্যে তাদের অন্তরে। নির্বাক হয়ে চেয়ে থাকি মুখে দিয়ে লাগাম, পাষাণ মানুষ গুলো - শুধু শুধুই স্বার্থের গন্ধ খুজে। নিষ্ঠুর ভালোবাসা মাঝে মাঝে বলি তুমি জিন্দাবাদ! লোক চক্ষুর অন্তরালে হয়ে তবে আমি এক জিন্দা লাশ। ভালোবাসা দেখি এখন - বিষে মাখা মাখা, ভালোবাসার বিষে সোনার দেহ সে
“পৃথিবী বইয়ের হবে” ইরফান তানভীর

“পৃথিবী বইয়ের হবে” ইরফান তানভীর

আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে বইয়ের প্রভাব বিস্তারিত। আপনি যাপিত জীবনের সুঃখ দুঃখ চির আয়নার মতোন দেখতে চাইলে বই পাঠের বিকল্প নেই। আমি আমার, আমাদের মস্তিস্কের পরিচর্যা চাই। প্রতিনিয়তই চাচ্ছি। নিজকে সপ্নালু চোখে দেখা। কাজি নজরুলের ভোর হলো কবিতা পড়ে স্বপ্নের ডানা মেলে ঝাঁপটে বেড়ানো। কখনো পঙ্খিরাজ। কখনও পথের মানুষ সন্যাসি। আল মাহমুদকে পড়ে আপনি দাত ফিঁকিয়ে ক্লেশের বিকেলে শরৎের কাঁশফুলে একটা জীবন দেখা। স্কুল শেষে আউশের মাঠে দস্যিপনা করে বাড়ি ফেরা। আপনি অনুভব করেন জীবন সুন্দর। অথচ ঠিক আমরাই এ সময়ে এসে বই কিম্বা শিল্প সাহিত্যের এসব অবদান ভুলে যেতে ভালোবাসি। অহেতুক এসব। ভাবালুতায় মতিভ্রষ্ট হয়ে পড়ে আমাদের প্রলম্ব শরীর। সময়ের নিদারুণ বাস্তব্য - এখনটায় খুব কম মানুষই বোধ ভাস্ব নিয়ে বই পড়তে চান। কিছুটা সময় পাখি হয়ে ছুটন্ত মেঘের সাথে মাতামাতি করা। সে শৈশব। মা আওড়িয়ে আমাদের ছোট নদী পড়ছে। কি শুখশ্
“মা” কে নিয়ে তৌহিদুর রহমান মজুমদারের কবিতা

“মা” কে নিয়ে তৌহিদুর রহমান মজুমদারের কবিতা

""মা"" তৌহিদুর রহমান মজুমদার ""আমি মায়ের পাগল ছেলে এই কথাটি সবাই বলে, বলনা মা বল তুমি, সত্যিই কি গো পাগল আমি? তোমার হাসি হাসায় মোরে, তোমার কান্না কাদায় মোরে, তাই কি আমায় পাগল বলে? পাগল যদি হতেই পারতাম, তোমায় চেয়ে চলে আসতাম? যেদিন আমি ফিরে যাবো মাগো তোমার কোলে দেখি তখন কারা এসে আমায় পাগল বলে""।
“জীবনের রঙ” মারিয়া রহমান

“জীবনের রঙ” মারিয়া রহমান

"জীবনের রঙ" মারিয়া রহমান জীবন নানান রঙে রাঙ্গিত কখনো প্রভাতের ঝলমলে মিষ্টি আভার ন্যায় নির্মল আবার কখনো শ্রাবনের জলকণায় পরিপূর্ণ স্বরিৎ..... জীবন! সে তো কখনো ডানাকাঁটা পক্ষী কিংবা মাঝপথে কারো শিকড়েঁ বন্দি, বসন্তদূতের পাগল করা সুরে মগ্নে হঠাৎ দক্ষিণা সমীরণে ছিটকে পড়া কোনো বালি। জীবন! সে তো অপূরন্ত নিঃস্বার্থ কোনো ভালবাসা যেখানে থাকবে না কোনো চাওয়া পাওয়ার হিসাব, জীবন মানে নানা রঙে রাঙ্গিত শিল্পীর তুলিতে আঁকা ছবি। জীবন মানে কোনো কাল্পনিক রাজ্যে কবির ছন্দ হারানো স্মৃতি যার অপূর্ণতা প্রীতিব্যথা পূর্ণ হবেনা সমাপ্তির কোনো ইতি পাতায়,,,,,,,,
সাব্বির আহমেদ সোহাগ’র কবিতা “আমি রাজা”

সাব্বির আহমেদ সোহাগ’র কবিতা “আমি রাজা”

বর্তমান বিশ্বে ক্ষমতার লড়াই বড় লড়াই। নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে পরকালের কথা ভুলে গিয়ে এখন সবাই ভাবে আমিই রাজা। বিশ্ব আমার আমিই রাজা যাকে খুশি দেবো সাজা ঢোল তবলা বাজনা বাজা কি যে মজা, কি যে মজা! আমি হলাম পাষাণ হরি আমি কি আর কাউরে ডরি? কে সে প্রভু কে সে রাজা? দেবে আমায় কঠিন সাজা। আমি হলাম হড়ু বিলাই ন্যায় ইনসাফের গোষ্ঠী কিলাই দে তোরা দে যা খেতে চাই নইলে দেবো আস্ত ধুলাই। আমি হলাম হীরক রাজা খাবো হারাম সাথে গাঁজা কে সে প্রভু কে সে রাজা? দেবে আমায় কঠিন সাজা। আমি হলাম বীর বাহাদুর ভাঙতে পারি ন্যায়ের খুর সত্য ঢাকি পর্দা দিয়ে মিথ্যাতে দেই ভিষণ জোর! আমি হলাম সাধু বাবা প্রস্বাদ ভোজন সবি খাবা কে সে প্রভু? জ্বালবে আবা; মারবে আমায় মরণ থাবা। আমি হলাম মুক্তমনা যুক্তি দিয়ে সবি জানা ভাল মন্দ কিসের হিসাব? এই পৃথিবী হবে ফানা পরকালের নেই যে খানা। বিশ্ব আমার স্বর্গপূরী পরকালের দার না ধারী তাই তো আমি
মাকছুদুর রহমান’র কবিতা “তিক্ত কথা”

মাকছুদুর রহমান’র কবিতা “তিক্ত কথা”

আমার মেঘলা আকাশ জুড়ে, হঠাৎ এলে তুমি! তোমার ডানার ঝাপটানিতে কই হারালাম আমি!! তোমার রূপের ঝলকানিতেই হারিয়ে গেছে মন, বেপাত্তা মন তোমায় বসে ভাবে সারাক্ষণ। তোমার জন্য মন হারিয়ে লাভ কিইবা হবে, তোমার ওই মনটা কি আর আমার হতে চাবে। মন কাড়া ওই হাসির মাঝে কি দেখেছি আমি, ভেলকার মতো তাকিয়ে থাকি মন তো চায় না থামি। তোমার ওই রূপের চোঁয়ায় হয়েছি আমি ঘায়েল, হবে কি তুমি আমার দেওয়া ঝুমকো লতার পায়েল। পেতাম তোমায় ভাসতাম ভাল আমার চেয়ে বেশি, কি দরকার সেই পাওয়ার মাঝে তোমার না থাকা খুশি। এভাবেই তোমায় সারাটি জীবন বেসে যাব ভালো, ভাবতেই দেখি তোমার আকাশে আমারই কালো! মনের মতো যখনি তোমায় নিয়ে দেখি স্বপন, সেই স্বপনই হয় যে তোমার দুঃস্বপ্নের কারণ। আমি না হয় বোঝাতে পারিনি ভেঙে যাওয়ার হোতায়, যদি পারো বুঝে নিও আমার তিক্ত কথায়।।
নারী জাগরণের অগ্রদূত নবাব ফয়জুন্নেছা

নারী জাগরণের অগ্রদূত নবাব ফয়জুন্নেছা

ইতিহাস ও ঐতিহ্য,সিএন নিউজ২৪.কম,অনলাইন ডেস্কঃ বেগম রোকেয়া জন্মের ৪৬ বছর আগে কুমিল্লার লাকসামে ১৮৩৪ সালে ডাকাতিয়া নদীর উত্তর তীরে খান বাহাদুর বাড়িতে নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী জন্মগ্রহণকরেন । বেগম রোকেয়ার ৭ বছর আগে ১৮৭৬ সালে তিনি ‘রূপ জালাল’ কাব্যগ্রন্থ রচনা করে সে সময় বেশ সাড়া জাগান। “রূপজালাল” নামে গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় নারী লেখিকার প্রথম প্রকাশিত বই। নবাব ফয়জুন্নেছার রূপ জালাল কাব্য গ্রন্থের কপি কুমিল্লায় সংরক্ষিত আছে। সংরক্ষিত আছে লন্ডনের ইন্ডিয়া অফিস লাইব্রেরীর বাংলা বিভাগে। বাংলা একাডেমী ১৯৮৩ সালে এ গ্রন্থটি পুনঃ মুদ্রন করেছে। এছাড়াও নবাব ফয়জুন্নেছা সংগীত লহরী ও সংগীত সার নামে আরও ২টি গ্রন্থ রচনা করেন। উপমহাদেশের একমাত্র মহিলা নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী নারী জগতের উজ্বল নক্ষত্র। দানবীর এ মহিয়সী নারী প্রচার বিমুখ ছিলেন। নারী লেখিকাদের পথপ্রদর্শকও ছিলেন নবাব ফয়জুন্নেছা। নবাব ফয়জুন্নেছার রূ
আফজাল হোসাইন মিয়াজী’র কবিতা “কুরবানি”

আফজাল হোসাইন মিয়াজী’র কবিতা “কুরবানি”

মহান রবের করুণা কুরবানি, মুসলিম জাহানের ঈদ জানি ত্যাগের মহিমার ঝলকানি; পঙ্কিলতামুক্ত জীবন খানি। কুরবানি সেতো ত্যাগ জানি ব্যর্থ হবে যদি হয় প্রদর্শনী, অহমিকা আর অহঙ্কারী; দূরীভূত নাই করতে পারি! লৌকিকতা নয় কুরবানি তা কি আমরা সবাই মানি? কত টাকা, কয়জন, কয় মন মুখে মুখে সদা শুধু শুনি। নিজের পশুত্বটা কেবলই; অন্তরে যাই বুনি! গৃহপশুর জীবনহানি করে রবের সাথে কেন নাফরমানি? রচনা সময়কালঃ ২০-০৮-২০১৮ ইং রাতঃ ৮:৩০ মিঃ
সাব্বির আহমেদ সোহাগ’র কবিতা “তোমাতে বিভোর”

সাব্বির আহমেদ সোহাগ’র কবিতা “তোমাতে বিভোর”

কে গো তুমি?মায়াবিনী হরিণী তোমাতে বিভোর আমি। সন্ধনের সুবাস মাখা দুধে আলতা বদন, জিগর কালো আঁখি দুটি করে উম্মাদন। মেঘ বরণ কেশ তোমার অঙ্গে রুপের জাদু ; ভীরু ঠোটে হাসলে ঝড়ে বৃষ্টিঝড়া মধু। তোমার রুপের ঝলক দেখে ফুলগুলো দেয় উকি, সন্ধ্যাতারা মজনু হয়ে নেয় যে ভীষণ জুঁকি। তোমার রুপে হার মানাবে পূর্ণিমার ঐ যতি, পরী বলে ডাকতে তোমায় নেই যে কোন ক্ষতি। দোহায় লাগে মুখটি তোমার আঁচল দিয়ে ঢাকো; দূরে থেকেও বারে বারে কাছে কেন ডাকো! তোমায় নিয়ে দুচোখ ভরে হাজার স্বপ্ন আঁকি; তুমি আমার ভালবাসা পোষা ময়না পাখি। ভালবেসে তিলে তিলে জীবন হবে ক্ষয়, ভালবাসা দিয়েই আমি করবো তোমায় জয়।
মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী’র কবিতা  “হে প্রিয়”

মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী’র কবিতা “হে প্রিয়”

বেলকোনির পাশে দাঁড়িয়ে দেখছি রাতের আকাশ। ঢাকার নীলাকাশ। জোছনামাখা চাঁদ আর মিটিমিটি তারার হাসি যেন মায়া বিলাচ্ছে। গাঁয়ের উঠোনে পিঁড়িতে বসে সেও হয়তো চাঁদের হাসি দেখছে আর আমার কথা ভাবছে! এইতো সেই ঘনবর্ষায়, একদিন সে এসেছিল। ভেজা জামায় বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় একাকী অপেক্ষার প্রহর গুণেছিল। কিন্তু আমি কি বিশ্বাসঘাকতাই না করলাম সেইদিন! এর আগেই তড়িঘড়ি ঢাকায় চলে এলাম। স্বার্থের সুবাদে একটু অপেক্ষাও করিনি। সেদিন হতে আজ অবধি কোন কথা নেই। দেখাও নেই। হয়তোবা মলিন মুখে আমাকে খুব গালমন্দ করে চলছে। নয়তোবা নতুন আসরে বেশ জমেছে! চাঁদের সাথে খোশগল্প করছে, সে আসরে আমি নেই, যেন শূণ্য আর একখণ্ড নিঠুর পৃথিবী। মেঘকন্যার আড়ালে ডুবে গেল চাঁদ, আড়ালে চলে গেল তারকারাজি। মলিনতার স্পর্শ পেয়ে আমি সত্যিই বাকরুদ্ধ হে প্রিয়! গাল ফুলিয়ে অভিমানের ছলে আমায় ভুলে যেওনা। আমি আসছি, এইতো চলে আসছি! আসবো একদিন চাঁদ হয়ে। ধরা দেব তোমার আলতো
“নকল” মোঃনুরুল ইসলাম সাজ্জাদ

“নকল” মোঃনুরুল ইসলাম সাজ্জাদ

আমি যখন পড়তে বসি লিখতে মনে চায়, লিখতে গেলে লেখা আমার বড্ড খারাপ হয়। রাগ করে বসে থাকি মনটা হয় ভারি, সকাল বেলায় লিখবো বলে রাত্রি দিই ফাঁকি এমনি করে সময় আমার হেলে চলে যায়, পরিক্ষা ঘনিলে আমার চিন্তা সর্বদায়। কি করে পরিক্ষা দিবো সবার কাছে বলি, নকল লিখে কাগজে, পরিক্ষায় চলি।
“১৫ ই আগস্ট” সাজেদুর আবেদিন শান্ত

“১৫ ই আগস্ট” সাজেদুর আবেদিন শান্ত

১৫ আগস্ট মনে করিয়ে দেয় শেখ রাসেল এর মুখ ১৫ আগস্ট বিষাদময় কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে বুক। ১৫ আগস্ট চশমার কালো ফ্রেমে রক্ত মাখা মহানায়ক এর মুখ ১৫ আগস্ট ভয়ংকর অধ্যায় ভয়ে কেঁপে উঠে বুক। ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সারি রক্ত মাখা লাশে ছেয়ে গেছে জাতিরপিতার বাড়ি। নিথর পিতার নিথর দেহ থেমে গেছে মহারথ ঘাতক ভেবেছিল এবার বুঝি হবে বাংলা বধ। কিন্তু তারা ভাবে নি যে বাংলার প্রতি কোণে মুজিব নামের বাংলার স্রস্টা আছে বাংগালিদের প্রানে।
“বঙ্গনেতা” শারমিন ইতি

“বঙ্গনেতা” শারমিন ইতি

জম্মদিনেও মৃত্যু ঘটে এ নয় নতুন কিছু তবে কেন ছাড়িস না ভাই একে অন্যের পিছু? কারো দরজায় বিয়ের গাড়ি কালো লাশের খাট কেউ গাইবে আনন্দ গীত কেউ বা চিতা পাঠ। ব্ঙ্গনেতা জাতির জন্য ছিলেন পু্ুরুষ সেরা আসেনি কেউ তার পরেতে সে আদর্শে ঘেরা। কাঙালিদের করলো বাঙাল বঙ্গনেতার বলে মনের জোরে জেতার মোহে টানলো সবকে দলে। জিতলো নেতা জিতলো কাঙাল স্বাধীন হলো দেশ বঙ্গনেতার প্রানের দামে রক্ত বাংলাদেশ। নেতার পরে যারাই এলো নেতাতূল্য নয় নেতার নামে মিথ্যে খামে করছে জাতির ক্রয়। হরেক রকম নেতা নেত্রী বঙ্গনেতার দেশে জম্মাবে না কেউ কখনো বঙ্গনেতার বেশে। মৃত্যু নিয়ে নয় উপহাস প্রার্থনা হোক ভালো জম্মে যারা এই দিনেতে ছড়াক নেতার আলো। কাঁদো কাঁদো বললেই কি আর আসে চোখে পানি কান্না সে তো ভেতর থেকেই আসে বলে জানি। ভন্ড নেতার লোক দেখানো কান্না না হোক শোকের শ্রেষ্ট নেতার শূন্যস্থানে বিবেক জাগুক লোকের। ১৫ই আগস্ট ২০১৮ইং নাঙ্গলকোট কুমি
“স্বপ্নের মৃত্যু” আফজাল হোসাইন মিয়াজী

“স্বপ্নের মৃত্যু” আফজাল হোসাইন মিয়াজী

নিশি থমথম, স্তব্ধ নিঝুম আঁখি কোণে নেই ঘুম, চারিদিক সুনসান নিস্তব্ধতা হৃদ মাঝারের স্বপ্ন ব্যকুলতা, তিমিরের নির্জন নিরবতা স্বপ্নচারীর রাত জাগানিয়া, আশাদ্বীপ নিভু নিভু জ্বলিয়া জীবন প্রদীপ আসে ফুরিয়া। স্বপ্নরা এলোমেলো সাঁতরায়, লক্ষ্যপানে তব নেই ধায়; চতুষ্কোণে বিচরণ করে যায়, অবসাদে ক্লান্ত কাতরায়। প্রত্যাশা প্রাপ্তির শূন্যতায় আর্তনাদ করে তব যন্ত্রণায় পরিশেষে শ্রান্ত স্বপ্নসাধ অকালেই মরে যায়। রচনা সময়কালঃ ১৩-০৮-২০১৮ ইং রাতঃ ৩: ৪৫ মিনিট।
“উন্মাদ” আফজাল হোসাইন মিয়াজী

“উন্মাদ” আফজাল হোসাইন মিয়াজী

নগরের অলিগলি রাস্তায় উন্মাদ দিগ্বিদিক ঝাপটায়, চিত্তের যতসব হাহাকার কেবা বুঝে হয়ে বেকারার। কখনো কি এসেছে ভাবনায় পথধারে কত ফুল ফুটে হায়! সব ফুলে মালা কি গাঁথা যায়? তোমরা কি বলতে পার তায়। স্বপ্নটা বিলক্ষণে ছিল তার, ভেঙেচুরে হয়ে গেল একাকার; আঘাতটা বড্ড যে গুরুতর, ক্ষণে সব করে দিল চুরমার। এভাবেই সব ছেড়ে উম্মাদ সরণিতে পড়ে থাকে সব সাধ; জীবনটা ধুকে্ ধুকে্ নিভে যায় কারো বা কি আসে যায়! স্রষ্টার লীলাখেলা চলে হায় ভালোরাও উন্মাদ বনে যায় ; তুমি কি তা ভাবো হায়? বিধাতা দৃষ্টান্ত দিতে চায়।
“একাকীত্ব পথ” মারিয়া রহমান

“একাকীত্ব পথ” মারিয়া রহমান

"একাকীত্ব পথ" মারিয়া রহমান মন চায় হারিয়ে যাই গভীর কোন একাকীত্বের পথে, যেখানে অপলক চাহনীতে গল্প বলে যাব অজানা পথিকের সাথে। সেই শুধু শুনে থাকবে আমার মনের অগোচরে যত না বলা কথা, আর কমল স্পর্শে হাত রেখে হাতে বলবে বিরক্ত হচ্ছি না আমি শোনাও তুমি তোমার যত না বলা ব্যথা। আসুক যতই প্লাবন যাব না ছেড়ে তোমার এই বাঁধন আমি নেই কোন জনভীড়ের মাঝে, যেখানে তোমাকে রেখে হারিয়ে যাব আমি একাকীত্বের আসরে। একটুখানি ভ্রান্তির পথে চলে গেলে শাসন করবে মোরে যেও না তুমি ঐ শর্বরীর ধারে, যেকিনা আঁধারে ভুলে যায় ছায়া সে কি থাকবে তোমার সাথে একাকীত্বের সারাবেলা।
” তুমি যদি চাও” হিমেল আহমেদ

” তুমি যদি চাও” হিমেল আহমেদ

তুমি যদি চাও প্রতিটি সময় থাকবো তোমার পাশে, যদি তুমি চাও বারান্দায় দোল খাওয়াবো একটু মিষ্টি হেসে। তুমি যদি চাও কাগজের নৌকায় ভাসবো নীল নদে, যদি তুমি চাও কাগজের বিমানে উঠবো হিমালয়ের শৃজ্ঞে। তুমি যদি চাও ডেকে আনবো খেয়া ঘাটের মাঝি, দুজনে মিলে ঘুরবো আর করবো হাসাহাসি। তুমি যদি চাও গ্রীষ্মের তাপে ফেটে যাওয়া মাঠে দাড়িয়ে থাকবো খালি পায়, যদি তুমি চাও বর্ষার বিজলি চমকানো আকাশের নিচে বসে থাকবো উদম গায়। তুমি যদি চাও শরতের আকাশে দেখবো মেঘেদের ছুটা ছুটি, যদি তুমি চাও শীতের কনকনে বায়ুতে থাকবো দাড়িয়ে একাকী। তুমি যদি চাও তোমায় নিয়ে দিনের বেলায় স্বপ্ন দেখবো, যদি তুমি চাও তোমার স্বপ্নের রূপকার আমি হবো। তুমি যদি চাও এভাবে কাছে থাকবো তোমায় ভালবেসে, যদি তুমি চাও দূরে চলে যেতে,চলে যাবো আমি একটু মিষ্টি হেসে।
“ওগো অপরিচিতা” — ফয়সাল আমির

“ওগো অপরিচিতা” — ফয়সাল আমির

চোখে ভাল লাগে যারে, তারে দেখবো পথের দ্বারে.... আঁকাবাঁকা পথটি ধরে হেটে যায় সে মনের ঘরে, তার মুখের মিষ্টি হাসি বড্ড ভালবাসিরে।। তার চোখের টানে কথার বানে....... ঝর্ণা ঝড়ে তুমুল বেগে, তার চিরল দাঁতের হাসিতে মম পুষ্প ফোটে মনের বাগে। তার মুক্ত সদৃশ বদন থেকে বিজলী ছড়ায় চোখের তারায়, তার দীঘল কালো চুলের মাঝে হারিয়ে যেতে মন উতলায়। তার মুখের ধ্বনি আমার কানে বাজায় সুখের বাঁশি, ‌তার নাচের তালে তালেতে বলবো ভালবাসি।
“কোন বিধানে আছে লিখা” (আল্ আমিন শাহেদ)

“কোন বিধানে আছে লিখা” (আল্ আমিন শাহেদ)

কোন বিধানে আছে লিখা আমায় ছেড়ে যাবে চলে।। আমায় ছেড়ে তাকে তুমি বুকে নিবে কোন বিধানে আছে লিখা- আমায় ছেড়ে যাবে চলে।। ১০৮৭ দিন নিয়ে বুকে এক বার যদি খোজতি মোরে-- ১ দিনে তুই পড় করলি আমায় ছেড়ে চলে গেলি-- কোন বিধানে আছে লিখা আমায় ছেড়ে যাবে চলে।।
“পড়ন্ত বিকেল”  মারিয়া রহমান

“পড়ন্ত বিকেল” মারিয়া রহমান

"পড়ন্ত বিকেল" মারিয়া রহমান কোন এক পড়ন্ত গোধূলীতে ভাবছি বসে একাকি আনমনে, প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যে যেন মিশে আছো তুমি। নদীর প্রতিটি তরঙ্গ বলছে অবিরত তোমার স্মৃতিরকথা! দীপ্তিময় সূর্যটা রত্তিম আভায় ঝলমল করছে অবনীর তরে!! মাঝিরা নাও নিয়ে এল কিনারে পক্ষীকূলেরা আহার শেষে ফিরছে সবার আপন আলয়ে,, রজনী প্রস্তুত হয়ে আছে একরাশি তারা নিয়ে। হঠাৎ কে যেন ডাকছে বাহুদ্বয় বাড়িয়ে, ওগো এসো তুমি নিবাসে, তমস্র যে আসছে ঘনিয়ে। পিছু ফিরে আঁখি মেলে দেখি, আজও এই পড়ন্ত বিকেলে রয়ে গেলে তুমি কল্পলোকের আড়ালে।
“সুখের চাদর” শারমিন ইতি

“সুখের চাদর” শারমিন ইতি

অন্ধকারের আকাশ ভেদে জানালায় গ্লাস ছুঁয়েছিলো কলংকিত চাঁদের পূর্নিমা মাখা জোছনারা সেদিন মহামিলনের নেশায় তখন মত্ত ছিলো দুই জোড়া চোখের কিছু নিরব চাহনী যেখানে লিখা আছে অসীমের পানে হারিয়ে যাওয়ার কবিতার শব্দকথা। তোমার বুকে মাথা রেখে শুঁকে নিয়েছি তোমার অন্তরাত্নার ঘ্রান সমুদ্রের তেড়ে আসা স্রোতের তালে আমার ভয়ানক দৃষ্টিকে থামিয়ে দিয়ে তোমার সমস্ত শক্তির প্রয়োগে আমায় জড়িয়ে নিলে আলিঙ্গনে আর আমি! আমি তো তোমার বাহুডোরে নিজের অস্তিস্তের সন্ধ্যান পেয়ে লবণাক্ত ঢেউয়ের স্রোতে ভাসিয়ে দিলাম আমার সকল দুর্বলতা গড়াগড়ি খেতে লাগলো আমাদের ভালোবাসা ভেসে আসা চোরাবালিতে মিশে গেলো কিছু মুহুর্ত সমুদ্রের তলদেশে। মনের অজান্তেই পৌঁছে গেলাম গভীর থেকে অতল গভীরে পড়ন্ত সূর্যের ছায়া এসে পড়লো যখন সাগর মুখে তখন তুমি প্রেম চাদরে জড়ালে তোমার শূন্য বুকে। তোমার হাতে হাত রেখে ঠোঁটের কোণে রেখে ঠোঁট শিশিরভেঝা স্নিগ্ধ ঘাস ফড়িংয়ের ন্
“হে প্রিয়তমা” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

“হে প্রিয়তমা” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

একবার দেখিলে তোমায় আঁখি না জুড়ায়, বার বার দেখিতে প্রাণ চায়! সুন্দরো তুমি ছল ছল আঁখি যেন এক মায়াবী পাখি। হৃদয় কাড়ানো ভিরু দুঠোটে মধু মাখা এক হাসি, ঈর্ষার বসে জ্যোৎস্না বলে আমি একটু আসি। তোমায় দেখে উতলা হৃদয় আজ হয়েছে কবি মনা, ওগো প্রিয় তুমি মোর বাণী শুনি করো না বাঞ্ছনা। হৃদয় দিয়ে হৃদয় নিও গহিনে দিও ঠাই; অম্লাম হলে রবে তুমি হৃদয় আঙ্গিনায়।
“পথ শিশু” এম বদিউল আলম মুন্না

“পথ শিশু” এম বদিউল আলম মুন্না

রাস্তাঘাটে জন্ম আমার রাস্তাঘাটে বাড়ি রাস্তাঘাটে দিতে হবে সারা জীবন পাড়ি। জন্মের পর আঁখি খুলে দেখি ফুটপাতের দৃশ্য সুন্দর এই ধরণীতে পাইনি কারো স্পর্শ। দুখিনী মা কুড়িয়ে কুড়িয়ে বাসি খাবার খেত সেই খাবারের উপার্জিত দুধ আমায় খেতে দিত। বড় হতে হতে দেখলাম নির্মম আজব দুনিয়া যার যত আছে তত চায় আমার অধিকারও নেয় ছিনিয়া। মাঝে মাঝে ক্ষিধের জ্বালায় দু'চোখের পানি ফেলি সবার খাওয়া দেখে দেখে পেটের জ্বালা ভুলি। স্কুল-কলেজ শিক্ষা নিয়ে টেনশন আমার নাই একটু বাসি খাবার পেলে খেয়ে শান্তিতে ঘুমাই। শীতের রাতে কম্বলেতে যখন সবাই ঘুমায় ছালার চটে শীত মানে না কাঁপি ঠান্ডা হাওয়ায়। ঈদের সময় সবাই যখন ছুটে শপিং মলে তখনো আমার অনাহারে ক্ষিধায় পেত জ্বলে।
“প্রেমের আত্নকথা”  আল্ আমিন শাহেদ

“প্রেমের আত্নকথা” আল্ আমিন শাহেদ

আমি পারি নি তোমাকে ধরে রাখতে ধরনিতে।। তুমিই ত চলে গেলা নিঃস্ব করে! আমাকে না বলে বিবাহের পিরিতে বসে গেলে তুমি ভাবলে না একবারও।। মনে কি পড়ে না তোর দুই বাহু ডোরে আলিঙ্গনে রাত্রি নিশিতে, চোখের জলে বলেছিলে ভুলে যেও না কভু যতই দেই তোমায় যন্ত্র না।। কিন্তু আজ বিবাহ লগনে বলা ত দুরের থাক ফোনটা রিসিভ না করার বাহানা।।
“ভালো থেকো” মোঃ আল-নোমান

“ভালো থেকো” মোঃ আল-নোমান

ভালো থেকো মোঃ আল-নোমান ভেঙ্গেছ তুমি গড়েছি আমি, নিজের মত করে। হাসতে শিখেছি কাঁদতে ভুলেছি, তোমার ছলনার তরে। শিখেছি নিজের মত করে চলতে, শিখেছি নিজের মত কথা বলতে। ভুলেছি তোমার দেয়া সব কষ্ট, করেছিলো যত আমাকে পথভ্রষ্ট। তোমায় ভালোবেসে যতই কষ্ট পেয়েছি আমি, তবুও বলবো ভালো থেকো হে তুমি।