রবিবার, এপ্রিল ২২

শিল্প-সাহিত্য

“মে’রাজ” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

“মে’রাজ” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

মে'রাজ সাব্বির আহমেদ সোহাগ আর'শ থেকে দূত আসিলো নিমন্ত্রণ্য নিয়ে, করবে দিদার প্রিয় রাসুল মে'রাজ এতে গিয়ে। গভীর নিদ্রায় ছিলেন রাসুল উম্মে হানীর ঘরে, স্বর্গীয় দূত বোরাক নিয়ে এলেন তাহার তরে। হারাম থেকে আকসাতে ছাড়লো বোরাক গতি, সেথায় গিয়ে করলেন রাসুল নামাজের ইমামতি। এর পর--------- উর্ধ্বলোকে রাসুল যখন বোরাকেরী কোলে, আগমনে আর'শ কুরসি আনন্দ'তে দোলে। আসমানেরী প্রবেশদ্বারে রাসুল গমন করলেন যবি, স্বর্গ-নরক লওহ কলম দেখা হলো সবি। সিদরাতুল মুনতাহায় গিয়ে খেলা হলো শুরু, রহুল-আমিন বোরাক'সহ ভয়ে কাঁপে ভীরু। এগিয়ে গেলেন একাই রাসুল আর'শেরী পানে, সকল পর্দা খুলেন প্রভু বন্ধুর আলিঙ্গনে। শুরু হলো প্রেম আলাপ দুই বন্ধুরই মাঝে, ২৭বছর পার হইলো একটি রাতের সাঁজে। কহিলেন রাসুল--------- আরজি আমার ওগো প্রভু তোমার দরবারে, উম্মত আমার তোমার দিদার পাইবো কেমন? কহিল
“বোরকা পরা মেয়েটি” সাদিয়া জাহান ঝুমু

“বোরকা পরা মেয়েটি” সাদিয়া জাহান ঝুমু

বোরকা পরা মেয়েটি সাদিয়া জাহান ঝুমু বোরকা পরা সেই মেয়েটি ভার্সিটিতে পড়ে, সকাল সন্ধ্যা মন ভরে যায় তিলাওয়াতের সুরে। কয় না কথা কারো সাথে চুপটি করে থাকে, লাগলে কিছু বলেন ডেকে জনম দুঃখী মাকে। আবৃত তার বদনখানি নীল চশমা চোখে, সাজ সজ্জা করে না সেই, সাদা মাঠা মুখে। অধ্যাপকরা মেয়ের মতো করে স্নেহ দান, সাথীরা সব বোনের মতো দেখায় সম্মান। নত শিরে পথে ঘাটে করে চলাচল, যেতে চায়না লোকালয়ে কোন কোলাহল। বখাটেরা দেখলে তাকে পিছু ফিরে চায়, আবেগী হইয়া তারা সালাম ও জানায়!
“বৈশাখী আমেজ”  মু.আরিফুল ইসলাম

“বৈশাখী আমেজ” মু.আরিফুল ইসলাম

বৈশাখী আমেজ মু.আরিফুল ইসলাম বৈশাখের আবরনে গিরে যায় গ্রীষ্ম, এ যেন বাংলারূপ নয়,মনে হয় দেখছি আমি রুপালী মায়ে মন কাড়া দৃশ্য। বাংলার ছেলে-মেয়ে নতুন সাজ আর ইলিশ-পান্তার উৎসবে আমেজ। পল্লী আর শহরচিত্র এক হয়ে ভূলে গেছে ভেদাভেদ। সবুজ ছায়াতরুর দেয়ালে ঘেরা গাঁও পথের কুল, দক্ষিণা বাতাসে ধুলে প্রান ধুলে বাংলার সোনার ফসলী ফুল। বৃক্ষরাজি নতুন সাজে সবুজ শাড়ীর আচকান, চারিদিকে পাখপাখালির কলতানে কেড়ে নয় রাখালি আরিফের প্রান। এই দেখি রোদের কিরণ,আবার দেখি মলিন আকাশের মুখ, সবই আমার প্রভুর দয়া এক মায়া মাখা অপূর্ণতার বৈশাখী সুখ।
“হে বৈশাখ” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

“হে বৈশাখ” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

হে বৈশাখ সাব্বির আহমেদ সোহাগ নতুন সাজে নবরুপে বাজলো সানাই ঢোল, বাঙালা বধুর মুখে দেখ বৈশাখেরী বুল। বদনে শাড়ি নাকে নূলক হাতে রেশমী চুড়ি, কোমরে তার রুপার বিচা সাজের নেই যে জুড়ি। গামছা মাথায় বাঙালা দামাল গায়ে গেঞ্জি লুঙ্গি, হাতে আছে একতারা টা বাউল গান তার সঙ্গী। আজ পান্তা-ইলিশ ভোজন হবে রমনারী বটমূলে, গলায় আছে বাঙালা সুর গাইবো মনটা খুলে। করবে বাতাস গায়ের বধু নিয়ে তালের পাখা, সীতিতে তার লাল সিধুঁর আর হাতে সাদা শাখা। অতীতের সব দুঃখ ভুলে নতুন চিত্র আঁক, নবরুপে এসেছে আজ বাঙালা বৈশাখ।
“যৌবনে মৌবনে” মিয়াজী মোঃ লোকমান এইচ সুলতান

“যৌবনে মৌবনে” মিয়াজী মোঃ লোকমান এইচ সুলতান

"যৌবনে মৌবনে" মিয়াজী মোঃ লোকমান এইচ সুলতান যৌবনে মৌবনে গুন গুনিয়ে আমার ভুবনে রাঙিয়ে সুরে, অভিসারেত হলে নিমগ্নিত আামার এই আন্তর পরে। ভালবাসার স্বপ্ন পুরে বেড়ায়ে আমার কোমল হৃদয় জুড়ে, আশার প্রদীব জ্বালিয়ে দিয়ে আমার জীবনের আলো ভরে। ফাগুন বেলায় নিশ্চুপে তুমি আমার মনের মহনায় ঢুকে নীল যমুনা ঢেউ জাগালে আমার সুপ্ত হৃদয় বুকে। প্রেমের ধাঁরা অঝোরে ঝরালে আমার নীল অম্বরে ভেসে মধুর মায়ায় ভরালে এই মন আমার প্রিয় তমা হয়ে। তবে বাহুঢোরে বেঁদে দিলে আামার প্রেমের মেলায় তারিই বন্ধনে রচে স্বর্গপুরী আমার সুখের সারা বেলা!
“শোকের আবেশ”  রিয়াদ হোসেন

“শোকের আবেশ” রিয়াদ হোসেন

অবনী আজ শোকাহত অসুর নেত্রে হাঁসি অশ্রু ঘন বুকে মোর বিধে বিষের বাঁশি। যানি হারাবেনা কখনো ঐ দিনখানি করেছিলি অশ্রুমাত ধরা পৃষ্ঠ টানি। পরিকল্পনা সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য ছিলো বটে সপরিবার হত্যায়,আধাঁর দিলি দেশনেত্রীরই ঘটে। ধিক ধিক তোরে,ওরে পিশাচ ক্ষমতা লুটিয়ে নিলি পিতৃতুল্য মহাজন হত্যায় কী যে তুই আজ পেলি? ইতিহাস বলে,ঘাতক ডালিম করলি রে তুই পার আজ তোর হেমাঙ্গী,জন্ম নাট্য শুধছে পিতার ধার। আজ স্বাধীন বাংলায় হাজারো মুজিব গর্জে ওঠো তবে বাংলার স্থপতি নিয়ে কটুক্তি মানবো নাতো সবে।
শালীন পোশাক কি মেয়েদের অগ্রগতিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে? হাসান জামিল

শালীন পোশাক কি মেয়েদের অগ্রগতিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে? হাসান জামিল

হাসান জামিল- পর্দা বা শালীন পোশাক নিয়ে কথা বলার কোন ইচ্ছা আমার ছিল না কিন্তু অতি বাড়াবাড়ির কারনে চুপ থাকতে পারলাম না। শুধুমাত্র আমাদের দেশেই দেখি বিভিন্ন প্রকারের আজগুবি ও কুসংস্কারাপন্ন কথাবার্তা এবং অাচার অনুষ্ঠান। শালীন পোশাক নিয়ে অনেকেই নিজের মত করে মত প্রকাশ করেন, তারা জেনে বুঝে একগুঁয়েমি কথাবার্তা বলে থাকেন।তাদের উদ্দেশ্য হল মেয়েদেরকে উলঙ্গ করে জনসাধারণের সামনে উপস্থাপন করা।তাদের কিছু যুক্তিহীন যুক্তি আপনাদের সামনে প্রকাশ করতে চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। মেয়েরা নাকি শালীন পোশাক পড়লে তাদের ক্যারিয়ারের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায়,তারা এসব কথা ধারা টিনএজার বালিকাদের উস্কানি দিয়ে থাকে। ১. বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বড় সম্মানজনক পুরস্কার হল নোবেল প্রাইজ। ইরানী মানবাধিকার কর্মী শিরিন এবাদি ২০০৩ সালে শান্তিতে নোবেলজয়ী হয়েছেন।যিনি কিনা সবসময় শালীন পোশাকে বিশ্বাসী ছিলেন। বেশি দিন হয়নি ২০১১ সালের
“আমার স্বাধীনতা” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

“আমার স্বাধীনতা” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

আমার স্বাধীনতা সাব্বির আহমেদ সোহাগ স্বাধীনতা! তুমি আমার স্বাধীনতা স্বাধীনতা মানে বাঙালি জাতির কালজয়ী ইতিহাস; রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর দীর্ঘ একটি শ্বাস! স্বাধীনতা মানে ৫৬হাজার বর্গমাইলের একটি ভূখন্ড, পরাধীন করে রাখতে হায়নারা করে লন্ড-ভন্ড। স্বাধীনতা মানে স্মরণে মোদের অপারেশন সার্চলাইট ; নিরস্ত্র জনতার উপর হিংস্র পশুদের অতর্কিত ফাইট। স্বাধীনতা মানে স্বামী-সন্তান হারা জননীর আত্ম-চিৎকার; সম্ভ্রৌম হারা লাখ বীরাঙ্গনার জ্বালাময়ী ধিক্কার! স্বাধীনতা মানে ত্রিশলক্ষ শহিদের আত্মচিত্ত; সবুজের মাঝে স্বাক্ষরিত একটি লাল বৃত্ত। স্বাধীনতা মানে বুদ্ধিজীবীর রক্তস্রোত নদী ; একটি জাতির মেধাশূণ্যতে হারিয়েছে নিরবধি! স্বাধীনতা!তোমায় অর্জনে লাখো বীর; বটবৃক্ষের মত সিনা করেছে টান, অকুতোভয়ে এগিয়ে গিয়েছে বিলিয়ে দিয়েছে প্রাণ। ছিনিয়ে এনেছে রক্ত দিয়ে তোমায়, রেখেছে তোমার মান। রক্ত দিয়ে কিনেছি তোমায়
“শহীদের স্বপ্ন” মোঃ আরিফ হোসেন (সবুজ)

“শহীদের স্বপ্ন” মোঃ আরিফ হোসেন (সবুজ)

শহীদের স্বপ্ন মোঃ আরিফ হোসেন(সবুজ রক্তে কেনা দেশটা আমার রক্তে কেনা মাটি বীর শহিদের রক্ত দামে হলো যে তা খাঁটি। বীর শহিদে স্বাধীনতা আনতে দিলো প্রাণ বিভোর হয়ে সবার মুখে থাকতে সুখের গান । এখন দেখি এই দেশেতে স্বাধীন কেতন উড়ে কেউবা আবার দিবস এলে মাথায় ও তা মুড়ে। বীর শহিদের স্বপ্ন ছিলো হলে স্বাধীন দেশ গরীব - ধনী থাকবে মিশে থাকবে হাসি বেশ। আজো উড়ে ঐ পতাকা সেই হাসিটা কই? বীর শহিদের রক্ত আবার ঢালতে হবে ঐ।
“আমার বাবা” এস আই ইমরান

“আমার বাবা” এস আই ইমরান

"আমার বাবা" এস আই ইমরান জন্ম থেকেই বাবা আমায়, অনেক ভালোবাসে। দূরে যেতে দেয় না কভু, রাখে তাহার পাশে। এমন বাবা পৃথিবীতে, হয় না তো আর দ্বিতীয়। তাইতো বাবা আমার কাছে সবার থেকে প্রিয়। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, শুধু আমার জন্য। এমন বাবা পেয়ে আজ, সত্যিই আমি ধন্য। এখনো দেখিনি বাবার মুখে, স্বস্তির একটু হাসি। সত্যিই বলছি বাবাকে আমি, অনেক ভালোবাসি।
“মুজিবের ১৭ই মার্চ” মু.আরিফুর রহমান

“মুজিবের ১৭ই মার্চ” মু.আরিফুর রহমান

মুজিবের ১৭ই মার্চ মু.আরিফুর রহমান ------------------------------------- হে মুজিব তোমার জন্ম বাংলায় বলে বাংলা গর্বিত। তোমার জন্মে বাংলার মুরু সোনার ফসলে হল মহিমান্বিত। তোমার আগমনে মলিন বাংলায় হলো বীরের মহা ভবন। পাপাত্মা দেশটি জয় বাংলা বলে হাসিয়া উঠিল তখন। মুজিব তোমার জন্মের উল্লাশে বাংলার সার্বজাতি হয়েছে মাতোয়ারায় আর্চায্য। তোমার উধার মনের মাহন কর্মোৎপাদনশীলতায় আজ জগত জুড়ে দেখিতে পাই তোমার ভাস্কর্য। মুজিব তুমি বীর, অগোছালো বাংলাকে করেছো স্বাধীন, তাই তো ষোল কুটি হৃদয়ের স্পন্দন থেকে জানাচ্ছি শুভ হোক মুজিব তোমার জন্ম দিন।
“পুতুলের আত্নকথা” মোঃ হাসান জামিল

“পুতুলের আত্নকথা” মোঃ হাসান জামিল

"পুতুল" ছোট কালে পুতুলের নাম শুনলে কি যে ভালো লাগতো সেটা হয়ত বুঝাবার ক্ষমতা এখন নেই। পুতুল কিনে এনে একা একা তার সাথে কতইনা না বলা কথা বলেছি। তার সাথে হাসি-কান্না, দুঃখ-সুখের হাজারো স্মৃতির কথা ও স্মৃতি এখনো নিরব সময় গুলোর মধ্যে উকি দিয়ে থাকে। স্কুলের বন্ধু-বান্ধবের পুতুল নিয়ে প্রায় প্রতিনিয়ত ঝগড়া ও মারামারি পর্যায় চলে যেত, আমি কখনো পুতুলকে অন্যদের কাছে ছোট করতে দিতাম না। যেভাবে হোক আমার পুতুলটি সবার থেকে সব দিক দিয়ে আলাদা করে রাখতাম। বলা যায় এক প্রকার জোরপূর্বক মানে বিচার যে দিকেই যাক তাল গাছ কিন্তু আমার। তবে দিন শেষে বুঝতে পারতাম এটা হয়ত ঠিক হচ্ছেনা। কিছুই করার ছিলনা কারন আমি পুতুল টিকে খুব পছন্দ করতাম। পুতুলটির কয়েকটি জিনিস আমি খুব পছন্দ করতাম। তারমধ্যে চোখ একটি, এতো সুন্দর চোখ গুলো যেন শিল্পী তার নিজের মনের সৌন্দর্যময় প্রকাশ করেছেন। মাঝে মধ্যে আমি নিজেও সন্দিহান হয়ে যেতাম এটা যে
“আমি মানুষ” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

“আমি মানুষ” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

আমি মানুষ সাব্বির আহমেদ সোহাগ কে তুমি? ডাক আমায়! মুসলিম,হিন্দু,বৌদ্ধ, খ্রিস্টান নামে; আমি তো মানুষ;এটাই আমার পরিচয়। যে নামে ডাকলে_____ হয় জাতি,ধর্ম ও বর্ণগত বৈষম্য ; দোহায় তোমার!ডেকো না সে নামে আমায়! আমি তো মানুষ!এটাই আমার পরিচয়। নহে কি মোরা সন্তান আদম-হাওয়ার নহে কি শ্রেষ্ঠ জাতি? তবে কিসের নেশায় এতো বৈষম্য দিবারাত্রি? যে বৈষম্যে চলে রোহিঙ্গা নিধন সিরিয়ায় মরে শিশু; আছে কি কোন ধর্মগ্রন্থে দেখাও দেখি কিছু? সাজায়াছে বিদাতা বিশ্বভূবন মানুষেরে দিয়েছে পাপ-পূণ্য, ওপারে রেখেছে স্বর্গ -নরক তা কি রবে শূণ্য? কেন করো এই মিছে বৈষম্য জাতি নিধনের ঘোরে; মানুষহীনা থাকিবে কি ধর্ম এই বিশ্বজগত জুড়ে? ধর্মের জন্যে মানুষ নাকি মানুষের জন্যে ধর্ম? তবে কিসের এত অসাম্প্রদায়িকতা কেন এতো বৈষম্য? ভালোবাস মানুষ হৃদয় দিয়ে খোদার সকল সৃষ্টি, দুচোখ ভরে তৃপ্তি পাবে যে দিক পানে দিবে
“সিএন নিউজের উজ্জ্বলতা” মোঃ তাজুল ইসলাম

“সিএন নিউজের উজ্জ্বলতা” মোঃ তাজুল ইসলাম

সিএন নিউজের উজ্জ্বলতা মোঃ তাজুল ইসলাম সিএন নিউজ আমি মানুষের কথা বলি, সত্যকে তুলে এনে উড়ে উড়ে চলি। মিথ্যার বিনাশে প্রতিরোধ গড়ি, অন্যায় প্রতিরোধে আপসহীন থাকি। যত ভাল কাজ আছে বুকে টেনে আনি, জন সচেতনায় সংবাদ প্রচার করি। সিএন নিউজ আমি সকলের কথা বলি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ প্রচার করি। শিল্প সাহিত্য বিনোদনের ছবি আঁকি, কুমিল্লার সংবাদ আঞ্চলিক সংবাদে পাতা ভরি। রাজনীতিতে নিরপেক্ষতায় অবিচল থাকি। খেলাধুলা জীবনধারা পর্যটন অর্থনীতি, শিক্ষাঙ্গন কলাম মুক্তমত তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম ও জীবন রান্নাবান্না স্বাস্থ্য ও কৃষি, জলবায়ূ সাঙ্গাতকার প্রবাস শিশু ও নারী, ইত্যাদি সংবাদ প্রচারে নিজকে নিবেদন করি। সিএন নিউজ আমি আছে এক ঝাঁক সংবাদকর্মী, তাদের নিয়ে আমি পরিবার গড়ি, তাদের আলোয় আলোকিত আমি, তাদের দেওয়া উপহারে উদ্ভাসিত আমি। আপনাদের থেকে প্রশংসিত ভালবাসা পেয়েছি। আপনাদের সহযোগিতা ও সমর্থনে ধন্
“সিরিয়াতে রক্ত ঝরে” মোঃ আরিফ হোসেন (সবুজ)

“সিরিয়াতে রক্ত ঝরে” মোঃ আরিফ হোসেন (সবুজ)

"সিরিয়াতে রক্ত ঝরে" মোঃ আরিফ হোসেন (সবুজ) সিরিয়াতে রক্ত ঝরে ভরছে দেখ কূপ তা দেখেও বিশ্ববাসি থাকছে কেনো চুপ? বদলা নিতে মুমিন তুমি খুলো বিবেক দ্বার কাফের ধরে হত্যা করো ছাড় দিও না আর । এক হয়ে সব সামনে চলো শপথ করে আজ রুখতে তাদের গর্জে উঠো থাকনা পড়ে কাজ ।
“বন্ধুত্ব চেহারায় নয় ব্যবহারেই হয়”

“বন্ধুত্ব চেহারায় নয় ব্যবহারেই হয়”

  আল্ আমিন- বন্ধু আর বন্ধুত্ব দুটি শব্দের তাত্ত্বিক অর্থ ব্যক্তি বিশেষে বিস্তর ফারাগ রয়েছে। আমার কাছে বন্ধু হল স্থান, কাল, পাত্র, ধর্ম, বর্ণ, বয়স, গোত্র সব কিছু ছাড়িয়ে একটা বুঝা পাড়ার সম্পর্ক যা একজন মানুষের জীবনের অর্জন হতে পারে। যারা সুখে দুঃখ, ভাল -মন্দে সর্বদা আমার সহযাত্রী হয়ে থাকবে। আমার সুখ আমার মত করে অনুভব করবে, আমার কষ্টে আমার মত করে ক্লিষ্ট হবে সেই আমার বন্ধু। সুতরাং বন্ধু তুমি ঠিক পাশে থেকো জীবনে মরণে, সুখে, দুঃখের কথা বলা আর বন্ধুত্ব চেহারায় নয় বন্ধুত্ব হল ব্যবহারে। আর জনপ্রিয় গায়ক অঞ্জন দত্তের সেই গানটির কথা- “বন্ধুত্বের হয় না পদবী বন্ধু তুমি কেঁদো না বন্ধু সবুজ চিরদিন বন্ধুত্বের বয়স বাড়ে না। হয়তো তোমার বারান্দায় থাকবেনা আমার জামা তবুও মনের জানালায় অবাধ আনা গোনা বন্ধু তোমার আমি তাই, অন্য দাবি রেখো না।।’’ সব নিয়ম অনিয়ম, বিশ্বাস, নির্ভরত আর বা
সবার সঙ্গে তর্ক করা ঠিক নয় !

সবার সঙ্গে তর্ক করা ঠিক নয় !

শরীফ উদ্দিন ভূঁইয়া- একটা গাধা আর একটা শিয়াল বনের মধ্যে ঝগড়া শুরু করলো। গাধা বললোঃ ঘাস হলুদ! শিয়াল বললোঃ না, ঘাস সবুজ! বিতর্ক চরমে উঠলে, তারা বিচারের জন্য বনের রাজা সিংহের কাছে গেলো। সিংহ সব শুনে শিয়ালকে পূর্ণ এক মাস বন্দী রাখার এবং গাধাকে মুক্তি দেয়ার আদেশ দিলো। শিয়াল রায় শুনে সিংহকে প্রশ্ন করলোঃ এটা কি ন্যায়বিচার হলো? ঘাস কি সবুজ নয়??? সিংহ উত্তর দিলোঃ ঘাস অবশ্যই সবুজ। কিন্তু আমি তোকে বন্দী রাখার আদেশ করেছি কারণ তুই গাধার সাথে তর্ক করেছিস! সারমর্মঃ আজকাল আমরা অনেকেই অযথা তর্কে জড়িয়ে পড়ি। এমন মানুষের সাথে আমরা তর্কে লিপ্ত হই যাদের ব্যাপারে আমরা জানি যে, পৃথিবীর সকল প্রমাণও যদি তাদের মতবাদের বিপক্ষে দাঁড় করানো হয়, তবুও তারা তাদের ভুল স্বীকার করবে না।
“ঋতুরাজ বসন্ত” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

“ঋতুরাজ বসন্ত” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

"ঋতুরাজ বসন্ত" সাব্বির আহমেদ সোহাগ ফাগুন এসেছে ধরায় নিয়ে ঋতুরাজ, বসন্তের আগমনে দেখ কতো সাজ। প্রকৃতি সেজেছে আজ অনন্য রুপে; শীতের রিক্ততা হারিয়েছে বিদায় কূপে। রমণীরা সেজেছে আজ পুষ্পসাজে, গায়েতে বাসন্তী শাড়ি আর পায়েল বাজে। ফুটেছে গাছে গাছে পলাশ শিমুল; সবুজ শাখায় দেখ আমের মুকুল। প্রকৃতি একেঁছে আজ সাত রঙের তুলি, তাইতো দখিন দুয়ার দিয়েছি খুলি। বসন্ত সমির আজ লেগেছে মোর প্রাণে; হৃদয়ের আকুতি সব বসন্ত গানে। সুরে সুরে ডাকি তোমায় হে ঋতুরাজ! মোর আঙ্গিনায় এসো তুমি ফেলে সব কাজ।
“একুশ মানে” আব্দুল্লাহ আলম নুর

“একুশ মানে” আব্দুল্লাহ আলম নুর

"একুশ মানে"  আব্দুল্লাহ আলম নুর একুশ মানে গাছে গাছে রক্ত জবা একুশ মানে রক্তকমল কৃষ্ণচুড়া। একুশ মানে আমার ভাইয়ের রক্তে রঞ্জিত রাজপথ একুশ মানে স্বাধীনভাবে কথা বলার শপথ। একুশ মানে কন্ঠে প্রতিবাদ একুশ মানে ছেলে হারা মায়ের বিলাপ। একুশ মানে ভাষার তরে রক্ত বিসর্জন একুশ মানে রক্ত দিয়ে স্বাধিকার অর্জন। একুশ মানে অন্যায়ের তরে মাথা নত না করা একুশ মানে স্বাধীনতার পতাকা তুলে ধরা। - আব্দুল্লাহ আলম নুর। শিক্ষার্থী, আলিম ২য় বর্ষ, তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা, টঙ্গী, গাজিপুর।
“যদি জানতাম তুমি আসবে” মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

“যদি জানতাম তুমি আসবে” মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী

যদি জানতাম তুমি আসবে মুহিব্বুল্লাহ আল হুসাইনী একাকী নিরিবিলি রাতের এই শহরে বসে আছি এই একলা প্রহরে। তুমি আসবে বলে ওগো চাতক পাখি হয়ে বসেছি তোমার তরে। মিটিমিটি তারকার ঝিলিমিলি হাসি পূর্ণিমা রজনীর মায়াবী চাঁদের হাসি, সুবিশাল গগণের বিস্তৃতি জুড়ে খুঁজিতে ব্যস্ত তোমারই মুগ্ধ হাসি। পাইনা খুঁজে হতাশ এই মনে আসবেনা কি তুমি আমার এই ভূবনে? হাসবেনা কি তবে অভাগার সনে দেখা দাওনা ওগো তবু স্বপনে! কোথা যাও একাকিনী ওগো বিদেশীনি, থাকো কোন শহরে ওগো মায়াবীনি! আবারো এসো ওগো আমারই শহরে ভুল হবেনা আর এই মায়ার নগরে, যদি জানতাম তুমি আসবে তবে থাকতাম বসে আমি প্রতিটি প্রহরে। গীতিকবি ও সাংবাদিক ০১-০২-২০১৮ যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।
“মন” এস আই ইমরান

“মন” এস আই ইমরান

"মন" এস আই ইমরান মন যে আমার মাঝে মাঝে, ছুটে চলে নতুন সাজে। থাকতে চায় না একলা ঘরে, বেধে রাখি কেমন করে? এত বলি আমায় ছেড়ে, যাবি কেনো অনেক দূরে? মন মোরে কয় নতুন সাজে, যাবো আমি পরীর খোজে। মনতো দেখি চলে গেলো, নতুন পরীর সঙ্গ পেলো। এখন দেখি মনটা আমার, নিজের কথা ভাবে না আর। হঠাৎ মন কাঁদছে বসে, মন কে বলি কি হয়েছে? মন বলল পরী আমার, অনেক দূরে চলে গেছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত

সিএন নিউজ নিজস্ব প্রতিবেদক, মোঃ মিনহাজুল ইসলামঃ- আজ ৫ ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে "বই পড়ি স্বদেশ গড়ি" এই স্লোগানকে সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার এক বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ রফিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পথ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য মীযানুর রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার সেলিম ভূইয়া। এছাড়াও র্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে।
“আজব দেশ” শারমিন আক্তার ইতি

“আজব দেশ” শারমিন আক্তার ইতি

"আজব দেশ" শারমিন আক্তার ইতি আজব দেশে ঘটছে কি আজ শুনবি কিরে ভাই? নারী পরেছে নরের পোষাক চিনতে নাহি পাই। পুরুষরা আজ চুল রেখেছে হাতে পরেছে চুড়ি, নারীরা যেন ভুলেই গেছে পোষাক তাদের শাড়ি। নারীরা আজ ঘর ছেড়েছে পুরুষরা ঘরকুনো, শুনতে লাগবে খারাপ তবুও বলতে যে চাই শুনো। রাস্তায় নেমে নারীরা আজ রাখবে জীবন বাজি, পুরুষের নেই লজ্জা তাতে এতেই বড্ড রাজি। লড়বে তারা লজ্জা বেচে অধিকারের আশায়, হারায় তারা নিজেরই মান অধিক পাওয়ার নেশায়। ০৫-০২-১৮ইং কুমিল্লা নাঙ্গলকোট
“ঐতিহাসিক বায়ান্নর সেইদিন” মোঃ শামীম হোসেন

“ঐতিহাসিক বায়ান্নর সেইদিন” মোঃ শামীম হোসেন

ঐতিহাসিক বায়ান্নর সেইদিন মো.শামীম হোসেন ঐতিহাসিক বায়ান্নর সেইদিন রাজপথে গায়ে মাখে রক্তে রাঙ্গানো রঁজিত ধূলি। সকল বাঁধার উপেক্ষায় বিজয়ের স্লোগান দিয়ে আপন দেহযষ্টিতে খেয়েছিল গুলি। উর্দু হটিয়ে বাংলাকে ক্ষত হৃদয়ের রক্তস্রোতে মর্যাদা দিয়েছিল রাষ্ট্রীয় ভাষার। ব্যানারে লেখা বর্ণের টানে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জাধরে তবে অন্যায়ের ধারেনি ধার। বিশ্বের ইতিহাসে আমরা আজ উত্সিক্ত জাতি ভাষার জন্য হারিয়েছি প্রাণ। কোথাও খোঁজে পাবেনা মায়ের ভাষায় তিরোধান হারিয়েছে নিজের তরুণ সন্তান। স্বাধীনতা প্রিয় স্বাধীন, বাংলা মায়ের মর্মদেশে স্বাধীন বিধ্বংসী মধুমাখা ভাষা। বাংলা আমাদের অহংকার, বাংলা আমাদের গর্ব বাংলায় মিটে চিত্তের আশা। বাংলার রত্ন রফিক, বরকত, সালাম ও জব্বার শহীদ হয়েছিল মাতৃভাষার জন্য। রক্তাক্ত জননীর মণিদীপ জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান। ধন্য তোমরা সকলে ধন্য। তোমাদের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা
“বৃক্ষের বাণী” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

“বৃক্ষের বাণী” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

বৃক্ষের বাণী সাব্বির আহমেদ সোহাগ দুয়ারে দাঁড়িয়ে বৃক্ষ করে আহ্বান কে আছো গো! শুনো মোর জীবনের গান। অঙ্কুর থেকে ফলবান হতে দেখেছো মোরে, এতো মোর নিরব সাধন বিকাশের ঘোরে। ফুলে ফলে আজ আমি পেয়েছি পূর্ণতা, অন্যের তরে বিলিয়েছি সব এটাই সফলতা। তোমরাও কি অন্যের তরে বিলিয়ে দিয়েছো প্রাণ; শুনাও দেখি এবার তোমাদের জিবনের জয়গান।
“দ্বন্দ্ব” গিয়াস উদ্দিন ফারুকী

“দ্বন্দ্ব” গিয়াস উদ্দিন ফারুকী

চারিদিকে শুধু দ্বন্দ্ব আগুনে পানিতে দ্বন্দ্ব - দ্বন্দ্ব এখন হয় শাশুড়ি আর বউয়ে। পিতা পুত্রে দ্বন্দ্ব দ্বন্দ্ব দেখি তেলে আর জলে, কালো আর সাদা দ্বন্দ্ব দ্বন্দ্ব দেখি হচ্ছে ঝা য়ে ঝা য়ে । আওয়ামী লীগ আর বি এন পি তে দ্বন্দ্ব, দ্বন্দ্ব দেখি এখন হয় - হাইব্রিড আর ত্যাগী নেতার মাঝে । ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্দ্ব দ্বন্দ্ব দেখি হয় এখন চাউলে আর ডালে । ঘরে দ্বন্দ্ব , বাহিরে দ্বন্দ্ব দ্বন্দ্ব দেখি হচ্ছে এখন পাতিলে আর পাতিলে । রাজনীতির মাঠে দ্বন্দ্ব দ্বন্দ্ব দেখি কৃষানী আর কৃষকের মাঝে । দ্বন্দ্বে দ্বন্দ্বে জীবন শেষ দ্বন্দ্ব এখন দেখি হয় শিক্ষক আর ছাত্রে । স্বামী স্ত্রী তে দ্বন্দ্ব দ্বন্দ্ব দেখি হচ্ছে পরকীয়ার তরে । দ্বন্দ্ব আর দ্বন্দ্ব দ্বন্দ্ব হচ্ছে এখন পাড়ার পেতি মাস্তান আর শহরের বড় মাস্তানে । দ্বন্দ্ব এখন দেখি হরহামেশাই লেগে থাকে পাড়ার চা দোকানে । দ্বন্দ্বের মাঝে এখন নেই কোন ছন্দ, দ্
“তারুণ্যের উচ্ছ্বাস” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

“তারুণ্যের উচ্ছ্বাস” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

তারুণ্যের উচ্ছ্বাস সাব্বির আহমেদ সোহাগ আঠারো বছর পার করেছি হেলায় সময় গেছে খসে, কলমের কালি শেষ হয়েছে জিবনের অংক কষে। সদা ভাবি হায়! আছে কি উপায়? আপন কে চিনিবার তরে, বিবেক সত্তা ধ্বংসন করে অভিশাপ দেয় মোরে। অসহায় ভেসে যখন আমি ঘোর দিশেহারা, কান্ডারী ভেসে তারুণ্য এসে দেয় মোরে সাড়া। কহিল সে মোরে,,,,, হে নওজয়ান হও আগওয়ান কর নতুন কিছু; অতীতের সব দুঃখগ্লাণী মাড়াইয়া ফেল পিছু। নিজ দেহেতে সঞ্চার কর তারুণ্যের উদ্ধীপনা, দুর্গমগীরি দিতে হবে পাড়ি হও সংকল্পমনা। অদম্য গতিতে এগোতে হবে দ্বিগ্বীজয়ীর ভেসে; তোমার আগমনে দুহাত বাড়াবে দেশমাতা হেসে। বাহু ভরা বল ত্যাজে ভরা মন দুচোখে অগ্নিধারা; ললাটে তবো বিজয় মুকুট ভয়ে কাঁপে হায়নারা! দেশের তরে হাসিমুখে তুমি বিলিয়ে দিবে প্রাণ, চারদিকে তবো জয়ধ্বনি হবে রবে তুমি চির অম্লান। নতুন করে দেশের তরে স্বপ্ন আঁক দুচোখ ভরে, দেশমাতাকে পূজতে শিখ থাকবে যতদিন
“প্রবাসীর ত্যাগ” শারমিন আক্তার ইতি

“প্রবাসীর ত্যাগ” শারমিন আক্তার ইতি

"প্রবাসীর ত্যাগ" শারমিন আক্তার ইতি প্রবাস নিয়েছে আমার দেশের ভাইদের দূরে টেনে, ভালোবাসা স্বজনপ্রীতি, ছেলেবেলার হাজার স্মৃতি, রেখে গিয়ে হাসিমুখে নেয় যে তারা মেনে। মাথার ঘামকে পায়ে ফেলে, চোখের কোণে অশ্রু ঢেলে, কষ্টার্জিত অর্থ তারা দেয় মোদের হাতে তুলে। হইনা তবু খুশি মোরা, চাওয়ার লিষ্টি করি ভারি। শুনি কি কভু তাদের মনের, লুকিয়ে করা আহাজারি? এতকিছু করেও তারা রয় কি সবে সুখে? কেউ এসে তো শেষ ডাকটুকুও শোনেনা বাবা মায়ের মুখে। প্রবাসীদের ত্যাগ কখনো ভুলে যাওয়ার নয়। বুকে চাপাকষ্ট নিয়েই, সুখ করতে যায় ক্রয়। উৎস্বর্গ সকল প্রবাসী ভাইদেরকে।

“পাগল দাদির জীবন কথা” মো: শামীম হোসেন

"পাগল দাদির জীবন কথা" মো.শামীম হোসেন পাগল দাদির আবল তাবল সকাল,সন্ধা রাতে, তিন ছেলের জননী তবু কেউ নেই তার সাথে। মস্ত বড় বাড়ির মেয়ে বাবা ছিল তার বেশ ধনি, তিন সন্তান কোলে নিয়ে বিধবা হয় দুঃখিনী। বাবার বাড়ি পেয়েছিল এক একর চাষের জমি, এই সব বেঁচে মানুষ করে তিন নয়নের মনি। উচ্ছ শিক্ষা হয়নি দেওয়া অভাব ছিল বটে....... ছেলের আশায় নাও ভিড়ায়নি অন্য কারো ঘাটে। বড় ছেলে নিজের পছন্দে করে সখের বিয়ে..... পাগল দাদির সংসার তখন দুই ছেলে নিয়ে। দুই ছেলের কিছু আয়ে দু মুঠো মিলে আহার। এরি মধ্যে মেজো ছেলের বিয়ের হলো দরকার। বড়র শিক্ষায় মেজো এখন নিজের সংসার নিয়ে। অনেক সুখের সংসার তার একটি ছেলে নিয়ে। ছোট ছেলে আধুনিক আর উদার ছিল মন........ পাগলির একা সংসারে এক বৌমা প্রয়োজন। পাগলি মনে চিন্তা করে আমারতো নেই মেয়, ভাইয়ের মেয়ের সাথে এবার ছেলের দিলো বিয়ে। যারে এখন পাগল বলছি ছিলনা সে পাগল, ছোট ছেলের বিয়ের
“ঈর্ষে হয়” আবু তালহা

“ঈর্ষে হয়” আবু তালহা

ঈর্ষে হয় আবু তালহা খুব ঘুরো হরদম উড়ো তোমায় দেখে ঈর্ষা হয় অাকাঙ্খারা যাতনাময়। অামি চঞ্চল পায়ে চপ্পল দরিদ্র বলে অবহেলা মিলে। ঘুরতে চাওয়ার ইচ্ছা সে তো কোন সুদূর অামি কল্পনাতে ঘুরি দূর বহুদূর...