বৃহস্পতিবার, জুন ২১

শিল্প-সাহিত্য

“আকাঙ্ক্ষা” – সাজেদুর আবেদিন শান্ত

“আকাঙ্ক্ষা” – সাজেদুর আবেদিন শান্ত

তোমাকে না দেখলে আমি হবো জীবন্ত উম্মাদ, ভুলে যাবো পৃথিবীতে আমি বেচে থাকার স্বাদ। তোমাকে একটু দেখার সুখে, হাজার কষ্ট চেপে রাখতে পারি এই বুকে। তোমার জন্য এনে দিতে পারি আমি সম্রাট শাহজাহানের সেই স্বপ্নের কহিনুর, তোমার জন্য হাটতে পারি একশত হাজার ক্রোশ দূর। তোমার চোখে ঝড়তে দিবোনা কখনো দুঃখের জল, তোমার দুঃখে ব্যাথিত হবো তুমি হবে নির্মল। তুমি যদি চাও তোমার জন্য হাসিমুখে করবো মৃত্যু বরণ তুমি শুধু তোমার সুখের সময় আমার স্মৃতি করো স্মরণ। তোমার জন্য ছাড়তে পাড়ি স্বপ্নের ভূলোক তোমার চোখে বিশ্ব দেখবে আমার এ দু চোখ।
অাত্মবিশ্লেষণ ও আত্মশুদ্ধির মাস রমযান

অাত্মবিশ্লেষণ ও আত্মশুদ্ধির মাস রমযান

মাসুম সরকার অালভী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,কুষ্টিয়া। সংযম,আত্মবিশ্লেষণ ও আত্মশুদ্ধির মহান বারতা নিয়ে মাহে রমযান এলো মুমীন মুসলমানের দারে দারে। সারা বছরের পাপ মোচনের জন্য আল্লাহর কাছে মাগফিরাত কামনা করে ধর্মপ্রাণ মুসলমান। ভুলত্রুটির ও অন্যায়ের জন্য অাল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। আত্ম সংযমের মাস হলেও বর্তমানে আমাদের মাঝে রমযান আসে ভিন্ন অাঙ্গিকে। রমযান শুরু হলেই এদেশের বাজারে ভয়ংকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। রমযানের প্রথমেই একটি শ্লোগান ওঠে সবর্ত্র মজুদদার -মুনাফাখোর-তোলাবাজদের গ্রেফতার কর,দ্রব্যমূল্যের দাম সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখো। কিন্তু আমাদের সমাজের মানুষ ঠিক বিপরীত দিকে ঘোরপাক খাচ্ছে।প্রতিবছর মহড়ার পূনরাবৃত্তি ঘটলেও কোন এক অদৃশ্য শক্তির কাছে পরাজিত হয় সব চেষ্টা। পবিত্র রমযান সামনে রেখে মূল্যবৃদ্ধির খেলা কেবলমাত্র আমাদের দেশেই সম্ভব।মহান অাল্লাহর দরবারে তার এবাদত বন্দেগী দ্বারা তার প
খেলার মাঠে মেলা কেনো

খেলার মাঠে মেলা কেনো

বাসার পাশে বিশাল এক মাঠ। পড়াশোনা শেষ করে বিকেলে ফুটবল,ক্রিকেট আরো কত রকম খেলা করতাম। বন্ধুদের সাথে হতো সে কি মজা! সন্ধ্যা হলে বাসায় এসে আবার পড়তে বসা। কিন্তু এখন আর হয়ে ওঠেনা । মাঠ গুলো আছে ঠিকই আগের মতো বন্ধুরাও আছে । কিন্তু খেলা নেই। পড়াশোনা শেষ করে এখন মানুষের হই হই শব্দ শুনি। সন্ধ্যায় বাসায় এলে পড়তে ভাল লাগে না আগের মতো। মাথা ব্যাথা কেমন যেন অানমনা আমি। মাঠে এখন মেলা। বছরে কতবার যে হয় তার হিসেব কে রাখে। বৈশাখী মেলা, লিচুর মেলা, মাছের মেলা আর কত মেলা। মাঠ এখন আর খেলার জন্য নেই যেন মেলার জন্য করা হয়েছে। ছেলেরা বাসায় বসে ইন্টারনেট,ফেসবুক, ইউটিউবে সময় কাটায়। এর ফলে আমাদের সৃজনশীলতা ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে অপসংস্কৃতির দিকে ধাবিত হচ্ছে তরুণ সমাজ। আবার নতুন করে জঙ্গি? এক কুচক্রী ওতোপেতে আছে কখন আমাদের বিপদগামী করবে। আর মাদকতা একটা অভিশপ্ত নাম । আমাদের মতো হাজারো তরুণ তরুণীকে হাতছানি দিয়ে বে
“ছন্নছাড়া জাতি” ……ফয়সাল আমির

“ছন্নছাড়া জাতি” ……ফয়সাল আমির

আমি হাজার বছর ধরে ছিলাম একটা দেহের তরে, হঠাৎ এক কাল বৈশাখী ঝড় আমাকে করেছে আমার থেকে পর। আজ আমি ছিন্ন ভিন্ন ,জনমানব শূন্য, কাফেরের পদ চ্যাঁটে হয়েছি হন্য। দিকে দিকে মোর আত্মার আত্মিয় ধুকেধুকে খাচ্ছে মার, আমি অতীব আনন্দে ঘরে বসে বসে করছি আহার। স্বজাতির চেতনা ছাড়িয়া , করি আজ আমি অন্যের অভিনয় দিনে দিনে তাই, দুনিয়ার দিকে দিকে হায়, আমার হচ্ছেই পরাজয়। নিজেরে ছাড়িয়া ,সোনালী ঐতিহ্য মাড়িয়া অন্যের কাছে নোয়াই মাথা সর্ব অঙ্গে ব্যাথারে ভাই ঔষধ দিব কোথা? কাশ্মির জ্বলে জ্বলে জ্বলছে সিরিয়া আরাকান, দুনিয়ার রথে রথে মুসলিমরা আজ হচ্ছেই অপমান। কোথায় গেল একতা মোদের কোথায় গেল ঈমান? কোথায় গেল সব বিজয়ী বীর ,কোথায় তার প্রমান? কোথায় আজ খিলাফাত বিশ্ব মুসলমানের? কোথায় গেল ইয়াকিন ঐ মুক্তিকামী প্রাণের?
“আল কোরআনে বিজ্ঞান” —ফয়সাল আমির

“আল কোরআনে বিজ্ঞান” —ফয়সাল আমির

এ কোরআন শুধু একটি কিতাবি নয়, এ কোরাআন শুধু ধর্মীয় গ্রন্থ নয়, এ কোরাআন শুধু ঈশ্বরের বানী নয়, এ কোরআন শুধু বিপদাপদে পড়ার জন্যে নয়। এ কোরআন মানব জাতির সকল সমাধান তাই এ কোরআন শত কোটি মানুষের প্রাণ। এ কারআনে আছে সৌরজগৎ এর স্থিতিশীলতার কথা, এ কোরআনে আছে গ্রহ সমূহের ঘূর্ণায়নের প্রথা। এ করআনে আছে কোথায় দুই উদয়াচল অস্থায়চল, এ সব কথা কোর আন ছাড়া অন্য কোথায় পাবি বল? এ কোরআনে ভ্রুন বিদ্যার বিষদ বিবরণ, যা হাজার বছর থেকে মানুষ করেছে জানার প্রয়োজন। এ কোরআনে আছে বিগ ব্যাং আর কসমোলজির সর্বশ্রেষ্ঠ বানী, এ কোরআনে আছে পানী চক্রে কিভাবে আসে পানি। এ কোরআনে আছে সৃষ্টি জগৎ এর বিষদ বিবরণ বন্ধু তাই তো বলি পড় কোরআন আর কর তার স্মরণ। এ কোরআনে আছে চাঁদের আলো কোথা হতে আসে, বন্ধু তাই তো বলি এসো কোরআনের পাশে। এ কোরআনে আছে মানব জাতির সকল সমাধান এ কোরআন তাই শত কোটি মানুষের প্রাণ। তাই তোল সবে কোর আনের শ্লোগান আর গাও কোরআ
“হয়নি বলা ভালবাসি তোমায়” আল্ আমিন শাহেদ

“হয়নি বলা ভালবাসি তোমায়” আল্ আমিন শাহেদ

আমি বসে বসে ভাবনার রাজ্যে খোঁজে ফিরি তোমায়।। তুমিত ছিলে আমার পার্শ্বে কেন খোঁজে দেখ নি- বল নি ভালবাস আমায়।। একদিন এক দুপুরে তোমার চোখের পানে চোখ রেখে মনে মনে বলেছিলাম ভাল লাগে - ভালবাসেছি তোমায়।।
“রহমতের পয়গাম” —Faysal Amir

“রহমতের পয়গাম” —Faysal Amir

ইদের খুশি আসে রমজানেরই শেষে। নামায কালাম পড়ি সবাই করি মুনাযাত, এই মাসেতে শেষ হয় যত আছে বেদাত। সরল সহজ পথে চলে, সকল মানুষ দলে দলে। খোদার দেওয়া বিধান মানে, মুমিন মুসলিম জানে প্রাণে। কবরের আজাব হয় বন্ধ, মিটে যায় সব বিদ্বেষ দ্বন্ধ। খারাপ মন্দ সব মানুষ হয়ে যায় ভাল, সবার মাঝে জ্বলে ইমানের আলো। মানুষের প্রাণে শয়তানের কুমন্ত্রণা দেয় না আর যন্ত্রণা। জান্নাতি পরিবেশ হয় সৃষ্টি খোদা দেয় ধরাতে রহমতের দৃষ্টি। এই মাসেতে হয় শেষ, যত আছে হিংসা লেশ। খোদা পাঠায় রহমতের দূত, নেক কামাতে সকল মানব পুত। হয় না কোন অন্যায় অবিচার, দিকে দিকে বয়ে যায় রহমতি সুবিচার। হাজার মাসের চেয়ে সেরা যামিনি, রমজানের কদরের রজনী। তাই তো রমজান! গাই তোমার গুণগান।
“আমি খেলোয়াড় হয়েছি” মোঃ আল-নোমান

“আমি খেলোয়াড় হয়েছি” মোঃ আল-নোমান

আমি খেলোয়াড় হয়েছি মোঃ আল-নোমান আমি তোমায় পাইনি, তাই কাউকে আর পেতে চাইনি। আমি তোমায় ধরতে চেয়েছি, কেবল কষ্টই শুধু পেয়েছি। চলে গেছো তুমি আমায় ছেড়ে, প্রাপ্তির খাতায় তাই শূণ্যতা দেখি আজ সবি বেদনার চোখে। এখন সবার মন নিয়ে মাতি আজ আমি চৌকস খেলোয়াড় হয়েছি। হৃদয় বলে আমার নেই এখন কিছু, হারিয়েছি সবই তোমার পিছু। আজ আমি সবার সাথে খেলি, আর মিটমিটে হাসি, আজ কেবল আমি খেলতেই ভালোবাসি! আমি খেলি এখন কেবলই খেলি, আমি খেলোয়াড় হয়ে গেছি।
“নির্বাক জীবন”  মারিয়া রহমান

“নির্বাক জীবন” মারিয়া রহমান

"নির্বাক জীবন" মারিয়া রহমান নির্বাক জীবন কেন তুমি এমন, খুলবে নাকি কভু তব শিকড়ের বাঁধন? হও যদি তুমি নিষ্পাপ ফুল, কেন মানব তোমায় নিয়ে করে এতটা ভুল? কখনো বয়ে চলো নির্মল তরঙ্গের মতো, আবার কখনো শ্রাবনের জলে ঝরো অবিরত। যেই মন হাজারো স্বপ্ন বুনে তোমায় নিয়ে, সেই স্বপ্ন কেন পরিণত হয় কষ্টের আবরনে। নির্বাক জীবন তুমি কী রয়ে যাবে এমন? তোমায় নিয়ে কত কবি লিখেছে ছন্দ-কথা, তবু মিলেনা তোমার নির্বাক জীবনের পাতা।
“বিশ্ব মানবতা” মিয়াজী মোঃ লোকমান এইচ সুলতান

“বিশ্ব মানবতা” মিয়াজী মোঃ লোকমান এইচ সুলতান

আজ কোথায় আমরা বিশ্ব মুসলিম, আজ কোথায় মোদের দ্বীন, সারা বিশ্বে মুসলিম নিধন করছেন ইহুদী। আজ নীরব কেনো মুসলিম বিশ্ব আজ নীরব ওআইসির, নীরবতায় জীবন গেলো বিশ্বের কোটি কোটি মুসলিম। সারা বিশ্বে করলো গঠন জাতীসংঘ' সবাই মিলে গড়ে তুলবে মানবতার বন্ধনন। আজ বিশ্ব মানবতা কুলষিত দেখ জাতীসংঘ, মুসলিম মেরে শেষ করিলো তোমরা কেন অন্ধ। আফগানিস্তান মরছে মুসলিম বলছ তালবান, ইরাক যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়ে মারলা মুসলিম নেতা সাদ্দাম। লিবিয়াকে ধ্বংশ করি দোষ দিলে গাদ্দাফির, সিরিয়ায় মরছে শিশু বলছ আই এস আই। আমার ঘরে লাগলে আগুন জাতীসংঘ পানি দিবা তুমি, পানির বদলে ডিজেল দিয়ে আগুন দিলে বাড়িই। মুসলিম মেরে সাগরে ভাসায় বৌদ্ধ মিয়ানমায়, নীরবতায় থাকছ তুমি নীরবতা রাখছ বিশ্ব মুসলমান!
“আর করিসনা ভন্ডামী” শারমিন ইতি

“আর করিসনা ভন্ডামী” শারমিন ইতি

এলো রোজা কমবে বোঝা আছে যত পাপ রহমতের ভাসবে স্রোতে করলে অনুতাপ স্রষ্টা সদা জেগেই আছেন করবে বলে ক্ষমা বারো মাসই মুক্তি মিলবে নেক করিলে জমা। ১১মাস চলবে কেমন এই মাসে তা শেখা ১মাসের নেক রাখতে পারলে ভন্ডামী সব ভুলে গিয়ে নাজাতের পথ পেয়ে গেলে ডান হাতেতে আমলনামা হবে রে ভাই লেখা। লোক দেখানো নামাজ রোজার নেইতো কোন লাভ সত্যিকারের মুমিন হইও ধরিওনা ভাব।
“মাহে-রমাদান” —-Faysal Amir

“মাহে-রমাদান” —-Faysal Amir

রমজানের ঐ রোজার শেষে আসে ইদের খুশি তাহার মাঝে ফুল কুঁড়াতে ব্যস্ত দিবা নিশি। ধনী গরিব আসে সবাই একই বন্ধনে দান সাদকা করে ধনী গরিব নন্দনে। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সবাই দাঁড়ায় একই সাথে ধনী গরিব ভেদাভেদ শেষ হয় তাতে। আহাজারি রাহাজানি বন্ধ এই মাস থাকে সুখের দরিয়ায় ঢেউ খেলিতে একই সাথে হাকে। রহমতের ফেরেস্তারা ছুটে আসে দুনিয়ায় একই সুরে সবাই যেন আল্লাহু আল্লাহু গায়।
মা দিবসের গান “আম্মা আমি যাচ্ছি চলে” –Faysal Amir

মা দিবসের গান “আম্মা আমি যাচ্ছি চলে” –Faysal Amir

আম্মা আমি যাচ্ছি চলে মনে পড়ে দূরে গেলে তোমার শাড়ির আঁচল খুলে নিতে যখন কোলে।। ।। আম্মা আমি যাচ্ছি চলে থাকবো কি করে তোমায় ভুলে ফিরবো না আর তোমার কোলে দোয়া কর হৃদয় খুলে। আম্মা আমি যাচ্ছি চলে মনে পড়ে দূরে গেলে তোমার শাড়ির আঁচল খুলে নিতে যখন কোলে। আম্মা আমি যাচ্ছি চলে ক্ষমা কর ভুল হলে দোয়া কর হাত তুলে থাকি যেন ধর্মের মূলে। আম্মা আমি যাচ্ছি চলে মনে পড়ে দূরে গেলে তোমার শাড়ির আঁচল খুলে নিতে যখন কোলে। আম্মা আমি যাচ্ছি চলে আমায় দেখতে মনে হলে চিঠি লিখো মন খুলে ভাসিয়ে দিও জলে।😰
“মা এক স্নেহর অাধার”  মাসুম সরকার অালভী

“মা এক স্নেহর অাধার” মাসুম সরকার অালভী

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। মা নামক শব্দটি উচ্চারণ করলেই শরীরের ভিতরে বরফ শীতল অনুভূত হয়।কবির ভাষায়, মা কথাটি ছোট্র অতি কিন্তু যেন ভাই, এর চেয়ে নামটি মধুর ত্রিভুবনে নাই ।মায়ের গুনগান, মায়ের ভালবাসা, মায়ের স্নেহ মমতা, সন্তানেন জন্য মায়ের দরদ,মায়ের প্রতি সন্তানদের দায়িত্ব কর্তব্য সম্মান ভালবাসা। হাজারো কবি সাহিত্যিকরা মাকে নিয়ে লিখেছেন প্রবন্ধ,কবিতা, উপন্যাস কতশত উক্তি। মা বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। জীবনে যতবার ব্যর্থ হয়েছি আত্ময় স্বজন বন্ধু বান্ধবী সকলের চোখ মুখ কালো দেখেছি কিন্তু মার মুখে এক ফালি হাসি দেখেছি। বাসায় ফিরলেই বলতো পাগল ছেলে আমার ব্যর্থ না হলে সফলতার স্বাদ পাওয়া যায় নারে । সেই থেকে নতুন করে কাজের অনুপ্রেরণা পাই। তাই বলি ভালবাসার আরেক নাম মা।মা বৃক্ষের মতো। বৃক্ষের যেমন সূক্ষ্মবুদ্ধি , উদারহৃদয়, মাটির রস টেনে নিয়ে কাজ সমাপ্তি নয়। তাকে পথচারীকে ছায়া দিতে হয় ফুল ফুটাতে হয় ফল ধরাত
“মা” ✍ রবিউল হোসাইন রাজু

“মা” ✍ রবিউল হোসাইন রাজু

মা তুমি যে এক আল্লাহর অপরূপ সৃষ্টি, সন্তানের জন্য তোমার দয়াময় দৃষ্টি, তোমার ওই হাঁসি মাখা মুখ, সন্তানেরা দেখে ভুলে যায় সব দুখ। তুমি তো মা সকল সন্তানের মাথার মুকুট, তাই তো মা তোমার পদ তলে রয়েছে সন্তানের জান্নাতের মুকুট। মা তুমি সন্তানের জন্য দয়ার অসীম, তোমার তুলনায় হয়না সসীম, তুমি যে মোদের মা জননী, তোমার এ জন্য দোয়া করি মোরা দিবা রজনী। যদি এক পলক না দেখি মা তোমার ওই চাঁদ মাখা মুখ, কত যে খারাপ লাগে ফেঁটে যায় বুক, তুমি যে মোদের মা আশার আলো, তাই তো গো মা, তোমায় বাসি অনেক ভালো।
“মা”সাজেদুর আবেদিন শান্ত

“মা”সাজেদুর আবেদিন শান্ত

মা আজ তুমি নেই বলে, সুর্য উঠেনি। মা আজ তুমি নেই বলে, ফুল ফুটেনি। মা আজ তুমি নেই বলে, শুন্য লাগছে ঘরবাড়ী। মা আজ তুমি নেই বলে, চাদ করেছে মেঘের সাথে আড়ি। মা তুমি ফিরে এসো আমার ঘরে, তুমি মাগো ফিরলে ঘরে মন যে আমার ভরে। মাগো ফিরলে তুমি করবো না আর দুস্টামি, তোমার জন্য হতে পারি শ্রেষ্ঠ ছেলেটি আমি। মাগো তুমি ফিরে এসো আমার মনে, তোমারি শেখানো গান যে বাজে আমার প্রানে।
“শ্রাবন মাসের বৃষ্টি” সাজেদুর আবেদিন শান্ত

“শ্রাবন মাসের বৃষ্টি” সাজেদুর আবেদিন শান্ত

প্রকৃতির মাঝে তুমি অপরুপ সৃষ্টি, হে শ্রাবন মাসের বৃষ্টি। শ্রাবন মাসে বৃষ্টির জল, মনে বয়ে আনে আনন্দের ঢল। শ্রাবন মাসের বৃষ্টিতে ভিজতে লাগে ভালো, শ্রাবন মাসের মেঘলা আকাস হয়ে আসে কালো। শ্রাবন মাসে কদমের ডালে চড়ুই গায় গান, শ্রাবন মাসে কদমের গন্ধে ভরে যায় প্রান। শ্রাবন মাসে ঊদাস দুপুরে, তুমি আমি দেখা করবো পুকুর পাড়ে। শ্রাবন মাসের শান্ত পরিবেশে, তুমি আমি চিরকাল যাবো ভালোবেসে।
“রহস্যময় জগত” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

“রহস্যময় জগত” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

দূলোক ভূলোক সপ্তস্তর আছে কি বা জানে, একটা দেখেই ঘুরছে মাথা রহস্যেরেই ঘোরে। চাঁদটা কেন বাঁকা হাসে কখনো থালার মত; সূর্যি মামা কিরণ ছড়ায় আলোক শত শত। পাখ-পাখালী গাছের ডালে কিচিরমিচির ডাকে, ভোরের আলো ফুটে উঠে সবুজ শাখে শাখে। খুটি বিহীন নীলিম আকাশ শেষ কোথা? কে জানে; পাহাড় ছিড়ে ঝর্ণা ঝড়ে মিশে সাগর পানে। ফুলগুলো সব সুবাস ছড়ায় সাজে নানান রঙে, মৌমাছিরা ছুটে চলে মধু আহরণে। বনে আছে বাঘ সিংহ আর লাখো পশুর দল; আরো আছে মৃত্যুময়ী নানান রকম ফল। সন্ধ্যা নামে আঁধার নিয়ে প্রভাতে সূর্যের আলো, নীল গগনে রঙধনু আর মেঘ ধরলে কালো। পূর্ব গগনে উঠে রবি পশ্চিমেতে ভাগে, রহস্য ঘেরা জগত নিয়ে হাজার প্রশ্ন জাগে। আঠারো হাজার মাখলুকেই রহস্য অজানা, দুঃখ সুখের এই পৃথিবী হবে একদিন ফানা।
“কর্ম” সাইফুল্লাহ

“কর্ম” সাইফুল্লাহ

শক্তি মায়ের ভৃত্য মোরা- নিত্য খাটি নিত্য খাই, শক্ত বাহু, শক্ত চরণ, চিত্তে সাহস সর্বদাই। ক্ষুদ্র হউক, তুচ্ছ হউক, সর্ব সরম-শঙ্কাহীন--- কর্ম মোদের ধর্ম বলি কর্ম করি রাত্রি দিন। চৌদ্দ পুরুষ নিঃস্ব মোদের - বিন্দু তাহে লজ্জা নাই, কর্ম মোদের রক্ষা করে অর্ঘ্য সঁপি কর্মে তাই। সাধ্য যেমন - শক্তি যেমন - তেমনি অটল চেষ্টাতে-- দুঃখে-সুখে হাস্যমুখে কর্ম করি নিষ্ঠাতে। কর্মে ক্ষুধার অন্ন যোগায়, কর্মে দেহে স্বাস্থ্য পাই; দুর্ভাবনায় শান্তি আনে --- নির্ভাবনায় নিদ্রা যাই। তুচ্ছ পরচর্চাগ্লানি--- মন্দ ভালো--- কোন্ টা কে--- নিন্দা হতে মুক্তি দিয়া হাল্কা রেখে মনটাকে। পৃথ্বি-মাতার পুত্র মোরা, মৃত্তিকা তার শয্যা তাই; পুষ্পে-তৃণে বাসটি ছাওয়া, দীপ্তি-হাওয়া ভগ্নী-ভাই। তৃপ্তি তাঁরি শস্যে-জলে ক্ষুত্ পিপাসা দুঃসহ। মুক্ত মাঠে যুক্ত করে বন্দি তাঁরেই প্রত্যহ। ক্ষুদ্র নহি - তুচ্ছ নহি - ব্যর্থ মোরা নই কভু। অর্থ মোদের দাস
“আবার ফিরে আসবে” সাংবাদিক আল্ আমিন শাহেদ

“আবার ফিরে আসবে” সাংবাদিক আল্ আমিন শাহেদ

আমার ভালোবাসার পূর্ণতা দিতে,, ফিরে এসো তুমি ।। আমার আবেগের মর্য়াদা দিতে,, ফিরে এসো তুমি ।। আমার হৃদয় গহীনে ব্যথিত শব্দকে মুছে দিতে,, ফিরে এসো তুমি ।। আমার না বলা কথা গুলোকে শুনার জন্য জন্যই,, ফিরে এসো তুমি ।। আমার তপ্ত হৃদয়ে শীতল করতে ফিরে এসো তুমি।। আমি যানি ফিরে আসবে তুমি সে দিন হয়ত আমার করার কিছু থাকবে না।।
“প্রেয়সী” আজিম উল্যাহ হানিফ

“প্রেয়সী” আজিম উল্যাহ হানিফ

পাশে ঘুমানো প্রেয়সীর নাক ডাকানো রাত, যতই হোক কর্কশ আর বিরক্তিকর কানে দিই না হাত। যেমনই হোক এমন আওয়াজ মধুরই লাগছে, শুনতে শুনতে কখন যে ফজরের ধ্বণি চারদিকে শুনা যাচ্ছে! মনে হয় এমন আওয়াজের অপেক্ষায় ছিলাম এতদিন, একা নয় দুইজন মানুষ একসাথে ঘুমানোর বাসনা কতদিন! মন দিয়ে শুনি প্রেয়সীর নাকের আওয়াজখানি, দরজা- জানালা বন্ধ করে দিই যদি কেউ আমার মত উপভোগ করে জানি! নাক ডাকা ভোরে কাতরকন্ঠে বলি আরেকটু ঘুমাই, প্রেয়সী বলে কেন তুমি সারারাত ঘুমাওনাই? আমি তো বলিনি তোমার নাক ডাকায় একটুও হয়নি ঘুম, সারারাত জেগে থেকে ছিলাম নিশ্চুপ!
“শ্রমিক” শরীফ উদ্দীন ভূঁইয়া

“শ্রমিক” শরীফ উদ্দীন ভূঁইয়া

তোমার কথা বিশ্ব জানে সবাই জানে ঠিক, তোমাকে যে হেলায় রাখে তাদের জানাই ধিক। কষ্টকাতর দিন চলে যায় মাসের পরে মাস, তোমার হাতে উপছে পড়ে ফুল-ফসলের চাষ। তোমার জীবন সুখের ধারায় চলুক অনিঃশেষ, তোমার মুখে হাসির ঝিলিক দেখুক সারাদেশ। তোমার ঘামে বিশ্ব কাঁদে কত বিবেকবান, তুমি ন্যায়ের মূর্ত প্রতীক বিধাতারই দান
“পবিত্র শবে বরাত” মোঃ তাজুল ইসলাম

“পবিত্র শবে বরাত” মোঃ তাজুল ইসলাম

আছ কি কেউ ক্ষমাপ্রার্থী? যাকে আমি ক্ষমা করবো। আছ কি কেউ রিজিকপ্রার্থী? যাকে আমি রিজিক দেবো। আছ কি কেউ বিপদগ্রস্থ? যাকে আমি মুক্ত করবো। প্রকাশ করেছি নূরের তাজাল্লি, পৃথিবীর আসমানের কাছাকাছি, রহমতের দরজা খুলে আছি, ফজর পর্যন্ত বিলি করি। আজকেই সেই ভাগ্যরজনী, শবে বরাত বাজেট রজনী। ডাকদেন আল্লাহ কত দরদী, ইবাদতে কাটাও এই রজনী। মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ক্ষমা পাবেনা এই রজনী। মোঃ তাজুল ইসলাম সহকারী প্রধান শিক্ষক ময়ূরা উচ্চ বিদ্যালয় নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা। মোবাইলঃ ০১৮৪৩২০৯৬৩০
এলো রে এলো পবিত্র শবেবরাত “রবিউল হোসাইন রাজু”

এলো রে এলো পবিত্র শবেবরাত “রবিউল হোসাইন রাজু”

এলো রে এলো শবেবরাত ভাগ্য রজনীর রাত। নফল নামাজ কুরআন তেলোয়াত করবো যে সারারাত, এলো রে এলো পবিত্র শবে-বরাত। দুই হাত তুলে প্রভূর কাছে করবো মোনাজাত, চাইবো ক্ষমা যত গুনাহ করেছি দিন রাত। বরকতের রাত, রিজিকের রাত, গুনাহ মাফ চাওয়ার রাত, হাজার রাতের শ্রেষ্ঠ রাত এলো রে এলো শবেবরাত। পড়বো নামাজ, পড়বো কুরআন, থাকবো রোজা দিনে, রাত্রী যখন গভীর হবে কাঁদবো দু-চোখ ভরে। তাসবীহ হাতে জায়নামাজে জিকির করবো মনে প্রাণে, যত কিছু বলার আছে বলবো সবাই প্রভূর কাছে। রব যে মোদের সবার প্রিয়, তিনি হলেন অদ্বিতীয়।
“প্রকৃতি-প্রেম” – ফয়সাল আমির

“প্রকৃতি-প্রেম” – ফয়সাল আমির

"প্রকৃতি-প্রেম" - ফয়সাল আমির ভাল লাগে না, কেন জানিনা, মন ছুটে যায় দূর নীলিমায়। সাগর দ্বারে নদীর তীরে মন শুধু ছুটে ফিরে। বাদল হাওয়া করে যে ধাওয়া হবে কি শেষে মনের পাওয়া। দুখের স্মৃতির হবে যে ইতি প্রকৃতি প্রেমে মোর হবে খ্যাতি। বাঁধন চিড়ে যাবো যে দূরে আর আসিবনা নীড়ে ফিরে। কোকিল কুহু ডাকের সুধা মনন আমার হয় যে ফিদা। নদীর স্রোতে ধানের খেতে বর্ষার বারিধারায় পিছু যেতে মনের মাঝে আসে প্রেরণা কিছুতেই তা ভুলা যায়ননা। শহুরে জীবনের বেধনাদায়ক ছলনা থেকে প্রকৃতিই হোক আমাদের একমাত্র প্রেরণা। যদি না থাকত এত পিছুটান আর ব্যস্ততার গ্লানি, তবে মোরাও গাইতে পারতাম সাম্য আর মানবতার বানী।
“মায়াবিনী” মোঃ আল-নোমান

“মায়াবিনী” মোঃ আল-নোমান

মায়াবিনী মোঃ আল-নোমান ভালবাস'বো তোরে, আমি যুগ যুগ ধরে। ছাড়বো না তোর হাত আসুক যতই অপবাদ। রাখবো ধরে তোরে আমার এই হৃদয়ের ঘরে; যদি দিস হাতটি বাড়িয়ে যাবো তোর ভালোবাসায় হারিয়ে। তুই আয়, আমার কাছে আয়! তোকে নিয়ে হারিয়ে যাবো দূর অজানায়। সত্যি করে বলছি আমি তোকে বাসি ভালো; তুই ছাড়া যে এই হৃদয়ে নেই যে কোন আলো!
“ধ্যান” আল্ আমিন শাহেদ

“ধ্যান” আল্ আমিন শাহেদ

আত্ম দর্শণের নামই হল ধ্যান।নিজেকে চেনা,নিজের ভেতরের শক্তিকে সাধনার মাধ্যমে বোঝার যে প্রয়াস তাকেই বলে ধ্যান। যাকে বৌদ্ধরা বলে ভাবনা,পুরাণ বলে তপস্যা, ইসলাম বলে তাফাক্কুর। ধ্যান করার জন্য তিনটি বিষয়ের প্রয়োজন হয়। ১)যিনি ধ্যান করবেন ধ্যানী ২)যার বিষয়ে ধ্যান করবেন বা ধ্যেয় ৩)যা করবেন অর্থাৎ ধ্যান। ধ্যানের বিষয়কে দুটি ভাগে ভাগ করে তা করতে হবে:- ক)বাস্তবিক খ)অলৌকিক ধরুন একটি বিন্দুকে নিয়ে ধ্যান শুরু করেছেন এটা বাস্তবিক আর যখন ভাবতে ভাবতে মহাসিন্দুর সন্ধান পেয়েছেন তখনই তা অলৌকিক। বর্তমানে বিভিন্নভাবে মেডিটেশনের ক্লাশ আমরা দেখে থাকি সিলভা মেথড,আর্ট অফ লিভিং,যোগাসন,প্রাণায়াম এরা মনকে স্থীর এবং পজিটিভ করে থাকে। তাদের অবস্থান কিন্তু ওখানেই শেষ উর্ধস্তরের জ্ঞান ওখানে নেই। মুক্তির ব্যাবস্থা ওখানে নেই।যে ধর্মীয় ধারণাটা নিয়ে আপনি ধ্যান শুরু করবেন তা সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখেন ধর্মীয় গুরু বা আত্মজ্ঞানী মূ
“কেউ প্রানের বন্ধুকে বলোনা বিদায়” —–Faysal Amir

“কেউ প্রানের বন্ধুকে বলোনা বিদায়” —–Faysal Amir

"কেউ প্রানের বন্ধুকে বলোনা বিদায়" -----Faysal Amir বসে আছ তুমি চুল সম দূরে হারিয়ে ফেলেছি তোমায় অচিনপুরে। নিজ থেকে ছাড়িয়ে দিয়েছি তোমায়, তবু কেন আজ এত লাগে অসহায়। এত কাছে পেয়েও তাকাতে পারিনি চক্ষু মেলিয়া, কাঁদিতে চেয়েও কাঁদিতে পারিনি অশ্রু ফেলিয়া। দেখেও তোমায় না দেখার করি অভিনয়, চির শক্ত বাঁধন ছিড়ে হল অভিমানের জয়। কত অজানা পথ পাড়ি দিয়েছি দুজনে একসাথে, কত সুখে-দুখের সঙ্গি ছিলাম মধুর অতীতে। আজ জীবনের অবসরে পড়ছে তোমায় মনে, অভিমানের জেদে দুপথে চলছি দুজনে। কত দুখ পেয়েছি তাই ভুলেছি তোমায় কতবার, তবু অতীত থেকে মিষ্টি সুর ভেসে আসে বারবার। যত দূরে যাই,তোমায় তত কাছে পাই, ঘুম ভাঙ্গা রাতগুলোতে অতীত স্মৃতিতে হারাই। দোষ তোমায় আমি দিব না কোন দিন, নিজের ভুলের শাস্তি পাচ্ছি নিজেই, হয়ে উদাসীন। আমার কাব্যখানা, হয়ত তোমার কাছে যাবে না। তবে পৃথিবীবাসীকে জানাতে চাই,কোন বন্ধু যেন প্রানের বন্ধুকে বলোনা বিদায়।
“মে’রাজ” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

“মে’রাজ” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

মে'রাজ সাব্বির আহমেদ সোহাগ আর'শ থেকে দূত আসিলো নিমন্ত্রণ্য নিয়ে, করবে দিদার প্রিয় রাসুল মে'রাজ এতে গিয়ে। গভীর নিদ্রায় ছিলেন রাসুল উম্মে হানীর ঘরে, স্বর্গীয় দূত বোরাক নিয়ে এলেন তাহার তরে। হারাম থেকে আকসাতে ছাড়লো বোরাক গতি, সেথায় গিয়ে করলেন রাসুল নামাজের ইমামতি। এর পর--------- উর্ধ্বলোকে রাসুল যখন বোরাকেরী কোলে, আগমনে আর'শ কুরসি আনন্দ'তে দোলে। আসমানেরী প্রবেশদ্বারে রাসুল গমন করলেন যবি, স্বর্গ-নরক লওহ কলম দেখা হলো সবি। সিদরাতুল মুনতাহায় গিয়ে খেলা হলো শুরু, রহুল-আমিন বোরাক'সহ ভয়ে কাঁপে ভীরু। এগিয়ে গেলেন একাই রাসুল আর'শেরী পানে, সকল পর্দা খুলেন প্রভু বন্ধুর আলিঙ্গনে। শুরু হলো প্রেম আলাপ দুই বন্ধুরই মাঝে, ২৭বছর পার হইলো একটি রাতের সাঁজে। কহিলেন রাসুল--------- আরজি আমার ওগো প্রভু তোমার দরবারে, উম্মত আমার তোমার দিদার পাইবো কেমন? কহিল
“বোরকা পরা মেয়েটি” সাদিয়া জাহান ঝুমু

“বোরকা পরা মেয়েটি” সাদিয়া জাহান ঝুমু

বোরকা পরা মেয়েটি সাদিয়া জাহান ঝুমু বোরকা পরা সেই মেয়েটি ভার্সিটিতে পড়ে, সকাল সন্ধ্যা মন ভরে যায় তিলাওয়াতের সুরে। কয় না কথা কারো সাথে চুপটি করে থাকে, লাগলে কিছু বলেন ডেকে জনম দুঃখী মাকে। আবৃত তার বদনখানি নীল চশমা চোখে, সাজ সজ্জা করে না সেই, সাদা মাঠা মুখে। অধ্যাপকরা মেয়ের মতো করে স্নেহ দান, সাথীরা সব বোনের মতো দেখায় সম্মান। নত শিরে পথে ঘাটে করে চলাচল, যেতে চায়না লোকালয়ে কোন কোলাহল। বখাটেরা দেখলে তাকে পিছু ফিরে চায়, আবেগী হইয়া তারা সালাম ও জানায়!