শুক্রবার, আগস্ট ১৭

শিল্প-সাহিত্য

“১৫ ই আগস্ট” সাজেদুর আবেদিন শান্ত

“১৫ ই আগস্ট” সাজেদুর আবেদিন শান্ত

১৫ আগস্ট মনে করিয়ে দেয় শেখ রাসেল এর মুখ ১৫ আগস্ট বিষাদময় কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে বুক। ১৫ আগস্ট চশমার কালো ফ্রেমে রক্ত মাখা মহানায়ক এর মুখ ১৫ আগস্ট ভয়ংকর অধ্যায় ভয়ে কেঁপে উঠে বুক। ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সারি রক্ত মাখা লাশে ছেয়ে গেছে জাতিরপিতার বাড়ি। নিথর পিতার নিথর দেহ থেমে গেছে মহারথ ঘাতক ভেবেছিল এবার বুঝি হবে বাংলা বধ। কিন্তু তারা ভাবে নি যে বাংলার প্রতি কোণে মুজিব নামের বাংলার স্রস্টা আছে বাংগালিদের প্রানে।
“বঙ্গনেতা” শারমিন ইতি

“বঙ্গনেতা” শারমিন ইতি

জম্মদিনেও মৃত্যু ঘটে এ নয় নতুন কিছু তবে কেন ছাড়িস না ভাই একে অন্যের পিছু? কারো দরজায় বিয়ের গাড়ি কালো লাশের খাট কেউ গাইবে আনন্দ গীত কেউ বা চিতা পাঠ। ব্ঙ্গনেতা জাতির জন্য ছিলেন পু্ুরুষ সেরা আসেনি কেউ তার পরেতে সে আদর্শে ঘেরা। কাঙালিদের করলো বাঙাল বঙ্গনেতার বলে মনের জোরে জেতার মোহে টানলো সবকে দলে। জিতলো নেতা জিতলো কাঙাল স্বাধীন হলো দেশ বঙ্গনেতার প্রানের দামে রক্ত বাংলাদেশ। নেতার পরে যারাই এলো নেতাতূল্য নয় নেতার নামে মিথ্যে খামে করছে জাতির ক্রয়। হরেক রকম নেতা নেত্রী বঙ্গনেতার দেশে জম্মাবে না কেউ কখনো বঙ্গনেতার বেশে। মৃত্যু নিয়ে নয় উপহাস প্রার্থনা হোক ভালো জম্মে যারা এই দিনেতে ছড়াক নেতার আলো। কাঁদো কাঁদো বললেই কি আর আসে চোখে পানি কান্না সে তো ভেতর থেকেই আসে বলে জানি। ভন্ড নেতার লোক দেখানো কান্না না হোক শোকের শ্রেষ্ট নেতার শূন্যস্থানে বিবেক জাগুক লোকের। ১৫ই আগস্ট ২০১৮ইং নাঙ্গলকোট কুমি
“স্বপ্নের মৃত্যু” আফজাল হোসাইন মিয়াজী

“স্বপ্নের মৃত্যু” আফজাল হোসাইন মিয়াজী

নিশি থমথম, স্তব্ধ নিঝুম আঁখি কোণে নেই ঘুম, চারিদিক সুনসান নিস্তব্ধতা হৃদ মাঝারের স্বপ্ন ব্যকুলতা, তিমিরের নির্জন নিরবতা স্বপ্নচারীর রাত জাগানিয়া, আশাদ্বীপ নিভু নিভু জ্বলিয়া জীবন প্রদীপ আসে ফুরিয়া। স্বপ্নরা এলোমেলো সাঁতরায়, লক্ষ্যপানে তব নেই ধায়; চতুষ্কোণে বিচরণ করে যায়, অবসাদে ক্লান্ত কাতরায়। প্রত্যাশা প্রাপ্তির শূন্যতায় আর্তনাদ করে তব যন্ত্রণায় পরিশেষে শ্রান্ত স্বপ্নসাধ অকালেই মরে যায়। রচনা সময়কালঃ ১৩-০৮-২০১৮ ইং রাতঃ ৩: ৪৫ মিনিট।
“উন্মাদ” আফজাল হোসাইন মিয়াজী

“উন্মাদ” আফজাল হোসাইন মিয়াজী

নগরের অলিগলি রাস্তায় উন্মাদ দিগ্বিদিক ঝাপটায়, চিত্তের যতসব হাহাকার কেবা বুঝে হয়ে বেকারার। কখনো কি এসেছে ভাবনায় পথধারে কত ফুল ফুটে হায়! সব ফুলে মালা কি গাঁথা যায়? তোমরা কি বলতে পার তায়। স্বপ্নটা বিলক্ষণে ছিল তার, ভেঙেচুরে হয়ে গেল একাকার; আঘাতটা বড্ড যে গুরুতর, ক্ষণে সব করে দিল চুরমার। এভাবেই সব ছেড়ে উম্মাদ সরণিতে পড়ে থাকে সব সাধ; জীবনটা ধুকে্ ধুকে্ নিভে যায় কারো বা কি আসে যায়! স্রষ্টার লীলাখেলা চলে হায় ভালোরাও উন্মাদ বনে যায় ; তুমি কি তা ভাবো হায়? বিধাতা দৃষ্টান্ত দিতে চায়।
“একাকীত্ব পথ” মারিয়া রহমান

“একাকীত্ব পথ” মারিয়া রহমান

"একাকীত্ব পথ" মারিয়া রহমান মন চায় হারিয়ে যাই গভীর কোন একাকীত্বের পথে, যেখানে অপলক চাহনীতে গল্প বলে যাব অজানা পথিকের সাথে। সেই শুধু শুনে থাকবে আমার মনের অগোচরে যত না বলা কথা, আর কমল স্পর্শে হাত রেখে হাতে বলবে বিরক্ত হচ্ছি না আমি শোনাও তুমি তোমার যত না বলা ব্যথা। আসুক যতই প্লাবন যাব না ছেড়ে তোমার এই বাঁধন আমি নেই কোন জনভীড়ের মাঝে, যেখানে তোমাকে রেখে হারিয়ে যাব আমি একাকীত্বের আসরে। একটুখানি ভ্রান্তির পথে চলে গেলে শাসন করবে মোরে যেও না তুমি ঐ শর্বরীর ধারে, যেকিনা আঁধারে ভুলে যায় ছায়া সে কি থাকবে তোমার সাথে একাকীত্বের সারাবেলা।
” তুমি যদি চাও” হিমেল আহমেদ

” তুমি যদি চাও” হিমেল আহমেদ

তুমি যদি চাও প্রতিটি সময় থাকবো তোমার পাশে, যদি তুমি চাও বারান্দায় দোল খাওয়াবো একটু মিষ্টি হেসে। তুমি যদি চাও কাগজের নৌকায় ভাসবো নীল নদে, যদি তুমি চাও কাগজের বিমানে উঠবো হিমালয়ের শৃজ্ঞে। তুমি যদি চাও ডেকে আনবো খেয়া ঘাটের মাঝি, দুজনে মিলে ঘুরবো আর করবো হাসাহাসি। তুমি যদি চাও গ্রীষ্মের তাপে ফেটে যাওয়া মাঠে দাড়িয়ে থাকবো খালি পায়, যদি তুমি চাও বর্ষার বিজলি চমকানো আকাশের নিচে বসে থাকবো উদম গায়। তুমি যদি চাও শরতের আকাশে দেখবো মেঘেদের ছুটা ছুটি, যদি তুমি চাও শীতের কনকনে বায়ুতে থাকবো দাড়িয়ে একাকী। তুমি যদি চাও তোমায় নিয়ে দিনের বেলায় স্বপ্ন দেখবো, যদি তুমি চাও তোমার স্বপ্নের রূপকার আমি হবো। তুমি যদি চাও এভাবে কাছে থাকবো তোমায় ভালবেসে, যদি তুমি চাও দূরে চলে যেতে,চলে যাবো আমি একটু মিষ্টি হেসে।
“ওগো অপরিচিতা” — ফয়সাল আমির

“ওগো অপরিচিতা” — ফয়সাল আমির

চোখে ভাল লাগে যারে, তারে দেখবো পথের দ্বারে.... আঁকাবাঁকা পথটি ধরে হেটে যায় সে মনের ঘরে, তার মুখের মিষ্টি হাসি বড্ড ভালবাসিরে।। তার চোখের টানে কথার বানে....... ঝর্ণা ঝড়ে তুমুল বেগে, তার চিরল দাঁতের হাসিতে মম পুষ্প ফোটে মনের বাগে। তার মুক্ত সদৃশ বদন থেকে বিজলী ছড়ায় চোখের তারায়, তার দীঘল কালো চুলের মাঝে হারিয়ে যেতে মন উতলায়। তার মুখের ধ্বনি আমার কানে বাজায় সুখের বাঁশি, ‌তার নাচের তালে তালেতে বলবো ভালবাসি।
“কোন বিধানে আছে লিখা” (আল্ আমিন শাহেদ)

“কোন বিধানে আছে লিখা” (আল্ আমিন শাহেদ)

কোন বিধানে আছে লিখা আমায় ছেড়ে যাবে চলে।। আমায় ছেড়ে তাকে তুমি বুকে নিবে কোন বিধানে আছে লিখা- আমায় ছেড়ে যাবে চলে।। ১০৮৭ দিন নিয়ে বুকে এক বার যদি খোজতি মোরে-- ১ দিনে তুই পড় করলি আমায় ছেড়ে চলে গেলি-- কোন বিধানে আছে লিখা আমায় ছেড়ে যাবে চলে।।
“পড়ন্ত বিকেল”  মারিয়া রহমান

“পড়ন্ত বিকেল” মারিয়া রহমান

"পড়ন্ত বিকেল" মারিয়া রহমান কোন এক পড়ন্ত গোধূলীতে ভাবছি বসে একাকি আনমনে, প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যে যেন মিশে আছো তুমি। নদীর প্রতিটি তরঙ্গ বলছে অবিরত তোমার স্মৃতিরকথা! দীপ্তিময় সূর্যটা রত্তিম আভায় ঝলমল করছে অবনীর তরে!! মাঝিরা নাও নিয়ে এল কিনারে পক্ষীকূলেরা আহার শেষে ফিরছে সবার আপন আলয়ে,, রজনী প্রস্তুত হয়ে আছে একরাশি তারা নিয়ে। হঠাৎ কে যেন ডাকছে বাহুদ্বয় বাড়িয়ে, ওগো এসো তুমি নিবাসে, তমস্র যে আসছে ঘনিয়ে। পিছু ফিরে আঁখি মেলে দেখি, আজও এই পড়ন্ত বিকেলে রয়ে গেলে তুমি কল্পলোকের আড়ালে।
“সুখের চাদর” শারমিন ইতি

“সুখের চাদর” শারমিন ইতি

অন্ধকারের আকাশ ভেদে জানালায় গ্লাস ছুঁয়েছিলো কলংকিত চাঁদের পূর্নিমা মাখা জোছনারা সেদিন মহামিলনের নেশায় তখন মত্ত ছিলো দুই জোড়া চোখের কিছু নিরব চাহনী যেখানে লিখা আছে অসীমের পানে হারিয়ে যাওয়ার কবিতার শব্দকথা। তোমার বুকে মাথা রেখে শুঁকে নিয়েছি তোমার অন্তরাত্নার ঘ্রান সমুদ্রের তেড়ে আসা স্রোতের তালে আমার ভয়ানক দৃষ্টিকে থামিয়ে দিয়ে তোমার সমস্ত শক্তির প্রয়োগে আমায় জড়িয়ে নিলে আলিঙ্গনে আর আমি! আমি তো তোমার বাহুডোরে নিজের অস্তিস্তের সন্ধ্যান পেয়ে লবণাক্ত ঢেউয়ের স্রোতে ভাসিয়ে দিলাম আমার সকল দুর্বলতা গড়াগড়ি খেতে লাগলো আমাদের ভালোবাসা ভেসে আসা চোরাবালিতে মিশে গেলো কিছু মুহুর্ত সমুদ্রের তলদেশে। মনের অজান্তেই পৌঁছে গেলাম গভীর থেকে অতল গভীরে পড়ন্ত সূর্যের ছায়া এসে পড়লো যখন সাগর মুখে তখন তুমি প্রেম চাদরে জড়ালে তোমার শূন্য বুকে। তোমার হাতে হাত রেখে ঠোঁটের কোণে রেখে ঠোঁট শিশিরভেঝা স্নিগ্ধ ঘাস ফড়িংয়ের ন্
“হে প্রিয়তমা” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

“হে প্রিয়তমা” সাব্বির আহমেদ সোহাগ

একবার দেখিলে তোমায় আঁখি না জুড়ায়, বার বার দেখিতে প্রাণ চায়! সুন্দরো তুমি ছল ছল আঁখি যেন এক মায়াবী পাখি। হৃদয় কাড়ানো ভিরু দুঠোটে মধু মাখা এক হাসি, ঈর্ষার বসে জ্যোৎস্না বলে আমি একটু আসি। তোমায় দেখে উতলা হৃদয় আজ হয়েছে কবি মনা, ওগো প্রিয় তুমি মোর বাণী শুনি করো না বাঞ্ছনা। হৃদয় দিয়ে হৃদয় নিও গহিনে দিও ঠাই; অম্লাম হলে রবে তুমি হৃদয় আঙ্গিনায়।
“পথ শিশু” এম বদিউল আলম মুন্না

“পথ শিশু” এম বদিউল আলম মুন্না

রাস্তাঘাটে জন্ম আমার রাস্তাঘাটে বাড়ি রাস্তাঘাটে দিতে হবে সারা জীবন পাড়ি। জন্মের পর আঁখি খুলে দেখি ফুটপাতের দৃশ্য সুন্দর এই ধরণীতে পাইনি কারো স্পর্শ। দুখিনী মা কুড়িয়ে কুড়িয়ে বাসি খাবার খেত সেই খাবারের উপার্জিত দুধ আমায় খেতে দিত। বড় হতে হতে দেখলাম নির্মম আজব দুনিয়া যার যত আছে তত চায় আমার অধিকারও নেয় ছিনিয়া। মাঝে মাঝে ক্ষিধের জ্বালায় দু'চোখের পানি ফেলি সবার খাওয়া দেখে দেখে পেটের জ্বালা ভুলি। স্কুল-কলেজ শিক্ষা নিয়ে টেনশন আমার নাই একটু বাসি খাবার পেলে খেয়ে শান্তিতে ঘুমাই। শীতের রাতে কম্বলেতে যখন সবাই ঘুমায় ছালার চটে শীত মানে না কাঁপি ঠান্ডা হাওয়ায়। ঈদের সময় সবাই যখন ছুটে শপিং মলে তখনো আমার অনাহারে ক্ষিধায় পেত জ্বলে।
“প্রেমের আত্নকথা”  আল্ আমিন শাহেদ

“প্রেমের আত্নকথা” আল্ আমিন শাহেদ

আমি পারি নি তোমাকে ধরে রাখতে ধরনিতে।। তুমিই ত চলে গেলা নিঃস্ব করে! আমাকে না বলে বিবাহের পিরিতে বসে গেলে তুমি ভাবলে না একবারও।। মনে কি পড়ে না তোর দুই বাহু ডোরে আলিঙ্গনে রাত্রি নিশিতে, চোখের জলে বলেছিলে ভুলে যেও না কভু যতই দেই তোমায় যন্ত্র না।। কিন্তু আজ বিবাহ লগনে বলা ত দুরের থাক ফোনটা রিসিভ না করার বাহানা।।
“ভালো থেকো” মোঃ আল-নোমান

“ভালো থেকো” মোঃ আল-নোমান

ভালো থেকো মোঃ আল-নোমান ভেঙ্গেছ তুমি গড়েছি আমি, নিজের মত করে। হাসতে শিখেছি কাঁদতে ভুলেছি, তোমার ছলনার তরে। শিখেছি নিজের মত করে চলতে, শিখেছি নিজের মত কথা বলতে। ভুলেছি তোমার দেয়া সব কষ্ট, করেছিলো যত আমাকে পথভ্রষ্ট। তোমায় ভালোবেসে যতই কষ্ট পেয়েছি আমি, তবুও বলবো ভালো থেকো হে তুমি।
“শুধু তোমার জন্য” হিমেল আহমেদ

“শুধু তোমার জন্য” হিমেল আহমেদ

শুধু তোমার জন্য দিনের প্রথম প্রহরের দুই ফোটা শিশির, তোমার জন্য শান্ত সকালের পাখির কিচির মিচির । শুধু তোমার জন্য নরম সকালের এক কাপ চাঁ, তোমার জন্য গায়ের রাস্তায় খালি পায় হাটা। শুধু তুমি হাসলে মুক্তা ঝরে তমি কাদলে ঝরে পরে বৃষ্টি, তুমি যেন সৃষ্টিকর্তার অপরুপ এক সৃষ্টি। শুধু তোমার জন্য পড়ন্ত বিকালে হিমেল হাওয়ার আলতো ছোয়া, তোমার জন্য বৃষ্টির পূর্বে হটাৎ ধমকা হাওয়া । শুধু তোমার জন্য দূর দীগন্তে মিলিয়ে যাওয়া স্বপ্নের হাতছানি, তুমি ছাড়া এই জীবনটা অসম্পূর্ণ শুধু এতটুকুই আমি জানি।
“আমার গ্রাম” এম বদিউল আলম

“আমার গ্রাম” এম বদিউল আলম

কর্ণফূলী নদীর তীরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ঘিরে হাজারো মানুষের মণিকোঠা আমার প্রাণের সরফভাটা। রাংগুনিয়ার দক্ষিণাংশে সরফভাটা ইউনিয়ন সেথায় বসবাস করে কত গুণীজন দশ বর্গমাইল জুড়ে তাহার পরিধি উত্তর-পশ্চিম পাশ দিয়ে বয়ে গেছে নদী। পূর্বে শিলক-পদুয়া পশ্চিমে বেতালী উত্তরে পৌরসভা আর দক্ষিনে বোয়ালখালী। স্কুল-কলেজ মাদ্রাসা আর বিদ্যাপীঠের অভার নাই বাংলাদেশের কৃতি ব্যক্তিত্ব সরফভাটায় খুঁজে পাই। ক্ষেত্রবাজার সরফভাটার প্রধান বাজার সকাল-সন্ধ্যা কেনাকাটার উৎসব-মাতোয়ার যুবক-বৃদ্ধ কৃষকেরা বাজারে আসে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে মিলেমিশে। আউলিয়ার গ্রাম সরফভাটা সবার আছে জানা নেছার উল্লাহ শাহ (রঃ) পূর্ণ করেছে লক্ষ জনের বাসনা। তোমার তরে জন্ম নিয়ে জীবন হল ধন্য সকল গ্রামের সেরা গ্রাম তুমি পরিপূর্ণ।
“বৃষ্টি পড়ে ঝুম ঝুম” – রবিউল হোসাইন রাজু

“বৃষ্টি পড়ে ঝুম ঝুম” – রবিউল হোসাইন রাজু

বৃষ্টি পড়ে ঝুম ঝুম চোখে আমার নেই যে ঘুম। দক্ষিণা বাতাশ শীতল করে হৃদয় টাকে সতেজ রাখে, মনের মাঝে পাল তুলে যায় নতুন দিনের কথা বলে। চোখে আমার নেই যে ঘুম বৃষ্টি পড়ে ঝুম ঝুম। বর্ষার দিনে বৃষ্টি এলে প্রকৃতি সাঝে নতুন সাঝে, ফুটে নানান ফুল সৌরভী উড়ে বেড়ায় প্রজাপতি। মাঝির মুখে হাসি ফুটে নৌকা চলে নদীর বুকে, জেলে ভাই ব্যস্ত সেজে মাছ নিয়ে যায় বাজারে। চোখে আমার নেই যে ঘুম বৃষ্টি পড়ে ঝুম ঝুম।
“সিপাহসালার” ইরফান হোসাইন তানভীর

“সিপাহসালার” ইরফান হোসাইন তানভীর

যেদিক তাকাই সেদিকটাতেই হিংস্র দাবানল সুখ পরিরা উড়াল মারে হারায় তৃষ্ণা জল! সুনীল আকাশ দীর্ঘ নদী বাজায় বিষাদ গান কোন অাড়ালে তপ্ত সেনা গর্জে উঠা প্রাণ! কোন পাখিরা গান বাজিয়ে তিমির ছুঁড়বে দূর জুলুম ঘাতে পাঁজর ভেঙে তুলবে শান্তি সুর! সিপাহসালার কে অাছেরে হাল নিবে এই আজ কে অাছেরে দু'হাত দিয়ে খুলবে প্রলয় তাজ! সুখ পরিরা মুচকি হেঁসে দেখায় পদ্য দুল তুর্কী সেনা রিস্যেফ তায়েফ গর্জে উঠা ফুল! আজ থেকে সে ডাহুক হয়ে হবেন প্রদীপ চাঁদ জুলুম শিখার কবর দিয়ে টুটবে অার্তনাদ! { অভিনন্দন নতুন দিনের রাহবার - তুরস্ক জাতিয় নির্বাচনে ফের বিজয়ি হওয়া প্রেসিডেন্ট রিস্যেফ তায়েফ এরদোয়ান।
“আকাঙ্ক্ষা” – সাজেদুর আবেদিন শান্ত

“আকাঙ্ক্ষা” – সাজেদুর আবেদিন শান্ত

তোমাকে না দেখলে আমি হবো জীবন্ত উম্মাদ, ভুলে যাবো পৃথিবীতে আমি বেচে থাকার স্বাদ। তোমাকে একটু দেখার সুখে, হাজার কষ্ট চেপে রাখতে পারি এই বুকে। তোমার জন্য এনে দিতে পারি আমি সম্রাট শাহজাহানের সেই স্বপ্নের কহিনুর, তোমার জন্য হাটতে পারি একশত হাজার ক্রোশ দূর। তোমার চোখে ঝড়তে দিবোনা কখনো দুঃখের জল, তোমার দুঃখে ব্যাথিত হবো তুমি হবে নির্মল। তুমি যদি চাও তোমার জন্য হাসিমুখে করবো মৃত্যু বরণ তুমি শুধু তোমার সুখের সময় আমার স্মৃতি করো স্মরণ। তোমার জন্য ছাড়তে পাড়ি স্বপ্নের ভূলোক তোমার চোখে বিশ্ব দেখবে আমার এ দু চোখ।
অাত্মবিশ্লেষণ ও আত্মশুদ্ধির মাস রমযান

অাত্মবিশ্লেষণ ও আত্মশুদ্ধির মাস রমযান

মাসুম সরকার অালভী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,কুষ্টিয়া। সংযম,আত্মবিশ্লেষণ ও আত্মশুদ্ধির মহান বারতা নিয়ে মাহে রমযান এলো মুমীন মুসলমানের দারে দারে। সারা বছরের পাপ মোচনের জন্য আল্লাহর কাছে মাগফিরাত কামনা করে ধর্মপ্রাণ মুসলমান। ভুলত্রুটির ও অন্যায়ের জন্য অাল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। আত্ম সংযমের মাস হলেও বর্তমানে আমাদের মাঝে রমযান আসে ভিন্ন অাঙ্গিকে। রমযান শুরু হলেই এদেশের বাজারে ভয়ংকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। রমযানের প্রথমেই একটি শ্লোগান ওঠে সবর্ত্র মজুদদার -মুনাফাখোর-তোলাবাজদের গ্রেফতার কর,দ্রব্যমূল্যের দাম সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখো। কিন্তু আমাদের সমাজের মানুষ ঠিক বিপরীত দিকে ঘোরপাক খাচ্ছে।প্রতিবছর মহড়ার পূনরাবৃত্তি ঘটলেও কোন এক অদৃশ্য শক্তির কাছে পরাজিত হয় সব চেষ্টা। পবিত্র রমযান সামনে রেখে মূল্যবৃদ্ধির খেলা কেবলমাত্র আমাদের দেশেই সম্ভব।মহান অাল্লাহর দরবারে তার এবাদত বন্দেগী দ্বারা তার প
খেলার মাঠে মেলা কেনো

খেলার মাঠে মেলা কেনো

বাসার পাশে বিশাল এক মাঠ। পড়াশোনা শেষ করে বিকেলে ফুটবল,ক্রিকেট আরো কত রকম খেলা করতাম। বন্ধুদের সাথে হতো সে কি মজা! সন্ধ্যা হলে বাসায় এসে আবার পড়তে বসা। কিন্তু এখন আর হয়ে ওঠেনা । মাঠ গুলো আছে ঠিকই আগের মতো বন্ধুরাও আছে । কিন্তু খেলা নেই। পড়াশোনা শেষ করে এখন মানুষের হই হই শব্দ শুনি। সন্ধ্যায় বাসায় এলে পড়তে ভাল লাগে না আগের মতো। মাথা ব্যাথা কেমন যেন অানমনা আমি। মাঠে এখন মেলা। বছরে কতবার যে হয় তার হিসেব কে রাখে। বৈশাখী মেলা, লিচুর মেলা, মাছের মেলা আর কত মেলা। মাঠ এখন আর খেলার জন্য নেই যেন মেলার জন্য করা হয়েছে। ছেলেরা বাসায় বসে ইন্টারনেট,ফেসবুক, ইউটিউবে সময় কাটায়। এর ফলে আমাদের সৃজনশীলতা ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে অপসংস্কৃতির দিকে ধাবিত হচ্ছে তরুণ সমাজ। আবার নতুন করে জঙ্গি? এক কুচক্রী ওতোপেতে আছে কখন আমাদের বিপদগামী করবে। আর মাদকতা একটা অভিশপ্ত নাম । আমাদের মতো হাজারো তরুণ তরুণীকে হাতছানি দিয়ে বে
“ছন্নছাড়া জাতি” ……ফয়সাল আমির

“ছন্নছাড়া জাতি” ……ফয়সাল আমির

আমি হাজার বছর ধরে ছিলাম একটা দেহের তরে, হঠাৎ এক কাল বৈশাখী ঝড় আমাকে করেছে আমার থেকে পর। আজ আমি ছিন্ন ভিন্ন ,জনমানব শূন্য, কাফেরের পদ চ্যাঁটে হয়েছি হন্য। দিকে দিকে মোর আত্মার আত্মিয় ধুকেধুকে খাচ্ছে মার, আমি অতীব আনন্দে ঘরে বসে বসে করছি আহার। স্বজাতির চেতনা ছাড়িয়া , করি আজ আমি অন্যের অভিনয় দিনে দিনে তাই, দুনিয়ার দিকে দিকে হায়, আমার হচ্ছেই পরাজয়। নিজেরে ছাড়িয়া ,সোনালী ঐতিহ্য মাড়িয়া অন্যের কাছে নোয়াই মাথা সর্ব অঙ্গে ব্যাথারে ভাই ঔষধ দিব কোথা? কাশ্মির জ্বলে জ্বলে জ্বলছে সিরিয়া আরাকান, দুনিয়ার রথে রথে মুসলিমরা আজ হচ্ছেই অপমান। কোথায় গেল একতা মোদের কোথায় গেল ঈমান? কোথায় গেল সব বিজয়ী বীর ,কোথায় তার প্রমান? কোথায় আজ খিলাফাত বিশ্ব মুসলমানের? কোথায় গেল ইয়াকিন ঐ মুক্তিকামী প্রাণের?
“আল কোরআনে বিজ্ঞান” —ফয়সাল আমির

“আল কোরআনে বিজ্ঞান” —ফয়সাল আমির

এ কোরআন শুধু একটি কিতাবি নয়, এ কোরাআন শুধু ধর্মীয় গ্রন্থ নয়, এ কোরাআন শুধু ঈশ্বরের বানী নয়, এ কোরআন শুধু বিপদাপদে পড়ার জন্যে নয়। এ কোরআন মানব জাতির সকল সমাধান তাই এ কোরআন শত কোটি মানুষের প্রাণ। এ কারআনে আছে সৌরজগৎ এর স্থিতিশীলতার কথা, এ কোরআনে আছে গ্রহ সমূহের ঘূর্ণায়নের প্রথা। এ করআনে আছে কোথায় দুই উদয়াচল অস্থায়চল, এ সব কথা কোর আন ছাড়া অন্য কোথায় পাবি বল? এ কোরআনে ভ্রুন বিদ্যার বিষদ বিবরণ, যা হাজার বছর থেকে মানুষ করেছে জানার প্রয়োজন। এ কোরআনে আছে বিগ ব্যাং আর কসমোলজির সর্বশ্রেষ্ঠ বানী, এ কোরআনে আছে পানী চক্রে কিভাবে আসে পানি। এ কোরআনে আছে সৃষ্টি জগৎ এর বিষদ বিবরণ বন্ধু তাই তো বলি পড় কোরআন আর কর তার স্মরণ। এ কোরআনে আছে চাঁদের আলো কোথা হতে আসে, বন্ধু তাই তো বলি এসো কোরআনের পাশে। এ কোরআনে আছে মানব জাতির সকল সমাধান এ কোরআন তাই শত কোটি মানুষের প্রাণ। তাই তোল সবে কোর আনের শ্লোগান আর গাও কোরআ
“হয়নি বলা ভালবাসি তোমায়” আল্ আমিন শাহেদ

“হয়নি বলা ভালবাসি তোমায়” আল্ আমিন শাহেদ

আমি বসে বসে ভাবনার রাজ্যে খোঁজে ফিরি তোমায়।। তুমিত ছিলে আমার পার্শ্বে কেন খোঁজে দেখ নি- বল নি ভালবাস আমায়।। একদিন এক দুপুরে তোমার চোখের পানে চোখ রেখে মনে মনে বলেছিলাম ভাল লাগে - ভালবাসেছি তোমায়।।
“রহমতের পয়গাম” —Faysal Amir

“রহমতের পয়গাম” —Faysal Amir

ইদের খুশি আসে রমজানেরই শেষে। নামায কালাম পড়ি সবাই করি মুনাযাত, এই মাসেতে শেষ হয় যত আছে বেদাত। সরল সহজ পথে চলে, সকল মানুষ দলে দলে। খোদার দেওয়া বিধান মানে, মুমিন মুসলিম জানে প্রাণে। কবরের আজাব হয় বন্ধ, মিটে যায় সব বিদ্বেষ দ্বন্ধ। খারাপ মন্দ সব মানুষ হয়ে যায় ভাল, সবার মাঝে জ্বলে ইমানের আলো। মানুষের প্রাণে শয়তানের কুমন্ত্রণা দেয় না আর যন্ত্রণা। জান্নাতি পরিবেশ হয় সৃষ্টি খোদা দেয় ধরাতে রহমতের দৃষ্টি। এই মাসেতে হয় শেষ, যত আছে হিংসা লেশ। খোদা পাঠায় রহমতের দূত, নেক কামাতে সকল মানব পুত। হয় না কোন অন্যায় অবিচার, দিকে দিকে বয়ে যায় রহমতি সুবিচার। হাজার মাসের চেয়ে সেরা যামিনি, রমজানের কদরের রজনী। তাই তো রমজান! গাই তোমার গুণগান।
“আমি খেলোয়াড় হয়েছি” মোঃ আল-নোমান

“আমি খেলোয়াড় হয়েছি” মোঃ আল-নোমান

আমি খেলোয়াড় হয়েছি মোঃ আল-নোমান আমি তোমায় পাইনি, তাই কাউকে আর পেতে চাইনি। আমি তোমায় ধরতে চেয়েছি, কেবল কষ্টই শুধু পেয়েছি। চলে গেছো তুমি আমায় ছেড়ে, প্রাপ্তির খাতায় তাই শূণ্যতা দেখি আজ সবি বেদনার চোখে। এখন সবার মন নিয়ে মাতি আজ আমি চৌকস খেলোয়াড় হয়েছি। হৃদয় বলে আমার নেই এখন কিছু, হারিয়েছি সবই তোমার পিছু। আজ আমি সবার সাথে খেলি, আর মিটমিটে হাসি, আজ কেবল আমি খেলতেই ভালোবাসি! আমি খেলি এখন কেবলই খেলি, আমি খেলোয়াড় হয়ে গেছি।
“নির্বাক জীবন”  মারিয়া রহমান

“নির্বাক জীবন” মারিয়া রহমান

"নির্বাক জীবন" মারিয়া রহমান নির্বাক জীবন কেন তুমি এমন, খুলবে নাকি কভু তব শিকড়ের বাঁধন? হও যদি তুমি নিষ্পাপ ফুল, কেন মানব তোমায় নিয়ে করে এতটা ভুল? কখনো বয়ে চলো নির্মল তরঙ্গের মতো, আবার কখনো শ্রাবনের জলে ঝরো অবিরত। যেই মন হাজারো স্বপ্ন বুনে তোমায় নিয়ে, সেই স্বপ্ন কেন পরিণত হয় কষ্টের আবরনে। নির্বাক জীবন তুমি কী রয়ে যাবে এমন? তোমায় নিয়ে কত কবি লিখেছে ছন্দ-কথা, তবু মিলেনা তোমার নির্বাক জীবনের পাতা।
“বিশ্ব মানবতা” মিয়াজী মোঃ লোকমান এইচ সুলতান

“বিশ্ব মানবতা” মিয়াজী মোঃ লোকমান এইচ সুলতান

আজ কোথায় আমরা বিশ্ব মুসলিম, আজ কোথায় মোদের দ্বীন, সারা বিশ্বে মুসলিম নিধন করছেন ইহুদী। আজ নীরব কেনো মুসলিম বিশ্ব আজ নীরব ওআইসির, নীরবতায় জীবন গেলো বিশ্বের কোটি কোটি মুসলিম। সারা বিশ্বে করলো গঠন জাতীসংঘ' সবাই মিলে গড়ে তুলবে মানবতার বন্ধনন। আজ বিশ্ব মানবতা কুলষিত দেখ জাতীসংঘ, মুসলিম মেরে শেষ করিলো তোমরা কেন অন্ধ। আফগানিস্তান মরছে মুসলিম বলছ তালবান, ইরাক যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়ে মারলা মুসলিম নেতা সাদ্দাম। লিবিয়াকে ধ্বংশ করি দোষ দিলে গাদ্দাফির, সিরিয়ায় মরছে শিশু বলছ আই এস আই। আমার ঘরে লাগলে আগুন জাতীসংঘ পানি দিবা তুমি, পানির বদলে ডিজেল দিয়ে আগুন দিলে বাড়িই। মুসলিম মেরে সাগরে ভাসায় বৌদ্ধ মিয়ানমায়, নীরবতায় থাকছ তুমি নীরবতা রাখছ বিশ্ব মুসলমান!
“আর করিসনা ভন্ডামী” শারমিন ইতি

“আর করিসনা ভন্ডামী” শারমিন ইতি

এলো রোজা কমবে বোঝা আছে যত পাপ রহমতের ভাসবে স্রোতে করলে অনুতাপ স্রষ্টা সদা জেগেই আছেন করবে বলে ক্ষমা বারো মাসই মুক্তি মিলবে নেক করিলে জমা। ১১মাস চলবে কেমন এই মাসে তা শেখা ১মাসের নেক রাখতে পারলে ভন্ডামী সব ভুলে গিয়ে নাজাতের পথ পেয়ে গেলে ডান হাতেতে আমলনামা হবে রে ভাই লেখা। লোক দেখানো নামাজ রোজার নেইতো কোন লাভ সত্যিকারের মুমিন হইও ধরিওনা ভাব।
“মাহে-রমাদান” —-Faysal Amir

“মাহে-রমাদান” —-Faysal Amir

রমজানের ঐ রোজার শেষে আসে ইদের খুশি তাহার মাঝে ফুল কুঁড়াতে ব্যস্ত দিবা নিশি। ধনী গরিব আসে সবাই একই বন্ধনে দান সাদকা করে ধনী গরিব নন্দনে। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সবাই দাঁড়ায় একই সাথে ধনী গরিব ভেদাভেদ শেষ হয় তাতে। আহাজারি রাহাজানি বন্ধ এই মাস থাকে সুখের দরিয়ায় ঢেউ খেলিতে একই সাথে হাকে। রহমতের ফেরেস্তারা ছুটে আসে দুনিয়ায় একই সুরে সবাই যেন আল্লাহু আল্লাহু গায়।