রবিবার, এপ্রিল ২২

স্বাস্থ্য

হঠাৎ বুকে জ্বালা-পোড়া, আছে কি কোন ঘরোয়া উপায়?

হঠাৎ বুকে জ্বালা-পোড়া, আছে কি কোন ঘরোয়া উপায়?

আপনার স্বাস্থ্য ডেস্ক- বুকে জ্বালা-পোড়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। এর সাধারণ লক্ষণগুলো হলো গ্যাস, বমি বমি ভাব, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, মুখে কোন কিছুর স্বাদ না লাগা, পেটে ব্যথা হওয়া ইত্যাদি। তবে প্রায় সময়ই দেখা যায় বেশি ফ্যাটযুক্ত খাবার, ভাজা-পোড়া জাতীয় খাবার ও এসিডযুক্ত খাবার খেলে পেটে ব্যথা বা বুকে জ্বালা-পোড়া ভাব হয়ে থাকে। এই সমস্যা রোধ করতে আছে কিছু ঘরোয়া উপায়- ১. বেকিং সোডা খুব দ্রুত বুকের জ্বালা-পোড়া সমস্যা রোধ করে থাকে। এর প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড উপাদান কয়েক মিনিটের মধ্যেই বুকের জ্বালা-পোড়া সমস্যা দূর করে দেহকে যন্ত্রণা মুক্ত করে। এক গ্লাস পানিতে ১ চামচ বেকিং সোডা নিয়ে মিশিয়ে নিন। তাৎক্ষনিক ভাবে বুকের জ্বালা-পোড়া রোধ করতে এই পানীয়টি পান করুন। আপনি চাইলে এই পানীয়তে সামান্য লেবুর রসও মিশিয়ে নিতে পারেন। ২. পুদিনা পাতা কুচি করে এক কাপ পানিতে ভিজিয়ে রেখে ৩০ মিনিট পর্য
ঘর থেকে মশা তাড়ানোর ৫ উপায়

ঘর থেকে মশা তাড়ানোর ৫ উপায়

  অনলাইন ডেস্কঃ- ঘরে মশা তাড়াতে কত কিছু্ই না করে থাকেন আপনি। মশার স্প্রে, কয়েল ও ফ্যানের বাতাস। কিন্তু আপনার সব চেষ্টাই ব্যর্থ। মশা ঠিকই আপনার পিছু ছাড়ে না। ও সুযোগ পেলেই আপনাকে কামড়াবে। কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে তাড়াবেন ঘরের মশা। ১. নিমপাতা কাঠ-কয়লার আগুনে নিমপাতা পোড়ালে যে ধোঁয়া হবে তা মশা তাড়ানোর জন্য খুবই কার্যকর। তাই সন্ধ্যার আগে ঘরে নিমপাতার ধোঁয়া দিতে পারেন। ২. রসুনের স্প্রে রসুনের স্প্রে মশা তাড়াতে খুবই বেশ কাজ করে। ৫ ভাগ পানিতে ১ ভাগ রসুনের রস মিশিয়ে ঘরে স্প্রে করুণ। এতে করে যে কোনো ধরনের মশা ও রক্ষচোষা আপনার ধারের কাছেও আসবে না। ৩. নারিকেলের আঁশ নারিকেলের আঁশ শুকিয়ে টুকরা করুন। একটি কাঠের পাত্রে রেখে জ্বলন্ত ম্যাচের কাঠি ধরুন। ৫-৬ মিনিটের মধ্যেই মশা দূর হবে। ৪. কেরোসিন তেল কেরোসিন তেল স্প্রে বোতলে নিন। কয়েক টুকরা কর্পূর মেশান। ভালো করে ঝাঁকিয়ে স
কো‌ন ডি‌মে পু‌ষ্টি বে‌শি, সাদা ডি‌মে না‌কি বাদা‌মি ডি‌মে ?

কো‌ন ডি‌মে পু‌ষ্টি বে‌শি, সাদা ডি‌মে না‌কি বাদা‌মি ডি‌মে ?

অনলাইন ডেস্কঃ- ডিম আমাদের সবার প্রাত্যহিক একটি খাবার। যেকোন ধরনের শুকনো খাবার যেমন রুটি, পাস্তা, চিনি- ইত্যাদি এই ধরনের খাবারের বেলায় আমরা মনে করি, সাদা রঙের চেয়ে বাদামি রঙের খাবার বেশি স্বাস্থ্যকর। কিন্তু বাদামি ডিম  নাকি সাদা রঙের ডিম বেশি স্বাস্থ্যকর - তা নিয়ে আমাদের অনেকের অনেক রকম মত আছে। আমরা অনেকেই মনে করে থাকি  সাদা ডিম বেশি স্বাস্থ্যকর। আবার কেউ কেউ ভাবেন বাদামি ডিম বেশি স্বাস্থ্যকর। আসলে সাদা রঙের পালক বা যেসব মুরগির কানের লতি সাদা রংয়ের সাধারণত সেসব মুরগি সাদা ডিম দেয় আর বাদামি রঙের পালক বা যেসব মুরগির কানের লতি বাদামি রংয়ের সেসব মুরগি বাদামি ডিম দেয়। বাজারে বাদামি ডিমের চেয়ে সাদা ডিম বেশি দেখা যায় কারণ সাদা পালকের মুরগির প্রজনন খরচ অনেক কম। আর সাদা মুরগি বাদামি রঙের মুরগির চেয়ে খায়ও কম। তাই সাদা মুরগির উৎপাদন বেশি তাই বাজারে সাদা ডিমও বেশি। আবার অনেকেই ভাব
সজ‌নে পাতার উপকা‌রিতা

সজ‌নে পাতার উপকা‌রিতা

আমাদের আশে পাশে অনেক জিনিস আছে যার গুনাগুণ সম্পর্কে আমাদের তেমন একটা ধারণা নাই। এরই মধ্যে একটি হলো সজনে পাতা। সজনে ডাটার গুনাগুণ সম্পর্কে কম বেশি সবাই জানলেও, সজনে পাতা সম্পর্কে জানেন না অনেকেই। আমরা অনেকেই সজনে খাই সবজি হিসেবে। কিন্তু এখনো অনেকেই জানেন না যে, সজনের সাথে সাথে সজনে পাতাও খাওয়া যায়। সেই এই সজনে পাতার আছে বহু রকমের ব্যবহার। আসুন আজ সজনে পাতার গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক: ১। বার্মিজ চিকিৎসকদের মতে সজনের পাকা পাতার টাটকা রস দু’বেলা খাবাবের ঠিক আগে ২-৩ চা চামচ করে খেলে উচ্চ রক্ত চাপ কমে যায়। তবে ডায়াবেটিস থাকলে তা খাওয়া নিষেধ। ২।সজিনার পাতার গুঁড়োরও বিশেষ গুণাগুণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এতে দুধের চেয়েও বেশি ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম ও জিংক রয়েছে। সজিনা পাতাকে শাক হিসেবে খাওয়া হয়। এতে তাদের শ্রমজনিত ক্লান্তি, শরীরের ব্যথা ইত্যাদি দূর হয়। ৩।সজ
পায়ের গোড়ালির ব্যাথা ও প্রতিকার

পায়ের গোড়ালির ব্যাথা ও প্রতিকার

আল্ আমিন শাহেদঃ যদি পায়ের গোড়ালির ব্যাথার কারণে আপনাকে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে হয় বা সকালে বিছানা থেকে কয়েক কদম পা ফেলতে গিয়েই যদি পায়ের তলায় ব্যাথা অনুভব করেন তাহলে বুঝতে হবে যে আপনার প্ল্যানটার ফেসাইটিস হয়েছে। আমাদের পায়ের তলায় যে কানেক্টিভ টিস্যু থাকে তাকে প্ল্যানটার ফেসিয়া বলে। এই প্ল্যানটার ফেসিয়া নামক সংযোগকারী কলার ইনফ্লামেশন বা প্রদাহের জন্যই প্ল্যানটার ফেসাইটিস বা পায়ের গোড়ালির ব্যাথা হয়। এটা মারাত্মক কোন সমস্যা না। তবে এটা অনেক বেশি পীড়া দায়ক একটি সমস্যা। কিন্তু সুখবর হচ্ছে- এই সমস্যা প্রতিরোধের সহজ কিছু উপায় আছে।আসুন আমরা জেনে নেই যন্ত্রণাদায়ক সমস্যাটির আরো কিছু কারণ ও এর প্রতিকার সম্পর্কে। কেনো হয় প্ল্যানটার ফেসাইটিস ? হাফিংটন পোষ্টকে ডাইনামিক ফিজিক্যাল হেলথ এর কাইরো প্র্যাকটিস ফিজিসিয়ান ডাক্তার এরিক করজেন বলেন, “বিভিন্ন কারণে প্ল্যানটার ফেসাইটিস হতে পারে।“ করজেন
কফ ও খোসপাঁচড়া দূর করে নিমপাতা!

কফ ও খোসপাঁচড়া দূর করে নিমপাতা!

অনলাইন ডেস্কঃ- ভেষজ উদ্ভিদের নামের তালিকায় সবসময় নিমপাতা শীর্ষে থাকে। অনেকে বলে থাকেন সর্বরোগের ঔষধ হল এই নিমপাতা। শতশত বছর ধরে আয়ুর্বেদিক ঐতিহ্যে নিমপাতার হরেক রকমের ব্যবহার হয়ে আসছে। নিমপাতার বিভিন্ন ধরণের কার্যকারিতা নিম্নে আলোচনা করা হলো: ১। কফজনিত বুকের ব্যথা: অনেক সময় বুকে কফ জমে বুক ব্যথা করে। এ জন্য ৩০ ফোঁটা নিমপাতার রস সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে দিনে ৩-৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। গর্ভবতী, শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এ ওষুধটি নিষেধ। ২। কৃমি : পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। চেহারা ফ্যাকাসে হয়ে যায়। এ জন্য ৫০ মিলিগ্রাম নিমগাছের মূলের ছালের গুঁড়ো দিনে তিনবার সামান্য গরম পানিসহ খেতে হবে। ৩। উকুন নাশ : নিমের পাতা বেটে হালকা করে মাথায় লাগান। ঘণ্টাখানেক পর মাথা ধুয়ে ফেলুন। ২-৩ দিন এভাবে লাগালে উকুন নাশ হবে বা মরে যাবে। ৪। অজীর্ণ : অনেক দিন ধরে পেটের অসুখ। পাতলা পায়খান
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ও কোষ্ঠকাঠিন্য উপশমে মুলা

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ও কোষ্ঠকাঠিন্য উপশমে মুলা

অনলাইন ডেস্কঃ- শীতকাল মানেই সবজির মেলা। ফুলকপি, বাঁধাকপির সঙ্গে বাজারে জমিয়ে বসেছে মুলাও। অনেকেই গ্যাসের ভয়ে অনেকেই মুলাকে এড়িয়ে চলেন। কিন্তু জানেন কি, এই মুলার রয়েছে অসাধারণ গুণাগুণ। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে মুলার গুণ সম্পর্কে অল্প বিস্তর আলোচনা- ১। মুলা খেলে দূর হয় কোষ্ঠকাঠিন্য। ফলে দূরে থাকে পাইলস। ২। ওজন কমাতে সাহায্য করে মুলা। কেননা মুলা খেলে সহজেই পেট ভরে। ফলে শরীরের মেটাবলিজম যেমন বাড়ে, তেমনই কমে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা। ৩। মুলায় রয়েছে পটাশিয়াম। পটাশিয়াম রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ৪। মুলা খেলে শরীরে মূত্র উৎপাদন বে়ড়ে যায়। মূত্রের সঙ্গে শরীরের টক্সিন বেরিয়ে যায়। ফলে ইউরিনারি ট্র্যাকে জ্বালা কমায়। ৫। পোকার কামড়েও ভাল কাজ দেয় মুলা। কামড়ের জায়গায় মুলার রস লাগালে ফোলা কমে। ব্যথারও নিরাময় হয়। ৬। জন্ডিসের চিকিৎসাতেও কাজে আসে মুলা। জন্ডিসে বিলিরুবিন বেড়ে যা
বৃদ্ধ বয়সে বাগান করা স্বাস্থ্যকর

বৃদ্ধ বয়সে বাগান করা স্বাস্থ্যকর

সিএন নিউজ লাইফস্টাইল ডেস্কঃ– এক গবেষণায় দেখা যায়, যেসকল বৃদ্ধা প্রতিদিন তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন গৃহস্থালি কাজ এবং রাতে সাত ঘণ্টারও কম বা বেশি সময় ঘুমান, তাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকার সম্ভাবনা কম। তবে একই কাজ একজন বৃদ্ধের উপর এই প্রভাব ফেলে না। ডেইলি মেইল গবেষণাটির বরতা দিয়ে জানায়, “এর কারণ হল একজন বৃদ্ধা বেশিরভাগ সময় পার করেন একই ধরনের কাজ করে। অপরদিকে বাগান পরিচর্যা ও গৃহস্থালি রক্ষণাবেক্ষণের কাজে ব্যস্ত থাকা একজন বৃদ্ধ বিভিন্ন ধরনের কাজ করেন, যা মানসিকভাবে উদ্দীপক।” জার্মানির ‘লাইবনিৎজ ইনস্টিটিউট ফর প্রিভেনশন রিসার্চ অ্যান্ড এপিডেমিওলজি’ নামক গবেষণা কেন্দ্রের গবেষক নিকোলাস আদ্জেই বলেন, “লিঙ্গ ভেদে সুস্বাস্থ্যের বিষয়টা নির্ভর করে কোন লিঙ্গের মানুষ কী কাজ করছেন তার উপর। একজন নারীর একই কাজ করতে হয় প্রতিনিয়ত- যেমন রান্না করা, ঘর পরিষ্কার করা ইত্যাদি। যার কোনো স্বাস্থ্যগ
পা ক্রস করে বসার অপকারিতা

পা ক্রস করে বসার অপকারিতা

সিএন নিউজ স্বাস্থ্য ডেস্কঃ-- পা ক্রস করে বসার ভঙ্গিমা অনেকের কাছে খুবই আরামদায়ক। তাই যতই আরামদায়ক হোক না কেন এভাবে বসার অভ্যাস ডেকে আনতে পারে নানাবিধ শারীরিক সমস্যা। অনেকক্ষণ ধরে পা ক্রস করে বসে থাকলে শরীরের রক্তচাপ বেড়ে যায়। তবে এ ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপ হবার সম্ভাবনা হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের বেশি হয়। কোনো এক ভঙ্গিমায় অনেকক্ষণ ধরে বসে থাকলে স্নায়ুর প্যারালাইসিস বা নার্ভ পলসি হতে পারে। আর এ সমস্যা বেশি প্রকট হতে পারে পা ক্রস করে দীর্ঘ সময় বসে থাকলে। অনেক সময় শিরায় চাপ পড়ে ভেরিকোস ভেইন বা স্পাইডার ভেইনের সমস্যা হতে পারে। পা বেশিক্ষণ ক্রস থাকলে উরুর ভিতরের দিকের পেশি ছোট থাকে এবং বাইরের দিকে পেশি টানটান হয়ে থাকে। ফলে উরুর মাংসে স্পাসম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। প্রতি দিন ৩ ঘণ্টার বেশি সময় পা ক্রস করে বসলে কোমর, ঘাড়, নিতম্বের হাড়ে ব্যথা হতে পারে- যা থেকে ধীরে ধীরে কুঁজো হয়ে যাওয়ার সমস্যা
ক্যান্সার সচেতনতায় ইবি ‘ক্যাপ’র উঠান বৈঠক

ক্যান্সার সচেতনতায় ইবি ‘ক্যাপ’র উঠান বৈঠক

সিএন নিউজ ই.বি. প্রতিনিধি, এম.এইচ. কবিরঃ-- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) এর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “ক্যাপ” ( ক্যান্সার অ্যাওয়ারনেস গ্রোগরাম ফর উইমেন) এর উদ্দ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ্ববর্তী এলাকায় পদমতি গ্রামে ক্যান্সারের সচেতনতা নিয়ে উঠান বৈঠক করেছে সংগঠনটি। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১২ টার দিকে ঝিনাইদহ জেলায় শৈলকূপা উপজেলার অাওতাধীন পদমতি গ্রামে এই উঠান বৈঠকের অায়োজন করে।“যদি ক্ষতির কারণ লজ্জা হয়, তাহলে অার লজ্জা নয়” এই স্লোগান নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনটি।স্কুল,কলেজ, বস্তি, গার্মেন্টসে সচেতনতার পর গ্রামের সাধারণ মা বোনদের সচেতনত করার উদ্দেশ্যে ক্যাপ উঠান বৈঠক নামের সচেতনতা প্রোগ্রাম শুরু করেছে। ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার পদমতি গ্রামের নারীদের মাঝে স্তন ক্যান্সার ও জরায়ুমুখ ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে “ক্যাপ কুষ্টিয়া জোন” (ইসলামী বিশ্ববি
শীতে পা ফাটা রোধের উপায়

শীতে পা ফাটা রোধের উপায়

সিএন নিউজ স্বাস্থ্য ডেস্কঃ-  বাংলায় একটা প্রবচন আছে, কোনো নারী কতোটা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও গোছানো স্বভাবের সেটা জানতে হলে তার পায়ের গোড়ালি লক্ষ করতে বলা হয়। এই ব্যাপারে এটা ভাবা হয়ে থাকে যে যে নারীর পা ও পায়ের গোড়ালি পরিষ্কার তার স্বভাবও হয় পরিষ্কার ও গোছানো স্বভাবের। তবে শীত এলেই পা ফাটা নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। ফাটা পা দেখতেও বিশ্রী লাগে। সবটুকু সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়ার জন্য একজোড়া ফাটা পা-ই যথেষ্ট। পা ফাটা নিয়ে বিব্রত হতে হবে বলে অনেকে ঘর থেকেই বের হতে চান না। কিন্তু ঘরে বসে থাকা তো আর সমাধান নয়। একটু সচেতন হয়ে যত্ন নিলেই এই শীতেও পা থাকবে কোমল ও পরিষ্কার। চলুন জেনে নিই, পা ফাটা দূর করার কয়েকটি কার্যকর উপায় পা ফাটার কারণ: ১. খালি পায়ে ঘোরার ফলে পায়ে এক ধরনের ফাঙ্গাস তৈরি হয়। এই ফাঙ্গাসটাই ধীরে ধীরে বেড়ে পায়ের গোড়ালিতে ছড়ায়। আর এর ফলেই পা ফেটে যায়। ২. আমরা বাড়িতে সাধ
আলকুশির ঔষধিগুণ

আলকুশির ঔষধিগুণ

মোঃ আল আমিন আলকুশি আমাদের বন-পাহাড়ে মোটামুটি সহজলভ্য। ইংরেজি নাম ভেলভেট বিন। একসময় লোকালয়ের ঝোপজঙ্গলেও অঢেল ছিল, এখন নেই বললেই চলে। তবে প্রাচীনকাল থেকেই এটি ঔষধি গাছ হিসেবে পরিচিত। রাজনিঘণ্টুতে এ গাছের উল্লেখ আছে। ভারতীয় বনৌষধি গ্রন্থেও এ গাছের অসংখ্য কার্যকর ব্যবহারের কথা উল্লেখ হয়েছে। গাছের স্বাদুরস বায়ু ও ক্ষয়নাশক, রক্তদোষ ও ব্রণনাশক। বীজ ভেঙে মাষকলাইয়ের সঙ্গে জুস বানিয়ে খেলে শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তা ছাড়া গাছের পরিপকস্ফ বীজ, শাক ও মূল বাতজ্বর এবং কৃমি প্রতিরোধে কার্যকর। বিছার কামড়ে বীজগুঁড়া ব্যবহারে সুফল পাওয়া যায়। গাছটি পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহার্য। ফল এক সময় কফির বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতো।  আলকুশি (গঁপঁহধ ঢ়ৎঁৎরবহং) বর্ষজীবী লতা, কখনও কখনও বহু বর্ষজীবী হতে পারে। প্রতি বছরে ১৫ মিটারের মতো লম্বা হয়। লতা ও পাতা শিমগাছের মতো। পত্রিকা প্রায় সাড়ে ১২ মিমি লম্ব
শীতের দিনে খেজুর খেলে কি হয় জানেন ?

শীতের দিনে খেজুর খেলে কি হয় জানেন ?

সিএন নিউজ স্বাস্থ্য ডেস্কঃ-  খেজুরকে ন্যাচারাল এনার্জি বল। কারণ মাত্র চারটি খেজুর আপনাকে যে পরিমাণ এনার্জি দেবে তা অন্য কোনো ফল থেকে পাবেন না। খেজুর এমন একটি শুকনো, মিষ্টি ফল যা আসলেই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। খেজুরের স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রচুর বলে খেজুর খাওয়া ভালো, বিশেষ করে শীতের দিনে। খেজুরে অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান যেমন- ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ন্যাচারাল গ্লুকোজ এবং ফাইবার থাকে যা শরীরকে উষ্ণ রাখার জন্য প্রয়োজনীয়। খেজুর খেলে প্রচুর শক্তি পাওয়া যায় বলে মুসলিম সম্প্রদায় ইফতারের সময় খেজুর খায়। শীতের সময়েও কেনো খেজুর খাবেন সে কারণগুলো জেনে নিই চলুন। ঠাণ্ডা নিরাময়ে সাহায্য করে যদি আপনি ঠাণ্ডার সমস্যায় ভোগেন তাহলে ২-৩ টি খেজুর, কয়েকটি গোলমরিচ এবং ১-২ টি এলাচ পানিতে দিয়ে সিদ্ধ হতে দিন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই দ্রবণটি পান করুন। এটি ঠাণ্ডা নিরাময়ে সাহায্য করবে। অ্যাজম
করিলে রক্ত দান, বাঁচিবে অনেক প্রাণ।

করিলে রক্ত দান, বাঁচিবে অনেক প্রাণ।

রক্ত দিন জীবন বাচান(স্বপ্নবাজ ফাউন্ডেশন) রক্তদান অাত্নমানবতার মহৎ সেবা। একমাত্র মানুষেই পারে মানুষকে রক্ত দিতে। -------------------------------------------------------------প্রতিনিয়ত  সড়ক দুর্ঘটনা, বিভিন্ন অপারেশন, অাগুনে পোড়া, থ্যামাসিমিয়া ও লিউকামিয়া আক্রান্ত এবং অনেক কারনে রক্তের প্রয়োজন হয়। অনরাধ সবার রক্তের গ্রুপ জেনে নিন। কেউ বিপদে পড়লে  তাদের পাশে দাড়াবেন। একজন সুস্থ মানুষ: ১৮-৫৫ বছর প্রতি ৩ মাস পর রক্ত দিতে পারে। নিজে রক্ত দিন, অন্যকে রক্ত দানে,উৎসাহিত করুন। অাপনার এই এক ব্যাগ রক্ত কোন অসহায় মানুষের জন্য দান করেন তাহলে হয়ত বেচেঁ যেতে পারে একটি জীবন । যদি আপনার ইচ্ছে থাকে অন্তত একটি জীবন বাচাঁতে চান, তাহলে দয়া করে আপনার রক্তের গ্রুপ এবং মোবাইল নাম্বার সহ আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। আপনার গ্রুপের রক্তের প্রয়োজন হলে আমরা অবশ্যই আপনার সাথে যোগাযোগ করে রক্ত ম্যানেজ করে দি
শীত আসছে, প্রস্তুত তো?

শীত আসছে, প্রস্তুত তো?

মোঃ আল আমিন ♦শীত দোরগোড়ায়। রাতভর কুয়াশা থাকে। আসে শিশিরভেজা ভোর। বাতাসে শুষ্কতা, যা ত্বকে টানটান একটা ভাব এনে দেয়। চুলও পড়ছে কারও কারও। শীত মানেই শুষ্কতা। তাই ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে প্রচুর পানি পান করা দরকার। মুখ ধোয়ার পর ও রাতে ঘুমানোর আগে ভালো করে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম লাগালে কিছুটা উপকার পাওয়া যায়। চাইলে অলিভ ওয়েলও লাগাতে পারেন। আরও ভালো হয় ত্বক খানিকটা ভেজা ভেজা থাকতেই এসব লাগাতে পারলে। শীতের একটা বড় সমস্যা ধুলোবালু। চুলের গোড়ায় এ সময় বেশি ময়লা জমে। তাই নিয়মিত শ্যাম্পু করা দরকার। খুশকি হলে ভালো কোনো খুশকিনিরোধক শ্যাম্পু ব্যবহার করা দরকার। শীত থেকে বাঁচতে অনেকে গরম পানি দিয়ে গোসল করেন। তবে বেশি গরম পানি ত্বককে আরও শুষ্ক করে দেয়। তাই হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করা ভালো। শুধু বাইরের যত্নই নয়; ত্বক ভালো রাখতে খাবারের ধরনেও বদল দরকার। প্রচুর পানি পান করতে হবে। শীতের নানা ধরনের সবজি, যেমন
সুপারি  যমের বাড়ি

সুপারি যমের বাড়ি

অনলাইন ডেস্কঃ- সুপারি চিবিয়ে কষ কষ মুখে কী যে সুখ, তা তাঁরাই জানেন। এতে দাঁতের চেহারা তো বদলে যায়ই, পিচিক করে মারা মুখের রস যেখানটায় পড়ে, এর রংটাও আর দর্শনযোগ্য থাকে না। এ দৃশ্য পাপুয়া নিউগিনির। এখানে সুপারির জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মুখের ক্যানসারও। আর এ পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে দেশটির সরকারকে। স্থানীয়ভাবে একে বলা হয় বুয়াই। পাপুয়া নিউগিনির লোকজনের বেশির ভাগেরই জীবন চলে সুপারি বিক্রি করে। স্থানীয়ভাবে জাতীয় এই অর্থকরী উপাদানকে ‘সবুজ সোনা’ বলা হয়। এটি পুরোপুরি করমুক্ত। স্থান, কাল ও চাহিদা অনুযায়ী একটি সুপারি ও সরষের স্টিক ৬ সেন্টস থেকে দেড় ডলারে বিক্রি হয়। ইস্ট নিউ ব্রিটেন প্রদেশে বার্ষিক সাংস্কৃতিক উৎসবে সবখানেই দেখা গেল, সবাই আচ্ছা করে সুপারি চিবোচ্ছে। সেখানে বাইনিং পাহাড়ি এলাকা থেকে পাঁচ সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন ফিলোমেনা নামের এক নারী। সন
যে কাঁদতে চায়, তাকে কাঁদতে দিন!

যে কাঁদতে চায়, তাকে কাঁদতে দিন!

মো মোশারফ হোসেন (রায়হান) কাউকে কাঁদতে দেখলেই আমরা মনে করি, নিশ্চয় মানুষটা খুব কষ্টে আছে। তাইতো আর সময় নষ্ট না তার কান্না থামাতে লেগে পরি। এমনটা করা কিন্তু একেবারেই উচিত নয়। মনে রাখবেন, কান্না মানেই সবসময় দুঃখ কিংবা খারাপ কিছু নয়। আনন্দের অতিশার্যেও মানুষ কেঁদে ফেলে। তাই যে কাঁদছে তাকে বরং আরও বেশি করে কাঁদতে দিন। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, কাঁদার সময় আমাদের শরীরের একাধিক উপকার হয়ে থাকে, যা নানাবিধ রোগকে দূরে রাখতে ভূমিকা রাখে। আর গবেষকরা বলেছেন, আসলে কেউ যখন কান্নাকাটি করে তখন শরীরের অন্দরে নানা পরিবর্তন হতে থাকে, যে কারণে নানা সুফল পাওয়া যায়। কান্নার আরও নানা উপকারিতা- ক্ষতিকর টক্সিন বেরিয়ে যায় সারাদিন নানাভাবে কিংবা নানা কারণে আমাদের রক্তে ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান মিশে থাকে। এসব ক্ষতিকর উপাদানগুলিকে যদি দেহ থেকে বার না করে দেওয়া যায়, তাহলে শরীরের উপর মারাত্নক কুপ্রভাব পরে। এ
নাক দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধে যা করবেন

নাক দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধে যা করবেন

সিএন নিউজ২৪ স্বাস্থ্য ডেস্কঃ-  নাক দিয়ে রক্ত পড়া খুব সাধারণ একটি সমস্যা না হলেও অনেকের ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। আমাদের দেহের নাকের ভিতরের রক্ত প্রবাহের নালীটি খুবই ক্ষুদ্র এবং নাক দেহের সবচেয়ে বেশি সেনসেটিভ অঙ্গ। যখনই নাকের এই রক্ত প্রবাহের নালীতে কোনো সমস্যা দেখা দেয় তখনই নাক দিয়ে রক্ত পড়ে। মাঝে মাঝে নাকের দুটো ছিদ্র দিয়েই রক্ত বের হয়ে থাকে। নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহের সমস্যা কয়েক সেকেন্ড হতে শুরু করে ১০ মিনিট পর্যন্তও স্থায়ী হয়ে থাকে। এই সমস্যাটি হওয়ার কিছু কারণ হল- মাথাঘোরা, শারীরিক দুর্বলতা, অত্যধিক মানসিক চাপ, মাথায় আঘাত পাওয়া এবং অনেক সময় অজ্ঞান হয়ে গেলেও নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহ হয়ে থাকে। যেকোনো ব্যক্তিরই নাক দিয়ে রক্তপ্রবাহ হতে পারে তবে বিশেষ করে ২ থেকে ১০ বছরের বাচ্চা এবং ৫০ থেকে ৮০ বছরের প্রাপ্ত বয়স্ক ও বৃদ্ধদের মধ্যে নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহের সমস্যা বেশি দেখা যায়। নাক দিয়ে রক্ত প্রবাহে
নাঙ্গলকোটে অসহায়দের মাঝে ফ্রি চক্ষু শিবির ও ঔষধ বিতরণ

নাঙ্গলকোটে অসহায়দের মাঝে ফ্রি চক্ষু শিবির ও ঔষধ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ- সিএন নিউজ২৪.কম নাঙ্গলকোট প্রবাসী কল্যাণ ইউনিটের সাধারন সম্পাদক সিএন নিউজ২৪ ডট'কমের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা বর্ণমালা সামাজিক সংঘের উপদেষ্টা ও সুইজারল্যান্ড প্রবাসী হাছানুজ্জামান (দাদা ভাই) এর উদ্যোগে নাঙ্গলকোট উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের দায়েমছাতী বাজার এস.এম জামাল ফার্মেসীতে অসহায় দুঃস্থ চক্ষু রোগীদের মাঝে ফ্রি চক্ষু শিবির ও ঔষধ বিতরণের আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বর্ণমালা সামাজিক সংঘের সভাপতি মেসলেহ উদ্দিন (নয়ন) সাধারন সম্পাদক জাবের মাহমুদ, সিএন নিউজ২৪.কমের নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল হালিম (দুলাল), সম্পাদক রবিউল হোসাইন (রাজু) ফখরুল ইসলাম, মাহবুব মিয়াজী, জামাল উদ্দিন, রিয়াজ, মামুন প্রমূখ।
প্রতিদিন কম ঘুমালে যেসব সমস্যা অনিবার্য

প্রতিদিন কম ঘুমালে যেসব সমস্যা অনিবার্য

সিএন নিউজ২৪ স্বাস্থ্য ডেস্কঃ-  কাজের চাপে কম ঘুমোচ্ছেন। সকালে তাড়াতাড়ি উঠছেন আবার রাতেও দেরি করে ঘুমোতে যাচ্ছেন। কখনও ৫ ঘণ্টা ঘুমোচ্ছেন আবার কখনও ৬ ঘণ্টা। ফলে অফিসে গিয়েও ঠিকমত কাজ করতে পারছেন না, ঝিমুনি আসছে। সবকিছু মিলিয়ে রাতে ঠিকঠাক ঘুম না হলে, পরের দিনটার সব কিছুতেই সমস্যা হয়। কিন্তু ঘুম না হলে আপনার শরীরের কতটা ক্ষতি হয় তা হয়তো জানেন না। গবেষকদের একাংশ বলছেন, প্রতিদিন যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হয়, তাহলে তার প্রভাব পড়বে আপনার স্বাস্থ্যের উপর। অর্থাৎ, দিনের পর দিন ঘুম কম হলে ওজন বেড়ে যাবে। ৮ ঘণ্টার কম ঘুমালে ওজন খুব দ্রুত বেড়ে যাবে। ১। ঘুম কম হলে যেমন দুর্বল লাগতে শুরু করবে তেমনি মেজাজও যাবে বিগড়ে। ঘুম কম হলে কাজেও ঘাটতি পড়ে। ২। শরীর সুস্থ রাখতে ৮ ঘণ্টা টানা আপনাকে ঘুমোতেই হবে। না হলে মানসিক অস্থিরতায়ও ভুগতে হতে পারে বলেও মনে করছেন গবেষকরা। ৩। ঘুম কম হলে হৃদ রোগের স
অনেক বেশি ঘাম হওয়া যেসব রোগের উপসর্গ

অনেক বেশি ঘাম হওয়া যেসব রোগের উপসর্গ

খুব গরম পড়লে অথবা খুব পরিশ্রম করলে ঘাম হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু অযথা যদি ঘাম হয় তাহলে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকেই আছেন যারা ঘামেন বেশি। এমনকি বসে বসেই অনেকেরই হাত ঘেমে যায়, আবার অনেকের পা-ও ঘেমে যায়। আমরা এই ব্যাপারগুলিকে খুব একটা পাত্তা দিই না। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এই অতিরিক্ত ঘাম হওয়া বিভিন্ন রোগের উপসর্গ। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে অতিরিক্ত ঘাম যে বিশেষ কিছু রোগের উপসর্গ প্রকাশ করে সেই সম্পর্কে জানব- ১। রক্তের শর্করার ওঠনামা করা ডায়াবেটিসে খুব স্বাভাবিক। ডায়াবেটিস রোগে স্নায়ুর ক্ষতি হয়। এসব কারণে এই রোগীদের প্রচুর ঘাম হতে পারে। তাই অযথা ঘাম হলে, প্রথমেই রক্তের শর্করা পরীক্ষা করুন। দরকার পড়লে চিকিৎসকের সাহায্য নিন। ২। যখন হার্ট রক্ত পাম্প করতে অসুবিধা বোধ করে, তখন অনেক বেশি চাপ বোধ হয়। এটি অতিরিক্ত ঘামের কারণ হয়। বেশি ঘাম হৃদরোগের একটি লক্ষণ। চিকিৎসকের মতে, বিন
খালি পেটে রসুন খাওয়ার যত উপকারিতা !

খালি পেটে রসুন খাওয়ার যত উপকারিতা !

মুহিব্বুল্লাহ আল হোসাইনী -------------------------------------------------------- অনেকের কাছেই সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়াটা ভীষণ অস্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে। কিন্তু খালি পেটে রসুন খাওয়া দেহের জন্য ভীষণ স্বাস্থ্যকর একটি ব্যাপার। খালি পেটে রসুন খেলে এমন কিছু উপকার হয়, যেটা অন্য খাবারের সাথে রান্না করা অবস্থায় খেলে হয় না। এটি শুধু বিভিন্ন ধরণের রোগ দূরই করে না, পাশাপাশি বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই খালি পেটে রসুন খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: অসংখ্য মানুষ যারা উচ্চ রক্তচাপের শিকার তারা দেখেছেন, রসুন খাওয়ার ফলে তাদের উচ্চ রক্তচাপের কিছু উপসর্গ উপশম হয়। রসুন খাওয়ার ফলে তারা শরীরে ভাল পরিবর্তন দেখতে পায়। শরীরকে ডি-টক্সিফাই করে: অন্যান্য ঔষধের তুলনায় শরীরকে ডি-টক্সিফাই করতে রসুন কার্যকরী ভূমি

স্বাস্থ্যের জন্য ভালো দুধ চা নাকি রঙ চা?

সিএন নিউজ ডেস্কঃ-  আমাদরে দৈনন্দিন জীবনের চা এক অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোড়ের আড্ডা, ক্লাসের ফাঁকে বা অফিসে কাজের মাঝে অলসতা তাড়াতে চাই এক কাপ চা। অনেকে চা ছাড়া যেন জীবন কল্পনাও করতে পারে না। কারো অভ্যাস থাকে চায়ের কাপে চুমুকের সঙ্গে প্রতিদিনের সংবাদপত্র পড়া। কেউ পছন্দ করে রঙ চা, কেউবা দুধ চা। যেহেতু চা আমাদের প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনের নিত্যসঙ্গী, সেহেতু এই বিভিন্ন রকমের চায়ে আমাদের স্বাস্থের জন্য কতটুকু উপকারী এবং কতটুকু ক্ষতি করছে তা জানা উচিত। জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক একটি পরীক্ষায় ১৬ জন নারীকে একবার রঙ চা, আরেকবার দুধ চা পান করতে দেন। তারপর প্রতিবারই আল্ট্রাসাউন্ড পদ্ধতিতে তাদের রক্তনালীর প্রসারণ মাপা হয়। এই পরীক্ষায় দেখা যায়, রঙ চা রক্তনালীর প্রসারণ ঘটায়। রক্তনালীর প্রসারণ উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রনে অত্যন্ত জরুরি। চায়ে থাকা ক্যাটেচিন রক্তনালীর প্রস

নাঙ্গলকোটে সামছুল হক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর শুভ উদ্ভোধন

মোঃ ইস্রাফিল হোসেন সুমন কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বটতলী বাজার সামছুল হক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর শুভ উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান আজ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। দৌলখাঁড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাস্টার এন.কে এম সিরাজুল আলমের সভাপতিত্বে উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সামছু উদ্দিন (কালু), বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মোঃ আবু ইউছুপ ভূঁইয়া, ডাঃ সফিকুর রহমান ভূঁইয়া, ঢালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হাছান বাছির ভূঁইয়া, মৌকারা ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহের, ঢালুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবলীগের প্রভাবশালী সদস্য আবুল খায়ের বিএসসি (বিএড)। নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক মামুন, বটতলী ইউনিয়ন যুবলীগে
লটকন ফলের অসাধারণ গুণ

লটকন ফলের অসাধারণ গুণ

এম এম এইচ রায়হানঃ- লটকনকে ইংরেজিতে বলা হয় বার্মিজ গ্রেপ। টক-মিষ্টি ফল লটকন আমাদের দেশে অনেকের কাছে প্রিয় একটি ফলে পরিণত হয়েছে। লটকন এখন শুধু অতি পরিচিত ফলই নয় বরং অতি প্রয়োজনীয় ফলে পরিচিতি লাভ করেছে। লটকন খেলে মুখে রুচি আসে। লটকন গাছ দক্ষিণ এশিয়ায় বুনো গাছ হিসেবে জন্মালেও বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে বাণিজ্যিক চাষ হয়। বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মাটি বেশ উপযোগী লটকন উৎপাদনের জন্য। লটকন উৎপাদন এলাকা : বাংলাদেশের সর্বত্র এ ফলের চাষ হলেও নরসিংদী, গাজীপুর, নেত্রকোনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেটে বেশি চাষ হয়। বেশি লাভের কারণে নরসিংদীর শিবপুর, বেলাব ও মনোহরদী উপজেলার শত শত চাষি বর্তমানে লটকন চাষ করে অর্থনৈতিক সাফল্য ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। লটকন ফলের পুষ্টিগুণ : লটকনে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে আমিষ, চর্বি, লৌহ এবং খনিজ পদার্থ। প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনের খাদ্যশক্তি প্রায় ৯২ কিলোক
জেনে নিন পেঁয়াজের উপকারিতা-

জেনে নিন পেঁয়াজের উপকারিতা-

মাহবুব আলমঃ- দৈনন্দিন জীবনে পেঁয়াজের গুরুত্ব অপরিসীম। পেঁয়াজ ছাড়া বাঙালির রান্নাঘর বন্ধ। বেশিরভাগ রান্নায়ই পেঁয়াজের দরকার পড়ে। খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি ছাড়াও পেঁয়াজে রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। একটি বড় পেঁয়াজে ৮৬.৮ শতাংশ পানি, ১.২ শতাংশ প্রোটিন, ১১.৬ শতাংশ শর্করা জাতীয় পদার্থ, ০.১৮ শতাংশ ক্যালসিয়াম, ০.০৪ শতাংশ ফসফরাস ও ০.৭ শতাংশ লোহা থাকে। এছাড়া পেঁয়াজে ভিটামিন এ, বি ও সি আছে। রান্নার কাজে ছাড়াও আরো অনেক প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয় পেঁয়াজ। জেনে রাখুন পেঁয়াজের উপকারিতা- * ক্যান্সার রোধ করে: প্রতিদিন পেঁয়াজ খেলে ক্যান্সার রোধ করা সম্ভব। ক্যান্সার কোষগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পায়। যা রোধে প্রতিদিন পেঁয়াজ খান। দেখবেন শরীরে একটা ক্যান্সার প্রতিরোধক কোষ তৈরি হয়ে যাবে। * যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি করে: মানুষের যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি করে পেঁয়াজ। প্রতিদিন এক টেবিল চামচ পেঁয়াজ ও এক চামচ আদার রস মিশিয়ে খেয়ে নিন। দিনে তিনবার। আপনা
যে সকল খাবারে রুচি বাড়ে

যে সকল খাবারে রুচি বাড়ে

সিএন নিউজ ডেস্কঃ-  অসুখ ছাড়াও মাঝেমধ্যে নানা কারণে খাবারে অরুচি দেখা দিতে পারে। অসুখ সেরে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যায় এ ধরনের সমস্যা। তবে সমস্যা যদি হয় কেবল ক্ষুধামন্দা, তবে প্রাকৃতিক উপায়ে রুচি বাড়াতে খেতে পারেন কিছু ভেষজ খাবার। চলুন জেনে নেয়া যাক কোন কোন খাবার খেলে বাড়বে রুচি- -আমলকী: ১/৪ গ্লাস লেবুর রস ও আধা গ্লাস আমলকীর রসের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু মেশান। পানীয়টি পান করুন নিয়মিত। ক্ষুধাবোধ বাড়বে। – পুদিনা: কয়েকটি তাজা পুদিনা পাতা সংগ্রহ করুন। পানিতে পুদিনা পাতা সেদ্ধ করুন। এক চিমটি এলাচ গুঁড়া ও সামান্য চিনি মিশিয়ে পানি ছেঁকে নিন। পানীয়টি পান করুন। ক্ষুধা বেড়ে যাবে। – আদা: প্রতিদিন এক টুকরা কাঁচা আদা চিবিয়ে খান। রুচি বাড়বে। – গোলমরিচ গুঁড়া: ১ টেবিল চামচ গুঁড়ের সঙ্গে এক চিমটি গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে খান। বাড়বে ক্ষুধাবোধ। – এলাচ: চা ও অন্যান্য খাবারে এলাচ দিতে পারেন। এটি রুচি বা
পেটে কৃমির উপসর্গ ও তার প্রতিকার

পেটে কৃমির উপসর্গ ও তার প্রতিকার

মাঝেমধ্যেই পেটে ব্যথার সমস্যা রয়েছে আমাদের মাঝে অনেকেরই। কিন্তু এর পেছনে নানাবিধ কারণ থাকতে পারে। যার মধ্যে একটা অবশ্যই কৃমি। আপনার শরীরে কৃমি যে বাসা বেঁধেছে, সেটা বোঝার উপায় অবশ্যই রয়েছে। অবসাদে ভোগা, অস্থিরতা, মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার ইচ্ছে, রক্তাল্পতা এবং আয়রন কমে যাওয়া, খিদে না পাওয়া, অকারণে ক্লান্ত হয়ে পড়া, খাবারে অ্যালার্জি, মাড়ি থেকে রক্তপাত হওয়া, এমনকী আত্মহত্যার প্রবণতাও কৃমির উপসর্গ। এই সমস্ত উপসর্গগুলি মোটেই খুব ভাল লক্ষ্মণ নয়। এই উপসর্গগুলি দেখা দিলে ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই পেটে কৃমি থাকার সম্ভাবনা বেশি। ওষুধ থাকলেও কৃমির হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করাই সবচেয়ে ভাল। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন কৃমির হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি- ১। কাঁচা রসুন- কাঁচা রসুন অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। রসুন প্রায় ২০ ধরনের ব্যাকট
থানকুনি পাতার ঔষধি গুণ

থানকুনি পাতার ঔষধি গুণ

এস আই ইমরানঃ-আপনাদের চারপাশে এমন কিছু ভেষজ আছে যেগুলো শুধু আপনার ব্যয়ই কমাবে তাই নয়, সাথে সাথে রোগ থেকেও পরিত্রাণ দিবে আপনাকে। থানকুনি এমনি একটি উপকারী ভেষজ। চিকিৎসার অঙ্গণে থানকুনি পাতার অবদান অপরিসীম। প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বহু রোগের উপশমই হয় এই থানকুনির ভেষজ তেল থেকে। খাদ্য উপায়ে থানকুনি সরাসরি গ্রহণ রোগ নিরাময়ে যথার্থ ভূমিকা পালন করে। অঞ্চলভেদে এর বিভিন্ন নামে ডাকা হয়। যেমন- থানকুনি, টেয়া, মানকি, তেতুরা, আদামনি, দোলামনি, থুলকুঁড়ি, মানামানি ইত্যাদি। এটি সাধারণত পুকুরের তীরে পাওয়া যায়। ডাক্তাররা বলেন, যদি আপনি থানকুনি নিয়মিত খেতে পারেন তাহলে আপনাকে আর পেটের ব্যথাতে ভুগতে হবে না। আবার এটা শুধুমাত্র ঊষর প্রান্তর তাজা রাখে তাই নয় বরং বুদ্ধি বিকাশেও সাহায্য করে। এটি শৈশব থেকেই খেতে পারেন। তারুণ্য ধরে রাখতে এবং সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে থানকুনি অনেক উপকারী। আসুন থানকুনির আরও কিছু ব্যবহা
চিকনগুনিয়া

চিকনগুনিয়া

মোঃ মাহবুবঃ-- সম্প্রতি ঢাকায় চিকনগুনিয়া নামের ভাইরাসজনিত জ্বরের প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। ক্রমেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। চিকনগুনিয়া মশাবাহিত একটি রোগ। ডেঙ্গু রোগের ভাইরাস যে এডিস মশা বহন করে, সেই মশাই চিকনগুনিয়া ভাইরাসের বাহক। এই রোগের নির্দিষ্ট প্রতিকার নেই। লক্ষণ দেখে চিকিৎসা ঠিক করা হয়। বর্ষাকালে থেমে থেমে বৃষ্টি হয়। বৃষ্টির পানি অনেকের বাসাবাড়ির ছাদে বা বারান্দার টবে জমে থাকে। আর এসব স্থানে এডিস মশা ডিম পাড়ে। চিকনগুনিয়ায় আক্রান্ত হলে প্রথম দিন থেকেই রোগীর তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যায়। কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে, আর প্রায়ই তা ১০৪/১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় উঠে যায়। একই সঙ্গে প্রচণ্ড মাথাব্যথা, শরীরব্যথা এবং বিশেষ করে হাড়ের সংযোগে ব্যথা হয়। জ্বর চলে যাওয়ার পর শরীরে লাল র্যাশ ওঠে। জ্বর ভালো হলেও রোগটি অনেক দিন ধরে রোগীকে ভোগায়। নারীরা তুলনামূলকভাবে এই রোগে বেশি আক্রান্ত হন