প্রচ্ছদ / প্রচ্ছদ / করোনাকালে মানবিক অবদানের জন্য বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সম্মাননা পেলেন ফুলপুরের ২ করোনাযোদ্ধা

করোনাকালে মানবিক অবদানের জন্য বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সম্মাননা পেলেন ফুলপুরের ২ করোনাযোদ্ধা

 

মিজানুর রহমান সুজন
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

নভেল করোনাভাইরাস চীনের উহানে প্রথমে শনাক্ত হয় এবং ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের প্রায় সবদেশে। বাদ যায়নি আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশও। ৮মার্চ ২০২০ খ্রীঃ বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় করোনা আক্রান্ত রোগী। করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও লগডাউন অবস্থা জারি করা হয়েছিলো। ফলে কর্মহারা হয়ে পড়েছিলেন দেশের অধিকাংশ মানুষ। একদিকে করোনার ভয় অন্যদিকে পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেওয়াই ছিলো বাড়ির কর্তার নিকট সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। করোনার সেই ভয়াবহ মুহুর্তেও মানবিক কাজে থেমে থাকেনি কয়েকজন মানবিক যুদ্ধা। আর তাই বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি পূর্বের তুলনায় অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে।
বিশ্বের দরবারে করোনা নতুন ভাইরাস হওয়াই এবং কোন রকম প্রতিষেধক না থাকায় সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছিল জনসচেতনতা তথা স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করাকে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সেটাই ছিলো বড় বাধা। ঠিক সেই সময় কিছু মানুষ নিজের জীবনের মায়াকে তুচ্ছজ্ঞান করে করোনার লড়াইয়ে রেখেছেন বিশেষ অবদান।

যে অবদানের কথা সাধারণ মানুষ কখনোই ভুলতে পারবে না। তেমনই কিছু মানবিক যুদ্ধাদের সম্মাননা স্বারক দিয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাব। ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলার ৩২ জন মানবিক যুদ্ধাদের নির্বাচন করে ১৩অক্টোবর ভাষা শহিদ আব্দুল জব্বার মিলনায়তনে তাঁদের হাতে সম্মাননা স্বারক তুলে দেওয়া হয়।

ফুলপুর উপজেলা থেকে সম্মাননা স্বারক পেয়েছেন গ্রামাউসের নির্বাহী পরিচালক জনাব মো: আব্দুল খালেক এবং হেলডস্ ওপেন স্কাউট গ্রপে’র সম্পাদক তাসফিক হক নাফিও।

গ্রামাউসের নির্বাহী পরিচালক মো: আব্দুল খালেক করোনাকালীন সময়ে ফুলপুর উপজেলার করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পাশাপাশি মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি, জিবাণুনাশক স্প্রেসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেন। নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিজের এনজিও সংস্থার কিস্তি কার্যক্রম বন্ধ রাখেন। অন্যদিকে হেলডস্ ওপেন স্কাউট গ্রুপ লিডার তাসফিক হক নাফিও বাংলাদেশে করোনা আবির্ভাব হওয়ার আগে শুরু করেছিলেন করোনা প্রতিরোধে লিফলেট বিতরণের কাজ। সচেতন করেছিলেন সাধারণ মানুষকে। করোনাকালীন আত্মীয় স্বজনদের থেকে নিজেকে কোয়ারেন্টিনে রেখে মানুষের সেবায় ডাকবাংলোতে কাটিয়েছেন প্রায় ৪মাস। সরকারি ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সহযোগিতা, জীবাণুনাশক স্প্রে, লিফলেট বিতরণ, কোয়ারেন্টিনে আঁটকে পড়া মানুষের ঘরে খাবার পৌছানো, লকডাউনে উৎসাহিত করা, করোনায় আক্রান্তদের সার্বিক সহযোগিতা এবং করোনা রোগীর দাফনকাজেও অংশ নেন।

এছাড়াও চেক করুন

ইবিতে শেখ রাসেলের জন্মদিন উদযাপন

ইবি প্রতিনিধি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শেখ রাসেল হলের আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের …