প্রচ্ছদ / সারাদেশ / লোহাগড়ায় ছাত্রী উত্ত্যক্তের জেরে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ

লোহাগড়ায় ছাত্রী উত্ত্যক্তের জেরে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ

নড়াইল সংবাদদাতা:-

নড়াইলের লোহাগড়া সরকারি কলেজে ছাত্রী উত্ত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার উক্ত সংঘর্ষের ঘটনায় তিন ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন- উপজেলার ঝিকড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তার শেখের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী সজিব শেখ (২১), নোয়াপাড়া গ্রামের সোহরাব গাজীর ছেলে কলেজছাত্র বিপ্লব গাজী (১৯), চর মল্লিকপুর গ্রামের ফারমান ইসলামের ছেলে পিয়াস (২০)। আহতদের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, লোহাগড়া উপজেলার লোহাগড়া ইউনিয়নের তেতুলিয়া গ্রামের মৃত মোঃ হাফিজুর রহমানের মেয়ে লোহাগড়া সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রাখি মনি গত বধুবার সকাল ১১ টায় এসাইনমেন্ট জমা দেওয়ায় জন্য তার ভাই রাকিবুল ইসলামকে সাথে নিয়ে কলেজে যান। তারা কলেজে যাবার পথে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সজিব মুসল্লী ও ছত্রলীগকর্মী সজীব শেখ তাদের গতিরোধ করে কুপ্রস্তাব দেয়। এতে তার ভাই রাকিবুল ইসলাম প্রতিবাদ করলে তারা রকিবুলকে মারধর করে চলে যায়। এ সময় নারী উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় ছাত্রলীগ কর্মী পিয়াসকে (২০) রড দিয়ে পিটিয়ে আহত সজীব মুসল্লী ও সজীব শেখ। উক্ত ঘটনার জেরে ছাত্রলীগ কর্মী পিয়াসের ভাই যুবলীগ নেতা পলাশ মাহমুদ কলেজের সাধারণ ছাত্রদের নিয়ে প্রতিবাদ করেন। এসময় কথা-কাটাকাটির জেরে ইভটিজিংকারী সজীব শেখকে বেধড়ক পিটুনি দেয় শিক্ষার্থীরা।

উক্ত ঘটনার জেরে ছাত্রলীগ নেতা সজীব মুসল্লী ও সজীব শেখ তাদের লোকজন নিয়ে পুনরায় হামলা করে। উক্ত হামলায় কলেজ ছাত্রলীগের আরেক কর্মী বিপ্লব গাজীকে গুরুতর আহত করে সন্ত্রাসীরা।

এবিষয়ে উত্ত্যক্তের শিকার কলেজছাত্রী রাখি মনির মা রোমেচা বেগম বলেন, আমার মেয়ে রাখি মনি লোহাগড়া সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। ওই কলেজের শিক্ষার্থী সজীব মুসল্লী ও সজীব শেখ দীর্ঘদিন যাবৎ আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে এবং কুপ্রস্তাব দেয়। আমার মেয়ে এ প্রস্তবে সাড়া না দেওয়ায় তারা আরও বেশি উৎসাহিত হয়ে আমার মেয়ের পিছু লেগেছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।

এ বিষয়ে লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আকবর হোসেন জানান, কলেজের গেটের সামনে ছাত্রলীগের ছেলেদের মধ্যে বিরোধ হয়েছে শুনেছি। কলেজ ক্যাম্পাসে কোন ঘটনা ঘটেনি।

লোহাগড়া থানার ওসি (তদন্ত) হরিদাস রায় বলেন, মারপিটের ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সজিব মুসল্লী, মোহাম্মদ, মামুন, তপু ও ছুরবানকে আটক করা হয়েছিল। পরে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতির জিম্মায় আটককৃতদের ছেড়ে দিয়েছি।

এছাড়াও চেক করুন

মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান জুবায়েদ হতে চান কুমিল্লা (দঃ) জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক

সিএন ডেস্কঃ- বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি শাখা কুমিল্লা (দঃ) জেলা। আর এই জেলা ছাত্রলীগের …